এখানে সঠিক উত্তর হলো জনগণের ভাষা। কারণ, 'প্রাকৃত' শব্দটি এসেছে 'প্রকৃতি' থেকে, যার সহজ অর্থ হলো সাধারণ মানুষ বা জনসমাজ। অতীতে রাজপ্রাসাদ বা পন্ডিতদের ভাষা আলাদা থাকলেও সাধারণ মানুষ যে ভাষায় নিজেদের মধ্যে কথা বলত এবং মনের ভাব প্রকাশ করত, তাকেই প্রাকৃত ভাষা বলা হতো। এটি মূলত প্রাকৃতজন বা সাধারণ মানুষের মুখের বুলি থেকেই গড়ে উঠেছে।