দোভাষী পুঁথি বলতে মূলত এমন এক ধরনের সাহিত্যকে বোঝায়, যেখানে বাংলা ভাষার পাশাপাশি আরবি, ফারসি বা হিন্দি শব্দের সংমিশ্রণ ঘটানো হয়েছে। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে এই ধরনের রচনার ব্যাপক প্রচলন ছিল।
সহজ কথায় এটি বোঝার উপায় হলো:
তাই, যখনই দেখবেন কোনো পুঁথিতে একাধিক ভাষার শব্দের মিশেল রয়েছে, তখনই তাকে দোভাষী পুঁথি হিসেবে চিহ্নিত করা যায়।