এখানে সঠিক উত্তর হলো গান। চর্যাপদ মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের সাধনসঙ্গীত বা আধ্যাত্মিক গান। হরপ্রসাদ শাস্ত্রী চর্যাপদের পুথি আবিষ্কারের পর এর নাম দিয়েছিলেন 'হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় রচিত বৌদ্ধ গান ও দোহা'। এর প্রতিটি পদ এক একটি নির্দিষ্ট রাগে গাওয়া হতো, তাই এটি মূলত কবিতার চেয়ে গান হিসেবেই বেশি পরিচিত।