গামা রশ্মির চার্জের বিষয়টি বুঝতে হলে আমাদের এর প্রকৃতি সম্পর্কে একটু পরিষ্কার ধারণা রাখতে হবে। গামা রশ্মি মূলত এক ধরনের উচ্চশক্তির তড়িৎচৌম্বকীয় তরঙ্গ, যার কোনো ভর বা স্থির চার্জ নেই। তবে এটি যখন পদার্থের মধ্য দিয়ে যায়, তখন এটি বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় (যেমন: পেয়ার প্রোডাকশন) অংশগ্রহণ করতে পারে।
সহজ কথায় এর কারণগুলো হলো:
গাণিতিকভাবে, এই প্রক্রিয়ায় গামা রশ্মির শক্তি $E$ থেকে উৎপন্ন কণাগুলোর মোট শক্তি হয়: $$E = 2m_0c^2$$ এখানে $m_0$ হলো ইলেকট্রন বা পজিট্রনের নিশ্চল ভর এবং $c$ হলো আলোর বেগ। এই শক্তির রূপান্তরই প্রমাণ করে যে গামা রশ্মি চার্জের উৎস হিসেবে কাজ করতে সক্ষম।