এখানে সঠিক উত্তর হলো ছোট তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের শব্দের দ্বারা ইমেজিং।
খুব সহজ কথায়, আলট্রাসনোগ্রাফিতে আমাদের কান শুনতে পায় না এমন উচ্চ ফ্রিকোয়েন্সি বা ছোট তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের শব্দ (Ultrasonic Sound) শরীরের ভেতর পাঠিয়ে সেখান থেকে ফিরে আসা প্রতিধ্বনি ব্যবহার করে ভেতরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের নিখুঁত ছবি বা ইমেজিং করা হয়। এতে কোনো ক্ষতিকর এক্স-রে বা তেজস্ক্রিয়তার ঝুঁকি থাকে না।