এখানে সঠিক উত্তর হলো সুশাসনের জন্য উচ্চ শিক্ষিত কর্মকর্তা। কারণ ন্যায়পরায়ণতার মূল ভিত্তি হলো নৈতিকতা, সাম্য এবং আইনের শাসন, যা সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য।
বিষয়টি সহজভাবে বুঝতে নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:
- ন্যায়পরায়ণতা মূলত অধিকার, সুযোগের সমতা এবং আইনের শাসনের ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠে।
- একজন কর্মকর্তা উচ্চ শিক্ষিত হলেই তিনি ন্যায়পরায়ণ হবেন—এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। নৈতিকতা বা ন্যায়পরায়ণতা মূলত ব্যক্তির মূল্যবোধ ও আচরণের সাথে সম্পর্কিত, শিক্ষাগত যোগ্যতার সাথে নয়।
- পুরস্কার, শাস্তি এবং আইনের প্রয়োগে নিরপেক্ষ থাকাই হলো ন্যায়পরায়ণতার মূল কথা, যা একজন শিক্ষিত বা স্বল্প শিক্ষিত—উভয় ধরনের ব্যক্তির পক্ষেই সম্ভব।
সহজ কথায়, উচ্চ শিক্ষা সুশাসনের সহায়ক হতে পারে, কিন্তু এটি ন্যায়পরায়ণতার কোনো নৈতিক মূলনীতি নয়।