এখানে সঠিক উত্তর হলো হ। খুব সহজেই মনে রাখার একটা দারুণ টেকনিক আছে—আমাদের ফুসফুস থেকে আসা বাতাস যখন কোনো বাধা ছাড়াই সরাসরি কণ্ঠনালীর ভেতর দিয়ে বেরিয়ে আসে, তখন যে ধ্বনি তৈরি হয় তাকে কণ্ঠনালীয় ব্যঞ্জনধ্বনি বা স্বরযন্ত্রীয় ধ্বনি বলা হয়। বাংলা বর্ণমালায় হ উচ্চারণ করার সময় স্বরযন্ত্রে কোনো বাধা পায় না এবং সরাসরি কণ্ঠ থেকে উচ্চারিত হয়। তাই এটি একটি কণ্ঠনালীয় ব্যঞ্জনধ্বনি।