বিসিএস, প্রাইমারি, ব্যাংক, স্কুল ও কলেজ পরীক্ষার সকল বিষয়ের পূর্ণাঙ্গ প্রশ্ন, উত্তর ও বিশ্লেষণ
সঠিক উত্তর হলো মাতৃধূল। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ সুফিয়া কামালের সাহিত্যকর্মের তালিকাটি আমাদের জানা থাকলে এটি সহজেই আলাদা করা যায়।
সহজ কথায়, সুফিয়া কামালের কাব্যগ্রন্থের নামের সাথে 'মায়া' বা প্রকৃতির গভীর অনুভূতির মিল পাওয়া যায়, যা দিয়ে আপনি খুব দ্রুত অপশনগুলো যাচাই করে নিতে পারেন।
এখানে সঠিক উত্তর হলো গৃহবন্দি। সুফিয়া কামালের জন্ম ১৯১১ সালে, যে সময়ে বাঙালি মুসলিম নারীদের সমাজে কঠোর পর্দা প্রথার মধ্যে থাকতে হতো। তখন পড়াশোনা বা ঘরের বাইরে যাওয়ার কোনো সুযোগ ছিল না বললেই চলে এবং মেয়েদের জীবন মূলত চার দেওয়ালের মাঝে অর্থাৎ গৃহবন্দি অবস্থাতেই কাটত।
এখানে সঠিক উত্তর হলো Option A: প্রকৃতি ও মানবমনের।
‘তাহারেই পড়ে মনে’ কবিতায় শীতের রিক্ত প্রকৃতি এবং কবির শোকাতুর মানবমন একসূত্রে গাঁথা হয়েছে। প্রকৃতির রূপ পরিবর্তনের সাথে সাথে মানুষের মনের সুপ্ত বেদনা ও স্মৃতিকাতরতা কীভাবে জেগে ওঠে, এই কবিতায় তারই এক গভীর ও শিল্পসম্মত প্রকাশ ঘটেছে। মূলত প্রকৃতির রুক্ষ রূপের সাথে মানবমনের না পাওয়ার বেদনা এখানে চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
এখানে সঠিক উত্তর হলো Option B: তাহারেই পড়ে মনে ভুলিতে পারি না কোনো মতে।
বিষয়টা খুব সহজ! উদ্দীপকের চরণে প্রিয়জনকে বিদায় জানানোর বেদনা এবং তাকে কিছুতেই ভুলতে না পারার যে ব্যাকুলতা প্রকাশ পেয়েছে, ঠিক একই রকম না ভোলার তীব্র অনুভূতি সুফিয়া কামালের 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতার মূল সুরের সঙ্গে গভীরভাবে মিলে যায়। দুটি জায়গাতেই স্মৃতির পাতা থেকে হারিয়ে যাওয়া প্রিয় মানুষের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা ও না ভোলার বেদনা প্রধান হয়ে উঠেছে।
এখানে সঠিক উত্তর হলো Option A: রিক্ততার হাহাকারে। কবিতাটির মূল ভাব ও সুর বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, কবির মন এক গভীর শূন্যতা এবং না পাওয়ার বেদনায় ভারাক্রান্ত। চারপাশের হারিয়ে যাওয়া দিনগুলোর স্মৃতি আর প্রাপ্তির খাতার শূন্যতাই এখানে প্রধান হয়ে উঠেছে, যা খুব সহজেই আমাদের মনকে বিষণ্ণতায় আচ্ছন্ন করে তোলে।
এখানে সঠিক উত্তর হলো কুয়াশার চাদর।
‘তাহারেই পড়ে মনে’ কবিতায় সুফিয়া কামাল শীতকালের সকালের প্রকৃতি ফুটিয়ে তুলতে এই রূপকটি ব্যবহার করেছেন। ‘কুহেলি’ শব্দের অর্থ কুয়াশা এবং ‘উত্তরী’ শব্দের অর্থ চাদর বা ওড়না। তাই ‘কুহেলি উত্তরী’ বলতে মূলত শীতের সকালে চারপাশ ঢেকে থাকা কুয়াশার চাদরকে বোঝানো হয়েছে, যা শীতের আমেজ ও প্রকৃতির রূপ ফুটিয়ে তোলে।
এখানে সঠিক উত্তর হলো বসন্ত-বন্দনা রচনা প্রসঙ্গে। কথাটি খুব সুন্দর একটি ভাব প্রকাশ করে—কবি বা লেখক যেন বসন্তকে বরণ করে গান বা কবিতা লেখার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, কিন্তু কোনো কারণে তা আর হয়ে ওঠেনি। তাই একটু আক্ষেপ করে বলা হয়েছে যে, এবার আর বসন্তের বন্দনা বা প্রশংসা করা হলো না তো কী হয়েছে, তাতে আর এমন কী ক্ষতি!
এখানে সঠিক উত্তর হলো Option A: কবির।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত 'দুই বিঘা জমি' কবিতায় এই চারণটি এসেছে। কবিতার মূল চরিত্র কুসুমের মতো সরল কৃষক সত্যচরণ যখন তার সাধের দুই বিঘা জমি হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে সাধু সেজে দেশভ্রমণে বের হয়, তখন প্রকৃতির নানা রূপ তাকে মুগ্ধ করে। কবিতায় 'শিখা' বা প্রদীপের রূপকের মাধ্যমে কবির নিজের মনের অন্তর্নিহিত অনুভুতি এবং হৃদয়ের আকূতিই প্রকাশ পেয়েছে। তাই এখানে প্রদীপের মুখ দিয়ে যা বলানো হয়েছে, তা মূলত কবিরই মনের কথা।
এখানে সঠিক উত্তর হলো কবির প্রথম স্বামীকে। সুফিয়া কামালের ‘তাহারেই পড়ে মনে’ কবিতায় কবি প্রকৃতির রূপান্তরের মধ্য দিয়ে তাঁর প্রয়াত স্বামী সৈয়দ নেহাল হোসেনকেই স্মরণ করেছেন। শীতের রিক্ততার মাঝে বসন্তের আগমন ঘটলেও কবির মন বসন্তের বন্দনায় মুখর হয় না; বরং তাঁর অতীতে হারিয়ে যাওয়া প্রিয়জনের স্মৃতি ও শূন্যতাই বারবার বড় হয়ে ধরা পড়ে। তাই কবিতায় ‘তাহারেই’ বলতে মূলত কবির জীবনের প্রথমাগত সেই প্রিয় মানুষটিকেই নির্দেশ করা হয়েছে।
এখানে সঠিক উত্তর হলো উদাসীনতা। পংক্তিতে বসন্তের মতো একটি সুন্দর ও প্রাণবন্ত ঋতুর প্রতি তীব্র অনীহা বা পরোয়া না করার ভাব প্রকাশ পেয়েছে। আর এই না ভাব বা পাত্তা না দেওয়ার অনুভূতিকেই খুব সুন্দরভাবে উদাসীনতা হিসেবে বোঝানো হয়েছে।
এখানে সঠিক উত্তর হলো কবির।
সাহিত্য বা কবিতার ভাবার্থ অনুযায়ী, অনেক সময় শীতের রিক্ততা পেরিয়ে আসা বসন্তের আনন্দ বা উল্লাস সাধারণ মানুষের মনে দোলা দিলেও, বিরহী বা বিষণ্ণ হৃদয়ের মানুষের কাছে তা যন্ত্রণাদায়ক মনে হতে পারে। বিশেষ করে কবির মন যখন গভীর কোনো বেদনা বা ভাবনায় আচ্ছন্ন থাকে, তখন চারপাশের এই উৎসবমুখর প্রকৃতি ও বসন্তের রূপ তাঁকে আনন্দ দেওয়ার পরিবর্তে উল্টো তীব্র বিমুখতা ও বিরক্তির জন্ম দেয়। তাই কবির কাছেই বসন্তের প্রতি এই তীব্র বিমুখতা লক্ষ্য করা যায়।
এখানে সঠিক উত্তর হলো উদাসীনতা। কারণ কোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় চোখের সামনে ঘটার পরও যদি কারো মধ্যে কোনো আগ্রহ, প্রতিক্রিয়া বা মনোযোগ না দেখা যায়, তবে তাকে কবিমনের উদাসীনতা হিসেবে প্রকাশ করা হয়। প্রশ্নোক্ত পঙ্ক্তিতে চারপাশের বাস্তবতার প্রতি ঠিক এই ধরনের উদাসীন মনোভাবেরই প্রকাশ ঘটেছে।
এখানে সঠিক উত্তর হলো: Option A: বেদনার সাগরে নিমজ্জিত থাকায়।
কবিতায় কবির মন সবসময় গভীর কোনো বেদনা বা দুঃখের সাগরে ডুবে থাকে। চারপাশে যতই সুন্দর কিছু থাকুক না কেন, এই দুঃখবোধের কারণে বাইরের সেই রূপ বা সৌন্দর্য কবির মনে কোনো রেখাপাত করতে পারে না বা তাকে স্পর্শ করতে ব্যর্থ হয়। কারণ, কবির হৃদয় তখন কানায় কানায় বেদনায় পূর্ণ থাকে।
এখানে সঠিক উত্তর হলো কোথা তব নব পুষ্পসাজ?। কারণ, প্রকৃতিতে ফাগুন বা বসন্তের আগমন ঘটলেও কবির মনে যেন তার কোনো সাড়া বা আনন্দ নেই। এই উদাসীনতা ও না পাওয়ার বেদনা থেকেই কবি প্রশ্ন করেছেন—তার সেই পরিচিত নব পুষ্পসাজ আজ কোথায়?
এখানে সঠিক উত্তর হলো Option C: কবির বেদনাতুর হৃদয়ের জন্য।
বিষয়টা খুব সহজ—প্রকৃতিতে বসন্তের রূপ-রস ও নতুন পাতার সমারোহ ঠিকই চলে এসেছে, কিন্তু প্রিয়জন হারানোর গভীর শোকে কবির মন একেবারেই ভারাক্রান্ত ও বেদনাতুর। আর তাই বাইরের এই অপরূপ সৌন্দর্য তাঁর মনে কোনো আনন্দের বা সাড়ার সৃষ্টি করতে পারে না।
ফিল্টার নির্বাচন করে প্রশ্নের তালিকা পরিবর্তন করুন:
ব্যক্তিগত সহায়তা এবং আপনার কোর্স, পরীক্ষা ও পেমেন্ট হিস্ট্রি দেখতে অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
* চ্যাটবট সরাসরি অ্যাকাউন্ট তৈরি বা লগইন করতে পারে না।