বিসিএস, প্রাইমারি, ব্যাংক, স্কুল ও কলেজ পরীক্ষার সকল বিষয়ের পূর্ণাঙ্গ প্রশ্ন, উত্তর ও বিশ্লেষণ
এখানে সঠিক উত্তর হলো প্রিয়জন কাছে নেই।
বিষয়টা খুব সহজ! কবিদের কাছে ঋতুরাজ বসন্ত মানেই তো আনন্দ, ফুল আর ভালোবাসার এক অপরূপ সৌন্দর্য। কিন্তু যার জীবনে কোনো বিশেষ মানুষ বা প্রিয়জন কাছে নেই, তার কাছে এই খুশির ঋতুও অর্থহীন আর বিষাদময় মনে হয়। চারপাশের সবকিছু রঙিন থাকলেও মনের মানুষ পাশে না থাকলে বসন্তের আনন্দ ফিকে হয়ে যায়।
এখানে সঠিক উত্তর হলো Option A: প্রিয়জনের মৃত্যু।
খুব সহজভাবে বলতে গেলে, জীবনে যখন কোনো গভীর শোক বা আপন মানুষের বিয়োগ ঘটে, তখন চারপাশের সবকিছু অর্থহীন মনে হয়। বসন্ত বা ঋতুরাজকে আমরা সাধারণত আনন্দ ও উল্লাসের প্রতীক হিসেবে জানি; কিন্তু মনে যখন গভীর বেদনা থাকে, তখন এই বাহ্যিক সৌন্দর্য বা ঋতুরাজের রূপ কবির মনে কোনো আনন্দ জাগাতে পারে না। প্রিয়জনের হারানোর শোকেই মূলত কবি ঋতুরাজকে উপক্ষো করেছেন।
এখানে সঠিক উত্তর হলো শোকে।
‘তাহারেই পড়ে মনে’ কবিতায় শীতের আগমনে প্রকৃতি নিষ্প্রভ ও রিক্ত। কিন্তু কবির মন আরও বেশি ভারাক্রান্ত ও উদাসীন, কারণ প্রিয়জনের বিয়োগব্যথা বা হারানোর শোক তাকে গ্রাস করে রেখেছে। এই গভীর শোকের আতিশয্যেই কবি সবকিছু থেকে নিজেকে গুটিয়ে নিয়ে নীরব হয়ে আছেন।
এখানে সঠিক উত্তর হলো নাটকীয়।
সুফিয়া কামালের ‘তাহারেই পড়ে মনে’ কবিতাটি পড়ার সময় মনে হবে যেন কোনো মঞ্চে দুই ব্যক্তির মধ্যে কথোপকথন চলছে। কবি এবং এক কৌতূহলী প্রকৃতির অনুসারীর মধ্যকার এই সংলাপ বা কথকতার ঢঙের জন্যই কবিতাটির গঠনরীতি মূলত নাটকীয় বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত।
এখানে সঠিক উত্তর হলো শীত। আমাদের দেশে শীতকাল মানেই সকালবেলা চারপাশ কুয়াশায় ঢেকে থাকা। শীতের সকালে প্রকৃতি কুয়াশার চাদর গায়ে জড়িয়ে হাজির হয়—এই সুন্দর ও পরিচিত রূপটিই কবিতায় বা সাহিত্যে এভাবেই প্রকাশ করা হয়েছে।
এখানে সঠিক উত্তর হলো মাধবী।
সুফিয়া কামালের 'তাহারেেই পড়ে মনে' কবিতায় শীতের রিক্ততার মাঝেও প্রকৃতির রূপ বদলের কথা বলতে গিয়ে মাধবী ফুলের কুঁড়ি না ফোটার আক্ষেপের প্রসঙ্গটি এসেছে। কবি প্রকৃতির মাঝে বসন্তের আগমন খুঁজলেও চারপাশ তখনো উদাসীন ও রিক্ত ছিল, যেখানে মাধবী লতার কুঁড়িগুলোও গন্ধ ছড়ানোর অপেক্ষায় প্রহর গুণছিল।
এখানে সঠিক উত্তর হলো শীতকাল কুয়াশার চাদর গায়ে বিদায় নেয়।
কবি সুফিয়া কামালের ‘তাহারে পড়ে মনে’ কবিতায় শীতকালকে রূপক অর্থে ‘মাঘের সন্ন্যাসী’ বলা হয়েছে। প্রকৃতির বুক থেকে যখন শীত বিদায় নেয়, তখন তার পরনে থাকে কুয়াশার সাদা চাদর। সন্ন্যাসীদের যেমন পার্থিব মোমোহ বা জমকালো সাজসজ্জা থাকে না, তেমনি শীতও কুয়াশার শাদা আবরণে নিজেকে জড়িয়ে নিঃশব্দে ও রিক্তহাতে প্রকৃতি থেকে বিদায় নেয়—এই সাদৃশ্যটুকুই এখানে সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
এখানে সঠিক উত্তর হলো সর্বনাম।
খুব সহজভাবে মনে রাখার উপায় হলো— কোনো নামবাচক শব্দের পরিবর্তে যে পদ ব্যবহার করা হয়, তাকেই সর্বনাম পদ বলে। এখানে ‘তাহারেই’ শব্দটি দ্বারা কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তির নাম সরাসরি না বুঝিয়ে তার পরিবর্তে ব্যবহৃত হয়েছে, তাই এটি একটি সর্বনাম পদ।
এখানে সঠিক উত্তর হলো দুটি। কারণ 'তাহারে পড়ে মনে' কবিতায় মূলত কবি এবং তাঁর এক অনুরাগীর কথোপকথন বা আবেশ ফুটে উঠেছে। এই দুই চরিত্রের উপস্থিতি কবিতার ভাবকে সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলতে সাহায্য করেছে।
এখানে সঠিক উত্তর হলো Option A: জননী সাহসিকা। কবি সুফিয়া কামালকে বাংলা সাহিত্য ও নারী আন্দোলনে তাঁর অসামান্য অবদান এবং সাহসিকতার জন্য 'জননী সাহসিকা' উপাধিতে ভূষিত করা হয়। বাংলা সংস্কৃতির এই বরেণ্য ব্যক্তিত্ব সর্বদা অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন বলেই তাঁকে এই সম্মানসূচক উপাধি দেওয়া হয়।
এখানে সঠিক উত্তর হলো Option B: কবির ভক্ত।
সফিউদ্দীন আহমেদের বিখ্যাত ‘তাহারেই পড়ে মনে’ কবিতায় শীতের রিক্ততা শেষে বসন্ত এলেও কবির মনে কোনো আনন্দ বা উৎসাহ ছিল না। এমন সময় কবির ভক্ত এসে কবিকে অনুরোধ করেন বসন্তের বন্দনাগীত রচনা করার জন্য। কিন্তু কবির উদাসীন মন সেই অনুরোধ রাখতে পারেনি, বরং প্রকৃতির রূপের মাঝেও তিনি হারিয়ে গেছেন তার হারানো দিনের স্মৃতির মাঝে।
এখানে সঠিক উত্তর হলো তাহারে পড়ে মনে। কারণ, এই কবিতায় কবি সুফিয়া কামালের ব্যক্তিগত জীবনের দুঃখ, বেদনা এবং তাঁর স্বামীর মৃত্যুর পর প্রকৃতি ও জীবনের প্রতি একাকীত্ব ও শূন্যতার ছায়াপাত খুব সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে।
এখানে সঠিক উত্তর হলো ১৯৩২ সাল।
কবি সুফিয়া কামালের প্রথম স্বামী সৈয়দ নেহাল হোসেন ছিলেন তাঁর সাহিত্যচর্চার এবং জীবনের অন্যতম বড় প্রেরণাদাতা। ১৯২৬ সালে তাঁদের বিয়ে হলেও, ১৯৩২ সালে তিনি হঠাৎ মারা যান। এই মর্মান্তিক ঘটনার পর কবির জীবনে গভীর শোক নেমে আসে, যা তাঁর সাহিত্যযাত্রায় এক অন্য মাত্রা যোগ করেছিল।
এখানে সঠিক উত্তর হলো স্কুল-কলেজে পড়ার সুযোগ ছিল না।
বিষয়টা খুব সহজ—কবি সুফিয়া কামালের জন্ম এমন এক সময়ে হয়েছিল, যখন সমাজে নারীদের আধুনিক শিক্ষালাভের তেমন কোনো সুযোগ ছিল না। বিশেষ করে রক্ষণশীল মুসলিম পরিবারগুলোতে মেয়েদের চার দেয়ালের মাঝে বন্দী রাখা হতো এবং প্রাতিষ্ঠানিক বা স্কুল-কলেজে পড়ার কোনো বালাই ছিল না বললেই চলে। তাই তৎকালীন সামাজিক প্রেক্ষাপটে নারীদের পিছিয়ে পড়ার এটিই ছিল মূল চিত্র।
এখানে সঠিক উত্তর হলো Option A: লবে না।
কবি গুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত গান "বসন্তে বরিয়া তুমি লবে না তব বন্দনায়" থেকে এই পক্তিটি নেওয়া হয়েছে। এখানে সাধু রীতির ব্যবহার থাকায় 'নিবে' বা 'নেবে' না হয়ে সঠিক রূপটি হবে লবে না।
ফিল্টার নির্বাচন করে প্রশ্নের তালিকা পরিবর্তন করুন:
ব্যক্তিগত সহায়তা এবং আপনার কোর্স, পরীক্ষা ও পেমেন্ট হিস্ট্রি দেখতে অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
* চ্যাটবট সরাসরি অ্যাকাউন্ট তৈরি বা লগইন করতে পারে না।