বিসিএস, প্রাইমারি, ব্যাংক, স্কুল ও কলেজ পরীক্ষার সকল বিষয়ের পূর্ণাঙ্গ প্রশ্ন, উত্তর ও বিশ্লেষণ
সঠিক উত্তর হলো দুই মিলিয়ন। মহাজাগতিক কিউরেটরের গদ্যে মানুষের বিবর্তনের ইতিহাস ও সময়ের ব্যাপ্তি নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে এই সংখ্যাটি উল্লেখ করা হয়েছে।
সহজভাবে মনে রাখার উপায়:
তাই পরীক্ষার খাতায় বা কুইজে এই ধরনের প্রশ্নের ক্ষেত্রে সরাসরি ২ মিলিয়ন সংখ্যাটি মনে রাখলেই চলবে।
এখানে সঠিক উত্তর হলো মানুষ। মহাজাগতিক কিউরেটরের গদ্যে লেখক অত্যন্ত তীক্ষ্ণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন যে, পৃথিবীর ভারসাম্য নষ্ট করার পেছনে মানুষের ভূমিকা সবচেয়ে বেশি।
সহজ কথায়, প্রকৃতির স্বাভাবিক নিয়মকে বাধাগ্রস্ত করে এবং পৃথিবীকে বসবাসের অযোগ্য করে তোলার জন্য মানুষই দায়ী, তাই একেই শ্রেষ্ঠ ধ্বংসকারী বলা হয়েছে।
সঠিক উত্তর হলো কুকুর। মহাজাগতিক কিউরেটরের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে দেখলে বিষয়টি বেশ মজার। মানুষ মূলত নিজের প্রয়োজনে এবং নিরাপত্তার খাতিরেই কুকুরকে পোষ মানিয়েছে।
সহজ কথায়, মানুষের জীবনযাত্রার সাথে কুকুরের এই গভীর মেলবন্ধনই তাদের পোষ মানানোর মূল কারণ।
সঠিক উত্তর হলো টিকটিকি। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ প্রাণীদের শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের পদ্ধতির ওপর ভিত্তি করে এদের দুই ভাগে ভাগ করা যায়।
যেহেতু টিকটিকি নিজের শরীরের তাপমাত্রা বাইরের পরিবেশের সাথে মানিয়ে নেয়, তাই এটি একটি শীতল রক্তবিশিষ্ট প্রাণী।
সঠিক উত্তর হলো DNA। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায়:
এখানে সঠিক উত্তর হলো মানুষের বুদ্ধিহীনতার কারণে। বিষয়টি আসলে বেশ সহজ। আমাদের চারপাশের পরিবেশ বা রোগবালাই নিয়ন্ত্রণে আমরা যখন সঠিক জ্ঞান বা দূরদর্শিতার পরিচয় দিতে পারি না, তখনই কিট বা ক্ষতিকর জীবাণুরা শক্তিশালী হয়ে ওঠে।
এখানে সঠিক উত্তর হলো আত্মকেন্দ্রিকতার কারণে। বিষয়টা আসলে খুব সহজ—মানুষ যখন কেবল নিজের স্বার্থ বা সুবিধা নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ে, তখনই সে প্রকৃতির ভারসাম্য বা অন্যের ক্ষতির কথা ভুলে যায়।
সহজ কথায়, নিজের স্বার্থপরতা বা আত্মকেন্দ্রিক মানসিকতাই মানুষকে তার নিজের বিপদ ডেকে আনার মূল কারণ হিসেবে কাজ করে।
সঠিক উত্তর হলো ওজোন স্তর। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এভাবে:
সহজ কথায়, দূষণের কারণে এই রক্ষাকবচটি দিন দিন পাতলা হয়ে যাচ্ছে বলেই একে শেষ হয়ে যাওয়া বা ক্ষয় হওয়া বলা হয়।
অন্যান্য প্রাণী থেকে মানুষ আলাদা হওয়ার মূল কারণ হলো বুদ্ধি বিবেচনা। যদিও অনেক প্রাণী দলবদ্ধভাবে থাকে বা সামাজিক আচরণ দেখায়, কিন্তু মানুষের মতো জটিল চিন্তা করার ক্ষমতা, বিচার-বুদ্ধি প্রয়োগ করা এবং ভবিষ্যতের পরিকল্পনা করার সক্ষমতা অন্য কোনো প্রাণীর নেই।
সহজ কথায়, আমাদের এই চিন্তাশক্তি ও বিচারবুদ্ধিই আমাদের অন্যান্য প্রাণী থেকে আলাদা করেছে।
সঠিক উত্তর হলো: এরা দল বেঁধে ঘুরে বেড়ায়।
কুকুরদের পছন্দ হওয়ার পেছনে তাদের সামাজিক স্বভাব বড় ভূমিকা রাখে। বিষয়টি খুব সহজভাবে এভাবে বোঝা যায়:
সহজ কথায়, একা থাকার চেয়ে সঙ্গীদের সাথে দল বেঁধে থাকতেই এরা বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে, আর এই গুণটিই মানুষকে তাদের প্রতি আকৃষ্ট করে।
সঠিক উত্তর হলো তৃণভোজী। এর কারণটা খুব সহজ:
তাই খাদ্যভ্যাসের ওপর ভিত্তি করে হরিণকে নিঃসন্দেহে তৃণভোজী প্রাণী বলা হয়।
সঠিক উত্তর হলো আকারে ছোট। এর পেছনের কারণটা বেশ মজার এবং সহজ:
ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়ার নমুনা সংগ্রহ না করার মূল কারণ হলো এরা আকারে অতি বিচিত্র। বিষয়টি একটু সহজভাবে বুঝে নেওয়া যাক:
সহজ কথায়, এদের অতি ক্ষুদ্র এবং বিচিত্র গঠনের কারণেই এদের নমুনা সংগ্রহ করা সাধারণ প্রক্রিয়ায় সম্ভব হয়ে ওঠে না।
পিপড়াকে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ জাতি হিসেবে গণ্য করার মূল কারণ হলো তাদের অসাধারণ জীবনধারা। এখানে সঠিক উত্তর হলো পরিশ্রমী, সুসংহত, সামাজিক প্রাণী, কারণ:
সহজ কথায়, তাদের এই কঠোর পরিশ্রম, নিয়মমানুবর্তিতা এবং একে অপরের প্রতি সহযোগিতামূলক মনোভাবই তাদের প্রকৃতির অন্যতম শ্রেষ্ঠ প্রাণীতে পরিণত করেছে।
সব প্রাণীর নিয়ন্ত্রণ বা জীবন প্রক্রিয়ার মূল ভিত্তি হলো একই সেল বা কোষ। বিষয়টি খুব সহজ—পৃথিবীর প্রতিটি জীবন্ত প্রাণীর গঠন শুরু হয় একটি মাত্র কোষ থেকে।
সহজ কথায়, জীবনের যাবতীয় জৈবিক কার্যক্রম এবং নিয়ন্ত্রণের মূল কেন্দ্রবিন্দু হলো সেই আদি কোষটি, যা থেকে পুরো প্রাণীর সৃষ্টি হয়। তাই সঠিক উত্তর হলো একই সেল থেকে।
ফিল্টার নির্বাচন করে প্রশ্নের তালিকা পরিবর্তন করুন:
ব্যক্তিগত সহায়তা এবং আপনার কোর্স, পরীক্ষা ও পেমেন্ট হিস্ট্রি দেখতে অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
* চ্যাটবট সরাসরি অ্যাকাউন্ট তৈরি বা লগইন করতে পারে না।