বিসিএস, প্রাইমারি, ব্যাংক, স্কুল ও কলেজ পরীক্ষার সকল বিষয়ের পূর্ণাঙ্গ প্রশ্ন, উত্তর ও বিশ্লেষণ
এখানে সঠিক উত্তর হলো ১৪৩। কোনো মৌলের নিউট্রন সংখ্যা বের করার নিয়মটা খুবই সহজ। আমাদের শুধু ভরসংখ্যা থেকে পারমাণবিক সংখ্যা বিয়োগ করতে হবে।
এভাবেই খুব সহজে আমরা যেকোনো মৌলের নিউট্রন সংখ্যা বের করে ফেলতে পারি!
এখানে সঠিক উত্তর হলো 180°। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় ভেক্টরের লব্ধির সূত্র থেকে।
দুটি সমান ভেক্টর যদি একে অপরের বিপরীত দিকে কাজ করে, তবেই তাদের লব্ধি বা যোগফল শূন্য হয়। গাণিতিকভাবে বিষয়টি এভাবে কাজ করে:
সহজ কথায়, দুটি ভেক্টর যখন বিপরীতমুখী হয়, তখন তারা একে অপরকে পুরোপুরি নাকচ করে দেয়, ফলে লব্ধি শূন্য হয়ে যায়।
একটি গোলকের পৃষ্ঠতলের ক্ষেত্রফল বের করার নিয়মটি বেশ সহজ। জ্যামিতিক নিয়ম অনুযায়ী, একটি গোলকের ব্যাসার্ধ $r$ হলে, এর সম্পূর্ণ পৃষ্ঠতলের ক্ষেত্রফল হয়:
ক্ষেত্রফল = $4\pi r^2$
সহজভাবে মনে রাখার উপায়:
এখানে সঠিক উত্তর হলো অণুগুলোর গতিশক্তি। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় গ্যাসের গতিতত্ত্বের একটি সাধারণ সমীকরণ থেকে।
সহজ কথায়, তাপমাত্রা বাড়লে অণুগুলোর ছোটাছুটির শক্তিও সেই অনুপাতে বেড়ে যায়, তাই গতিশক্তি দ্বিগুণ হওয়াটাই স্বাভাবিক।
এখানে সঠিক উত্তর হলো শূন্য। বিষয়টি খুব সহজভাবে চিন্তা করুন:
সহজ কথায়, সর্বোচ্চ উচ্চতায় পৌঁছানো মানেই হলো বস্তুটির গতির সমাপ্তি ঘটা, তাই সেখানে বেগ সবসময় শূন্য থাকে।
বেগ বনাম সময় লেখচিত্রের ঢাল বলতে আমরা মূলত সময়ের সাথে বেগের পরিবর্তনের হারকে বুঝি। পদার্থবিজ্ঞানের সহজ নিয়ম অনুযায়ী, সময়ের সাথে বেগের এই পরিবর্তনের হারই হলো ত্বরণ।
বিষয়টি গাণিতিকভাবে এভাবে দেখা যায়:
সহজ কথায়, লেখচিত্রের ঢাল যত খাড়া হবে, বস্তুর বেগের পরিবর্তনের হার বা ত্বরণ তত বেশি হবে। তাই সঠিক উত্তর হলো ত্বরণ।
সঠিক উত্তর হলো পীড়ন। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:
সহজ কথায়, বলের দিক থাকার কারণে পীড়নেরও দিক বিবেচনা করতে হয়, তাই এটি ভেক্টর রাশির অন্তর্ভুক্ত।
সঠিক উত্তর হলো দূরত্ব। নাম শুনে মনে হতে পারে এটি সময়ের একক, কিন্তু আসলে তা নয়। মহাকাশের বিশাল দূরত্ব মাপার জন্য আলোক বর্ষ ব্যবহার করা হয়।
সহজভাবে বিষয়টি এভাবে মনে রাখতে পারো:
অর্থাৎ, আলোক বর্ষ কোনো সময়ের পরিমাপ নয়, বরং এটি মহাকাশের এক বিন্দু থেকে অন্য বিন্দুর মধ্যবর্তী বিশাল দূরত্ব পরিমাপের একটি একক।
এখানে সঠিক উত্তর হলো ভালোবাসা। শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘বিলাসী’ গল্পে লেখক এই গভীর অনুভূতির কথা বুঝিয়েছেন।
বিষয়টা খুব সহজভাবে দেখলে বোঝা যায়:
এখানে সঠিক উত্তর হলো গুরুচণ্ডালীর দোষ। বিষয়টি খুব সহজ, একটু খেয়াল করলেই বুঝতে পারবেন:
সহজ কথায়, সাধু ও চলিত রীতির এমন খিচুড়ি পাকানোই এখানে ভুল হওয়ার মূল কারণ।
এখানে সঠিক উত্তর হলো সালমাদের দুঃখের শেষ নেই। কারণ বিষয়টি বেশ সহজ:
সহজ কথায়, যখন কোনো বিশেষ নিয়মে বা নামের সাথে বিভক্তি যুক্ত হয়ে বহুবচন তৈরি হয়, তখন তাকে বিশেষ নিয়মে সাধিত বহুবচন বলা হয়। তাই এই বাক্যে 'সালমাদের' শব্দটি সেই নিয়মটিই অনুসরণ করেছে।
এখানে সঠিক উত্তর হলো বঞ্চনা ও লাঞ্ছনা। বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী এই শব্দ দুটি একদম নির্ভুল।
সহজভাবে মনে রাখার কিছু কৌশল:
বানানের ক্ষেত্রে সবসময় খেয়াল রাখবে, যুক্তবর্ণগুলো যেন সঠিক নিয়মে থাকে। এই দুটি শব্দই বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম মেনে চলে, তাই এগুলোই শুদ্ধ বানান গুচ্ছ।
এখানে সঠিক উত্তর হলো জটিল বাক্য। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় যদি আমরা বাক্যের গঠনটা একটু খেয়াল করি।
জটিল বাক্য চেনার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো এর গঠন। এই বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্যের ওপর অন্য একটি আশ্রিত খণ্ডবাক্য নির্ভর করে। এখানে লক্ষ্য করুন:
সহজ কথায়, এখানে একটি খণ্ডবাক্য অন্যটির পরিপূরক হিসেবে কাজ করছে বলেই এটি একটি জটিল বাক্য।
সঠিক উত্তর হলো পলিমাটির।
কবিতাটিতে কবি আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ আমাদের পূর্বপুরুষদের মাটির সাথে গভীর সম্পর্কের কথা তুলে ধরেছেন। আমাদের পূর্বপুরুষরা ছিলেন মূলত কৃষক, যারা তাদের কঠোর পরিশ্রম আর ঘাম দিয়ে এই বদ্বীপের মাটিকে উর্বর করে তুলেছিলেন। তাদের হাতের তালুতে লেগে থাকা সেই পলিমাটির সৌরভই আসলে আমাদের শেকড়ের পরিচয় বহন করে।
‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতায় কবি শামসুর রাহমান বর্ণমালাকে নক্ষত্র-এর সঙ্গে তুলনা করেছেন। এর পেছনের কারণটি বেশ কাব্যিক ও গভীর:
সহজ কথায়, বর্ণমালার পবিত্রতা ও উজ্জ্বলতাকে বোঝাতেই কবি একে আকাশের নক্ষত্রের সাথে তুলনা করেছেন।
ফিল্টার নির্বাচন করে প্রশ্নের তালিকা পরিবর্তন করুন:
ব্যক্তিগত সহায়তা এবং আপনার কোর্স, পরীক্ষা ও পেমেন্ট হিস্ট্রি দেখতে অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
* চ্যাটবট সরাসরি অ্যাকাউন্ট তৈরি বা লগইন করতে পারে না।