বিসিএস, প্রাইমারি, ব্যাংক, স্কুল ও কলেজ পরীক্ষার সকল বিষয়ের পূর্ণাঙ্গ প্রশ্ন, উত্তর ও বিশ্লেষণ
এখানে সঠিক উত্তর হলো Option B। কারণ এটি একটি 'Noun Clause' বা বাক্যের অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
সহজভাবে মনে রাখার উপায়:
যদি আমরা Option C ব্যবহার করতাম, তবে সেটি প্রশ্নবোধক বাক্যের মতো শোনাত, যা এই বাক্যের কাঠামোর সাথে মানানসই নয়।
এখানে সঠিক উত্তর হলো Gerund। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় যদি আমরা এর কাজ দেখি:
যেহেতু এখানে 'Walking' কোনো কাজ চলমান থাকা বোঝাচ্ছে না, বরং একটি বিষয়ের নাম বোঝাচ্ছে, তাই এটি নিশ্চিতভাবেই একটি Gerund।
এখানে সঠিক উত্তর হলো the essential point in a discussion।
ইংরেজি এই বাগধারাটির (idiom) মাধ্যমে মূলত কোনো আলোচনা, বিতর্ক বা ব্যবসার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তকে বোঝানো হয়। কোনো দীর্ঘ আলোচনার শেষে যে মূল বিষয় বা সারসংক্ষেপ উঠে আসে, তাকেই খুব সহজে ‘the bottom line’ বলা হয়।
এখানে সঠিক উত্তর হলো বিরামহীন : অবসন্ন। এই সম্পর্কটি মূলত একটি বিপরীতমুখী বা বৈপরীত্যমূলক সম্পর্ক। বিষয়টি খুব সহজভাবে এভাবে বোঝা যায়:
সহজ কথায়, বিরামহীন অবস্থার ঠিক বিপরীত বা শেষ পরিণতি হলো অবসন্নতা। তাই এই জোড়াটিই এখানে সবচেয়ে যৌক্তিক এবং বিশুদ্ধ সম্পর্ক।
এখানে সঠিক উত্তর হলো ভালোবাসা। শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘বিলাসী’ গল্পে লেখক মানুষের মনের গভীর অনুভূতির কথা বলতে গিয়ে এই শক্তির কথা উল্লেখ করেছেন।
বিষয়টা খুব সহজভাবে দেখলে বোঝা যায়:
এখানে সঠিক উত্তর হলো শব্দতত্ত্বের দোষ।
বাক্যটিতে 'রাজমুকুট' শব্দের বহুবচন বোঝাতে 'সকল' ব্যবহার করা হয়েছে। ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, 'মুকুট' বা 'রাজমুকুট' শব্দের সঙ্গে 'সকল' বা 'সব' যুক্ত করা ব্যাকরণসম্মত নয়। কারণ মুকুট নিজেই একবচন বা সমষ্টিগত রূপের দ্যোতক, যা শব্দতত্ত্ব বা রূপতত্ত্বের নিয়মের ত্রুটি বা অপপ্রয়োগ নির্দেশ করে।
ভাববাচক বিশেষ্য মূলত ক্রিয়া পদ থেকে তৈরি হয়। বিষয়টি খুব সহজ, যখন কোনো কাজ বা ক্রিয়াকে বিশেষ্য হিসেবে ব্যবহার করা হয়, তখনই তা ভাববাচক বিশেষ্য হয়ে ওঠে। যেমন:
সহজ কথায়, কোনো কাজের নাম বা ভাব যখন বিশেষ্যের মতো কাজ করে, তখন তাকেই আমরা ভাববাচক বিশেষ্য বলি। তাই এর মূল উৎস সবসময়ই একটি ক্রিয়া থাকে।
এখানে সঠিক উত্তর হলো সালামাদের দুঃখের শেষ নেই।
কারণটা খুব সহজ:
এখানে সঠিক উত্তর হলো বন্ধনা, লাক্ষণা। ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এই শব্দগুলোর গঠন ও বানান সম্পূর্ণ সঠিক। বানান শেখার সময় সবসময় তৎসম ও অতৎসম শব্দের সঠিক রূপগুলো খেয়াল রাখতে হয়, যা পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
এখানে সঠিক উত্তর হলো জটিল বাক্য।
খুব সহজেই চেনার উপায় হলো—যে বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্যের ওপর এক বা একাধিক আশ্রিত বা অধীন খণ্ডবাক্য নির্ভরশীল থাকে এবং মাঝখানে 'যে', 'সে', 'যিনি', 'তিনি', 'যদি', 'তাহলে' বা এ জাতীয় সাপেক্ষ সর্বনাম থাকে, সেটাই জটিল বাক্য।
সঠিক উত্তর হলো পলিমাটির। কবি আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ তাঁর 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' কবিতায় আমাদের পূর্বপুরুষদের মাটির সাথে গভীর সম্পর্কের কথা তুলে ধরেছেন।
সহজভাবে মনে রাখার উপায়:
এখানে সঠিক উত্তর হলো Option A: নক্ষত্র।
আল মাহমুদ তাঁর বিখ্যাত ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতায় শহীদের রক্তে রাঙানো সেই দিনের বসন্তকালকে একুশের শহীদের স্মৃতির সাথে মিলিয়ে ‘নক্ষত্র’-এর সাথে তুলনা করেছেন। কবিতাটি পড়লে খুব সহজেই এই রূপকটি মাথায় গেঁথে যায়, যেখানে শহীদের অম্লান চেতনা নক্ষত্রের মতো দ্যুতি ছড়ায়।
এখানে সঠিক উত্তর হলো Option A: সংলাপ নির্ভর। কারণ সুফিয়া কামালের ‘তাহারেই পড়ে মনে’ কবিতাটি কবি ও প্রকৃতিপ্রেমী এক ব্যক্তির মধ্যে কথোপকথন বা সংলাপের আকারে রচিত হয়েছে। এখানে প্রশ্নের মাধ্যমে কবিতার মূল ভাব ফুটিয়ে তোলা হয়েছে, যা একে একটি অনন্য সংলাপনির্ভর শিল্পকর্ম করে তুলেছে।
এখানে সঠিক উত্তর হলো পরোপকার।
পঙক্তিটির অর্থ হলো—যে মানুষটি আমার ক্ষতি করেছে বা আমার ঘর ভেঙে দিয়েছে, আমিও তার বিপদে এগিয়ে যাব এবং তার ঘর বেঁধে দেব। অর্থাৎ, নিজের অনিষ্টকারীরও ভালো করা বা উপকার করার উদার মানসিকতাই এখানে প্রকাশ পেয়েছে। তাই খুব সহজেই বলা যায়, এটি নিঃস্বার্থ পরোপকারের এক অনন্য নিদর্শন।
‘সোনার তরী’ কবিতাটি মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত। এই ছন্দটি চেনার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো এর ধ্বনি বা মাত্রার বিন্যাস।
সহজ কথায়, যে ছন্দে শব্দের মাত্রাগুলো একটি নির্দিষ্ট ছন্দের তালে তালে প্রবাহিত হয় এবং পড়ার সময় একটি ধীর-স্থির ছন্দময় গতি পাওয়া যায়, সেটিই মাত্রাবৃত্ত। ‘সোনার তরী’ কবিতার সেই বিশেষ গীতিময়তা ও মাত্রার সুষম বিন্যাসই একে মাত্রাবৃত্ত ছন্দের অনন্য উদাহরণ করে তুলেছে।
ফিল্টার নির্বাচন করে প্রশ্নের তালিকা পরিবর্তন করুন:
ব্যক্তিগত সহায়তা এবং আপনার কোর্স, পরীক্ষা ও পেমেন্ট হিস্ট্রি দেখতে অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
* চ্যাটবট সরাসরি অ্যাকাউন্ট তৈরি বা লগইন করতে পারে না।