বিসিএস, প্রাইমারি, ব্যাংক, স্কুল ও কলেজ পরীক্ষার সকল বিষয়ের পূর্ণাঙ্গ প্রশ্ন, উত্তর ও বিশ্লেষণ
এখানে সঠিক উত্তর হলো i ও iii। কারণটা খুব সহজ—
এখানে সঠিক উত্তর হলো বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ ঐতিহাসিক ছয়-দফা দাবি প্রথম ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে বিরোধী দলগুলোর এক সম্মেলনে উত্থাপন করেছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। পরবর্তীতে একই বছরের ১ মার্চ তিনি আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার পর আনুষ্ঠানিকভাবে দলের পক্ষ থেকেও এই কর্মসূচি প্রচার শুরু করেন।
এখানে সঠিক উত্তর হলো Option D: i, ii ও iii। সার্ক (SAARC) গঠনের মূল উদ্দেশ্যগুলোর মধ্যে দক্ষিণ এশিয়ার জনগণের জীবনযাত্রার মান উন্নত করা অন্যতম। পাশাপাশি, সদস্য দেশগুলোর মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানো এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ঘটানোও এর মূল লক্ষ্যগুলোর অন্তর্ভুক্ত। তাই সবগুলো বিবৃতিই সঠিক।
এখানে সঠিক উত্তর হলো Option A: প্রধানমন্ত্রী।
তোমার পাঠ্যবইয়ের আলোচনা অনুযায়ী, সমিতির 'ক' অংশের সভাপতি পদটি রাষ্ট্রের সরকারপ্রধান বা কার্যনির্বাহী প্রধান অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রী-কে নির্দেশ করে। বিষয়টি সহজে মনে রাখার জন্য এই পদগুলোর সাংবিধানিক গুরুত্ব মাথায় রাখতে পারো।
এখানে সঠিক উত্তর হলো i, ii ও iii। কারণ একজন সুনাগরিক হতে হলে তাকে অবশ্যই নিচের গুণগুলো অর্জন করতে হবে:
তাই রাষ্ট্রের শান্তি, শৃঙ্খলা এবং উন্নয়নের স্বার্থে এই তিনটি দায়িত্বেরই গুরুত্ব সমানভাবে রয়েছে।
এখানে সঠিক উত্তর হলো জনশক্তি রপ্তানির হার বৃদ্ধি।
বিষয়টা খুব সহজ! ওআইসি (OIC) ভুক্ত মুসলিম দেশগুলোর সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর ও বন্ধুত্বপূর্ণ। এই সুসম্পর্কের কারণে মধ্যপ্রাচ্যসহ ওআইসিভুক্ত বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের দক্ষ ও অর্ধদক্ষ কর্মী বা জনশক্তি রপ্তানির সুযোগ প্রতি বছর উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা আমাদের দেশের অর্থনীতিতে দারুণ ভূমিকা রাখছে।
এখানে সঠিক উত্তর হলো লক্ষ্মণ।
'বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ' কবিতায় লংকাপুরী ধ্বংসের মূলে ছিল ঘরের ভেতরের গোপন শত্রুতা। রামচন্দ্রের পক্ষে যুদ্ধ করা এবং লংকাপুরের পথ দেখিয়ে শত্রুকে সাহায্য করার দিক দিয়ে রোস্তমের চরিত্রের সাথে মূলত বিভীষণের বিশ্বাসঘাতকতার প্রকাশ ঘটে। তবে উদ্দীপকের প্রেক্ষাপটে শত্রুর দোসর ও পরোক্ষভাবে ধ্বংসের কারিগর হিসেবে মূল প্রতিনিধি হিসেবে লক্ষ্মণ চরিত্রটিকে নির্দেশ করা হয়েছে, যে কিনা ঘরের ভেতরের খবর শত্রুর হাতে তুলে দিয়েছিল।
এখানে সঠিক উত্তর হলো রাজনৈতিক। কারণ, দেশের শাসনকাজে অংশগ্রহণ করা, নির্বাচনে প্রার্থী হওয়া এবং জনগণের ভোটে নির্বাচিত বা ভোটাধিকার প্রয়োগ করা—সবকিছুই নাগরিকের রাজনৈতিক অধিকার ও সাম্যের আওতাভুক্ত। যখন একজন সাধারণ মানুষ রাষ্ট্রের যেকোনো নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার এবং জয়ী হয়ে জনপ্রতিনিধি হওয়ার সমান সুযোগ পান, তখন মূলত রাজনৈতিক সাম্যেরই প্রকাশ ঘটে।
এখানে সঠিক উত্তর হলো Option A: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে।
ইতিহাসের পাতা উল্টালে জানা যায়, ১৯৭১ সালের ২ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় এক ঐতিহাসিক ছাত্র সমাবেশে তৎকালীন ডাকসু ভিপি আ স ম আব্দুর রব প্রথমবারের মতো স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করেছিলেন। পরবর্তীতে ৩ মার্চ স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠের সময়ও এই পতাকা প্রদর্শন করা হয়। তাই সূচনার দিক থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কেই পতাকার প্রথম উত্তোলনের স্থান হিসেবে ধরা হয়।
এখানে সঠিক উত্তর হলো বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
১৯৭১ সালের ৭ মার্চ ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এক উত্তাল জনসমুদ্রে ঐতিহাসিক ভাষণ দেন। সেই ভাষণেই তিনি তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকদের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দেন এবং স্বাধীনতার সংগ্রামের প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানান।
এখানে সঠিক উত্তর হলো বিবর্তনমূলক। রাষ্ট্রবিজ্ঞানীদের মতে, রাষ্ট্র হুট করে একদিনে তৈরি হয়নি। আদিম সমাজ, পরিবার, গোত্র এবং বিভিন্ন সামাজিক বিবর্তনের ধাপ পেরিয়ে দীর্ঘ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আজকের আধুনিক রাষ্ট্রের রূপ নিয়েছে। ড. গার্নারসহ আধুনিক রাষ্ট্রবিজ্ঞানীদের কাছে এই ঐতিহাসিক ও বিবর্তনমূলক মতবাদটিই সবচেয়ে বেশি গ্রহণযোগ্য ও বাস্তবসম্মত বলে বিবেচিত হয়।
এখানে সঠিক উত্তর হলো মূল্যবোধ।
পৌরনীতি হলো এমন একটি বিষয় যা নাগরিকের অধিকার ও কর্তব্য নিয়ে আলোচনা করে। এর মূল লক্ষ্য হলো নাগরিকদের ভালো ও মন্দের বিচারবোধ এবং তাদের আচরণকে সঠিক পথে পরিচালনা করা। আর এই বিষয়গুলো সরাসরি মূল্যবোধ-এর সাথে জড়িত। মানুষের ভেতর নৈতিকতা, সততা এবং শিষ্টাচার গড়ে তুলতে পৌরনীতি সবসময় মূল্যবোধের শিক্ষা দিয়ে থাকে।
এখানে সঠিক উত্তর হলো ৩০। তথ্য অধিকার আইন অনুযায়ী, অনুরোধকৃত তথ্যের সাথে যদি একাধিক তথ্য প্রদান ইউনিটের সংশ্লিষ্টতা থাকে, তবে তথ্য সরবরাহের জন্য সর্বোচ্চ সময়সীমা নির্ধারিত আছে। নিয়মটি সহজে মনে রাখার জন্য নিচের ধাপগুলো দেখতে পারেন:
এখানে সঠিক উত্তর হলো অধিকার। রাষ্ট্র থেকে একজন ব্যক্তি তার ব্যক্তিত্ব বিকাশের জন্য যে সমস্ত সুযোগ-সুবিধা এবং সম্মান লাভ করে থাকে, তাকেই মূলত অধিকার বলা হয়। নাগরিকতার প্রশ্ন এখানে আসে না কারণ সেটি হলো রাষ্ট্রের সদস্যপদ, আর অধিকার হলো সেই সদস্যপদ পাওয়ার সুবাদে প্রাপ্ত সুযোগ ও মর্যাদা।
এখানে সঠিক উত্তর হলো ৫ বছর।
আমাদের সংবিধান অনুযায়ী জাতীয় সংসদের মেয়াদকাল নির্ধারিত হয় প্রথম বৈঠকের তারিখ থেকে পরবর্তী ৫ বছর পর্যন্ত। তবে এই মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই যদি মহামান্য রাষ্ট্রপতি সংসদ ভেঙে দেন, সেক্ষেত্রে নিয়ম অনুযায়ী নতুন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
ফিল্টার নির্বাচন করে প্রশ্নের তালিকা পরিবর্তন করুন:
ব্যক্তিগত সহায়তা এবং আপনার কোর্স, পরীক্ষা ও পেমেন্ট হিস্ট্রি দেখতে অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
* চ্যাটবট সরাসরি অ্যাকাউন্ট তৈরি বা লগইন করতে পারে না।