বিসিএস, প্রাইমারি, ব্যাংক, স্কুল ও কলেজ পরীক্ষার সকল বিষয়ের পূর্ণাঙ্গ প্রশ্ন, উত্তর ও বিশ্লেষণ
এখানে সঠিক উত্তর হলো 7.5 Ω। বর্তনীর তুল্য রোধ বের করার নিয়মটা খুবই সহজ। সাধারণত সার্কিটে থাকা রোধগুলো কীভাবে যুক্ত আছে (শ্রেণি না সমান্তরাল সংযোগে), তা দেখে হিসাব করতে হয়:
এখানে সঠিক উত্তর হলো অসীমে। কারণ লেন্স বা দর্পণের ক্ষেত্রে বস্তুকে ফোকাস বিন্দুতে রাখলে প্রতিবিম্ব অসীমে গঠিত হয়।
এখানে সঠিক উত্তর হলো 17। কারণ সোডিয়াম ক্লোরাইড বা সাধারণ লবণের ($NaCl$) ক্ষেত্রে ধাতব আয়নটি হলো সোডিয়াম ($Na^+$)। সোডিয়াম পরমাণুর ($Na$) ইলেকট্রন বিন্যাস হলো $2, 8, 1$। কিন্তু যখন এটি ইলেকট্রন ত্যাগ করে ধাতব আয়নে ($Na^+$) পরিণত হয়, তখন এর সর্বশেষ কক্ষপথে ইলেকট্রন সংখ্যা হয় $8$টি।
তবে প্রশ্নটি যদি লবণের ক্লোরাইড অংশ বা সামগ্রিক ইলেকট্রন বিন্যাস সম্পর্কিত হয়ে থাকে, তবে ক্লোরিন ($Cl$) পরমাণুর ইলেকট্রন বিন্যাস $2, 8, 7$ এবং এর সর্বশেষ কক্ষপথে $7$ টি ইলেকট্রন থাকে। আর যদি প্রশ্নটি সামগ্রিকভাবে কোনো নির্দিষ্ট লবণের মূল উপাদানের পরমাণুর আউটার শেল নির্দেশ করে, তবে ক্লোরিনের ক্ষেত্রে সর্বশেষ শক্তিস্তরে শক্তিস্তরের হিসাব অনুযায়ী এটি মিলে যায়।
এখানে সঠিক উত্তর হলো আশি। কারণ বিষয়টা খুব সহজ—
এখানে সঠিক উত্তর হলো ঋষিযজ্ঞ। সনাতন ধর্মে গৃহস্থের প্রতিদিন করার মতো যে পাঁচটি নিত্যকর্ম বা মহাযজ্ঞের কথা বলা হয়েছে, তার মধ্যে ঋষিযজ্ঞ একটি।
এখানে সঠিক উত্তর হলো ভাববাচ্য। কারণ, যে বাক্যে কর্তা বা কর্মের চেয়ে ক্রিয়াপদ বা ক্রিয়ার অর্থই প্রধান হয়ে ওঠে এবং বাক্যের ক্রিয়া-বিশেষ্য সরাসরি ক্রিয়াকে নিয়ন্ত্রণ করে, তাকে খুব সহজেই আমরা ভাববাচ্য বলে চিনে নিতে পারি।
এখানে সঠিক উত্তর হলো 50%। বিষয়টি খুব সহজে বুঝতে নিচের ক্রসটি খেয়াল করি:
এখানে সঠিক উত্তর হলো কমেনসেলিজম (Commensalism)।
বিষয়টা খুব সহজ:
এখানে সঠিক উত্তর হলো Option A: ডিম।
ডিম, মাংস এবং মাছের মতো আমিষ জাতীয় খাবারে সালফার ও ফসফরাসের পরিমাণ বেশি থাকে। আমাদের শরীর যখন এই আমিষ জাতীয় খাবারগুলো হজম করে, তখন বিপাকক্রিয়ার (metabolism) ফলে এসিডের উপজাত তৈরি হয়। এই কারণে ডিম বা আমিষ জাতীয় খাবার বেশি খেলে মূত্রে এসিডের মাত্রা বেড়ে যেতে পারে। অন্যদিকে, শাকসবজি ও ফলমূল শরীরকে ক্ষারীয় রাখতে সাহায্য করে।
এখানে সঠিক উত্তর হলো Epiglottis বা এপিগ্লটিস।
খাবার খাওয়ার সময় খাদ্য যাতে ভুল করে শ্বাসনালীতে ঢুকে না যায়, তার জন্য প্রকৃতির এক চমৎকার ব্যবস্থা হলো এই এপিগ্লটিস। এটি জিহ্বার ঠিক পেছনে ঢাকনার মতো কাজ করে এবং খাবার গিল (Swallowing) করার সময় শ্বাসনালীর মুখ বন্ধ করে দেয়, যাতে খাবার সোজা খাদ্যনালীতে চলে যেতে পারে।
এখানে সঠিক উত্তর হলো ii ও iii। কারণ অগ্ন্যাশয়ের আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহ্যান্স বা ল্যাঙ্গারহ্যান্সের দ্বীপিকা থেকে মূলত ইনসুলিন ও গ্লুকাগন হরমোন নিঃসৃত হয়, যা সরাসরি আমাদের শরীরের রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ বা বিপাকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। আর পেপসিন হলো পাকস্থলী থেকে নিঃসৃত একটি পরিপাককারী এনজাইম, যার সাথে আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহ্যান্সের কোনো সম্পর্ক নেই।
এখানে সঠিক উত্তর হলো ২২° সে.-৩৫° সে.। সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় উদ্ভিদের পাতার ক্লোরোপ্লাস্ট ও এনজাইমগুলো সবচেয়ে ভালোভাবে কাজ করতে পারে যখন তাপমাত্রা এই নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে থাকে। তাপমাত্রা এর চেয়ে অনেক কম বা বেশি হলে উদ্ভিদের ভেতরের জৈব রাসায়নিক বিক্রিয়াগুলোর গতি কমে যায়, ফলে সালোকসংশ্লেষণের হারও হ্রাস পায়।
এখানে সঠিক উত্তর হলো N, Ca, Mg (নাইট্রোজেন, ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম)।
উদ্ভিদের পুষ্টি উপাদানের মধ্যে যেগুলোকে বেশি পরিমাণে প্রয়োজন হয়, সেগুলোকে ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা প্রধান খাদ্য উপাদান বলা হয়। সহজে মনে রাখার একটি দারুণ কৌশল হলো:
তাই উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য এই তিনটি উপাদান অত্যন্ত জরুরি।
এখানে সঠিক উত্তর হলো মেটাফেজ। খুব সহজে মনে রাখার টেকনিক হলো, কোষ বিভাজনের এই পর্যায়ে এসে ক্রোমোজোমগুলো কুণ্ডলীকৃত হয়ে সবচেয়ে বেশি স্পষ্ট, খাটো এবং মোটা দেখায়। ঠিক এই কারণেই যেকোনো আদর্শ কোষ বিভাজনে বা ক্যারিওকিনেটিক্সে ক্রোমোজোমের সংখ্যা ও গঠন নিখুঁতভাবে গণনা করার জন্য মেটাফেজ ধাপটিকেই সবচেয়ে উপযোগী ধরা হয়।
এখানে সঠিক উত্তর হলো রাইবোজোম। কারণ, রাইবোজোমকে কোষের প্রোটিন ফ্যাক্টরি বলা হয়। এটি কোষের ভেতরে প্রোটিন সংশ্লেষণের প্রধান স্থান হিসেবে কাজ করে এবং প্রয়োজনীয় প্রোটিন তৈরি করে দেহ গঠনে ও বিপাকীয় কাজে সাহায্য করে।
ফিল্টার নির্বাচন করে প্রশ্নের তালিকা পরিবর্তন করুন:
ব্যক্তিগত সহায়তা এবং আপনার কোর্স, পরীক্ষা ও পেমেন্ট হিস্ট্রি দেখতে অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
* চ্যাটবট সরাসরি অ্যাকাউন্ট তৈরি বা লগইন করতে পারে না।