বিসিএস, প্রাইমারি, ব্যাংক, স্কুল ও কলেজ পরীক্ষার সকল বিষয়ের পূর্ণাঙ্গ প্রশ্ন, উত্তর ও বিশ্লেষণ
এখানে সঠিক উত্তর হলো মতলব মিয়া। কারণ, আমাদের সাহিত্য বা পরিচিত গল্প-উপন্যাসে মেঘনা নদীর একজন দক্ষ ও অভিজ্ঞ মাঝি হিসেবে মতলব মিয়ার চরিত্রটি বিশেষভাবে পরিচিত। নদীর ভাঙন, স্রোত আর ঝোড়ো আবহাওয়াতেও যিনি দক্ষতার সাথে নৌকা বাইতে পারেন, তার কথা মনে রাখলেই এই প্রশ্নের উত্তর খুব সহজেই দেওয়া যায়।
এখানে সঠিক উত্তর হলো ভোরের আকাশ। কবিতাটিতে রাতের আঁধারে ও কুয়াশায় একা পথ চলা রানারের ক্লান্তি দূর করতে এবং তাকে সান্ত্বনা জানাতে যেন প্রকৃতির রূপ বদলায়। ক্লান্ত রানারের একাকী যাত্রায় ভোরের স্নিগ্ধ আকাশ তার জন্য সহানুভূতির বার্তা নিয়ে হাজির হয়।
এখানে সঠিক উত্তর হলো Option B: বই পড়া।
প্রমথ চৌধুরীর বিখ্যাত 'বই পড়া' প্রবন্ধটিতে মূলত লাইব্রেরির গুরুত্ব এবং স্বশিক্ষিত হওয়ার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। লেখক বুঝিয়েছেন যে, মানুষের মনের প্রকৃত বিকাশ ঘটানোর জন্য নিজের পছন্দমতো বই পড়ার কোনো বিকল্প নেই। পাঠ্যবইয়ের এই বিশেষ রচনাটির মূল সুরই হলো বই পড়ার আনন্দ ও প্রয়োজনীয়তা।
এখানে সঠিক উত্তর হলো রজনিগন্ধা।
'ফুলের বিবাহ' রচনায় দাদির চরিত্রের সাথে রজনিগন্ধা ফুলের বিশেষ মিল খুঁজে পাওয়া যায়। রচনাটির মূলভাব ও চরিত্রের বৈচিত্র্য বিশ্লেষণ করলেই এই সাদৃশ্য খুব সহজেই স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
এখানে সঠিক উত্তর হলো প্রতিশোধের স্পৃহা।
কবিতায় 'বুকে চাপা মৃতের আগুন' বলতে মূলত বুকের ভেতর জমে থাকা তীব্র ক্ষোভ এবং সেই ক্ষোভ থেকে জন্ম নেওয়া প্রতিশোধের আগুনকে বোঝানো হয়েছে। যখন কারো ওপর চরম অন্যায় বা নির্যাতন করা হয়, তখন তার মনে যে সুপ্ত প্রতিবাদের বা শোধ নেওয়ার ইচ্ছা তুষের আগুনের মতো জ্বলতে থাকে, সেটাই এই কাব্যাংশের মূল ভাব।
এখানে সঠিক উত্তর হলো নিশিন্দা। আহসান হাবিবের 'আমি কোনো আগন্তুক নই' কবিতায় গ্রামীণ প্রকৃতির এক স্নিগ্ধ রূপ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। কবি নিসর্গের রূপ ফুটিয়ে তুলতে গিয়ে নিশিন্দা গাছের কথা বলেছেন, যার ছায়া জ্যোৎস্নার চাদরে ঢাকা থাকে। কবিতার পঙক্তিগুলোর অন্তর্নিহিত ভাবার্থ মাথায় রাখলে খুব সহজেই এই প্রাকৃতিক দৃশ্যটি মনে রাখা যায়।
এখানে সঠিক উত্তর হলো অভিজাত শ্রেণির।
কাজী নজরুল ইসলামের 'উপেক্ষিত শক্তির উদ্বোধন' প্রবন্ধে সমাজের তথাকথিত নিচু বা পিছিয়ে পড়া মানুষদের জাগিয়ে তোলার কথা বলা হয়েছে। প্রবন্ধটিতে সমাজের অবহেলিত, বঞ্চিত ও সাধারণ শ্রমজীবী মানুষকে বড় করে দেখা হয়েছে, যারা সমাজের মূল চালিকাশক্তি হলেও বরাবর উপেক্ষিত। অন্যদিকে, এই অবহেলিত শক্তিকে যারা অবজ্ঞা করে বা দূরে সরিয়ে রাখে, সেই উচ্চবিত্ত বা অভিজাত শ্রেণির মানসিকতার সাথে উদ্দীপকের সিরাজ সাহেবের বৈসাদৃশ্য বা অমিল স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।
এখানে সঠিক উত্তর হলো উপায় খুঁজে না পাওয়ায়।
গল্প বা কবিতার প্রেক্ষাপটে দেখা যায়, যখন কোনো বিপদে পড়ে মানুষ কোনো কূল-কিনারা পায় না এবং সমস্যার কোনো সমাধান বা বের করার পথ তার জানা থাকে না, তখন তার মন খারাপ হয়ে যায় এবং মুখ চুন হয়ে যায়। পণ্ডিতমশাই তার সমস্যার কোনো সমাধান বা উপায় খুঁজে না পাওয়ার কারণেই এমন পরিস্থিতির মুখে পড়েছিলেন।
এখানে সঠিক উত্তর হলো মহাকাব্য। কারণ, এটি আকারে বেশ বিশাল বা দীর্ঘ হয়ে থাকে এবং এর পুরো কলাপটিই ছন্দে বা পদ্য ভাষায় রচিত হয়। অন্যদিকে ছোট পরিসরের পদ্য হলো গীতি কবিতা বা কাহিনি কবিতা, আর নাটক মূলত দৃশ্যকাব্যের রূপ। তাই আয়তনে বিশাল ও পদ্যে লেখা সাহিত্যের সবচেয়ে বড় নিদর্শন হলো মহাকাব্য।
এখানে সঠিক উত্তর হলো অনুতপ্ত হওয়ায়। রসিক দুলে কাঙালীর মায়ের অন্তিম মুহূর্তে তার পায়ের ধুলো নিতে গিয়ে মূলত নিজের মনের ভেতর তীব্র অনুশোচনা ও পরাধীনতার গ্লানি অনুভব করেছিল। তার এই কান্নার পেছনে ছিল সমাজের অবহেলিত মানুষের পরাধীন জীবন এবং নিজের অসহায়ত্ব নিয়ে গভীর অনুতাপ।
এখানে সঠিক উত্তর হলো চরের খুব কাছে। কবিতা বা পাঠ্যবইয়ের লাইনটি খুব মনোযোগ দিয়ে পড়লে দেখা যায়, খেয়া নৌকাগুলো ঘাটে ভেড়ার সময় ঠিক চরের খুব কাছে এসে ভেড়ে। বিষয়টি মনে রাখার জন্য মূল লাইনটি মাথায় রাখলেই উত্তরটি সহজে চিনে নেওয়া যায়।
এখানে সঠিক উত্তর হলো সবুজ। খুব সহজভাবে মনে রাখার জন্য, কাবুলি চা মূলত এক ধরণের বিশেষ পাতা থেকে তৈরি হয় যা দেখতে ও তৈরি হওয়ার পর এর লিকুইড বা পানীয়টির রঙ সুন্দর সবুজ আভা ছড়ায়। তাই এর আসল রঙ সবুজ হিসেবেই পরিচিত।
এখানে সঠিক উত্তর হলো প্রকৃতিপ্রেম।
উদ্দীপকের লাইনগুলোতে গাছের মর্মর ধ্বনি, তরুলতা ও প্রাণ-স্পন্দনের সাথে প্রকৃতির এক গভীর সংযোগ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'সুভা' গল্পে মূক সুভার কথা বলার মানুষ না থাকলেও, এই বিশাল মূক প্রকৃতির সাথে তার এক নিবিড় বন্ধুত্বের সম্পর্ক ছিল। সে নদীর তীরে বসে থাকত এবং গাছপালা ও পশুপাখির প্রাণের স্পন্দন অনুভব করত। উদ্দীপকের এই নিসর্গপ্রীতি ও গাছের সাথে মিতালি পাতার বিষয়টি মূলত সুভার মনে লুকিয়ে থাকা গভীর প্রকৃতিপ্রেম-কেই সুন্দরভাবে প্রকাশ করে।
এখানে সঠিক উত্তর হলো Option A: রড়া ফলের বিচি। বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিখ্যাত 'পথের পাঁচালী' উপন্যাসে দুর্গার চরিত্রটি ফুটিয়ে তোলার সময় এমন কিছু গ্রামীণ উপকরণের উল্লেখ পাওয়া যায়, যা ছোটবেলার খেলায় গ্রামীণ শিশুরা ব্যবহার করত। অপুর বোন দুর্গা আঁচলের খুঁট থেকে খুব যত্নে রড়া ফলের বিচি বের করেছিল।
এখানে সঠিক উত্তর হলো প্রাণের ভয়ে।
সাহিত্য বা শিল্পচর্চার ক্ষেত্রে শিল্পীরা স্বাধীনভাবে মত প্রকাশ করতে ভালোবাসলেও, অনেক সময় কঠিন বাস্তবতায় ও চরম নিরাপত্তাহীনতার মুখে পড়ে জীবন বাঁচাতে তাদের বাধ্য হয়ে বিবৃতির মতো বিষয়গুলোতে সই দিতে হয়। মূলত নিজেদের ও পরিবারের জীবন রক্ষা করার তাগিদেই তারা এই সিদ্ধান্ত নেন।
ফিল্টার নির্বাচন করে প্রশ্নের তালিকা পরিবর্তন করুন:
ব্যক্তিগত সহায়তা এবং আপনার কোর্স, পরীক্ষা ও পেমেন্ট হিস্ট্রি দেখতে অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
* চ্যাটবট সরাসরি অ্যাকাউন্ট তৈরি বা লগইন করতে পারে না।