বিসিএস, প্রাইমারি, ব্যাংক, স্কুল ও কলেজ পরীক্ষার সকল বিষয়ের পূর্ণাঙ্গ প্রশ্ন, উত্তর ও বিশ্লেষণ
এখানে সঠিক উত্তর হলো সর্বনাম।
উক্তি পরিবর্তনের সময় (বিশেষ করে প্রত্যক্ষ থেকে পরোক্ষ উক্তিতে যাওয়ার সময়) বক্তার বক্তব্য অন্যের জবানিতে প্রকাশ করতে হয়। তাই অর্থ ও ব্যাকরণগত মিল ঠিক রাখতে বাক্যের পুরুষ বা ব্যক্তিবাচক সর্বনাম পদগুলোতে (যেমন: আমি, আমরা, তুমি -> সে, তারা ইত্যাদি) পরিবর্তন আনতে হয়।
এখানে সঠিক উত্তর হলো প্রচণ্ড উত্তেজনা।
'সপ্তমে চড়া' একটি খুব পরিচিত বাংলা বাগ্ধারা। এর আক্ষরিক বা অন্তর্নিহিত অর্থ হলো কোনো পরিস্থিতি বা মেজাজ চরম পর্যায়ে পৌঁছে যাওয়া, অর্থাৎ যখন রাগ, উত্তেজনা বা কোনো কিছুর মাত্রা অতিরিক্ত বা সহ্যসীমার বাইরে চলে যায়। দৈনন্দিন কথাবার্তায় আমরা প্রায়ই বলি "মেয়েটি কথায় কথায় সপ্তমে চড়ে বসে," যার অর্থ তার রাগ বা উত্তেজনার মাত্রা খুব বেশি। তাই এই বাগ্ধারাটির সঠিক অর্থ হিসেবে প্রচণ্ড উত্তেজনাকেই বোঝানো হয়।
এখানে সঠিক উত্তর হলো কর্ম কারক। বাক্যটিতে কাকে জানাবে?— এমন প্রশ্নের উত্তরে 'ডাক্তার' শব্দটি এসেছে। ক্রিয়ার কাছে 'কাকে' বা 'কী' দ্বারা প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তা-ই কর্ম কারক। যেহেতু ডাক্তারকে জানানোর কাজটি তার ওপর পতিত হচ্ছে, তাই এটি কর্ম কারক।
এখানে সঠিক উত্তর হলো কৃদন্ত। খুব সহজে মনে রাখার একটা ছোট্ট কৌশল হলো— ক্রিয়ার মূল বা 'ধাতুর' সাথে যে প্রত্যয় যুক্ত হয়, তাকে কৃৎপ্রত্যয় বলে। আর এই কৃৎপ্রত্যয় যোগে যে নতুন শব্দ বা পদ তৈরি হয়, তাকে বলা হয় কৃদন্ত শব্দ। যেমন: পড় + আ = পড়া (কৃদন্ত শব্দ)। তাই ক্রিয়ার সাথে সম্পর্কিত বলেই একে খুব সহজে 'কৃদন্ত' নামে চিনে নেওয়া যায়।
এখানে সঠিক উত্তর হলো তিন প্রকার। গঠনগত দিক থেকে বাংলা বাক্যকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়। এগুলো হলো:
সহজ কথায়, বাক্যগুলোর গঠনশৈলী ও পদের বিন্যাস খেয়াল করলেই এদের খুব সহজে চিনে নেওয়া যায়।
এখানে সঠিক উত্তর হলো কর্মবাচ্য। খুব সহজে চেনার উপায় হলো, এই বাক্যে মূল ফোকাস বা প্রধান বিষয় হলো 'চিঠিটা' (কর্ম), যা নিজে নিজে কাজ করছে না, বরং তার ওপর কাজটি সম্পন্ন করা হয়েছে ('পড়া হয়েছে')। বাক্যের কর্তা বা কাজ সম্পাদনকারী এখানে উহ্য বা গৌণ থাকে এবং কর্মপদটি মূল বিষয় হয়ে দাঁড়ায়, যা কর্মবাচ্যের প্রধান বৈশিষ্ট্য।
এখানে সঠিক উত্তর হলো জনি দিনে ঘুমায়।
যে ক্রিয়ার কোনো কর্ম থাকে না, তাকে অকর্মক ক্রিয়া বলে। খুব সহজে চেনার উপায় হলো—ক্রিয়াপদকে "কী" বা "কাকে" দিয়ে প্রশ্ন করলে যদি কোনো উত্তর না মেলে, তবে সেটি অকর্মক ক্রিয়া।
এখানে সঠিক উত্তর হলো Option A: আ + উ। কারণ 'লাউ' শব্দটি ভেঙে উচ্চারণ করলে বা বিশ্লেষণ করলে আমরা দুটি মূল স্বরধ্বনি পাই— 'ল्' + আ + 'উ्' + উ। অর্থাৎ, শব্দটির শেষে বা ধ্বনিগত গঠনে 'আ' এবং 'উ' স্বরধ্বনি দুটি স্পষ্টভাবে যুক্ত রয়েছে।
এখানে সঠিক উত্তর হলো অর্থপ্রসার।
শব্দার্থের পরিবর্তনের ক্ষেত্রে যখন কোনো শব্দের আদি অর্থ বা সংকীর্ণ অর্থ পরিবর্তিত হয়ে আরও বড় বা ব্যাপক কোনো ক্ষেত্র প্রকাশ করে, তখন তাকে অর্থের প্রসার বলা হয়। যেমন—'বর্ষ' শব্দটি মূলত শুধু 'বৃষ্টি' বা 'বর্ষণ' বোঝাতে ব্যবহৃত হতো, যা পরবর্তীতে কাল বা সময় অর্থে অর্থাৎ পুরো 'বছর' বোঝাতে ব্যবহৃত হতে শুরু করেছে। অর্থাৎ, শব্দের পরিধি বা ক্ষেত্র এখানে প্রসারিত হয়েছে।
এখানে সঠিক উত্তর হলো সরল বাক্য। কারণ বাক্যটিতে মাত্র একটি সমাপিকা ক্রিয়া রয়েছে — "আছি" (যা উহ্য আছে) অথবা বাক্যটির গঠন খুবই সহজ।
যে বাক্যে একটি মাত্র কর্তা এবং একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে, তাকেই সরল বাক্য বলে। এখানে 'আমরা তিন ভাইবোন' বল an একটি মাত্র স্বাধীন ভাব প্রকাশিত হয়েছে, তাই এটি নিশ্চিতভাবেই একটি সরল বাক্য।
এখানে সঠিক উত্তর হলো বহুব্রীহি সমাস। কারণ, যে সমাসে পদ দুটির অর্থের বাইরে অন্য কোনো নতুন অর্থ প্রকাশ পায়, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে।
এখানে সঠিক উত্তর হলো - কে। কারণটা খুব সহজ!
বাক্যে সাধারণত মুখ্যকর্মটি অপ্রাণিবাচক হওয়ায় তাতে কোনো বিভক্তি যুক্ত হয় না (বা শূন্য বিভক্তি থাকে)। অন্যদিকে, গৌণকর্মটি সবসময় প্রাণিবাচক হয়। আর ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, প্রাণিবাচক কর্মপদে সবসময় দ্বিতীয় বিভক্তি হিসেবে -কে (বা অনেক সময় -রে) যুক্ত হয়।
এখানে সঠিক উত্তর হলো বাচ্যার্থ।
খub সহজে মনে রাখার কৌশল:
এখানে সঠিক উত্তর হলো অবধি, আগে, ব্যতীত।
খুব সহজেই মনে রাখার উপায় হলো:
এখানে সঠিক উত্তর হলো কুলটা।
সন্ধির সাধারণ নিয়ম বা ব্যাকরণের কোনো নির্দিষ্ট সূত্র মেনে যখন কোনো শব্দ গঠিত হয় না, তখন তাকে নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি বলে। 'কুল + অটা' মিলে কুলটা শব্দটি গঠিত হয়েছে, যা স্বরসন্ধির কোনো নিয়মিত নিয়মের মধ্যে পড়ে না। ব্যাকরণে এই ধরনের কিছু শব্দ সরাসরি মুখস্থ রাখতে হয়, তাই এটি নিপাতনে সিদ্ধ স্বরসন্ধির একটি চমৎকার উদাহরণ।
ফিল্টার নির্বাচন করে প্রশ্নের তালিকা পরিবর্তন করুন:
ব্যক্তিগত সহায়তা এবং আপনার কোর্স, পরীক্ষা ও পেমেন্ট হিস্ট্রি দেখতে অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
* চ্যাটবট সরাসরি অ্যাকাউন্ট তৈরি বা লগইন করতে পারে না।