বিসিএস, প্রাইমারি, ব্যাংক, স্কুল ও কলেজ পরীক্ষার সকল বিষয়ের পূর্ণাঙ্গ প্রশ্ন, উত্তর ও বিশ্লেষণ
এখানে সঠিক উত্তর হলো রেসকোর্স ময়দান।
ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও বিভিন্ন সাহিত্যিক বা ঐতিহাসিক দলিল পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ ঐতিহাসিক ভাষণ এবং ১৬ই ডিসেম্বর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর আত্মসমর্পণের মতো গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাগুলো এই ঐতিহাসিক স্থানেই ঘটেছিল। তাই অনুচ্ছেদে মূলত এই জায়গার প্রতিই ইঙ্গিত করা হয়েছে।
এখানে সঠিক উত্তর হলো সাধারণ লাইব্রেরি।
প্রমথ চৌধুরীর 'লাইব্রেরি' প্রবন্ধে সাধারণ লাইব্রেরি বলতে এমন একটি উন্মুক্ত প্রতিষ্ঠানকে বোঝানো হয়েছে, যা সবার জন্য খোলা থাকে এবং যেখানে মানুষ নিজের পছন্দমতো বই পড়ে জ্ঞান অর্জন করতে পারে। চিকিৎসাকেন্দ্রের সাথে সাধারণ লাইব্রেরির তুলনা করার মূল কারণ হলো—হাসপাতাল যেমন মানুষের শারীরিক রোগ দূর করে, তেমনি সাধারণ লাইব্রেরি মানুষের মনের খোরাক জুগিয়ে আত্মিক ও মানসিক অসুস্থতা দূর করতে সাহায্য করে।
এখানে সঠিক উত্তর হলো ১৯৪৭ এর পর থেকে। ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ ভারত বিভক্তির মাধ্যমে পাকিস্তান রাষ্ট্র সৃষ্টির পর থেকেই পূর্ব বাংলার জনগণ বুঝতে পেরেছিল যে পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকরা তাদের শোষণ করতে শুরু করেছে। এই বৈষম্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ স্বরূপ বাঙালিরা নিজেদের অধিকার এবং নতুন করে স্বাধীনতার দাবিতে ১৯৪৮ সালের ভাষা আন্দোলন থেকেই মূলত রাজনৈতিক ও স্বাধীনতার লড়াইয়ের বীজ বপন করে।
এখানে সঠিক উত্তর হলো: শুন হে মানুষ ভাই সবার উপরে মানুষ সত্য তাহার উপরে নাই।
লালন শাহ্ রচিত 'মানবধর্ম' কবিতার মূল কথাই হলো মানুষের শ্রেষ্ঠত্ব। জাত, ধর্ম বা গোত্রের চেয়ে মানুষ হিসেবে বড় পরিচয় আর কিছু হতে পারে না। এই পংক্তিটিতে মানুষের মর্যাদাকে সবকিছুর ঊর্ধ্বে স্থান দেওয়া হয়েছে, যা পুরো কবিতার মূল মর্মার্থকে খুব সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছে।
এখানে সঠিক উত্তর হলো i, ii ও iii। কারণ লালন শাহের গানে ও দর্শনে এই তিনটি বৈশিষ্ট্যই ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
তাই সবগুলো পয়েন্টই সঠিক।
এখানে সঠিক উত্তর হলো মানবিক। মানুষ হিসেবে আমাদের সবচেয়ে বড় এবং আসল পরিচয় হওয়া উচিত আমাদের মানবিকতা। কারণ ধর্ম, সমাজ বা পেশার ভেদাভেদ ছাপিয়ে একজন মানুষের ভেতরের দয়া, সহানুভূতি, পরোপকার এবং মানুষের প্রতি ভালোবাসাটাই তাকে প্রকৃত মানুষ হিসেবে ফুটিয়ে তোলে। তাই সবকিছুর ঊর্ধ্বে মানবতাবোধই হলো মানুষের সর্বশ্রেষ্ঠ পরিচয়।
এখানে সঠিক উত্তর হলো i ও iii। লালন সাঁসাই তার গানে সবসময় মানুষের আসল পরিচয়কে বড় করে দেখেছেন। তিনি মানুষের তৈরি সামাজিক ভেদাভেদ যেমন— মানুষের জাতের বড়াই এবং কুসংস্কারাচ্ছন্ন বংশ কৌলিন্য বা অভিজাত্যের অহংকারকে কঠোরভাবে সমালোচনা করেছেন এবং এগুলোকে মানুষের উন্নতির অন্তরায় ও ক্ষতিকর হিসেবে মনে করতেন।
এখানে সঠিক উত্তর হলো Option C: প্রাকৃত।
খুব সহজভাবে মনে রাখার কৌশল হলো বাংলা ভাষা বা আর্য ভাষার বিবর্তনের ইতিহাস তিনটি প্রধান স্তরে বিভক্ত:
তাই আর্য ভাষার বিবর্তনের এই ধারাবাহিকতায় দ্বিতীয় স্তরটি হলো প্রাকৃত।
এখানে সঠিক উত্তর হলো i ও ii। কারণ বাংলা ভাষার উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশের ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, ভারতীয় আর্য ভাষার বিবর্তনে প্রাকৃত বা মধ্য ভারতীয় আর্য ভাষার স্তরটিই হলো সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের কথ্য ভাষা বা মুখর ভাষা। আর এই প্রাকৃত স্তরের পরবর্তী বিবর্তিত রূপ বা অবক্ষয় থেকেই মূলত আধুনিক বাংলা ভাষার জন্ম হয়েছে। তবে তৃতীয় তথ্যটি সঠিক নয়, কারণ খ্রিষ্টপূর্ব ১২০০ অব্দ থেকে খ্রিষ্টপূর্ব ৮০০ অব্দ পর্যন্ত সময়কালটি হলো প্রথম স্তর অর্থাৎ বৈদিক বা সংস্কৃত ভাষার কাল, দ্বিতীয় প্রাকৃত স্তরের কাল নয়।
এখানে সঠিক উত্তর হলো সংস্কৃত। প্রাচীনকালে পন্ডিতেরা মনে করতেন যে বাংলা ভাষা সরাসরি সংস্কৃত ভাষা থেকে এসেছে। যদিও আধুনিক ভাষাবিজ্ঞানীরা প্রমাণ করেছেন যে বাংলা ভাষার জন্ম প্রাকৃত বা অপভ্রংশ থেকে, তবুও ঐতিহ্যগতভাবে দীর্ঘকাল ধরে অনেকেই সংস্কৃতকেই বাংলার জননী হিসেবে গণ্য করে এসেছেন।
এখানে সঠিক উত্তর হলো সংস্কৃত। প্রাচীনকালে এবং মধ্যযুগের একটি বড় সময়জুড়ে সমাজের উচ্চশ্রেণির মানুষ, বিশেষ করে পন্ডিত, রাজা-বাদশাহ ও বরেণ্য ব্যক্তিরা তাদের লেখালেখি ও দাপ্তরিক কাজের জন্য সংস্কৃত ভাষাকেই বেছে নিতেন। এটি তখন কুলীন ও মার্জিত ভাষা হিসেবে গণ্য হতো, যেখানে সাধারণ মানুষের মুখের ভাষা ছিল প্রাকৃত বা বাংলা।
এখানে সঠিক উত্তর হলো ফ্রান্স। ফরাসি দার্শনিক ও লেখক জঁ-জাক রুশো সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় জন্মগ্রহণ করলেও তাঁর কর্মজীবন এবং বিখ্যাত সব চিন্তাধারা মূলত ফ্রেন্স সমাজ ও বিপ্লবকে কেন্দ্র করেই গড়ে উঠেছিল। তাই বিশ্ব ইতিহাসে তাঁকে একজন ফরাসি দার্শনিক হিসেবেই প্রধানত গণ্য করা হয়।
এখানে সঠিক উত্তর হলো Option A: নৈতিক।
বিষয়টা খুব সহজ! মানুষের বিবেক, বোধশক্তি এবং ভালো-মন্দের বিচারবুদ্ধি থেকে যেকর্তব্যগুলো পালন করা হয়, সেগুলোকে নৈতিক কর্তব্য বলা হয়। এর পেছনে কোনো ধরনের আইনগত বাধ্যবাধকতা থাকে না, বরং এটি সম্পূর্ণ মানুষের অভ্যন্তরীণ মানবতাবোধ ও দায়িত্ববোধ থেকে উৎসারিত হয়।
এখানে সঠিক উত্তর হলো Option A: সাইটোপ্লাজমে।
জীবকোষে মোট RNA-র প্রায় ৯০ ভাগই সাইটোপ্লাজমে অবস্থান করে। এর মধ্যে বেশিরভাগ অংশই থাকে রাইবোজোমের সাথে যুক্ত ribosomes-এ, যা প্রোটিন তৈরিতে সরাসরি সাহায্য করে। তাই RNA সবচেয়ে বেশি পরিমাণে সাইটোপ্লাজমে পাওয়া যায়।
এখানে সঠিক উত্তর হলো জনগণের অনাগ্রহ। কারণ ই-গভর্নেন্স বা ডিজিটাল সেবা সফলভাবে চালুর জন্য সবার আগে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ ও সচেতনতা জরুরি। কিন্তু সচেতনতার অভাব, প্রযুক্তি ব্যবহারে ভীতি এবং ইন্টারনেট ব্যবহারের পর্যাপ্ত দক্ষতার অভাবে সাধারণ মানুষ অনেক সময় সরকারি ডিজিটাল সেবাগুলো নিতে আগ্রহী হয় না, যা ই-গভর্নেন্স বাস্তবায়নের পথে অন্যতম বড় বাধা।
ফিল্টার নির্বাচন করে প্রশ্নের তালিকা পরিবর্তন করুন:
ব্যক্তিগত সহায়তা এবং আপনার কোর্স, পরীক্ষা ও পেমেন্ট হিস্ট্রি দেখতে অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
* চ্যাটবট সরাসরি অ্যাকাউন্ট তৈরি বা লগইন করতে পারে না।