eProstuti
স্বাগতম শিক্ষার্থী!

অনলাইন কোর্স ও পরীক্ষায় অংশ নিতে লগইন করুন

লগইন / রেজিস্টার
ওয়েবসাইট মেন্যু

এসএসসি ২০২৬ এর রেজাল্ট সবার আগে পেতে এখনই বুকিং করো

বুক করো
অধ্যায় ও বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন ব্যাংক

প্রশ্ন ব্যাংক ও সমাধান মালা

বিসিএস, প্রাইমারি, ব্যাংক, স্কুল ও কলেজ পরীক্ষার সকল বিষয়ের পূর্ণাঙ্গ প্রশ্ন, উত্তর ও বিশ্লেষণ

ফিল্টারসমূহ
জেনারেল প্রশ্ন ব্যাংক ও সমাধান
মোট 16,865 টি প্রশ্ন সংরক্ষিত আছে
ক্রমানুসার:
জেনারেল
নৈর্ব্যক্তিক (MCQ)
16261
জনাব শাহেদ তাঁর বক্তৃতায় ২০১৫ সালের কোন সাফল্যের কথা বলেছেন?
সঠিক উত্তর
এমডিজি
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:

এখানে সঠিক উত্তর হলো এমডিজি (MDG)। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ জাতিসংঘ ঘোষিত সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বা Millennium Development Goals (MDG) অর্জনের সময়সীমা ছিল ২০০০ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত।

  • এমডিজি (MDG): এর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ২০০০ সালে এবং এটি সফলভাবে শেষ হয় ২০১৫ সালে।
  • সময়কাল: যেহেতু প্রশ্নটিতে ২০১৫ সালের সাফল্যের কথা বলা হয়েছে, তাই এটি সরাসরি এমডিজি-এর সাথে সম্পর্কিত।
  • মনে রাখার কৌশল: এমডিজি (MDG) হলো ২০১৫ সাল পর্যন্ত, আর এর পরবর্তী ধাপ হলো এসডিজি (SDG), যা ২০১৬ সাল থেকে শুরু হয়েছে।
বিস্তারিত ও আলোচনা
নৈর্ব্যক্তিক (MCQ)
16262
রফিক ও তার বন্ধুরা যে কাজ করেছে তাকে কী বলা যায় ?
সঠিক উত্তর
সাড়াদান
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:

এখানে সঠিক উত্তর হলো সাড়াদান। বিষয়টি খুব সহজ—যখন কোনো উদ্দীপক বা পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে কেউ তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া দেখায় বা কাজ করে, তাকেই মূলত সাড়াদান বলা হয়।

  • কোনো ঘটনা বা সংকেত পাওয়ার পর তার বিপরীতে কাজ করা বা সাড়া দেওয়াই হলো সাড়াদান।
  • রফিক ও তার বন্ধুরা পরিস্থিতি বুঝে যে কাজ করেছে, তা সরাসরি তাদের সক্রিয় অংশগ্রহণের বহিঃপ্রকাশ।
  • সহজ কথায়, উদ্দীপকের প্রতি মানুষের বা প্রাণীর যে প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়, সেটিই এখানে সাড়াদান হিসেবে গণ্য হয়েছে।
বিস্তারিত ও আলোচনা
নৈর্ব্যক্তিক (MCQ)
16263
বাংলাদেশে কত প্রজাতির সরীসৃপ প্রাণী রয়েছে?
সঠিক উত্তর
১২৪ প্রজাতির
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:

বাংলাদেশে বর্তমানে মোট ১২৪ প্রজাতির সরীসৃপ প্রাণী শনাক্ত করা হয়েছে। আমাদের দেশের জীববৈচিত্র্য নিয়ে করা সাম্প্রতিক বিভিন্ন জরিপ ও গবেষণার তথ্য অনুযায়ী এই সংখ্যাটিই এখন পর্যন্ত সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য।

সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:

  • বাংলাদেশের বনাঞ্চল এবং জলাশয়ে বিভিন্ন প্রজাতির কচ্ছপ, টিকটিকি, গিরগিটি ও সাপ রয়েছে।
  • সব মিলিয়ে এই সরীসৃপ প্রজাতির সংখ্যা হলো ১২৪।
  • পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের তথ্যভাণ্ডার অনুযায়ী এই পরিসংখ্যানটিই বর্তমানে স্বীকৃত।

তাই সঠিক উত্তর হলো ১২৪ প্রজাতির।

বিস্তারিত ও আলোচনা
নৈর্ব্যক্তিক (MCQ)
16264
কোনগুলো বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য?
সঠিক উত্তর
পাট, চা, চামড়া
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:

বাংলাদেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি হলো কৃষি ও শিল্পজাত পণ্য। এখানে সঠিক উত্তর হলো পাট, চা ও চামড়া। এর কারণগুলো খুব সহজ:

  • পাট: একে বাংলাদেশের 'সোনালী আঁশ' বলা হয়। বিশ্ববাজারে পাটের ব্যাগ, সুতা ও পাটের তৈরি পণ্যের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।
  • চা: বাংলাদেশের সিলেট ও মৌলভীবাজার অঞ্চলের চা বিশ্বমানের। এটি আমাদের অন্যতম প্রধান বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী পণ্য।
  • চামড়া: বাংলাদেশের চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য (যেমন জুতা ও ব্যাগ) ইউরোপ ও আমেরিকার বাজারে অত্যন্ত জনপ্রিয়, যা রপ্তানি আয়ে বড় ভূমিকা রাখে।

সহজ কথায়, এই তিনটি পণ্যই ঐতিহাসিকভাবে বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্যের প্রধান স্তম্ভ হিসেবে পরিচিত।

বিস্তারিত ও আলোচনা
নৈর্ব্যক্তিক (MCQ)
16265
বাংলাদেশের কোন অঞ্চলের জেলাগুলোতে গম চাষ বেশি প্রসার লাভ করেছে ?
সঠিক উত্তর
উত্তরাঞ্চলের
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:

সঠিক উত্তর হলো উত্তরাঞ্চলের। এর কারণ হলো বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের মাটি ও জলবায়ু গম চাষের জন্য সবচেয়ে বেশি উপযোগী।

  • মাটির প্রকৃতি: উত্তরাঞ্চলের দোআঁশ ও বেলে-দোআঁশ মাটি গম উৎপাদনের জন্য আদর্শ।
  • জলবায়ু: গম চাষের জন্য শুষ্ক ও ঠান্ডা আবহাওয়ার প্রয়োজন হয়, যা শীতকালে উত্তরাঞ্চলে সবচেয়ে বেশি থাকে।
  • উৎপাদন এলাকা: এই অঞ্চলের জেলাগুলোতে (যেমন—দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড়) গমের ফলন দেশের অন্যান্য অঞ্চলের তুলনায় অনেক বেশি।

সহজ কথায়, ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে উত্তরাঞ্চলই বাংলাদেশের 'গমের ভাণ্ডার' হিসেবে পরিচিত।

বিস্তারিত ও আলোচনা
নৈর্ব্যক্তিক (MCQ)
16266
ইক্ষু উৎপাদনের জন্য কোন ধরনের মৃত্তিকার প্রয়োজন ? i.বেলে দোঁআশ ii.কর্দমাক্ত দোঁআশ iii.জৈব পদার্থ মিশ্রিত দোঁআশ নিচের কোনটি সঠিক ?
সঠিক উত্তর
i ও ii
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:

ইক্ষু বা আখ চাষের জন্য এমন মাটির প্রয়োজন যা পানি ধরে রাখতে পারে আবার অতিরিক্ত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থাও থাকে। সঠিক উত্তর হলো i ও ii, কারণ:

  • বেলে দোঁআশ মাটি: এই মাটিতে আখের শিকড় খুব সহজে বিস্তার লাভ করতে পারে এবং মাটির গঠন আখ গাছের দ্রুত বৃদ্ধির জন্য অত্যন্ত উপযোগী।
  • কর্দমাক্ত দোঁআশ মাটি: এই ধরনের মাটিতে পুষ্টি উপাদান বেশি থাকে এবং এটি আখের প্রয়োজনীয় আর্দ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করে, যা ভালো ফলন নিশ্চিত করে।

সহজ কথায়, আখের জন্য উর্বর এবং সুনিষ্কাশিত দোঁআশ মাটিই সবচেয়ে আদর্শ।

বিস্তারিত ও আলোচনা
নৈর্ব্যক্তিক (MCQ)
16267
লালমাই পাহাড় কোন জেলায় অবস্থিত ?
সঠিক উত্তর
কুমিল্লা
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:

সঠিক উত্তর হলো কুমিল্লা। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:

  • লালমাই পাহাড় মূলত কুমিল্লার সদর ও বরুড়া উপজেলা জুড়ে বিস্তৃত একটি প্রাচীন পাহাড়।
  • এটি ময়নামতি পাহাড়ের একটি অংশ হিসেবে পরিচিত।
  • ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী, এই পাহাড়টি কুমিল্লা জেলার লালমাই নামক স্থানে অবস্থিত বলেই এর নাম লালমাই পাহাড়।

সহজ কথায়, কুমিল্লার ঐতিহাসিক নিদর্শনের কথা ভাবলেই লালমাই পাহাড়ের নাম সবার আগে চলে আসে। তাই পরীক্ষার জন্য এই তথ্যটি মনে রাখা খুবই জরুরি।

বিস্তারিত ও আলোচনা
নৈর্ব্যক্তিক (MCQ)
16268
বাংলাদেশ নদী ভরাটের কারণ- i. পানিতে মিশ্রিত মাটির অবক্ষেপ i নদীর উজানে বনভূমি ধ্বংস iii. নদীর ধারে পরিকল্পিত বাধঁ নির্মাণ নিচের কোনটি সঠিক?
সঠিক উত্তর
i ও ii
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:

এখানে সঠিক উত্তর হলো i ও ii। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এভাবে:

  • পানিতে মিশ্রিত মাটির অবক্ষেপ: পাহাড়ি ঢল বা স্রোতের সাথে প্রচুর পলি ও মাটি নদীতে এসে জমা হয়। এই পলি নদীর তলদেশে জমে নদী ভরাট করে ফেলে, যা নদী ভরাট হওয়ার একটি প্রধান প্রাকৃতিক কারণ।
  • নদীর উজানে বনভূমি ধ্বংস: উজানে গাছপালা না থাকলে বৃষ্টির পানি সরাসরি মাটি ধুয়ে নদীতে নিয়ে আসে। ফলে নদীর তলদেশ দ্রুত ভরাট হয়ে যায়।

অন্যদিকে, নদীর ধারে পরিকল্পিত বাঁধ নির্মাণ নদী ভরাটের কারণ নয়, বরং এটি নদীকে নির্দিষ্ট সীমানায় রাখতে এবং ভাঙন রোধে সহায়তা করে। তাই সঠিক উত্তরটি হলো i ও ii।

বিস্তারিত ও আলোচনা
নৈর্ব্যক্তিক (MCQ)
16269
এই ধরনের শিল্পের অবস্থান হয়ে থাকে- i. শহরের পাশে ii. শহরের কাছাকাছি iii. শহরের ভিতর নিচের কোনটি সঠিক?
সঠিক উত্তর
i ও ii
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:

সঠিক উত্তর হলো i ও ii। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ শিল্পকারখানা সাধারণত এমন জায়গায় স্থাপন করা হয় যেখানে যাতায়াত ব্যবস্থা ভালো থাকে কিন্তু শহরের মূল জনবহুল এলাকার কোলাহল বা জায়গার অভাব থাকে না।

  • শহরের পাশে: শিল্পকারখানার জন্য প্রচুর জায়গার প্রয়োজন হয়, যা শহরের পাশে সহজেই পাওয়া যায়।
  • শহরের কাছাকাছি: কাঁচামাল আনা-নেওয়া এবং উৎপাদিত পণ্য দ্রুত বাজারে পৌঁছানোর জন্য শহরের কাছাকাছি অবস্থান করাটা ব্যবসায়িক দিক থেকে সবচেয়ে সুবিধাজনক।

শহরের একদম ভেতরে শিল্পকারখানা স্থাপন করলে পরিবেশ দূষণ এবং যানজটের মতো বড় সমস্যা তৈরি হয়, তাই সাধারণত শিল্প এলাকা শহরের মূল কেন্দ্রের বাইরেই গড়ে ওঠে।

বিস্তারিত ও আলোচনা
নৈর্ব্যক্তিক (MCQ)
16270
সাদিয়ার এলাকাটির প্রকৃতি কিরূপ ?
সঠিক উত্তর
সমভূমি
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:

এখানে সঠিক উত্তর হলো সমভূমি। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় যদি আমরা ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্যগুলো খেয়াল করি। সাধারণত যে অঞ্চলে মাটি সমতল, কৃষি কাজের জন্য উপযোগী এবং জনবসতি ঘন হয়, তাকেই আমরা সমভূমি অঞ্চল বলি।

  • ভৌগোলিক অবস্থান: সমভূমি অঞ্চল সাধারণত নদী বিধৌত পলিমাটি দিয়ে গঠিত হয়, যা অত্যন্ত উর্বর।
  • সহজ বৈশিষ্ট্য: এই অঞ্চলে যাতায়াত ব্যবস্থা উন্নত থাকে এবং সমতল ভূমির কারণে ঘরবাড়ি বা স্থাপনা তৈরি করা খুব সহজ হয়।
  • উপযোগিতা: সাদিয়ার এলাকার প্রকৃতি যদি কৃষি ও বসতির জন্য আদর্শ হয়, তবে সেটি নিশ্চিতভাবেই সমভূমি অঞ্চলের বৈশিষ্ট্য বহন করে।
বিস্তারিত ও আলোচনা
নৈর্ব্যক্তিক (MCQ)
16271
জনসংখ্যা বন্টনের কোনটি অপ্রাকৃতিক প্রভাবক ?
সঠিক উত্তর
অর্থনৈতিক
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:

জনসংখ্যা বন্টনের ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক প্রভাবকটি হলো অপ্রাকৃতিক। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায়:

  • প্রাকৃতিক প্রভাবকগুলো মূলত প্রকৃতি প্রদত্ত, যেমন: মৃত্তিকা, পানি বা খনিজ সম্পদ, যা মানুষ নিজে তৈরি করতে পারে না।
  • অন্যদিকে, অর্থনৈতিক প্রভাবক যেমন—শিল্পায়ন, নগরায়ন বা কর্মসংস্থানের সুযোগ—এগুলো মানুষ তার প্রয়োজনে তৈরি করে নেয়।
  • যেহেতু অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড মানুষের তৈরি এবং এটি প্রকৃতির ওপর নির্ভরশীল নয়, তাই একে অপ্রাকৃতিক বা মানবিক প্রভাবক বলা হয়।
বিস্তারিত ও আলোচনা
নৈর্ব্যক্তিক (MCQ)
16272
কোন সম্পর্কটিকে কাম্য জনসংখ্যা বলা হয় ?
সঠিক উত্তর
মানুষ ও ভূমির ভারসাম্য
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:

এখানে সঠিক উত্তর হলো মানুষ ও ভূমির ভারসাম্য। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায়:

  • কাম্য জনসংখ্যা বলতে এমন এক অবস্থাকে বোঝায়, যেখানে কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চলের প্রাকৃতিক সম্পদের সাথে জনসংখ্যার একটি নিখুঁত সামঞ্জস্য থাকে।
  • সহজ কথায়, যখন কোনো দেশের মোট সম্পদের তুলনায় জনসংখ্যা এমন পর্যায়ে থাকে যে মাথাপিছু উৎপাদন সর্বোচ্চ হয় এবং জীবনযাত্রার মান সবচেয়ে ভালো থাকে, তখনই তাকে কাম্য জনসংখ্যা বলে।
  • এই ভারসাম্য মূলত ওই অঞ্চলের ভূমি বা প্রাকৃতিক সম্পদের ওপর ভিত্তি করেই নির্ধারিত হয়, কারণ ভূমিই হলো উৎপাদনের প্রধান উৎস।
বিস্তারিত ও আলোচনা
নৈর্ব্যক্তিক (MCQ)
16273
কোন উদ্ভিদটি পানিতে এবং স্থলে উভয় জায়গায় জন্মে?
সঠিক উত্তর
শ্যাওলা
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:

সঠিক উত্তর হলো শ্যাওলা। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ শ্যাওলা এমন এক ধরনের উদ্ভিদ যা আর্দ্র বা ভেজা যেকোনো পরিবেশে টিকে থাকতে পারে।

  • শ্যাওলা সাধারণত স্যাঁতসেঁতে মাটি, পাথরের গায়ে বা গাছের বাকলে জন্মে, যেখানে সামান্য পানি বা আর্দ্রতা থাকে।
  • আবার এরা পুকুর, ডোবা বা জলাশয়ের পানিতেও অনায়াসে বেঁচে থাকতে পারে।
  • এদের কোনো প্রকৃত মূল, কাণ্ড বা পাতা নেই, তাই পানি ও স্থল উভয় জায়গার পরিবেশের সাথে এরা খুব দ্রুত মানিয়ে নিতে পারে।
বিস্তারিত ও আলোচনা
নৈর্ব্যক্তিক (MCQ)
16274
পানির pH এর মান খুব কমে গেলে জলজ প্রাণীর- i. অঙ্গপ্রত্যল সঠিকভাবে বিকশিত হবে না ii. দেহাভ্যন্তরে খনিজ পদার্থ কমে যাবে iii. রোগব্যাধি সৃষ্টি হবে নিচের কোনটি সঠিক?
সঠিক উত্তর
i ii ও iii
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:

সঠিক উত্তর হলো Option D: i, ii ও iii। পানির pH এর মান স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক কমে গেলে অর্থাৎ পানি অতিরিক্ত অম্লীয় (acidic) হয়ে পড়লে জলজ প্রাণীর ওপর এর প্রভাবগুলো নিচে দেওয়া হলো:

  • অঙ্গপ্রত্যঙ্গের বিকাশ বাধাগ্রস্ত হওয়া: পানির অম্লতা বাড়লে মাছ বা অন্যান্য জলজ প্রাণীর ডিম ফুটে বাচ্চা বের হওয়া এবং তাদের শারীরিক বৃদ্ধি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
  • খনিজ পদার্থের ঘাটতি: অতিরিক্ত অম্লীয় পরিবেশে জলজ প্রাণীর দেহাভ্যন্তরে ক্যালসিয়ামসহ প্রয়োজনীয় খনিজ লবণের ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যায়, যা তাদের বিপাকীয় প্রক্রিয়ায় ব্যাঘাত ঘটায়।
  • রোগব্যাধি সৃষ্টি: পানির pH কমে গেলে প্রাণীদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায় এবং তারা বিভিন্ন ধরনের সংক্রমণ ও পরজীবীর আক্রমণের শিকার হয়।

সহজ কথায়, পানির pH এর ভারসাম্য নষ্ট হওয়া মানেই জলজ প্রাণীর বেঁচে থাকার পরিবেশ বিষিয়ে ওঠা, যার ফলে তাদের শারীরিক গঠন, পুষ্টি এবং স্বাস্থ্য—সবকিছুই হুমকির মুখে পড়ে।

বিস্তারিত ও আলোচনা
নৈর্ব্যক্তিক (MCQ)
16275
গাজরে প্রধানত কোনটি পাওয়া যায়?
সঠিক উত্তর
বিটা ক্যারোটিন
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:

গাজরে প্রধানত বিটা ক্যারোটিন পাওয়া যায়। বিষয়টি বেশ সহজ, কারণ গাজরের উজ্জ্বল কমলা রঙের পেছনে এই উপাদানটিই মূল ভূমিকা পালন করে।

  • আমাদের শরীর এই বিটা ক্যারোটিনকে গ্রহণ করার পর তা সরাসরি ভিটামিন এ-তে রূপান্তরিত করে।
  • এটি চোখের দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতে এবং শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে দারুণ কার্যকর।
  • প্রকৃতিতে থাকা এই প্রাকৃতিক রঞ্জকটিই গাজরকে পুষ্টিগুণে ভরপুর করে তোলে।
বিস্তারিত ও আলোচনা
ফিল্টারসমূহ

ফিল্টার নির্বাচন করে প্রশ্নের তালিকা পরিবর্তন করুন:

Support
Curiosity AI Assistant
24/7 লাইভ
eProstuti ডেটাবেস ও অটোমেশন ইঞ্জিন
এআই চ্যাট WhatsApp Messenger Instagram
👋 আসসালামু আলাইকুম শিক্ষার্থী !

আমি eProstuti Curiosity AI। আমাদের সকল লাইভ কোর্স, মডেল টেস্ট, ই-বুক, নোটিশ এবং পেমেন্ট সংক্রান্ত তথ্য নিমেষেই জানতে পারবেন।

দ্রুত উত্তরের জন্য নিচের টপিক চাপুন অথবা নিচে লিখুন:

উত্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে...
eProstuti AI সহকারী
সার্বক্ষণিক সহায়তায় প্রস্তুত
লগইন আবশ্যক

ব্যক্তিগত সহায়তা এবং আপনার কোর্স, পরীক্ষা ও পেমেন্ট হিস্ট্রি দেখতে অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।

* চ্যাটবট সরাসরি অ্যাকাউন্ট তৈরি বা লগইন করতে পারে না।