eProstuti
স্বাগতম শিক্ষার্থী!

অনলাইন কোর্স ও পরীক্ষায় অংশ নিতে লগইন করুন

লগইন / রেজিস্টার
ওয়েবসাইট মেন্যু

এসএসসি ২০২৬ এর রেজাল্ট সবার আগে পেতে এখনই বুকিং করো

বুক করো
অধ্যায় ও বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন ব্যাংক

প্রশ্ন ব্যাংক ও সমাধান মালা

বিসিএস, প্রাইমারি, ব্যাংক, স্কুল ও কলেজ পরীক্ষার সকল বিষয়ের পূর্ণাঙ্গ প্রশ্ন, উত্তর ও বিশ্লেষণ

ফিল্টারসমূহ
জেনারেল প্রশ্ন ব্যাংক ও সমাধান
মোট 16,865 টি প্রশ্ন সংরক্ষিত আছে
ক্রমানুসার:
জেনারেল
নৈর্ব্যক্তিক (MCQ)
16291
২০১১ সালের আদম শুমারি অনুযায়ী বাংলাদেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কত ছিল?
সঠিক উত্তর
1.37
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:

২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী বাংলাদেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ছিল ১.৩৭%। এই তথ্যটি আমাদের দেশের জনমিতিক ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।

  • ২০১১ সালের চূড়ান্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, বার্ষিক জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার নির্ধারিত হয়েছিল ১.৩৭ শতাংশ।
  • জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার বের করার মূল সূত্রটি হলো: $$\text{বৃদ্ধির হার} = \frac{\text{বর্তমান জনসংখ্যা} - \text{পূর্বের জনসংখ্যা}}{\text{পূর্বের জনসংখ্যা}} \times 100$$
  • সেই সময়ের তথ্য ও উপাত্ত বিশ্লেষণ করে পরিসংখ্যান ব্যুরো এই হারটি নিশ্চিত করেছিল।

সহজ কথায়, ওই সময় প্রতি ১০০ জন মানুষের বিপরীতে নতুন করে ১.৩৭ জন মানুষ যুক্ত হচ্ছিল।

বিস্তারিত ও আলোচনা
নৈর্ব্যক্তিক (MCQ)
16292
জনাব জহুর আলীর পরিবারটি কোন ধরনের পরিবার?
সঠিক উত্তর
যৌথ
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:

এখানে সঠিক উত্তর হলো যৌথ। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ আমাদের সমাজে যখন বাবা-মা, দাদা-দাদি, চাচা-ফুফু এবং ভাইবোন সবাই মিলে একই ছাদের নিচে বসবাস করেন, তখন সেই পরিবারকে যৌথ পরিবার বলা হয়।

  • যৌথ পরিবার: যেখানে একাধিক প্রজন্মের সদস্যরা একসাথে বসবাস করেন এবং তাদের রান্নাঘর ও সম্পদ সাধারণত একই থাকে।
  • সহজ চেনার উপায়: যদি কোনো পরিবারে শুধু স্বামী-স্ত্রী ও তাদের সন্তানরা থাকে, তবে সেটি একক পরিবার। কিন্তু এর চেয়ে বড় পরিসরে আত্মীয়-স্বজন নিয়ে গঠিত পরিবারই হলো যৌথ পরিবার।

জনাব জহুর আলীর পরিবারে যদি এমন বড় পরিসরের সদস্য সংখ্যা এবং সম্মিলিত বসবাসের চিত্র থাকে, তবে নিঃসন্দেহে সেটি একটি যৌথ পরিবার।

বিস্তারিত ও আলোচনা
নৈর্ব্যক্তিক (MCQ)
16293
কোনটি এককেন্দ্রীক রাষ্ট্রের প্রকৃষ্ট উদাহরণ-
সঠিক উত্তর
যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:

সঠিক উত্তর হলো যুক্তরাজ্য। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ এককেন্দ্রীক রাষ্ট্র বলতে এমন শাসন ব্যবস্থাকে বোঝায় যেখানে রাষ্ট্রের সমস্ত ক্ষমতা কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে ন্যস্ত থাকে।

কেন যুক্তরাজ্য এককেন্দ্রীক রাষ্ট্রের উদাহরণ, তা নিচের পয়েন্টগুলো দেখলে পরিষ্কার হবে:

  • ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু: যুক্তরাজ্যে কেন্দ্রীয় পার্লামেন্টই হলো ক্ষমতার মূল উৎস। স্থানীয় সরকার বা আঞ্চলিক কর্তৃপক্ষগুলো তাদের ক্ষমতা কেন্দ্রীয় সরকারের কাছ থেকেই পেয়ে থাকে।
  • আইন প্রণয়ন: এখানে কেন্দ্রীয় সরকার চাইলে যেকোনো সময় স্থানীয় সরকারের ক্ষমতা পরিবর্তন বা বাতিল করতে পারে, যা এককেন্দ্রীক রাষ্ট্রের প্রধান বৈশিষ্ট্য।
  • একক শাসন: এখানে কোনো অঙ্গরাজ্য বা প্রদেশ নেই যারা নিজস্ব সংবিধান অনুযায়ী আলাদাভাবে শাসনকার্য পরিচালনা করতে পারে, বরং পুরো দেশ একটি একক প্রশাসনিক কাঠামোর অধীনে পরিচালিত হয়।

সহজ কথায়, যেখানে শাসনক্ষমতা ভাগ না হয়ে একটি মাত্র কেন্দ্রের হাতে থাকে, সেটিই এককেন্দ্রীক রাষ্ট্র—আর যুক্তরাজ্য এই ধারার সবচেয়ে আদর্শ উদাহরণ।

বিস্তারিত ও আলোচনা
নৈর্ব্যক্তিক (MCQ)
16294
তোমার পাঠ্যবইয়ের আলোকে উদ্দীপকের দেশ সুরিনামে কোন ধরনের সরকার ব্যবস্থা বিদ্যমান?
সঠিক উত্তর
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:

সঠিক উত্তর হলো রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা। সুরিনামের শাসনব্যবস্থা বোঝার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করো:

  • সুরিনামে রাষ্ট্রপ্রধান এবং সরকার প্রধান উভয়ই হলেন রাষ্ট্রপতি।
  • এখানে শাসন বিভাগ আইন বিভাগ থেকে আলাদা এবং রাষ্ট্রপতি সরাসরি জনগণের ভোটে বা পরোক্ষভাবে নির্বাচিত হন।
  • রাষ্ট্রপতি এখানে মন্ত্রিসভার প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং দেশের নির্বাহী ক্ষমতার মূল কেন্দ্রবিন্দুতে থাকেন।

সহজ কথায়, যেখানে রাষ্ট্রপ্রধানই সরকার পরিচালনার মূল দায়িত্ব পালন করেন এবং সংসদীয় পদ্ধতির মতো প্রধানমন্ত্রীর পদ থাকে না, সেটিই হলো রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার। সুরিনামের ক্ষেত্রে এই নিয়মটিই কার্যকর।

বিস্তারিত ও আলোচনা
নৈর্ব্যক্তিক (MCQ)
16295
উদ্দীপকে 'বোশেখ' কবিতার কোন আহ্বান প্রতিফলিত হয়েছে?
সঠিক উত্তর
পুরোনোর অবসান
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:

উদ্দীপকে 'বোশেখ' কবিতার যে মূল সুরটি ফুটে উঠেছে, তা হলো পুরোনোর অবসান। এর পেছনের কারণটি খুব সহজ:

  • কালবৈশাখী ঝড় যেমন পুরোনো জীর্ণ পাতা বা ডালপালা ভেঙে ফেলে নতুন প্রাণের সঞ্চার করে, ঠিক তেমনি কবি এখানে পুরোনো জরাজীর্ণ ও স্থবিরতাকে ঝেড়ে ফেলার কথা বলেছেন।
  • কবিতায় বৈশাখকে ধ্বংসের প্রতীক হিসেবে দেখানো হলেও, সেই ধ্বংস আসলে নতুন সৃষ্টির পূর্বশর্ত।
  • পুরোনো সব গ্লানি, ভয় আর জড়তাকে বিদায় জানিয়ে নতুনের আবাহন করাই এই কবিতার মূল লক্ষ্য।

সহজ কথায়, পুরোনো যা কিছু অকেজো ও ক্ষতিকর, তা ঝেড়ে ফেলে নতুনকে স্বাগত জানানোর আহ্বানই এখানে স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।

বিস্তারিত ও আলোচনা
16296
ট্যালি ইতিহাস পাঠের ফলে কোনটি অর্জন করে না?
সঠিক উত্তর
ধনসম্পদ অর্জন
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:

সঠিক উত্তর হলো ধনসম্পদ অর্জন। বিষয়টি আসলে বেশ সহজ:

  • ইতিহাস পাঠ আমাদের অতীত সম্পর্কে জানতে সাহায্য করে, যা আমাদের জ্ঞানের পরিধিকে অনেক বিস্তৃত করে।
  • অতীতের বিভিন্ন ঘটনা ও দৃষ্টান্ত থেকে আমরা শিক্ষা নিয়ে বর্তমানের ভালো-মন্দের পার্থক্য বুঝতে পারি।
  • কিন্তু ইতিহাস পড়ার মূল উদ্দেশ্য বা ফলাফল কোনোভাবেই সরাসরি ধনসম্পদ বা টাকা-পয়সা উপার্জন করা নয়। ইতিহাস আমাদের সচেতন ও জ্ঞানী করে তোলে, যা মানবিক বিকাশের সাথে সম্পর্কিত, অর্থনৈতিক অর্জনের সাথে নয়।
বিস্তারিত ও আলোচনা
নৈর্ব্যক্তিক (MCQ)
16297
নূরলদীনের ডাকে কত বঙ্গাব্দে বাংলার মানুষ জেগে উঠেছিল ?
সঠিক উত্তর
1189
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:

নূরলদীনের ডাকে বাংলার মানুষ জেগে উঠেছিল ১১৮৯ বঙ্গাব্দে। সৈয়দ শামসুল হকের বিখ্যাত কাব্যনাট্য 'নূরলদীনের সারা জীবন'-এ এই ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটটি চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।

বিষয়টি মনে রাখার জন্য একটি সহজ কৌশল:

  • রংপুরের কৃষক বিদ্রোহের নেতা নূরলদীন ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছিলেন।
  • ইতিহাস অনুযায়ী, এই বিদ্রোহের সময়কাল ছিল বাংলা ১১৮৯ সাল।
  • কবিতার ভাষায়, "আঠারো শ ঊননব্বই সনে, নূরলদীন একদিন ডাক দিল"—এই লাইনটি মনে রাখলেই সালটি সহজে মনে থাকবে।
বিস্তারিত ও আলোচনা
বাংলা ১ম পত্র একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি জেনারেল আঠারো বছর বয়স | সুকান্ত ভট্টাচার্য
নৈর্ব্যক্তিক (MCQ)
16298
সুকান্ত ভট্টাচার্যের পৈতৃক নিবাস কোন জেলায়?
সঠিক উত্তর
গোপালগঞ্জ
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:

সুকান্ত ভট্টাচার্যের পৈতৃক নিবাস হলো গোপালগঞ্জ জেলার কোটালীপাড়া উপজেলার উনশিয়া গ্রামে। যদিও তিনি কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেছিলেন এবং সেখানেই বেড়ে উঠেছিলেন, কিন্তু তাঁর আদি নিবাস বা পৈতৃক ভিটা গোপালগঞ্জেই অবস্থিত।

সহজে মনে রাখার জন্য:

  • কবি: সুকান্ত ভট্টাচার্য
  • পৈতৃক নিবাস: উনশিয়া গ্রাম, কোটালীপাড়া, গোপালগঞ্জ।
বিস্তারিত ও আলোচনা
নৈর্ব্যক্তিক (MCQ)
16299
মাইকেল মধুসূদন দত্ত প্রবর্তিত ছন্দের নাম-
সঠিক উত্তর
অমিত্রাক্ষর
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:

সঠিক উত্তর হলো অমিত্রাক্ষর। বিষয়টি খুব সহজ, মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা কাব্যে নতুনত্বের ছোঁয়া আনতে ইংরেজি ব্ল্যাঙ্ক ভার্স (Blank Verse)-এর অনুকরণে এই ছন্দ প্রবর্তন করেন।

  • অমিত্রাক্ষর ছন্দের বৈশিষ্ট্য: এই ছন্দে পঙক্তির শেষে মিল থাকে না এবং প্রতিটি চরণের দৈর্ঘ্য ইচ্ছামতো ছোট-বড় করা যায়।
  • ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: তিনি তাঁর বিখ্যাত মহাকাব্য 'মেঘনাদবধ কাব্য'-এ প্রথম এই ছন্দ সফলভাবে ব্যবহার করেন, যা বাংলা সাহিত্যে এক নতুন যুগের সূচনা করেছিল।

সহজ কথায়, পঙক্তির শেষে মিল না থাকার কারণেই একে অমিত্রাক্ষর ছন্দ বলা হয়।

বিস্তারিত ও আলোচনা
16300
‘গবেষণা’ -এর সন্ধিবিচ্ছেদ কোনটি?
সঠিক উত্তর
গো+এষণা
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:

‘গবেষণা’ শব্দটির সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ হলো গো + এষণা। এটি মূলত সংস্কৃত সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী হয়েছে। বিষয়টি বোঝার জন্য নিচের সহজ ধাপগুলো খেয়াল করুন:

  • সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, ‘ও’ কারের পরে যদি অন্য কোনো স্বরবর্ণ থাকে, তবে ‘ও’ কারের পরিবর্তে ‘অব’ হয়।
  • এখানে ‘গো’ শব্দের শেষে থাকা ‘ও’ কার এবং ‘এষণা’ শব্দের শুরুতে থাকা ‘এ’ মিলে সন্ধির প্রভাবে ‘অবে’ তৈরি হয়েছে।
  • সহজ কথায়: $গো + এ = গ + অব + এ = গবে$।
  • এর সাথে ‘ষণা’ যুক্ত হয়ে পূর্ণাঙ্গ শব্দ তৈরি হয়: গবেষণা।

তাই মনে রাখার সহজ কৌশল হলো, যেখানেই ‘অব’ বা ‘অবে’ উচ্চারণ আসবে, সেখানে সন্ধি করার সময় ‘ও’ কার ব্যবহার করতে হয়।

বিস্তারিত ও আলোচনা
16301
বাধক জীনের প্রভাবে F₂ জনুর ফেনোটাইপিক অনুপাত কোনটি?
সঠিক উত্তর
13 : 3
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:

বাধক জীন বা ইনহিবিটরি জীন (Inhibitory Gene) হলো এমন এক ধরনের জীন যা অন্য একটি প্রকট জীনের প্রকাশকে বাধা দেয়। মেন্ডেলের দ্বিতীয় সূত্রের ব্যতিক্রম হিসেবে এই প্রক্রিয়ায় F₂ জনুতে ফেনোটাইপিক অনুপাত পরিবর্তিত হয়ে যায়।

সহজভাবে মনে রাখার উপায়:

  • সাধারণত দ্বিসংকর জননের অনুপাত হওয়ার কথা $9 : 3 : 3 : 1$।
  • কিন্তু বাধক জীনের প্রভাবে যখন একটি জীন অন্যটির প্রকাশ আটকে দেয়, তখন অনুপাতটি দাঁড়ায় $13 : 3$।
  • এখানে ১৩ অংশ হলো সেই জীব যাদের মধ্যে কোনো বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পায় না বা বাধাগ্রস্ত হয়, আর বাকি ৩ অংশ হলো যারা বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করতে পারে।

অর্থাৎ, বাধক জীনের ক্ষেত্রে সঠিক অনুপাতটি হলো $13 : 3$।

বিস্তারিত ও আলোচনা
নৈর্ব্যক্তিক (MCQ)
16302
জগৎশেঠের প্রকৃত নাম কী?
সঠিক উত্তর
ফতেহ চাঁদ
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:

এখানে সঠিক উত্তর হলো ফতেহ চাঁদ। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ ইতিহাসের পাতায় জগৎশেঠ উপাধিটি মূলত একটি ব্যবসায়িক পরিবারের প্রধানদের দেওয়া হতো।

  • মুঘল সম্রাট মুহাম্মদ শাহ ১৭২৩ সালে এই পরিবারকে 'জগৎশেঠ' উপাধিতে ভূষিত করেন।
  • এই পরিবারের অন্যতম প্রভাবশালী ব্যক্তি ছিলেন ফতেহ চাঁদ, যিনি মূলত এই উপাধিটি আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করেছিলেন।
  • পরবর্তীতে এই পরিবারের সদস্যরা এই নামেই পরিচিতি পান, তবে মূল ব্যক্তি হিসেবে ফতেহ চাঁদই ইতিহাসের পাতায় সবচেয়ে বেশি পরিচিত।
বিস্তারিত ও আলোচনা
নৈর্ব্যক্তিক (MCQ)
16303
'তুমি অধম তাই বলিয়া আমি উত্তম হইব না কেন?' উক্তিটি কে করেছিলেন?
সঠিক উত্তর
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:

এই বিখ্যাত উক্তিটির সঠিক উত্তর হলো বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।

বিষয়টা খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:

  • উক্তিটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কালজয়ী উপন্যাস 'কপালকুণ্ডলা' থেকে নেওয়া হয়েছে।
  • উপন্যাসের প্রধান চরিত্র নবকুমারকে উদ্দেশ্য করে কপালকুণ্ডলা এই কথাটি বলেছিল।
  • বঙ্কিমচন্দ্রের রচনায় এমন গভীর ও দার্শনিক উক্তি প্রায়ই দেখা যায়, যা বাংলা সাহিত্যে অত্যন্ত জনপ্রিয়।
বিস্তারিত ও আলোচনা
16304
নিচের কোনটি Arthropoda-র বৈশিষ্ট্য নয়?
সঠিক উত্তর
অন্তঃকঙ্কাল-এর উপস্থিতি
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:

সঠিক উত্তর হলো অন্তঃকঙ্কাল-এর উপস্থিতি। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:

  • আর্থ্রোপোডা পর্বের প্রাণীদের শরীরে কোনো অন্তঃকঙ্কাল (Endoskeleton) থাকে না।
  • এদের পুরো শরীর ঢাকা থাকে শক্ত কাইটিনযুক্ত বহিঃকঙ্কাল (Exoskeleton) দিয়ে, যা এদের দেহকে সুরক্ষা দেয়।
  • যেহেতু এদের শরীরে হাড় বা তরুণাস্থির মতো কোনো অভ্যন্তরীণ কাঠামো নেই, তাই অন্তঃকঙ্কাল থাকাটা এদের বৈশিষ্ট্য হতে পারে না।

সহজ কথায়, আর্থ্রোপোডা মানেই হলো বহিঃকঙ্কাল, অন্তঃকঙ্কাল নয়!

বিস্তারিত ও আলোচনা
নৈর্ব্যক্তিক (MCQ)
16305
Which would you_ have, gold or silver?
সঠিক উত্তর
rather
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:

এখানে সঠিক উত্তর হলো rather। বাক্যটিতে পছন্দের কথা বোঝাতে would rather ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়েছে।

সহজভাবে মনে রাখার উপায়:

  • যখন আমরা দুটি জিনিসের মধ্যে তুলনা করে কোনো একটি বেছে নিতে চাই, তখন would rather ব্যবহার করা হয়।
  • বাক্যটির গঠন এমন: would + subject + rather + verb।
  • এখানে would you rather have বলতে বোঝানো হয়েছে তুমি দুটির মধ্যে কোনটি বেশি পছন্দ করবে বা নিতে চাইবে।

তাই ব্যাকরণগতভাবে এখানে rather বসানোই সবচেয়ে উপযুক্ত।

বিস্তারিত ও আলোচনা
ফিল্টারসমূহ

ফিল্টার নির্বাচন করে প্রশ্নের তালিকা পরিবর্তন করুন:

Support
Curiosity AI Assistant
24/7 লাইভ
eProstuti ডেটাবেস ও অটোমেশন ইঞ্জিন
এআই চ্যাট WhatsApp Messenger Instagram
👋 আসসালামু আলাইকুম শিক্ষার্থী !

আমি eProstuti Curiosity AI। আমাদের সকল লাইভ কোর্স, মডেল টেস্ট, ই-বুক, নোটিশ এবং পেমেন্ট সংক্রান্ত তথ্য নিমেষেই জানতে পারবেন।

দ্রুত উত্তরের জন্য নিচের টপিক চাপুন অথবা নিচে লিখুন:

উত্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে...
eProstuti AI সহকারী
সার্বক্ষণিক সহায়তায় প্রস্তুত
লগইন আবশ্যক

ব্যক্তিগত সহায়তা এবং আপনার কোর্স, পরীক্ষা ও পেমেন্ট হিস্ট্রি দেখতে অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।

* চ্যাটবট সরাসরি অ্যাকাউন্ট তৈরি বা লগইন করতে পারে না।