eProstuti
স্বাগতম শিক্ষার্থী!

অনলাইন কোর্স ও পরীক্ষায় অংশ নিতে লগইন করুন

লগইন / রেজিস্টার
ওয়েবসাইট মেন্যু
অধ্যায় ও বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন ব্যাংক

প্রশ্ন ব্যাংক ও সমাধান মালা

বিসিএস, প্রাইমারি, ব্যাংক, স্কুল ও কলেজ পরীক্ষার সকল বিষয়ের পূর্ণাঙ্গ প্রশ্ন, উত্তর ও বিশ্লেষণ

ফিল্টারসমূহ
জেনারেল প্রশ্ন ব্যাংক ও সমাধান
মোট 15,842 টি প্রশ্ন সংরক্ষিত আছে
ক্রমানুসার:
জেনারেল
14131
একটি গ্যাসের তাপমাত্রা T হতে বৃদ্ধি করে 2T করা হলে কোন রাশিটি দ্বিগুণ হবে?
সঠিক উত্তর
অণুগুলোর গতিশক্তি
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:

এখানে সঠিক উত্তর হলো অণুগুলোর গতিশক্তি। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় গ্যাসের গতিতত্ত্বের একটি সাধারণ সমীকরণ থেকে।

  • গ্যাসের অণুর গড় গতিশক্তি ($E_k$) সরাসরি পরম তাপমাত্রার ($T$) সমানুপাতিক।
  • গাণিতিকভাবে আমরা লিখতে পারি: $E_k \propto T$
  • যেহেতু তাপমাত্রা $T$ থেকে বাড়িয়ে $2T$ করা হয়েছে, তাই গতিশক্তির মানও দ্বিগুণ হয়ে যাবে।

সহজ কথায়, তাপমাত্রা বাড়লে অণুগুলোর ছোটাছুটির শক্তিও সেই অনুপাতে বেড়ে যায়, তাই গতিশক্তি দ্বিগুণ হওয়াটাই স্বাভাবিক।

বিস্তারিত ও আলোচনা
14132
একটি বস্তু খাড়া উপরের দিকে নিক্ষেপ করলে সর্বোচ্চ উচ্চতায় এর বেগ হবে-
সঠিক উত্তর
শূন্য
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:

এখানে সঠিক উত্তর হলো শূন্য। বিষয়টি খুব সহজভাবে চিন্তা করুন:

  • যখন কোনো বস্তুকে খাড়া উপরের দিকে নিক্ষেপ করা হয়, তখন অভিকর্ষজ ত্বরণ বস্তুটির গতির বিপরীতে কাজ করে।
  • এর ফলে বস্তুটির বেগ প্রতি মুহূর্তে কমতে থাকে।
  • সর্বোচ্চ উচ্চতায় পৌঁছানোর পর বস্তুটি আর উপরে উঠতে পারে না এবং নিচে নামার ঠিক আগ মুহূর্তে তার বেগ সাময়িকভাবে থেমে যায়।
  • অর্থাৎ, সর্বোচ্চ উচ্চতায় বস্তুটির বেগ হয় $v = 0$।

সহজ কথায়, সর্বোচ্চ উচ্চতায় পৌঁছানো মানেই হলো বস্তুটির গতির সমাপ্তি ঘটা, তাই সেখানে বেগ সবসময় শূন্য থাকে।

বিস্তারিত ও আলোচনা
14133
বেগ বনাম সময় লেখচিত্রের ঢাল বস্তুর কী নির্দেশ করে?
সঠিক উত্তর
ত্বরণ
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:

বেগ বনাম সময় লেখচিত্রের ঢাল বলতে আমরা মূলত সময়ের সাথে বেগের পরিবর্তনের হারকে বুঝি। পদার্থবিজ্ঞানের সহজ নিয়ম অনুযায়ী, সময়ের সাথে বেগের এই পরিবর্তনের হারই হলো ত্বরণ।

বিষয়টি গাণিতিকভাবে এভাবে দেখা যায়:

  • লেখচিত্রের ঢাল = $\frac{\text{উলম্ব অক্ষের পরিবর্তন}}{\text{ভূমিক অক্ষের পরিবর্তন}}$
  • অর্থাৎ, ঢাল = $\frac{\Delta v}{\Delta t}$
  • যেহেতু একক সময়ে বেগের পরিবর্তনই হলো ত্বরণ ($a$), তাই আমরা লিখতে পারি: $a = \frac{v_2 - v_1}{t_2 - t_1}$

সহজ কথায়, লেখচিত্রের ঢাল যত খাড়া হবে, বস্তুর বেগের পরিবর্তনের হার বা ত্বরণ তত বেশি হবে। তাই সঠিক উত্তর হলো ত্বরণ।

বিস্তারিত ও আলোচনা
14134
নিচের কোনটি ভেক্টর রাশি?
সঠিক উত্তর
পীড়ন
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:

সঠিক উত্তর হলো পীড়ন। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:

  • পদার্থবিজ্ঞানের ভাষায়, একক ক্ষেত্রফলের ওপর প্রযুক্ত বলকে পীড়ন বলা হয়।
  • যেহেতু বল একটি ভেক্টর রাশি এবং বলের একটি নির্দিষ্ট দিক থাকে, তাই বলের সাথে সম্পর্কিত হওয়ায় পীড়নও একটি ভেক্টর রাশি হিসেবে গণ্য হয়।
  • গাণিতিকভাবে, পীড়ন $\sigma = \frac{F}{A}$ যেখানে $F$ হলো প্রযুক্ত বল এবং $A$ হলো ক্ষেত্রফল।

সহজ কথায়, বলের দিক থাকার কারণে পীড়নেরও দিক বিবেচনা করতে হয়, তাই এটি ভেক্টর রাশির অন্তর্ভুক্ত।

বিস্তারিত ও আলোচনা
14135
আলোক বর্ষ কীসের একক?
সঠিক উত্তর
দূরত্ব
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:

সঠিক উত্তর হলো দূরত্ব। নাম শুনে মনে হতে পারে এটি সময়ের একক, কিন্তু আসলে তা নয়। মহাকাশের বিশাল দূরত্ব মাপার জন্য আলোক বর্ষ ব্যবহার করা হয়।

সহজভাবে বিষয়টি এভাবে মনে রাখতে পারো:

  • আলো এক বছরে যে পরিমাণ পথ অতিক্রম করে, তাকেই এক আলোক বর্ষ বলা হয়।
  • আলোর গতিবেগ প্রতি সেকেন্ডে প্রায় $3 \times 10^8$ মিটার।
  • এই বিশাল গতিতে আলো এক বছরে যে দূরত্ব পাড়ি দেয়, তা হলো প্রায় $9.46 \times 10^{12}$ কিলোমিটার।

অর্থাৎ, আলোক বর্ষ কোনো সময়ের পরিমাপ নয়, বরং এটি মহাকাশের এক বিন্দু থেকে অন্য বিন্দুর মধ্যবর্তী বিশাল দূরত্ব পরিমাপের একটি একক।

বিস্তারিত ও আলোচনা
নৈর্ব্যক্তিক (MCQ)
14136
‘ইহা আর একটি শক্তি, যাহা বহু স্বামী স্ত্রী একশ বৎসর একত্রে ঘর করার পরেও হয়ত তাহার কোনো সন্ধান পায় না।’- ‘বিলাসী’ গল্পে কোন শক্তির কথা বলা হয়েছে?
সঠিক উত্তর
ভালোবাসা
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:

এখানে সঠিক উত্তর হলো ভালোবাসা। শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘বিলাসী’ গল্পে লেখক এই গভীর অনুভূতির কথা বুঝিয়েছেন।

বিষয়টা খুব সহজভাবে দেখলে বোঝা যায়:

  • গল্পে বিলাসী ও মৃত্যুঞ্জয়ের সম্পর্কটি ছিল প্রথাগত সমাজের ধরাবাঁধা নিয়মের বাইরে।
  • দীর্ঘ সময় একসাথে থাকার পরেও মানুষ অনেক সময় একে অপরের মনের গভীরের সেই অকৃত্রিম টান বা অনুভূতির দেখা পায় না, যা বিলাসী ও মৃত্যুঞ্জয়ের মধ্যে ছিল।
  • লেখক এখানে সেই নিঃস্বার্থ ও অটুট ভালোবাসার কথাই বলেছেন, যা সবকিছুর ঊর্ধ্বে এবং যা খুঁজে পাওয়া সবার ভাগ্যে জোটে না।
বিস্তারিত ও আলোচনা
নৈর্ব্যক্তিক (MCQ)
14137
‘এইখানে এসে লুটাইয়া পড়ে সকল রাজমুকুট।’- প্রথাগত ব্যাকরণ অনুসারে এখানে ঘটেছে-
সঠিক উত্তর
গুরুচণ্ডালীর দোষ
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:

এখানে সঠিক উত্তর হলো গুরুচণ্ডালীর দোষ। বিষয়টি খুব সহজ, একটু খেয়াল করলেই বুঝতে পারবেন:

  • বাংলা ভাষায় সাধু ও চলিত রীতির মিশ্রণকে বলা হয় গুরুচণ্ডালী দোষ।
  • বাক্যটিতে 'লুটাইয়া' শব্দটি সাধু রীতির ক্রিয়াপদ, কিন্তু 'পড়ে' শব্দটি চলিত রীতির।
  • একই বাক্যে সাধু ও চলিত রীতির এমন অসংগত ব্যবহারই ব্যাকরণের ভাষায় গুরুচণ্ডালী দোষ হিসেবে পরিচিত।

সহজ কথায়, সাধু ও চলিত রীতির এমন খিচুড়ি পাকানোই এখানে ভুল হওয়ার মূল কারণ।

বিস্তারিত ও আলোচনা
নৈর্ব্যক্তিক (MCQ)
14138
বিশেষ নিয়মে সাধিত বহুবচনের প্রয়োগ রয়েছে কোন বাক্যে?
সঠিক উত্তর
সালমাদের দুঃখের শেষ নেই।
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:

এখানে সঠিক উত্তর হলো সালমাদের দুঃখের শেষ নেই। কারণ বিষয়টি বেশ সহজ:

  • সাধারণত বহুবচন বোঝাতে 'রা', 'মালা', 'গণ' বা 'গুলো' ব্যবহৃত হয়।
  • কিন্তু বিশেষ নিয়মে সাধিত বহুবচনের ক্ষেত্রে অনেক সময় নামের সাথে 'রা' বা 'মা' যুক্ত হয়ে একটি বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে।
  • এখানে 'সালমা' একটি নাম, যার সাথে 'দের' যুক্ত হয়ে 'সালমাদের' হয়েছে। এটি ব্যাকরণের বিশেষ নিয়ম অনুযায়ী বহুবচন নির্দেশ করছে, যা নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর সমষ্টিকে বোঝায়।

সহজ কথায়, যখন কোনো বিশেষ নিয়মে বা নামের সাথে বিভক্তি যুক্ত হয়ে বহুবচন তৈরি হয়, তখন তাকে বিশেষ নিয়মে সাধিত বহুবচন বলা হয়। তাই এই বাক্যে 'সালমাদের' শব্দটি সেই নিয়মটিই অনুসরণ করেছে।

বিস্তারিত ও আলোচনা
নৈর্ব্যক্তিক (MCQ)
14139
শুদ্ধ বানান গুচ্ছ-
সঠিক উত্তর
বঞ্চনা , লাঞ্ছনা
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:

এখানে সঠিক উত্তর হলো বঞ্চনা ও লাঞ্ছনা। বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী এই শব্দ দুটি একদম নির্ভুল।

সহজভাবে মনে রাখার কিছু কৌশল:

  • বঞ্চনা: এটি একটি তৎসম শব্দ, যেখানে 'ব' এর সাথে যুক্ত ব্যঞ্জনবর্ণ হিসেবে 'ঞ্চ' ব্যবহার করা হয়। এটিই শুদ্ধ রূপ।
  • লাঞ্ছনা: এই শব্দটিতে 'ঞ্ছ' যুক্তবর্ণটি ব্যবহৃত হয়। অনেক সময় ভুল করে অনেকে 'লানছনা' বা অন্যভাবে লেখে, কিন্তু সঠিক বানানটি হলো 'লাঞ্ছনা'।

বানানের ক্ষেত্রে সবসময় খেয়াল রাখবে, যুক্তবর্ণগুলো যেন সঠিক নিয়মে থাকে। এই দুটি শব্দই বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম মেনে চলে, তাই এগুলোই শুদ্ধ বানান গুচ্ছ।

বিস্তারিত ও আলোচনা
নৈর্ব্যক্তিক (MCQ)
14140
‘সন্ধ্যা হওয়ার পর জানলাম, তিনি আর আসবেন না।’ কোন ধরনের বাক্য?
সঠিক উত্তর
জটিল বাক্য
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:

এখানে সঠিক উত্তর হলো জটিল বাক্য। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় যদি আমরা বাক্যের গঠনটা একটু খেয়াল করি।

জটিল বাক্য চেনার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো এর গঠন। এই বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্যের ওপর অন্য একটি আশ্রিত খণ্ডবাক্য নির্ভর করে। এখানে লক্ষ্য করুন:

  • বাক্যটিতে ‘সন্ধ্যা হওয়ার পর’ অংশটি একটি শর্ত বা সময়ের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
  • ‘তিনি আর আসবেন না’—এই অংশটি আগের অংশের ওপর নির্ভর করছে।
  • সাধারণত যে বাক্যে সাপেক্ষ সর্বনাম বা অব্যয় (যেমন: যখন-তখন, যেহেতু-সেহেতু, যে-সে) থাকে বা একটি খণ্ডবাক্য অন্যটির ওপর নির্ভরশীল হয়, তাকেই জটিল বাক্য বলে।

সহজ কথায়, এখানে একটি খণ্ডবাক্য অন্যটির পরিপূরক হিসেবে কাজ করছে বলেই এটি একটি জটিল বাক্য।

বিস্তারিত ও আলোচনা
নৈর্ব্যক্তিক (MCQ)
14141
‘আমি কিংবদন্তীর কথা বলছি’ কবিতায় পূর্বপুরুষের করতলে কীসের সৌরভ ছিল?
সঠিক উত্তর
পলিমাটির
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:

সঠিক উত্তর হলো পলিমাটির।

কবিতাটিতে কবি আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ আমাদের পূর্বপুরুষদের মাটির সাথে গভীর সম্পর্কের কথা তুলে ধরেছেন। আমাদের পূর্বপুরুষরা ছিলেন মূলত কৃষক, যারা তাদের কঠোর পরিশ্রম আর ঘাম দিয়ে এই বদ্বীপের মাটিকে উর্বর করে তুলেছিলেন। তাদের হাতের তালুতে লেগে থাকা সেই পলিমাটির সৌরভই আসলে আমাদের শেকড়ের পরিচয় বহন করে।

  • শেকড়ের টান: পলিমাটি হলো আমাদের অস্তিত্বের মূল ভিত্তি।
  • কৃষক সত্তা: পূর্বপুরুষদের হাতের ছোঁয়ায় যে শস্য ফলত, তার পেছনে ছিল পলিমাটির আশীর্বাদ।
  • প্রতীকী অর্থ: এই সৌরভ মূলত আমাদের মাটির প্রতি ভালোবাসা এবং ঐতিহ্যের প্রতীক।
বিস্তারিত ও আলোচনা
নৈর্ব্যক্তিক (MCQ)
14142
‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতায় বর্ণমালাকে কীসের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে?
সঠিক উত্তর
নক্ষত্র
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:

‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতায় কবি শামসুর রাহমান বর্ণমালাকে নক্ষত্র-এর সঙ্গে তুলনা করেছেন। এর পেছনের কারণটি বেশ কাব্যিক ও গভীর:

  • কবিতায় কবি ভাষা আন্দোলনের শহীদদের আত্মত্যাগকে স্মরণ করেছেন।
  • আমাদের বাংলা বর্ণমালাগুলো যেন রাতের আকাশের উজ্জ্বল নক্ষত্রের মতো, যা অন্ধকারেও পথ দেখায় এবং আমাদের অস্তিত্বের পরিচয় বহন করে।
  • শহীদদের রক্তে রাঙা বর্ণমালাগুলো কবির চোখে নক্ষত্রের মতোই দীপ্তিময় ও চিরস্থায়ী, যা কখনো ম্লান হওয়ার নয়।

সহজ কথায়, বর্ণমালার পবিত্রতা ও উজ্জ্বলতাকে বোঝাতেই কবি একে আকাশের নক্ষত্রের সাথে তুলনা করেছেন।

বিস্তারিত ও আলোচনা
নৈর্ব্যক্তিক (MCQ)
14143
গঠনরীতি অনুযায়ী ‘তাহারেই পড়ে মনে’ কবিতাটি-
সঠিক উত্তর
সংলাপ নির্ভর
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:

গঠনরীতি অনুযায়ী ‘তাহারেই পড়ে মনে’ কবিতাটি একটি চমৎকার সংলাপ নির্ভর কবিতা। এর কারণগুলো খুব সহজ:

  • পুরো কবিতাটি মূলত দুজন ব্যক্তির কথোপকথনের মাধ্যমে এগিয়েছে।
  • এখানে একজন 'কবি' এবং অন্যজন 'কবিভক্ত' বা 'সুধীজন'—এই দুই চরিত্রের সংলাপের মধ্য দিয়ে কবিতার মূল ভাব ফুটে উঠেছে।
  • কবিতার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত প্রশ্ন-উত্তরের ঢঙে মনের আবেগ ও প্রকৃতির পরিবর্তনের সাথে স্মৃতির সম্পর্ক তুলে ধরা হয়েছে, যা একে একটি অনন্য সংলাপধর্মী শিল্পকর্মে পরিণত করেছে।
বিস্তারিত ও আলোচনা
নৈর্ব্যক্তিক (MCQ)
14144
“সাহিত্যের উদ্দেশ্য সকলকে আনন্দ দেওয়া, কারও মনোরঞ্জন করা নয়।”- উক্তিটি কোন লেখকের?
সঠিক উত্তর
প্রমথ চৌধুরী
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:

সঠিক উত্তর হলো প্রমথ চৌধুরী।

বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। প্রমথ চৌধুরী বাংলা সাহিত্যে 'চলতি রীতির' প্রবর্তক হিসেবে পরিচিত এবং তিনি তাঁর তীক্ষ্ণ ও বুদ্ধিদীপ্ত রচনার জন্য বিখ্যাত। সাহিত্যের উদ্দেশ্য যে কেবল বিনোদন নয়, বরং চিন্তার খোরাক জোগানো—এই আধুনিক ও যুক্তিবাদী দৃষ্টিভঙ্গিটি মূলত তাঁরই চিন্তাধারার প্রতিফলন।

  • মূল কথা: প্রমথ চৌধুরী মনে করতেন সাহিত্য কেবল মনোরঞ্জনের মাধ্যম নয়, এটি মানুষের মন ও বুদ্ধিকে বিকশিত করার একটি শক্তিশালী হাতিয়ার।
  • মনে রাখার কৌশল: যখনই কোনো উক্তি দেখবেন যেখানে সাহিত্যের গাম্ভীর্য বা বুদ্ধিবৃত্তিক উদ্দেশ্য নিয়ে কথা বলা হয়েছে, চোখ বন্ধ করে ধরে নিতে পারেন সেটি প্রমথ চৌধুরীর কোনো প্রবন্ধ বা উক্তি।
বিস্তারিত ও আলোচনা
নৈর্ব্যক্তিক (MCQ)
14145
“যশের জন্য লিখিবেন না”- উক্তিটি কার?
সঠিক উত্তর
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:

এখানে সঠিক উত্তর হলো বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। সাহিত্য নিয়ে তার দৃষ্টিভঙ্গি ছিল অত্যন্ত গভীর এবং দায়িত্বশীল। তিনি বিশ্বাস করতেন, সাহিত্য কেবল খ্যাতি বা জনপ্রিয়তার জন্য নয়, বরং সমাজের কল্যাণ এবং মানুষের মনকে উন্নত করার জন্য হওয়া উচিত।

সহজভাবে মনে রাখার জন্য এই বিষয়টি মাথায় রাখতে পারেন:

  • বঙ্কিমচন্দ্র মনে করতেন, লেখক যখনই খ্যাতির মোহে বা যশের জন্য লিখতে শুরু করেন, তখনই সাহিত্যের মান ও উদ্দেশ্য নষ্ট হয়ে যায়।
  • তার মতে, সাহিত্য হওয়া উচিত সত্য ও ন্যায়ের পথে মানুষকে উদ্বুদ্ধ করার একটি মাধ্যম।
  • এই বিখ্যাত উক্তিটি তার 'বিবিধ প্রবন্ধ' গ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত, যা বাংলা সাহিত্যের শিক্ষার্থীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা।
বিস্তারিত ও আলোচনা
ফিল্টারসমূহ

ফিল্টার নির্বাচন করে প্রশ্নের তালিকা পরিবর্তন করুন:

Support
Curiosity AI Assistant
24/7 লাইভ
eProstuti ডেটাবেস ও অটোমেশন ইঞ্জিন
এআই চ্যাট WhatsApp Messenger Instagram
👋 আসসালামু আলাইকুম শিক্ষার্থী !

আমি eProstuti Curiosity AI। আমাদের সকল লাইভ কোর্স, মডেল টেস্ট, ই-বুক, নোটিশ এবং পেমেন্ট সংক্রান্ত তথ্য নিমেষেই জানতে পারবেন।

দ্রুত উত্তরের জন্য নিচের টপিক চাপুন অথবা নিচে লিখুন:

উত্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে...