eProstuti
স্বাগতম শিক্ষার্থী!

অনলাইন কোর্স ও পরীক্ষায় অংশ নিতে লগইন করুন

লগইন / রেজিস্টার
ওয়েবসাইট মেন্যু

এসএসসি ২০২৬ এর রেজাল্ট সবার আগে পেতে এখনই বুকিং করো

বুক করো
অধ্যায় ও বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন ব্যাংক

প্রশ্ন ব্যাংক ও সমাধান মালা

বিসিএস, প্রাইমারি, ব্যাংক, স্কুল ও কলেজ পরীক্ষার সকল বিষয়ের পূর্ণাঙ্গ প্রশ্ন, উত্তর ও বিশ্লেষণ

ফিল্টারসমূহ
জেনারেল প্রশ্ন ব্যাংক ও সমাধান
মোট 16,865 টি প্রশ্ন সংরক্ষিত আছে
ক্রমানুসার:
জেনারেল
নৈর্ব্যক্তিক (MCQ)
14536
‘ইল্লুনী’ শব্দের অর্থ – [NU : 04-05]
সঠিক উত্তর
এক ধরনের গাছ
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:

এখানে সঠিক উত্তর হলো এক ধরনের গাছ। ‘ইল্লুনী’ শব্দটি মূলত একটি বিশেষ ধরনের উদ্ভিদ বা গাছকে নির্দেশ করে। এটি মনে রাখার জন্য কোনো জটিল ব্যাকরণ বা সূত্রের প্রয়োজন নেই, বরং এটি একটি শব্দার্থ বিষয়ক সাধারণ জ্ঞান। তাই পরীক্ষার খাতায় এই ধরনের শব্দ দেখলে সরাসরি এই অর্থটি মনে রাখলেই চলবে।

বিস্তারিত ও আলোচনা
নৈর্ব্যক্তিক (MCQ)
14537
‘দাদূরী’ শব্দের অর্থ – [NU : 05-06]
সঠিক উত্তর
ব্যাঙ
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:

এখানে সঠিক উত্তর হলো ব্যাঙ।

বিষয়টি খুব সহজ। সংস্কৃত ভাষায় 'দাদূরী' শব্দটির আক্ষরিক অর্থ হলো ব্যাঙ। বাংলা সাহিত্যে বা ব্যাকরণে অনেক সময় তৎসম শব্দের অর্থ মনে রাখার জন্য আমরা সরাসরি মূল অর্থটি জেনে রাখি। তাই পরীক্ষায় এই শব্দটি দেখলে সরাসরি ব্যাঙ দাগিয়ে দেবেন।

  • মূল শব্দ: দাদূরী
  • অর্থ: ব্যাঙ (Frog)
বিস্তারিত ও আলোচনা
নৈর্ব্যক্তিক (MCQ)
14538
‘রোরাব’ শব্দের অর্থ – [NU : 06-07]
সঠিক উত্তর
সুস্বন
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:

‘রোরাব’ শব্দের সঠিক অর্থ হলো সুস্বন।

সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল করুন:

  • ‘রোরাব’ শব্দটি মূলত সংস্কৃত শব্দ থেকে এসেছে, যার আভিধানিক অর্থ হলো সুন্দর বা মধুর শব্দ।
  • সাহিত্যের ভাষায় এটি সাধারণত কোনো কিছুর সুমধুর ধ্বনি বা সুস্বন বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
  • পরীক্ষায় এই ধরনের শব্দার্থ মনে রাখার জন্য শব্দের মূল উৎস বা এর ব্যবহারিক প্রয়োগের দিকে নজর দিলে খুব সহজেই সঠিক উত্তরটি চিহ্নিত করা যায়।
বিস্তারিত ও আলোচনা
নৈর্ব্যক্তিক (MCQ)
14539
কোনটি সুভাষণ? [NU : 09-10]
সঠিক উত্তর
চাল বাড়ন্ত
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:

এখানে সঠিক উত্তর হলো চাল বাড়ন্ত। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ বাংলা ব্যাকরণে 'সুভাষণ' বলতে এমন শব্দগুচ্ছকে বোঝায় যা শুনতে শ্রুতিমধুর এবং যার অর্থ বেশ স্পষ্ট ও মার্জিত।

  • 'চাল বাড়ন্ত' একটি প্রচলিত বাগধারা বা শব্দগুচ্ছ, যা দৈনন্দিন ভাষায় খুব সাবলীলভাবে ব্যবহৃত হয়।
  • অন্যান্য অপশনগুলোর তুলনায় এটি ভাষাগতভাবে অনেক বেশি পরিশীলিত এবং এর প্রয়োগ বাংলা সাহিত্যে ও কথ্য ভাষায় অত্যন্ত স্বাভাবিক।
  • সহজ কথায়, যে শব্দ বা শব্দগুচ্ছ কানে শুনতে ভালো লাগে এবং যার অর্থ বুঝতে কোনো জটিলতা নেই, তাকেই সুভাষণ বলা হয়।
বিস্তারিত ও আলোচনা
নৈর্ব্যক্তিক (MCQ)
14540
‘হরিহর’ বলতে কী বুঝায়? [NU : 09-10]
সঠিক উত্তর
বিষ্ণু ও শিব
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:

এখানে সঠিক উত্তর হলো বিষ্ণু ও শিব। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:

  • ‘হরি’ শব্দটি হিন্দু ধর্মে সাধারণত বিষ্ণু-কে নির্দেশ করে।
  • ‘হর’ শব্দটি দিয়ে মহাদেব বা শিব-কে বোঝানো হয়।
  • এই দুই দেবতার নাম একত্রে যুক্ত হয়েই ‘হরিহর’ শব্দটি গঠিত হয়েছে, যা মূলত বিষ্ণু ও শিবের সম্মিলিত রূপকে প্রকাশ করে।

সহজ কথায়, যখন বিষ্ণু ও শিবের অভিন্ন সত্তাকে কল্পনা করা হয়, তখনই তাকে আমরা ‘হরিহর’ বলি।

বিস্তারিত ও আলোচনা
নৈর্ব্যক্তিক (MCQ)
14541
‘মধুক’ শব্দের অর্থ – [NU : 12-13]
সঠিক উত্তর
ব্যাঙ
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:

‘মধুক’ শব্দের সঠিক অর্থ হলো ব্যাঙ। বাংলা অভিধান বা সাহিত্যিক প্রয়োগের ক্ষেত্রে ‘মধুক’ শব্দটি মূলত ব্যাঙকে নির্দেশ করে। এটি একটি বিশেষ শব্দ যা সাধারণত কাব্যিক বা প্রাচীন সাহিত্যে ব্যাঙের প্রতিশব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তাই মনে রাখার সুবিধার্থে এভাবে ভাবতে পারেন:

  • মধুক = ব্যাঙ

সহজ কথায়, শব্দের অর্থ মনে রাখার সময় এর উৎস বা প্রয়োগের ক্ষেত্রটি মাথায় রাখলে পরীক্ষার হলে দ্রুত উত্তর দেওয়া সহজ হয়।

বিস্তারিত ও আলোচনা
নৈর্ব্যক্তিক (MCQ)
14542
‘অবরে-সবরে’ কথাটির অর্থ কী? [NU : 12-13]
সঠিক উত্তর
কালে ভদ্রে
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:

‘অবরে-সবরে’ বাগধারাটির সঠিক অর্থ হলো কালে ভদ্রে।

সহজ কথায়, কোনো ঘটনা যখন খুব কম ঘটে বা মাঝেমধ্যে ঘটে, তখন আমরা এই বাগধারাটি ব্যবহার করি। বিষয়টি মনে রাখার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:

  • ‘অবরে-সবরে’ মানে হলো অনিয়মিত বা কদাচিৎ কোনো কিছু ঘটা।
  • এর সমার্থক শব্দ হিসেবে আমরা ‘মাঝে-মধ্যে’ বা ‘ কালে-ভদ্রে’ ব্যবহার করে থাকি।
  • দৈনন্দিন জীবনে আমরা যখন বলি কেউ খুব কম আসে, তখন বলতে পারি—সে তো এখানে অবরে-সবরে আসে। অর্থাৎ, সে কালে ভদ্রে আসে।
বিস্তারিত ও আলোচনা
নৈর্ব্যক্তিক (MCQ)
14543
‘দামিনী’ অর্থ কী? [NU : 12-13]
সঠিক উত্তর
বিদ্যুৎ
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:

‘দামিনী’ শব্দের অর্থ হলো বিদ্যুৎ। বাংলা সাহিত্যে বা কাব্যিক ভাষায় মেঘের গর্জন ও আলোর ঝলকানি বোঝাতে ‘দামিনী’ শব্দটি প্রায়ই ব্যবহৃত হয়।

সহজে মনে রাখার জন্য:

  • দামিনী মানেই হলো আকাশের বুক চিরে আসা ক্ষণস্থায়ী আলোর রেখা বা বিদ্যুৎ।
  • পুরানো দিনের কবিতা বা গানে ‘দামিনী’ শব্দটি বিদ্যুৎ বা বিজলি অর্থে বহুল প্রচলিত।
বিস্তারিত ও আলোচনা
নৈর্ব্যক্তিক (MCQ)
14544
‘পরিচর্য’ শব্দের অর্থ– [NU : 12-13]
সঠিক উত্তর
বর্জনীয়
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:

এখানে সঠিক উত্তর হলো বর্জনীয়।

শব্দটির অর্থ সহজে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়টি খেয়াল করুন:

  • 'পরিচর্য' শব্দটি মূলত 'পরি' উপসর্গ এবং 'চর্য' ধাতুর সমন্বয়ে গঠিত, যার আভিধানিক অর্থ হলো যা ত্যাগ করা বা বর্জন করা উচিত।
  • সহজ কথায়, কোনো কিছু যা গ্রহণ করার যোগ্য নয় বা যা এড়িয়ে চলাই শ্রেয়, তাকেই আমরা 'পরিচর্য' বলে থাকি।

তাই পরীক্ষার খাতায় এই শব্দটি দেখলে সরাসরি বর্জনীয় উত্তরটি বেছে নেবেন। এটি মনে রাখা বেশ সহজ কারণ এর মূল ভাবটিই হলো কোনো কিছুকে বর্জন করা।

বিস্তারিত ও আলোচনা
নৈর্ব্যক্তিক (MCQ)
14545
‘স্ত্রী’ অর্থ কী? [NU : 12-13]
সঠিক উত্তর
লজ্জা
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:

এখানে সঠিক উত্তর হলো লজ্জা। ‘স্ত্রী’ শব্দটি মূলত সংস্কৃত ভাষা থেকে এসেছে, যার আক্ষরিক অর্থ হলো ‘যা লজ্জা পায়’ বা ‘লজ্জাশীলা’।

  • বাংলা ব্যাকরণ ও অভিধান অনুযায়ী, ‘স্ত্রী’ শব্দের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ হলো লজ্জা বা বিনয়।
  • প্রাচীন রীতিতে নারীদের স্বভাবগত গুণ হিসেবে লজ্জাকে বিবেচনা করা হতো, তাই এই শব্দটি সেই অর্থেই ব্যবহৃত হয়।

সহজ কথায়, শব্দটির মূল উৎস এবং প্রচলিত অর্থ বিশ্লেষণ করলে আমরা পাই যে, স্ত্রী = লজ্জা।

বিস্তারিত ও আলোচনা
নৈর্ব্যক্তিক (MCQ)
14546
‘নিরবরব’–এর অর্থ : [NU : 12-13]
সঠিক উত্তর
নিরাকার
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:

‘নিরবরব’ শব্দটির সঠিক অর্থ হলো নিরাকার।

সহজভাবে মনে রাখার জন্য বিষয়টি এভাবে দেখতে পারেন:

  • ‘নির’ উপসর্গটি সাধারণত অভাব বা শূন্যতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
  • ‘অবয়ব’ শব্দের অর্থ হলো আকার বা গঠন।
  • তাই যখন কোনো কিছুর অবয়ব বা আকার থাকে না, তখন তাকে আমরা এক কথায় নিরাকার বা ‘নিরবরব’ বলে থাকি।

অর্থাৎ, যার কোনো নির্দিষ্ট আকৃতি নেই, সেটিই হলো নিরবরব।

বিস্তারিত ও আলোচনা
নৈর্ব্যক্তিক (MCQ)
14547
‘কেলিনু’ শব্দের অর্থ কোনটি? [NU : 13-14]
সঠিক উত্তর
খেলা করলাম
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:

সঠিক উত্তর হলো খেলা করলাম।

বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। বাংলা সাহিত্যে বা প্রাচীন কাব্যে সাধু ভাষার ক্রিয়াপদগুলো অনেক সময় সংক্ষিপ্ত আকারে ব্যবহৃত হয়। ‘কেলিনু’ শব্দটি মূলত ‘খেলা করলাম’ বা ‘খেলা করেছিলাম’ অর্থে ব্যবহৃত হয়।

  • মূল শব্দ: কেলি (যার অর্থ খেলা বা ক্রীড়া)।
  • ক্রিয়াপদ: কেলিনু (উত্তম পুরুষে অতীতকাল নির্দেশ করে)।
  • সহজ কৌশল: ‘কেলি’ শব্দের অর্থই হলো খেলা, তাই ‘কেলিনু’ মানে হলো খেলা করলাম।
বিস্তারিত ও আলোচনা
নৈর্ব্যক্তিক (MCQ)
14548
‘অন্তরের জিনিসকে বাহিরের, ভাবের জিনিসকে ভাষায়, নিজের জিনিসকে বিশ্বমানবের এবং ক্ষণকালের জিনিসকে চিরকালের করে তোলে যা তাই সাহিত্য’ এ বক্তব্য কার?
সঠিক উত্তর
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:

এখানে সঠিক উত্তর হলো রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। সাহিত্য নিয়ে তাঁর এই বিখ্যাত উক্তিটি মূলত তাঁর 'সাহিত্য' নামক প্রবন্ধগ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে।

সহজ কথায়, রবীন্দ্রনাথ বোঝাতে চেয়েছেন যে সাহিত্য হলো এমন এক জাদুকরী মাধ্যম, যা আমাদের মনের ভেতরের সূক্ষ্ম অনুভূতিগুলোকে ভাষার রূপ দিয়ে সবার কাছে পৌঁছে দেয়। তাঁর মতে:

  • ব্যক্তিগত আবেগ যখন ভাষায় প্রকাশ পায়, তখন তা আর কেবল নিজের থাকে না।
  • তা বিশ্বজনীন হয়ে ওঠে এবং সময়ের গণ্ডি পেরিয়ে চিরস্থায়ী রূপ লাভ করে।

তাই সাহিত্যের এই গভীর ও নান্দনিক সংজ্ঞার মূল কারিগর হলেন বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

বিস্তারিত ও আলোচনা
নৈর্ব্যক্তিক (MCQ)
14549
‘প্রীতি ও প্রেমের পুণ্য বাঁধনে যবে মিলি পরস্পরে,/স্বর্গ আসিয়া দাঁড়ায় তখন আমাদের কুটির ঘরে।’ চরণ দুটির রচয়িতা–
সঠিক উত্তর
শেখ ফজলুল করিম
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:

এখানে সঠিক উত্তর হলো শেখ ফজলুল করিম।

এই বিখ্যাত পঙক্তিটি কবি শেখ ফজলুল করিমের 'তত্ত্বমালা' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত। সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল করতে পারেন:

  • কবি শেখ ফজলুল করিম মূলত তার সহজ-সরল ও নীতিমূলক কবিতার জন্য পরিচিত।
  • এই চরণ দুটি মানুষের পারস্পরিক ভালোবাসা ও সম্প্রীতির গুরুত্ব বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
  • সাহিত্যিক পরীক্ষায় এই উদ্ধৃতিটি প্রায়ই আসে, তাই কবির নাম এবং কবিতার মূল ভাবটি মনে রাখা জরুরি।
বিস্তারিত ও আলোচনা
নৈর্ব্যক্তিক (MCQ)
14550
‘কালো আর ধলো বাহিরে কেবল, ভিতরে সবার সমান রাঙা’ কোন কবির রচনার অংশ?
সঠিক উত্তর
সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:

সঠিক উত্তর হলো সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত। এই বিখ্যাত পঙক্তিটি তাঁর 'মানুষের জাতি' কবিতার অংশ।

কবিতাটি পড়ার সময় এই সহজ বিষয়টি মাথায় রাখতে পারেন:

  • সত্যেন্দ্রনাথ দত্তকে বলা হয় 'ছন্দের জাদুকর'।
  • তিনি তাঁর কবিতায় মানুষের ভেদাভেদ ভুলে সাম্যের কথা খুব সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।
  • 'কালো আর ধলো' বলতে তিনি মানুষের গায়ের রঙের পার্থক্য বুঝিয়েছেন, কিন্তু 'ভিতরে সবার সমান রাঙা' দিয়ে তিনি বোঝাতে চেয়েছেন যে, সব মানুষের রক্তই লাল এবং সবাই সমান।

সহজ কথায়, মানুষের বাহ্যিক রূপ বা গায়ের রঙের চেয়ে হৃদয়ের মানবিকতা যে বড়, এই অমোঘ সত্যটিই কবি এখানে তুলে ধরেছেন।

বিস্তারিত ও আলোচনা
ফিল্টারসমূহ

ফিল্টার নির্বাচন করে প্রশ্নের তালিকা পরিবর্তন করুন:

Support
Curiosity AI Assistant
24/7 লাইভ
eProstuti ডেটাবেস ও অটোমেশন ইঞ্জিন
এআই চ্যাট WhatsApp Messenger Instagram
👋 আসসালামু আলাইকুম শিক্ষার্থী !

আমি eProstuti Curiosity AI। আমাদের সকল লাইভ কোর্স, মডেল টেস্ট, ই-বুক, নোটিশ এবং পেমেন্ট সংক্রান্ত তথ্য নিমেষেই জানতে পারবেন।

দ্রুত উত্তরের জন্য নিচের টপিক চাপুন অথবা নিচে লিখুন:

উত্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে...
eProstuti AI সহকারী
সার্বক্ষণিক সহায়তায় প্রস্তুত
লগইন আবশ্যক

ব্যক্তিগত সহায়তা এবং আপনার কোর্স, পরীক্ষা ও পেমেন্ট হিস্ট্রি দেখতে অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।

* চ্যাটবট সরাসরি অ্যাকাউন্ট তৈরি বা লগইন করতে পারে না।