বিসিএস, প্রাইমারি, ব্যাংক, স্কুল ও কলেজ পরীক্ষার সকল বিষয়ের পূর্ণাঙ্গ প্রশ্ন, উত্তর ও বিশ্লেষণ
এখানে সঠিক উত্তর হলো এক ধরনের গাছ। ‘ইল্লুনী’ শব্দটি মূলত একটি বিশেষ ধরনের উদ্ভিদ বা গাছকে নির্দেশ করে। এটি মনে রাখার জন্য কোনো জটিল ব্যাকরণ বা সূত্রের প্রয়োজন নেই, বরং এটি একটি শব্দার্থ বিষয়ক সাধারণ জ্ঞান। তাই পরীক্ষার খাতায় এই ধরনের শব্দ দেখলে সরাসরি এই অর্থটি মনে রাখলেই চলবে।
এখানে সঠিক উত্তর হলো ব্যাঙ।
বিষয়টি খুব সহজ। সংস্কৃত ভাষায় 'দাদূরী' শব্দটির আক্ষরিক অর্থ হলো ব্যাঙ। বাংলা সাহিত্যে বা ব্যাকরণে অনেক সময় তৎসম শব্দের অর্থ মনে রাখার জন্য আমরা সরাসরি মূল অর্থটি জেনে রাখি। তাই পরীক্ষায় এই শব্দটি দেখলে সরাসরি ব্যাঙ দাগিয়ে দেবেন।
‘রোরাব’ শব্দের সঠিক অর্থ হলো সুস্বন।
সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল করুন:
এখানে সঠিক উত্তর হলো চাল বাড়ন্ত। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ বাংলা ব্যাকরণে 'সুভাষণ' বলতে এমন শব্দগুচ্ছকে বোঝায় যা শুনতে শ্রুতিমধুর এবং যার অর্থ বেশ স্পষ্ট ও মার্জিত।
এখানে সঠিক উত্তর হলো বিষ্ণু ও শিব। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:
সহজ কথায়, যখন বিষ্ণু ও শিবের অভিন্ন সত্তাকে কল্পনা করা হয়, তখনই তাকে আমরা ‘হরিহর’ বলি।
‘মধুক’ শব্দের সঠিক অর্থ হলো ব্যাঙ। বাংলা অভিধান বা সাহিত্যিক প্রয়োগের ক্ষেত্রে ‘মধুক’ শব্দটি মূলত ব্যাঙকে নির্দেশ করে। এটি একটি বিশেষ শব্দ যা সাধারণত কাব্যিক বা প্রাচীন সাহিত্যে ব্যাঙের প্রতিশব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তাই মনে রাখার সুবিধার্থে এভাবে ভাবতে পারেন:
সহজ কথায়, শব্দের অর্থ মনে রাখার সময় এর উৎস বা প্রয়োগের ক্ষেত্রটি মাথায় রাখলে পরীক্ষার হলে দ্রুত উত্তর দেওয়া সহজ হয়।
‘অবরে-সবরে’ বাগধারাটির সঠিক অর্থ হলো কালে ভদ্রে।
সহজ কথায়, কোনো ঘটনা যখন খুব কম ঘটে বা মাঝেমধ্যে ঘটে, তখন আমরা এই বাগধারাটি ব্যবহার করি। বিষয়টি মনে রাখার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:
‘দামিনী’ শব্দের অর্থ হলো বিদ্যুৎ। বাংলা সাহিত্যে বা কাব্যিক ভাষায় মেঘের গর্জন ও আলোর ঝলকানি বোঝাতে ‘দামিনী’ শব্দটি প্রায়ই ব্যবহৃত হয়।
সহজে মনে রাখার জন্য:
এখানে সঠিক উত্তর হলো বর্জনীয়।
শব্দটির অর্থ সহজে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়টি খেয়াল করুন:
তাই পরীক্ষার খাতায় এই শব্দটি দেখলে সরাসরি বর্জনীয় উত্তরটি বেছে নেবেন। এটি মনে রাখা বেশ সহজ কারণ এর মূল ভাবটিই হলো কোনো কিছুকে বর্জন করা।
এখানে সঠিক উত্তর হলো লজ্জা। ‘স্ত্রী’ শব্দটি মূলত সংস্কৃত ভাষা থেকে এসেছে, যার আক্ষরিক অর্থ হলো ‘যা লজ্জা পায়’ বা ‘লজ্জাশীলা’।
সহজ কথায়, শব্দটির মূল উৎস এবং প্রচলিত অর্থ বিশ্লেষণ করলে আমরা পাই যে, স্ত্রী = লজ্জা।
‘নিরবরব’ শব্দটির সঠিক অর্থ হলো নিরাকার।
সহজভাবে মনে রাখার জন্য বিষয়টি এভাবে দেখতে পারেন:
অর্থাৎ, যার কোনো নির্দিষ্ট আকৃতি নেই, সেটিই হলো নিরবরব।
সঠিক উত্তর হলো খেলা করলাম।
বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। বাংলা সাহিত্যে বা প্রাচীন কাব্যে সাধু ভাষার ক্রিয়াপদগুলো অনেক সময় সংক্ষিপ্ত আকারে ব্যবহৃত হয়। ‘কেলিনু’ শব্দটি মূলত ‘খেলা করলাম’ বা ‘খেলা করেছিলাম’ অর্থে ব্যবহৃত হয়।
এখানে সঠিক উত্তর হলো রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। সাহিত্য নিয়ে তাঁর এই বিখ্যাত উক্তিটি মূলত তাঁর 'সাহিত্য' নামক প্রবন্ধগ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে।
সহজ কথায়, রবীন্দ্রনাথ বোঝাতে চেয়েছেন যে সাহিত্য হলো এমন এক জাদুকরী মাধ্যম, যা আমাদের মনের ভেতরের সূক্ষ্ম অনুভূতিগুলোকে ভাষার রূপ দিয়ে সবার কাছে পৌঁছে দেয়। তাঁর মতে:
তাই সাহিত্যের এই গভীর ও নান্দনিক সংজ্ঞার মূল কারিগর হলেন বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
এখানে সঠিক উত্তর হলো শেখ ফজলুল করিম।
এই বিখ্যাত পঙক্তিটি কবি শেখ ফজলুল করিমের 'তত্ত্বমালা' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত। সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল করতে পারেন:
সঠিক উত্তর হলো সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত। এই বিখ্যাত পঙক্তিটি তাঁর 'মানুষের জাতি' কবিতার অংশ।
কবিতাটি পড়ার সময় এই সহজ বিষয়টি মাথায় রাখতে পারেন:
সহজ কথায়, মানুষের বাহ্যিক রূপ বা গায়ের রঙের চেয়ে হৃদয়ের মানবিকতা যে বড়, এই অমোঘ সত্যটিই কবি এখানে তুলে ধরেছেন।
ফিল্টার নির্বাচন করে প্রশ্নের তালিকা পরিবর্তন করুন:
ব্যক্তিগত সহায়তা এবং আপনার কোর্স, পরীক্ষা ও পেমেন্ট হিস্ট্রি দেখতে অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
* চ্যাটবট সরাসরি অ্যাকাউন্ট তৈরি বা লগইন করতে পারে না।