বিসিএস, প্রাইমারি, ব্যাংক, স্কুল ও কলেজ পরীক্ষার সকল বিষয়ের পূর্ণাঙ্গ প্রশ্ন, উত্তর ও বিশ্লেষণ
বাংলা সাহিত্যে বিহারীলাল চক্রবর্তীকে ‘ভোরের পাখি’ বলা হয়। এর কারণ খুব সহজ:
সহজ কথায়, বাংলা কবিতার ভোরের সূচনালগ্নে তাঁর আগমন ঘটেছিল বলেই তাঁকে এই বিশেষ উপাধিতে ভূষিত করা হয়।
রামমোহন রায়ের ছদ্মনাম হলো শিবপ্রসাদ রায়। তিনি মূলত বিভিন্ন বিতর্কিত বিষয়ে নিজের মতামত প্রকাশের সময় বা বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় লেখার ক্ষেত্রে এই ছদ্মনামটি ব্যবহার করতেন।
সঠিক উত্তর হলো দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার। বাংলা সাহিত্যে ছদ্মনামের ব্যবহার বেশ পুরনো, আর এই বিশেষ ছদ্মনামটি নিয়ে বিভ্রান্ত হওয়ার কিছু নেই।
সহজ কথায়, বাংলা সাহিত্যের এই বিশিষ্ট লেখককে চেনার জন্য তাঁর এই ছদ্মনামটি মনে রাখা জরুরি, কারণ বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এটি প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর হলো বিহারীলাল চক্রবর্তী।
বাংলা সাহিত্যে বিহারীলাল চক্রবর্তীকে 'ভোরের পাখি' বলা হয়। এর পেছনের কারণটা বেশ মজার এবং সহজ:
এখানে সঠিক উত্তর হলো মাইকেল মধুসূদন দত্ত।
বিষয়টা মনে রাখা খুব সহজ। মাইকেল মধুসূদন দত্ত তাঁর সাহিত্যিক জীবনে বিভিন্ন ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন। এর মধ্যে ‘এ নেটিভ’ ছদ্মনামটি তিনি ইংরেজি ভাষায় লেখালেখির সময় ব্যবহার করতেন। তাঁর বহুমুখী প্রতিভার পরিচয় পাওয়া যায় এই ছদ্মনামগুলোর মাধ্যমেই।
সঠিক উত্তর হলো সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়।
বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় তাঁর সাহিত্যিক জীবনে বিভিন্ন ছদ্মনাম ব্যবহার করেছেন, যার মধ্যে 'সনাতন পাঠক' নামটি বেশ জনপ্রিয়। তিনি মূলত কলাম বা রম্য রচনার ক্ষেত্রে এই ছদ্মনামটি ব্যবহার করতেন।
সঠিক উত্তর হলো এম. ওয়ায়দুল্লাহ। বাংলা সাহিত্যের ছদ্মনাম মনে রাখার ক্ষেত্রে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।
সহজভাবে মনে রাখার কৌশল:
সঠিক উত্তর হলো সৈয়দ মুজতবা আলী। বাংলা সাহিত্যে ছদ্মনাম মনে রাখার ক্ষেত্রে এটি বেশ জনপ্রিয় একটি তথ্য।
‘একাত্তরের ঢাকা’ গ্রন্থটির রচয়িতা হলেন এম আর আখতার মুকুল।
বিষয়টি মনে রাখার জন্য একটি সহজ কৌশল অবলম্বন করতে পারেন:
‘হাঙর নদী গ্রেনেড’ উপন্যাসটির রচয়িতা হলেন সেলিনা হোসেন। এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপন্যাস, যেখানে বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপট এবং একজন মায়ের আত্মত্যাগের করুণ কাহিনী ফুটে উঠেছে।
সহজে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:
সেলিনা হোসেনের অন্যান্য উল্লেখযোগ্য কাজের মধ্যে রয়েছে পোকামাকড়ের ঘরবসতি এবং নীল ময়ূরের যৌবন। পরীক্ষার জন্য এই নামগুলো মনে রাখলে খুব সহজেই উত্তর দাগানো সম্ভব।
সঠিক উত্তর হলো রফিক আজাদ। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ তিনি শুধু একজন কবিই ছিলেন না, বরং ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে সরাসরি অস্ত্র হাতে লড়াই করেছিলেন।
তার সম্পর্কে কিছু তথ্য যা মনে রাখলে সুবিধা হবে:
সহজ কথায়, রফিক আজাদ ছিলেন সেই বিরল কবিদের একজন, যিনি কলম এবং অস্ত্র—উভয় মাধ্যমেই দেশের জন্য লড়াই করেছেন।
সঠিক উত্তর হলো চিলেকোঠার সেপাই। আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের লেখা এই কালজয়ী উপন্যাসটি মূলত ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান এবং বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রচিত।
সহজভাবে মনে রাখার কিছু কারণ:
সঠিক উত্তর হলো জাহানারা ইমাম।
বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। ‘একাত্তরের দিনগুলি’ মূলত আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়কার একটি দিনলিপি বা ডায়েরি। এই বইটির প্রেক্ষাপট ও রচনার পেছনের কারণগুলো খেয়াল করলে বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে যায়:
তাই যখনই ‘একাত্তরের দিনগুলি’র কথা আসবে, তখনই মনে রাখবেন এটি শহীদ জননী জাহানারা ইমামের লেখা একটি কালজয়ী স্মৃতিচারণমূলক গ্রন্থ।
সঠিক উত্তর হলো নরকে লাল গোলাপ। এটি মূলত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় নাটক, যা লিখেছেন নাট্যকার আলাউদ্দিন আল আজাদ।
সহজভাবে মনে রাখার উপায়:
একুশের প্রথম কবিতা রচনার কৃতিত্ব হলো মাহবুবুল আলম চৌধুরী-এর। ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি যখন রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে ছাত্র-জনতার ওপর গুলি চালানো হয়, সেই রাতেই তিনি অত্যন্ত আবেগ ও ক্ষোভ থেকে রচনা করেন বিখ্যাত কবিতা 'কাঁদতে আসিনি, ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি'।
সহজভাবে মনে রাখার কিছু তথ্য:
তাই পরীক্ষার খাতায় একুশের প্রথম কবিতার কথা শুনলেই চোখ বন্ধ করে মাহবুবুল আলম চৌধুরী-কে বেছে নেবেন।
ফিল্টার নির্বাচন করে প্রশ্নের তালিকা পরিবর্তন করুন:
ব্যক্তিগত সহায়তা এবং আপনার কোর্স, পরীক্ষা ও পেমেন্ট হিস্ট্রি দেখতে অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
* চ্যাটবট সরাসরি অ্যাকাউন্ট তৈরি বা লগইন করতে পারে না।