বিসিএস, প্রাইমারি, ব্যাংক, স্কুল ও কলেজ পরীক্ষার সকল বিষয়ের পূর্ণাঙ্গ প্রশ্ন, উত্তর ও বিশ্লেষণ
ব্রাহ্মসমাজের মুখপত্র হলো তত্ত্ববোধিনী পত্রিকা। এই পত্রিকাটির সাথে ব্রাহ্মসমাজের গভীর সম্পর্ক রয়েছে, কারণ:
সহজ কথায়, ব্রাহ্মসমাজের মতাদর্শকে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য এবং তাদের ধর্মীয় ও সামাজিক চেতনা জাগ্রত করার জন্য এই পত্রিকাটি ছিল সবচেয়ে শক্তিশালী হাতিয়ার।
‘মানুষের মানচিত্র’ কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা হলেন রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ।
সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে পারেন:
পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য কবির অন্যান্য বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যেমন—‘উপদ্রুত উপকূল’ বা ‘ফিরে পাই স্বর্ণগ্রাম’-এর সাথে এই নামটিও মনে রাখা জরুরি।
‘বাক বাকুম পায়রা/ মাথায় দিয়ে টায়রা’ ছড়াটির রচয়িতা হলেন রোকনুজ্জামান খান। তিনি মূলত 'দাদাভাই' নামেই আমাদের কাছে বেশি পরিচিত।
সহজভাবে মনে রাখার উপায়:
সঠিক উত্তর হলো শঙ্খ ঘোষ।
বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি শঙ্খ ঘোষ তাঁর তীক্ষ্ণ ও সমাজসচেতন লেখনীর জন্য পরিচিত। তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের নামই হলো 'মুখ ঢেকে যায় বিজ্ঞাপনে', যা ১৯৭৪ সালে প্রকাশিত হয়। এই কাব্যগ্রন্থটি বাংলা সাহিত্যে এক অনন্য সংযোজন, যেখানে কবি নাগরিক জীবনের কৃত্রিমতা ও বিজ্ঞাপনের আড়ালে ঢাকা পড়া মানুষের বাস্তবতাকে দারুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।
সঠিক উত্তর হলো বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়।
বিষয়টা খুব সহজ! বাংলা সাহিত্যে ছদ্মনামের ব্যবহার বেশ জনপ্রিয়, আর 'বনফুল' হলো বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের অত্যন্ত পরিচিত একটি ছদ্মনাম। তিনি মূলত তার ছোটগল্পের জন্য বিখ্যাত। মনে রাখার জন্য এই ছোট টিপসটি মাথায় রাখতে পারেন:
‘এঙ্কেলের গল্পে’ সঠিক উত্তর হলো জর্জ বার্নাড ‘শ’। এই বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ গল্পের প্রেক্ষাপট ও চরিত্র বিশ্লেষণের ক্ষেত্রে লেখকের সাথে তাঁর যে বুদ্ধিবৃত্তিক সংযোগ রয়েছে, তা এই নামটির মাধ্যমেই ফুটে ওঠে।
তাই পরীক্ষার খাতায় বা কুইজে এই প্রশ্নটি দেখলে চোখ বন্ধ করে জর্জ বার্নাড ‘শ’-কে বেছে নিতে পারেন।
সঠিক উত্তর হলো রামায়ণ। এর পেছনের ইতিহাসটা বেশ মজার এবং সহজ:
সহজ কথায়, কৃত্তিবাস ওঝার হাত ধরেই বাংলা ভাষায় প্রথম মহাকাব্যিক ধারার সূচনা হয়, যার মূল উৎস ছিল রামায়ণ।
সংস্কৃত উপনিষদের প্রথম ফারসি অনুবাদক হলেন দারাশিকোহ। মুঘল সম্রাট শাহজাহানের জ্যেষ্ঠ পুত্র দারাশিকোহ ছিলেন একজন অত্যন্ত জ্ঞানী এবং উদারমনা মানুষ। তিনি ভারতীয় দর্শন ও আধ্যাত্মিকতার প্রতি ভীষণ আগ্রহী ছিলেন।
সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল করুন:
তাই সঠিক উত্তরটি হলো দারাশিকোহ, যিনি তার পাণ্ডিত্য ও ধর্মীয় সহনশীলতার জন্য ইতিহাসে বিশেষভাবে পরিচিত।
মহাভারতে ত্রিপদদের অন্য নাম হলো দেবব্রত। এই নামটি মূলত ভীষ্মের আদি নাম হিসেবে পরিচিত।
সঠিক উত্তর হলো কুরু-পাণ্ডবের কাহিনি। বিষয়টি একদম সহজ, কারণ মহাভারতের মূল উপজীব্যই হলো কুরুবংশীয় দুই পক্ষ—কৌরব এবং পাণ্ডবদের মধ্যকার দীর্ঘস্থায়ী দ্বন্দ্ব ও কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধ।
সঠিক উত্তর হলো বাল্মীকি। মহাকাব্য ‘রামায়ণ’ রচনার পেছনে একটি চমৎকার ইতিহাস আছে। মহর্ষি বাল্মীকি সংস্কৃত ভাষায় এই বিশাল মহাকাব্যটি রচনা করেছিলেন, যা ভারতীয় সাহিত্যের অন্যতম প্রধান ভিত্তি হিসেবে পরিচিত।
সহজভাবে মনে রাখার উপায়:
তাই যখনই রামায়ণের রচয়িতার কথা আসবে, চোখ বন্ধ করে বাল্মীকি নামটি মনে রাখলেই হবে!
সঠিক উত্তর হলো সৈয়দ সুলতান। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি সৈয়দ সুলতান তাঁর অমর সৃষ্টি 'নবীবংশ'-এর জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।
সহজে মনে রাখার কিছু কৌশল:
সঠিক উত্তর হলো কৃষি। খনার বচন মূলত আবহাওয়া, শস্য উৎপাদন এবং চাষাবাদের বিভিন্ন নিয়মকানুন নিয়ে তৈরি।
সহজভাবে মনে রাখার উপায়:
মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার শ্রেষ্ঠ নিদর্শন হলো পদ্মাবতী। মহাকবি আলাওল রচিত এই কাব্যটি মূলত হিন্দি কবি মালিক মুহম্মদ জায়সীর 'পদুমাবৎ' অবলম্বনে লেখা।
সহজভাবে মনে রাখার কিছু কারণ:
তাই সাহিত্যিক বিচারে মধ্যযুগের রোমান্টিক ধারার কথা বললেই সবার আগে পদ্মাবতী-র নাম আসে।
বাংলা টপ্পা সংগীতের প্রবর্তক হলেন রামনিধি গুপ্ত, যিনি মূলত 'নিধুবাবু' নামেই বেশি পরিচিত। আঠারো শতকের শেষভাগে তিনি এই সংগীত ধারাকে জনপ্রিয় করে তোলেন।
বিষয়টা মনে রাখার জন্য এই সহজ তথ্যগুলো খেয়াল রাখতে পারেন:
ফিল্টার নির্বাচন করে প্রশ্নের তালিকা পরিবর্তন করুন:
ব্যক্তিগত সহায়তা এবং আপনার কোর্স, পরীক্ষা ও পেমেন্ট হিস্ট্রি দেখতে অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
* চ্যাটবট সরাসরি অ্যাকাউন্ট তৈরি বা লগইন করতে পারে না।