বিসিএস, প্রাইমারি, ব্যাংক, স্কুল ও কলেজ পরীক্ষার সকল বিষয়ের পূর্ণাঙ্গ প্রশ্ন, উত্তর ও বিশ্লেষণ
সঠিক উত্তর হলো মুকুন্দরাম। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি মুকুন্দরাম চক্রবর্তী তাঁর বিখ্যাত কাব্য 'চণ্ডীমঙ্গল' রচনার জন্য 'কবি কঙ্কণ' উপাধিতে ভূষিত হন।
সহজভাবে মনে রাখার উপায়:
বাংলা সাহিত্যে মুসলিম কবিদের পদচারণা শুরু হয় মূলত মধ্যযুগে। এর পেছনে একটি সহজ ঐতিহাসিক কারণ রয়েছে:
তাই সাহিত্যের কালানুক্রমিক ধারা অনুযায়ী, মুসলিম কবিদের সাহিত্যিক কর্মকাণ্ডের মূল ভিত্তি স্থাপিত হয়েছিল মধ্যযুগেই।
এখানে সঠিক উত্তর হলো শ্রীচৈতন্যদেব। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:
তাই নব্যবৈষ্ণব আন্দোলনের প্রধান নেতা বা প্রবর্তক হিসেবে শ্রীচৈতন্যদেবের নামই সবার আগে আসে।
সঠিক উত্তর হলো মিথিলা ও বাংলার মিশ্র ভাষা। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:
তাই পরীক্ষার খাতায় ব্রজবুলি দেখলেই মনে রাখবেন—এটি মূলত মিথিলা ও বাংলার এক চমৎকার মেলবন্ধন।
সঠিক উত্তর হলো কাব্য। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ 'মদিনার গৌরব' মূলত একটি কাব্যগ্রন্থ।
সঠিক উত্তর হলো বিজয়গুপ্ত।
বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি বিজয়গুপ্ত তাঁর বিখ্যাত কাব্য 'পদ্মপুরাণ' বা 'মনসামঙ্গল' কাব্যের আত্মপরিচয় অংশে এই পঙক্তিটি লিখেছিলেন।
তাই সাহিত্যের ইতিহাসে এই বিখ্যাত পঙক্তিটি বিজয়গুপ্তের নামেই পরিচিত।
এখানে সঠিক উত্তর হলো সেক শুভোদয়া। এই বিখ্যাত পঙক্তিটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম নিদর্শন 'সেক শুভোদয়া' গ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে।
সহজভাবে মনে রাখার উপায়:
এখানে সঠিক উত্তর হলো মধ্যযুগে। এর পেছনের কারণটি বেশ সহজ:
সহজ কথায়, মধ্যযুগের সাহিত্যের মূল প্রাণই ছিল শ্রীকৃষ্ণ, তাই তাকে ছাড়া কোনো গীত বা সাহিত্য সৃষ্টি হওয়া সম্ভব ছিল না।
সঠিক উত্তর হলো সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:
চর্যাপদে সর্বমোট পদের সংখ্যা হলো ৫১টি। তবে এই বিষয়টি নিয়ে একটি ছোট মজার তথ্য জেনে রাখা ভালো:
সহজ কথায়, মূল রচনায় পদের সংখ্যা নির্ধারিত ছিল ৫১টি, তাই পরীক্ষার খাতায় উত্তর হিসেবে এটিই সঠিক।
সঠিক উত্তর হলো লুইপা। চর্যাপদ হলো বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন, আর লুইপা ছিলেন এর অন্যতম প্রধান এবং প্রথম কবি।
সহজভাবে মনে রাখার উপায়:
তাই পরীক্ষার খাতায় চর্যাপদের কবির নাম আসলে চোখ বন্ধ করে লুইপা-কে বেছে নিতে পারেন, কারণ তিনিই এই প্রাচীন সাহিত্যধারার পথিকৃৎ।
সঠিক উত্তর হলো কাহ্নপা। চর্যাপদ হলো বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন, আর কাহ্নপা ছিলেন এই চর্যাপদের অন্যতম প্রধান এবং সর্বাধিক পদ রচনা করা কবি।
সহজে মনে রাখার উপায়:
সঠিক উত্তর হলো বৌদ্ধ সহজিয়া। চর্যাপদ মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া বা সহজযান মতাবলম্বী সিদ্ধাচার্যদের সাধন-সঙ্গীত। বিষয়টি সহজভাবে বুঝতে নিচের পয়েন্টগুলো দেখুন:
সহজ কথায়, চর্যাপদ কোনো সাধারণ গান নয়, বরং এটি বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের আধ্যাত্মিক সাধনার একটি অনন্য দলিল।
সঠিক উত্তর হলো অপভ্রংশ। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ বাংলা ভাষার উৎপত্তির ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যায়, প্রাকৃত ভাষার পরবর্তী ধাপ বা বিকৃত রূপই হলো অপভ্রংশ।
সহজ কথায়, বাংলা ভাষার আদি রূপ বা বিবর্তনের ধারায় অপভ্রংশ একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তর, আর সেই স্তরেই এই মূল্যবান গ্রন্থটি লেখা হয়েছে।
এখানে সঠিক উত্তর হলো শবরপা। চর্যাপদের এই বিখ্যাত পদটি শবরপার লেখা। বিষয়টি মনে রাখার জন্য খুব সহজ একটা কৌশল আছে:
সহজ কথায়, পদের ভেতরে থাকা 'সবরী' শব্দটিই আপনাকে সরাসরি কবি শবরপা-এর দিকে নির্দেশ করছে।
ফিল্টার নির্বাচন করে প্রশ্নের তালিকা পরিবর্তন করুন:
ব্যক্তিগত সহায়তা এবং আপনার কোর্স, পরীক্ষা ও পেমেন্ট হিস্ট্রি দেখতে অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
* চ্যাটবট সরাসরি অ্যাকাউন্ট তৈরি বা লগইন করতে পারে না।