eProstuti
স্বাগতম শিক্ষার্থী!

অনলাইন কোর্স ও পরীক্ষায় অংশ নিতে লগইন করুন

লগইন / রেজিস্টার
ওয়েবসাইট মেন্যু

এসএসসি ২০২৬ এর রেজাল্ট সবার আগে পেতে এখনই বুকিং করো

বুক করো
অধ্যায় ও বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন ব্যাংক

প্রশ্ন ব্যাংক ও সমাধান মালা

বিসিএস, প্রাইমারি, ব্যাংক, স্কুল ও কলেজ পরীক্ষার সকল বিষয়ের পূর্ণাঙ্গ প্রশ্ন, উত্তর ও বিশ্লেষণ

ফিল্টারসমূহ
জেনারেল প্রশ্ন ব্যাংক ও সমাধান
মোট 16,865 টি প্রশ্ন সংরক্ষিত আছে
ক্রমানুসার:
জেনারেল
নৈর্ব্যক্তিক (MCQ)
14761
কে কবি কঙ্কণচণ্ডী?
সঠিক উত্তর
মুকুন্দরাম
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:

সঠিক উত্তর হলো মুকুন্দরাম। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি মুকুন্দরাম চক্রবর্তী তাঁর বিখ্যাত কাব্য 'চণ্ডীমঙ্গল' রচনার জন্য 'কবি কঙ্কণ' উপাধিতে ভূষিত হন।

সহজভাবে মনে রাখার উপায়:

  • কবি কঙ্কণ উপাধিটি মূলত মুকুন্দরামের কাব্য প্রতিভার স্বীকৃতিস্বরূপ রাজা রঘুনাথ রায় তাঁকে দিয়েছিলেন।
  • তাঁর রচিত চণ্ডীমঙ্গল কাব্যটি 'কবিকঙ্কণ চণ্ডী' নামেই বাংলা সাহিত্যে সবচেয়ে বেশি পরিচিত।
  • তাই যখনই 'কবি কঙ্কণ' বা 'কবিকঙ্কণ চণ্ডী'র কথা আসবে, চোখ বন্ধ করে মুকুন্দরামের নাম মনে রাখলেই হবে।
বিস্তারিত ও আলোচনা
নৈর্ব্যক্তিক (MCQ)
14762
বাংলা সাহিত্যে মুসলিম কবির আবির্ভাব ঘটে কোন যুগে?
সঠিক উত্তর
মধ্যযুগে
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:

বাংলা সাহিত্যে মুসলিম কবিদের পদচারণা শুরু হয় মূলত মধ্যযুগে। এর পেছনে একটি সহজ ঐতিহাসিক কারণ রয়েছে:

  • বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগে মূলত বৌদ্ধ ও হিন্দু ধর্মকেন্দ্রিক চর্যাপদ বা ধর্মীয় সাহিত্যের প্রাধান্য ছিল।
  • ত্রয়োদশ শতাব্দীর পর যখন বাংলায় মুসলিম শাসন সুপ্রতিষ্ঠিত হয়, তখন থেকেই মুসলিম কবিরা বাংলা ভাষার প্রতি বিশেষ অনুরাগী হয়ে ওঠেন।
  • বিশেষ করে সুলতানি আমলে রাজকীয় পৃষ্ঠপোষকতায় শাহ মুহম্মদ সগীর, দৌলত উজির বাহরাম খানসহ অনেক মুসলিম কবি বাংলা সাহিত্যে অসামান্য অবদান রাখেন।

তাই সাহিত্যের কালানুক্রমিক ধারা অনুযায়ী, মুসলিম কবিদের সাহিত্যিক কর্মকাণ্ডের মূল ভিত্তি স্থাপিত হয়েছিল মধ্যযুগেই।

বিস্তারিত ও আলোচনা
নৈর্ব্যক্তিক (MCQ)
14763
নব্যবৈষ্ণব আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন কে?
সঠিক উত্তর
শ্রীচৈতন্যদেব
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:

এখানে সঠিক উত্তর হলো শ্রীচৈতন্যদেব। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:

  • বাংলায় ভক্তি আন্দোলনের মূল ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন শ্রীচৈতন্যদেব।
  • তিনি প্রেম ও ভক্তির মাধ্যমে ঈশ্বরকে পাওয়ার যে পথ দেখিয়েছিলেন, তা-ই ইতিহাসে নব্যবৈষ্ণব আন্দোলন নামে পরিচিত।
  • এই আন্দোলনের মূল মন্ত্র ছিল সংকীর্তন, যা সাধারণ মানুষের কাছে ধর্মকে অনেক বেশি সহজ ও আনন্দময় করে তুলেছিল।

তাই নব্যবৈষ্ণব আন্দোলনের প্রধান নেতা বা প্রবর্তক হিসেবে শ্রীচৈতন্যদেবের নামই সবার আগে আসে।

বিস্তারিত ও আলোচনা
নৈর্ব্যক্তিক (MCQ)
14764
ব্রজবুলি কী?
সঠিক উত্তর
মিথিলা ও বাংলার মিশ্র ভাষা
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:

সঠিক উত্তর হলো মিথিলা ও বাংলার মিশ্র ভাষা। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:

  • মধ্যযুগের কবিরা রাধা-কৃষ্ণের লীলা নিয়ে পদাবলি লেখার জন্য এই বিশেষ ভাষাটি ব্যবহার করতেন।
  • এই ভাষার মূল ভিত্তি হলো মিথিলার ভাষা বা মৈথিলি, যার সাথে বাংলার শব্দ ও ব্যাকরণগত রূপের সংমিশ্রণ ঘটেছে।
  • সহজ কথায়, মৈথিলি ভাষার মাধুর্য আর বাংলার সহজবোধ্যতার মিশেলেই তৈরি হয়েছে এই কৃত্রিম সাহিত্যিক ভাষা, যাকে আমরা ব্রজবুলি বলি।

তাই পরীক্ষার খাতায় ব্রজবুলি দেখলেই মনে রাখবেন—এটি মূলত মিথিলা ও বাংলার এক চমৎকার মেলবন্ধন।

বিস্তারিত ও আলোচনা
নৈর্ব্যক্তিক (MCQ)
14765
মদিনার গৌরব’ কী ধরনের সাহিত্যকর্ম?
সঠিক উত্তর
কাব্য
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:

সঠিক উত্তর হলো কাব্য। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ 'মদিনার গৌরব' মূলত একটি কাব্যগ্রন্থ।

  • এটি কবি গোলাম মোস্তফার লেখা একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও কালজয়ী কাব্যগ্রন্থ।
  • সাহিত্যের ধরণ হিসেবে এটি মূলত কাব্য বা কবিতার সংকলন হিসেবেই পরিচিত।
  • পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্ন আসলে মনে রাখবেন, এটি ইসলামের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের ওপর ভিত্তি করে রচিত একটি কাব্য।
বিস্তারিত ও আলোচনা
নৈর্ব্যক্তিক (MCQ)
14766
“মূর্খে রচিত গীত নাজানে রক্তত । / প্রথমে রচিল গীত কানাহরি দত্ত” কে বলেছেন?
সঠিক উত্তর
বিজয়গুপ্ত
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:

সঠিক উত্তর হলো বিজয়গুপ্ত।

বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি বিজয়গুপ্ত তাঁর বিখ্যাত কাব্য 'পদ্মপুরাণ' বা 'মনসামঙ্গল' কাব্যের আত্মপরিচয় অংশে এই পঙক্তিটি লিখেছিলেন।

  • বিজয়গুপ্ত নিজেই নিজের কাব্যের শুরুতে বিনয় প্রকাশ করতে গিয়ে এই কথাটি বলেছেন।
  • তিনি কানাহরি দত্তকে মনসামঙ্গল কাব্যের আদি কবি হিসেবে স্বীকার করে এই পঙক্তিটির মাধ্যমে নিজের কাব্য রচনার প্রেক্ষাপট তুলে ধরেছেন।

তাই সাহিত্যের ইতিহাসে এই বিখ্যাত পঙক্তিটি বিজয়গুপ্তের নামেই পরিচিত।

বিস্তারিত ও আলোচনা
নৈর্ব্যক্তিক (MCQ)
14767
“হাত জোড় করিমো মাগো দান / বারেক মহাভা না রাখ সম্মান ” কোন গ্রন্থ থেকে গৃহীত?
সঠিক উত্তর
সেক শুভোদয়া
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:

এখানে সঠিক উত্তর হলো সেক শুভোদয়া। এই বিখ্যাত পঙক্তিটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম নিদর্শন 'সেক শুভোদয়া' গ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে।

সহজভাবে মনে রাখার উপায়:

  • হলায়ুধ মিশ্র রচিত সেক শুভোদয়া গ্রন্থে রাজা লক্ষণ সেনের সভাসদদের নানা ঘটনার বর্ণনা পাওয়া যায়।
  • এই নির্দিষ্ট পঙক্তিটি মূলত সেই সময়ের লোকজ ও সংস্কৃত মিশ্রিত ভাষার একটি চমৎকার উদাহরণ, যা এই গ্রন্থটির ঐতিহাসিক গুরুত্বকে তুলে ধরে।
  • পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন, এই ধরনের পঙক্তিগুলো সাধারণত মধ্যযুগের চম্পূ কাব্য বা ঐতিহাসিক আখ্যানমূলক গ্রন্থ থেকেই বেশি আসে।
বিস্তারিত ও আলোচনা
নৈর্ব্যক্তিক (MCQ)
14768
“কানু ছাড়া গীত নাই ” কোন যুগে সত্য ছিল?
সঠিক উত্তর
মধ্যযুগে
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:

এখানে সঠিক উত্তর হলো মধ্যযুগে। এর পেছনের কারণটি বেশ সহজ:

  • বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগ ছিল মূলত ধর্মকেন্দ্রিক।
  • এই সময়ে শ্রীকৃষ্ণের জীবনী ও লীলাকাহিনিকে কেন্দ্র করেই অধিকাংশ সাহিত্য রচিত হয়েছিল।
  • শ্রীকৃষ্ণ বা 'কানু'কে বাদ দিয়ে তখন সাহিত্য কল্পনা করাই অসম্ভব ছিল, তাই প্রবাদটি সেই সময়ের প্রেক্ষাপটে একদম যথার্থ।

সহজ কথায়, মধ্যযুগের সাহিত্যের মূল প্রাণই ছিল শ্রীকৃষ্ণ, তাই তাকে ছাড়া কোনো গীত বা সাহিত্য সৃষ্টি হওয়া সম্ভব ছিল না।

বিস্তারিত ও আলোচনা
নৈর্ব্যক্তিক (MCQ)
14769
‘চর্যাপদ’ বাংলা ভাষায় রচিত এটি প্রথম প্রমাণ করেন—
সঠিক উত্তর
সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:

সঠিক উত্তর হলো সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:

  • চর্যাপদ আবিষ্কার করেছিলেন হরপ্রসাদ শাস্ত্রী, কিন্তু এর ভাষাগত বিশ্লেষণ করে এটি যে বাংলা ভাষায় রচিত, তা ভাষাতাত্ত্বিক যুক্তিতে প্রথম প্রমাণ করেন ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়।
  • তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ 'The Origin and Development of the Bengali Language' (ODBL)-এ তিনি ধ্বনিতাত্ত্বিক ও রূপতাত্ত্বিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে এটি নিশ্চিত করেন।
  • সহজ কথায়, চর্যাপদের ভাষা যে প্রাচীন বাংলা, তার বৈজ্ঞানিক ভিত্তি তিনিই প্রথম স্থাপন করেছিলেন।
বিস্তারিত ও আলোচনা
নৈর্ব্যক্তিক (MCQ)
14770
চর্যাপদে সর্বমোট কতটি পদ ছিল?
সঠিক উত্তর
৫১টি
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:

চর্যাপদে সর্বমোট পদের সংখ্যা হলো ৫১টি। তবে এই বিষয়টি নিয়ে একটি ছোট মজার তথ্য জেনে রাখা ভালো:

  • মূল পুঁথিতে পদ পাওয়া গিয়েছিল ৪৬টি।
  • পরবর্তীতে পণ্ডিতরা হিসাব করে দেখেছেন যে, পুঁথির সূচিপত্র অনুযায়ী সেখানে মোট ৫১টি পদ থাকার কথা ছিল।
  • বর্তমানে আমাদের কাছে যে চর্যাপদ সংরক্ষিত আছে, তাতে ২৩ নম্বর পদটি খণ্ডিত অবস্থায় পাওয়া যায় এবং ২৪, ২৫ ও ৪৮ নম্বর পদগুলো একেবারেই পাওয়া যায়নি।

সহজ কথায়, মূল রচনায় পদের সংখ্যা নির্ধারিত ছিল ৫১টি, তাই পরীক্ষার খাতায় উত্তর হিসেবে এটিই সঠিক।

বিস্তারিত ও আলোচনা
নৈর্ব্যক্তিক (MCQ)
14771
কোনজন ‘চর্যাপদ’ এর কবি?
সঠিক উত্তর
লুইপা
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:

সঠিক উত্তর হলো লুইপা। চর্যাপদ হলো বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন, আর লুইপা ছিলেন এর অন্যতম প্রধান এবং প্রথম কবি।

সহজভাবে মনে রাখার উপায়:

  • চর্যাপদের মোট পদকর্তার সংখ্যা ছিল ২৪ জন।
  • এর মধ্যে লুইপা-কে চর্যাপদের আদি কবি বা প্রথম কবি হিসেবে গণ্য করা হয়।
  • ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে, লুইপার রচিত পদের সংখ্যা ছিল ২টি।

তাই পরীক্ষার খাতায় চর্যাপদের কবির নাম আসলে চোখ বন্ধ করে লুইপা-কে বেছে নিতে পারেন, কারণ তিনিই এই প্রাচীন সাহিত্যধারার পথিকৃৎ।

বিস্তারিত ও আলোচনা
নৈর্ব্যক্তিক (MCQ)
14772
কোনজন চর্যাপদ’ এর কবি?
সঠিক উত্তর
কাহ্নপা
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:

সঠিক উত্তর হলো কাহ্নপা। চর্যাপদ হলো বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন, আর কাহ্নপা ছিলেন এই চর্যাপদের অন্যতম প্রধান এবং সর্বাধিক পদ রচনা করা কবি।

সহজে মনে রাখার উপায়:

  • চর্যাপদের মোট পদকর্তার সংখ্যা ২৪ জন।
  • এর মধ্যে কাহ্নপা একাই ১৩টি পদ রচনা করেছেন, যা সব কবির মধ্যে সর্বোচ্চ।
  • তাই চর্যাপদ নিয়ে কোনো প্রশ্ন এলে কাহ্নপার নামটাই সবার আগে মাথায় রাখা বুদ্ধিমানের কাজ।
বিস্তারিত ও আলোচনা
নৈর্ব্যক্তিক (MCQ)
14773
‘চর্যাপদ’ কাদের সাধন-সঙ্গীত?
সঠিক উত্তর
বৌদ্ধ সহজিয়া
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:

সঠিক উত্তর হলো বৌদ্ধ সহজিয়া। চর্যাপদ মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া বা সহজযান মতাবলম্বী সিদ্ধাচার্যদের সাধন-সঙ্গীত। বিষয়টি সহজভাবে বুঝতে নিচের পয়েন্টগুলো দেখুন:

  • চর্যাপদ হলো বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন, যা মূলত তান্ত্রিক বৌদ্ধধর্মের সাধন পদ্ধতির ওপর ভিত্তি করে রচিত।
  • সহজিয়া সাধকরা মনে করতেন, সহজ ও স্বাভাবিক জীবনযাপনের মাধ্যমেই পরম সত্য বা নির্বাণ লাভ সম্ভব।
  • এই সাধনার মূল কথাগুলোই রূপক ও সাংকেতিক ভাষায় চর্যাপদের পদগুলোতে ফুটে উঠেছে, যা 'সন্ধ্যা ভাষা' নামে পরিচিত।

সহজ কথায়, চর্যাপদ কোনো সাধারণ গান নয়, বরং এটি বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের আধ্যাত্মিক সাধনার একটি অনন্য দলিল।

বিস্তারিত ও আলোচনা
নৈর্ব্যক্তিক (MCQ)
14774
‘ডাকার্ণব’ কোন ভাষায় রচিত?
সঠিক উত্তর
অপভ্রংশ
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:

সঠিক উত্তর হলো অপভ্রংশ। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ বাংলা ভাষার উৎপত্তির ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যায়, প্রাকৃত ভাষার পরবর্তী ধাপ বা বিকৃত রূপই হলো অপভ্রংশ।

  • ‘ডাকার্ণব’ একটি বৌদ্ধ তান্ত্রিক গ্রন্থ, যা মূলত অপভ্রংশ ভাষায় রচিত।
  • ভাষাতাত্ত্বিকদের মতে, চর্যাপদ বা ডাকার্ণবের মতো প্রাচীন সাহিত্যগুলো অপভ্রংশ ভাষার বৈশিষ্ট্য বহন করে, যা থেকে পরবর্তীতে বাংলা ভাষার জন্ম হয়েছে।

সহজ কথায়, বাংলা ভাষার আদি রূপ বা বিবর্তনের ধারায় অপভ্রংশ একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তর, আর সেই স্তরেই এই মূল্যবান গ্রন্থটি লেখা হয়েছে।

বিস্তারিত ও আলোচনা
নৈর্ব্যক্তিক (MCQ)
14775
“উঁচা উঁচা পাবত তহি বসই সবরী বালী। /মোরাঙ্গ পীচ্ছ পরিহাণ সবরী গীবত গুঞ্জরী মালী॥” পদটির পদকর্তা—
সঠিক উত্তর
শবরপা
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:

এখানে সঠিক উত্তর হলো শবরপা। চর্যাপদের এই বিখ্যাত পদটি শবরপার লেখা। বিষয়টি মনে রাখার জন্য খুব সহজ একটা কৌশল আছে:

  • পদটির শুরুতেই 'সবরী' শব্দটির উল্লেখ আছে।
  • শবরপা মূলত শবর বা আদিবাসী জীবনধারা নিয়ে পদ রচনা করতেন, তাই পদের বিষয়বস্তু এবং কবির নামের মধ্যে সরাসরি মিল খুঁজে পাওয়া যায়।
  • চর্যাপদের ২৮ নম্বর এই পদটিতে শবর ও শবরীর জীবনযাত্রার যে বর্ণনা দেওয়া হয়েছে, তা শবরপার রচনার অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য।

সহজ কথায়, পদের ভেতরে থাকা 'সবরী' শব্দটিই আপনাকে সরাসরি কবি শবরপা-এর দিকে নির্দেশ করছে।

বিস্তারিত ও আলোচনা
ফিল্টারসমূহ

ফিল্টার নির্বাচন করে প্রশ্নের তালিকা পরিবর্তন করুন:

Support
Curiosity AI Assistant
24/7 লাইভ
eProstuti ডেটাবেস ও অটোমেশন ইঞ্জিন
এআই চ্যাট WhatsApp Messenger Instagram
👋 আসসালামু আলাইকুম শিক্ষার্থী !

আমি eProstuti Curiosity AI। আমাদের সকল লাইভ কোর্স, মডেল টেস্ট, ই-বুক, নোটিশ এবং পেমেন্ট সংক্রান্ত তথ্য নিমেষেই জানতে পারবেন।

দ্রুত উত্তরের জন্য নিচের টপিক চাপুন অথবা নিচে লিখুন:

উত্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে...
eProstuti AI সহকারী
সার্বক্ষণিক সহায়তায় প্রস্তুত
লগইন আবশ্যক

ব্যক্তিগত সহায়তা এবং আপনার কোর্স, পরীক্ষা ও পেমেন্ট হিস্ট্রি দেখতে অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।

* চ্যাটবট সরাসরি অ্যাকাউন্ট তৈরি বা লগইন করতে পারে না।