eProstuti
স্বাগতম শিক্ষার্থী!

অনলাইন কোর্স ও পরীক্ষায় অংশ নিতে লগইন করুন

লগইন / রেজিস্টার
ওয়েবসাইট মেন্যু

এসএসসি ২০২৬ এর রেজাল্ট সবার আগে পেতে এখনই বুকিং করো

বুক করো
অধ্যায় ও বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন ব্যাংক

প্রশ্ন ব্যাংক ও সমাধান মালা

বিসিএস, প্রাইমারি, ব্যাংক, স্কুল ও কলেজ পরীক্ষার সকল বিষয়ের পূর্ণাঙ্গ প্রশ্ন, উত্তর ও বিশ্লেষণ

ফিল্টারসমূহ
জেনারেল প্রশ্ন ব্যাংক ও সমাধান
মোট 16,865 টি প্রশ্ন সংরক্ষিত আছে
ক্রমানুসার:
জেনারেল
নৈর্ব্যক্তিক (MCQ)
14776
“একতাল হুড় অচ্ছিলো ঘুমোতে। /এবে মই বুলিল সদগুরু বোঝে।” পদটির পদকর্তা—
সঠিক উত্তর
ভাদেপা
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:

এখানে সঠিক উত্তর হলো ভাদেপা। চর্যাপদের পদকর্তাদের মধ্যে ভাদেপা ছিলেন একজন অত্যন্ত প্রভাবশালী সিদ্ধাচার্য।

সহজভাবে মনে রাখার উপায়:

  • চর্যাপদের ৩৯ নম্বর পদটি ভাদেপার রচনা।
  • এই পদে তিনি গুরু ও শিষ্যের সম্পর্কের গভীরতা এবং আধ্যাত্মিক উপলব্ধির কথা খুব সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।
  • সাহিত্যিক ও ঐতিহাসিক তথ্যানুযায়ী, "একতাল হুড় অচ্ছিলো ঘুমোতে"—এই বিখ্যাত পঙক্তিটি ভাদেপার পদ থেকেই নেওয়া হয়েছে।

তাই পরীক্ষার খাতায় এই ধরনের প্রশ্ন এলে সরাসরি ভাদেপা নামটিকে মনে রাখলেই চলবে।

বিস্তারিত ও আলোচনা
নৈর্ব্যক্তিক (MCQ)
14777
মধ্যযুগের কবি দ্বিজ কানাই রচিত ‘মহুয়া’ পালাটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের কোন ধারার সম্পদ?
সঠিক উত্তর
গীতিকা
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:

এখানে সঠিক উত্তর হলো গীতিকা। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে মৈমনসিংহ গীতিকার অন্তর্ভুক্ত পালাগুলো মূলত লোকগাথা বা গীতিকা হিসেবে পরিচিত।

  • দ্বিজ কানাইয়ের লেখা 'মহুয়া' পালাটি মৈমনসিংহ গীতিকার অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন।
  • এই ধারার সাহিত্যগুলো সাধারণত লোকমুখে প্রচলিত ছিল এবং এতে গ্রামীণ জীবন ও প্রেমের আখ্যান ফুটে ওঠে।
  • যেহেতু এটি একটি আখ্যানমূলক লোকগীতি বা গাথা, তাই সাহিত্যিক বিচারে এটি গীতিকা ধারার অন্তর্ভুক্ত।
বিস্তারিত ও আলোচনা
নৈর্ব্যক্তিক (MCQ)
14778
চর্যাপদ’ কোন ছন্দে রচিত?
সঠিক উত্তর
মাত্রাবৃত্ত
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:

সঠিক উত্তর হলো মাত্রাবৃত্ত। চর্যাপদের ছন্দ বোঝার জন্য খুব জটিল কোনো নিয়মের প্রয়োজন নেই, শুধু নিচের সহজ বিষয়টি খেয়াল রাখুন:

  • চর্যাপদের পদগুলো মূলত মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত।
  • এই ছন্দের মূল বৈশিষ্ট্য হলো এর প্রতিটি চরণের মাত্রা গণনা করা হয়। চর্যাপদের প্রতিটি পঙক্তি বা চরণের গঠন বিন্যাস এমনভাবে করা, যা মাত্রাবৃত্ত ছন্দের তাল ও লয়ের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়।
  • সহজ কথায়, চর্যাপদের পয়ার বা ত্রিপদী জাতীয় যে গঠন আমরা দেখি, তা বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম এই ছন্দেরই একটি রূপ, যা মূলত মাত্রার ওপর ভিত্তি করে তৈরি।

তাই চর্যাপদ নিয়ে কোনো প্রশ্ন এলে চোখ বন্ধ করে মাত্রাবৃত্ত ছন্দটি মনে রাখবেন। এটিই এই ছন্দের সবচেয়ে বড় পরিচয়।

বিস্তারিত ও আলোচনা
নৈর্ব্যক্তিক (MCQ)
14779
বাংলা সাহিত্যে ফাল্গুনীকল্পের কবি কাকে বলা হয়?
সঠিক উত্তর
ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:

বাংলা সাহিত্যে ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তকে 'ফাল্গুনীকল্পের কবি' বলা হয়। এই বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:

  • ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তকে মূলত যুগসন্ধিক্ষণের কবি বলা হয়, কারণ তিনি মধ্যযুগ ও আধুনিক যুগের সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করেছেন।
  • তার কাব্যশৈলীতে বসন্তের সতেজতা ও নতুন ধারার ছোঁয়া ছিল, যা তাকে বাংলা সাহিত্যে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে।
  • সাহিত্য সমালোচকদের মতে, তার রচনায় যে ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ ও হাস্যরসের মিশেল পাওয়া যায়, তা তৎকালীন বাংলা সাহিত্যে এক নতুন আমেজ বা 'ফাল্গুনী' আবহ তৈরি করেছিল।

তাই সংক্ষেপে মনে রাখুন, বাংলা সাহিত্যের এই বিশেষ উপাধিটি সরাসরি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের নামের সাথেই যুক্ত।

বিস্তারিত ও আলোচনা
নৈর্ব্যক্তিক (MCQ)
14780
বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন চর্যাপদের রচয়িতারা কোন ধর্মাবলম্বী?
সঠিক উত্তর
বৌদ্ধ
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:

এখানে সঠিক উত্তর হলো বৌদ্ধ। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:

  • চর্যাপদ মূলত পাল আমলে রচিত হয়েছিল, যে সময়ে বাংলা ও বিহার অঞ্চলে বৌদ্ধ ধর্মের ব্যাপক প্রভাব ছিল।
  • চর্যাপদের পদকর্তারা ছিলেন মূলত সহজিয়া বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্য।
  • তাদের সাধন-ভজনের মূল ভিত্তি ছিল বৌদ্ধ ধর্মের তান্ত্রিক মতবাদ, যা চর্যাপদের প্রতিটি ছত্রে ফুটে উঠেছে।

তাই চর্যাপদকে বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্যদের সাধন সংগীত বা ধর্মীয় গান হিসেবেই গণ্য করা হয়।

বিস্তারিত ও আলোচনা
নৈর্ব্যক্তিক (MCQ)
14781
‘শূন্যপুরাণ’ কাব্য কার রচনা?
সঠিক উত্তর
রামাই পণ্ডিত
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:

‘শূন্যপুরাণ’ কাব্যটির রচয়িতা হলেন রামাই পণ্ডিত। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ।

সহজে মনে রাখার কিছু তথ্য:

  • রামাই পণ্ডিত ছিলেন ধর্মপূজা পদ্ধতির প্রধান পুরোহিত বা প্রবর্তক।
  • তিনি ধর্মঠাকুরের মাহাত্ম্য প্রচারের উদ্দেশ্যে এই কাব্যটি রচনা করেছিলেন।
  • শূন্যপুরাণ মূলত ধর্মপূজার আচার-অনুষ্ঠান ও স্তব-স্তুতির একটি সংকলন, যা সেই সময়ের সমাজ ও সংস্কৃতির পরিচয় বহন করে।

তাই পরীক্ষার খাতায় বা যেকোনো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি দেখলে সরাসরি রামাই পণ্ডিত-কে উত্তর হিসেবে বেছে নেবেন।

বিস্তারিত ও আলোচনা
নৈর্ব্যক্তিক (MCQ)
14782
‘সই, কেমনে ধরিব হিয়া/আমার বন্ধয়া আন বাড়ি যায় আমারি আঙ্গিনা দিয়া’ পদটির রচয়িতা কে?
সঠিক উত্তর
চণ্ডীদাস
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:

এই বিখ্যাত পদটির রচয়িতা হলেন চণ্ডীদাস। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে রাধাকৃষ্ণকে কেন্দ্র করে রচিত পদাবলিতে চণ্ডীদাসের পদগুলো তার সহজ-সরল ভাষা এবং গভীর আবেগের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।

সহজে মনে রাখার কিছু কৌশল:

  • চণ্ডীদাসের পদগুলোতে রাধার বিরহ ও আকুলতা খুব নিবিড়ভাবে ফুটে ওঠে।
  • ‘সই, কেমনে ধরিব হিয়া’—এই পঙক্তিটি তার পদাবলীর অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য, যা তার নিজস্ব শৈলী বা 'ভণিতা'র সাথে মিলে যায়।
  • সাহিত্যিকদের পদ চেনার জন্য তাদের ব্যবহৃত বিশেষ শব্দ ও আবেগের ধরন খেয়াল রাখলে খুব সহজেই সঠিক উত্তরটি বের করা যায়।
বিস্তারিত ও আলোচনা
নৈর্ব্যক্তিক (MCQ)
14783
‘দেওয়ানা মদিনা’ পালার রচয়িতা কে?
সঠিক উত্তর
মনসুর বয়াতি
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:

সঠিক উত্তর হলো মনসুর বয়াতি। ময়মনসিংহ গীতিকার অন্যতম শ্রেষ্ঠ এবং জনপ্রিয় পালা হলো ‘দেওয়ানা মদিনা’।

সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে পারেন:

  • মৈমনসিংহ গীতিকা: এই বিখ্যাত লোকগাথা সংগ্রহের অন্যতম প্রধান পালা এটি।
  • রচয়িতা: লোককবি মনসুর বয়াতি অত্যন্ত দরদ দিয়ে এই করুণ কাহিনীটি রচনা করেছেন।
  • মূল উপজীব্য: এটি মূলত মদিনা বিবির জীবনের ট্র্যাজেডি বা করুণ কাহিনী নিয়ে রচিত, যা লোকসাহিত্যে এক অনন্য সৃষ্টি।

পরীক্ষার জন্য মনে রাখা জরুরি যে, মনসুর বয়াতির নাম এই পালার সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে। তাই যখনই ‘দেওয়ানা মদিনা’র কথা আসবে, চোখ বন্ধ করে মনসুর বয়াতি-কে বেছে নিতে পারেন।

বিস্তারিত ও আলোচনা
নৈর্ব্যক্তিক (MCQ)
14784
পদাবলি সাহিত্য কোন বিষয়কে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে?
সঠিক উত্তর
রাধা-কৃষ্ণের প্রেম
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:

পদাবলি সাহিত্য মূলত রাধা-কৃষ্ণের প্রেমকে কেন্দ্র করেই গড়ে উঠেছে। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের এক অনন্য সৃষ্টি হলো এই বৈষ্ণব পদাবলি। এর মূল বৈশিষ্ট্যগুলো হলো:

  • শ্রীকৃষ্ণের প্রতি রাধার গভীর প্রেম, বিরহ এবং আকুলতা এখানে প্রধান উপজীব্য।
  • পদাবলি সাহিত্যের কবিরা রাধা ও কৃষ্ণের এই প্রেমলীলাকে আধ্যাত্মিক রূপক হিসেবে ব্যবহার করেছেন।
  • চণ্ডীদাস, বিদ্যাপতি এবং জ্ঞানদাসের মতো বিখ্যাত কবিরা তাদের পদগুলোতে রাধা-কৃষ্ণের এই মধুর সম্পর্কের বিভিন্ন পর্যায় যেমন—পূর্বরাগ, অভিসার, মান এবং বিরহ অত্যন্ত নিপুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।

সহজ কথায়, রাধা-কৃষ্ণের লীলাতত্ত্বই হলো পদাবলি সাহিত্যের প্রাণ।

বিস্তারিত ও আলোচনা
নৈর্ব্যক্তিক (MCQ)
14785
মৈথিলি ও বাংলা ভাষার মিশ্রণে সৃষ্টি হয়েছে—
সঠিক উত্তর
ব্রজবুলি
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:

সঠিক উত্তর হলো ব্রজবুলি। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:

  • মধ্যযুগের কবিরা রাধা-কৃষ্ণের লীলাগান রচনার সময় এক বিশেষ কৃত্রিম কাব্যভাষা ব্যবহার করতেন।
  • এই ভাষাটি মূলত মৈথিলি ভাষার সাথে বাংলার সংমিশ্রণে তৈরি হয়েছে।
  • মহাকবি বিদ্যাপতি এই ভাষায় পদ রচনা করে একে জনপ্রিয় করে তোলেন, যা বাংলা সাহিত্যে ব্রজবুলি নামে পরিচিত।

সহজ কথায়, মৈথিলি ও বাংলার এই মেলবন্ধনই হলো ব্রজবুলি, যা মূলত ব্রজ অঞ্চলের ভাষার আদলে তৈরি একটি কাব্যিক রূপ।

বিস্তারিত ও আলোচনা
নৈর্ব্যক্তিক (MCQ)
14786
‘চৌতিশা’ বাংলা কোন যুগের সাহিত্যের বৈশিষ্ট্য?
সঠিক উত্তর
মধ্যযুগে
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:

সঠিক উত্তর হলো মধ্যযুগে। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:

  • ‘চৌতিশা’ হলো বাংলা সাহিত্যের একটি বিশেষ অলঙ্কার বা কাব্যরীতি, যেখানে বাংলা বর্ণমালার ক থেকে ক্ষ পর্যন্ত চৌত্রিশটি ব্যঞ্জনবর্ণ ব্যবহার করে কবিতা বা স্তোত্র লেখা হতো।
  • এই ধরনের বর্ণানুক্রমিক রচনার ধারাটি মূলত মধ্যযুগের ধর্মীয় ও মঙ্গলকাব্যগুলোতে ব্যাপকভাবে দেখা যায়।
  • সেই সময়ে দেব-দেবীর স্তুতি বা ভক্তি প্রকাশের জন্য কবিরা এই শৈলীটি খুব জনপ্রিয়ভাবে ব্যবহার করতেন, যা আধুনিক বা প্রাচীন যুগের তুলনায় মধ্যযুগের সাহিত্যের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য।
বিস্তারিত ও আলোচনা
নৈর্ব্যক্তিক (MCQ)
14787
কবি আলাওল কোন শতকের কবি?
সঠিক উত্তর
সতেরো
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:

সঠিক উত্তর হলো সতেরো। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি আলাওল মূলত সতেরো শতকের কবি হিসেবে পরিচিত।

সহজভাবে মনে রাখার উপায়:

  • কবি আলাওল আনুমানিক ১৬০৭ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৬৭৩ সালের দিকে মৃত্যুবরণ করেন।
  • তার বিখ্যাত মহাকাব্য 'পদ্মাবতী' তিনি ১৬৫১ সালের দিকে রচনা করেন।
  • যেহেতু তার কর্মজীবন এবং জীবনকাল ১৬০০ থেকে ১৬৯৯ সালের মধ্যে সীমাবদ্ধ, তাই তিনি নিশ্চিতভাবেই সতেরো শতকের কবি।

সহজ কথায়, ১৬০০-এর ঘরের যেকোনো সাল মানেই সেটি সতেরো শতক। তাই আলাওলকে সতেরো শতকের কবি হিসেবে মনে রাখা সবচেয়ে সহজ।

বিস্তারিত ও আলোচনা
নৈর্ব্যক্তিক (MCQ)
14788
নবীবংশ’ কার রচনা?
সঠিক উত্তর
সৈয়দ সুলতান
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:

সঠিক উত্তর হলো সৈয়দ সুলতান। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি সৈয়দ সুলতান তাঁর পাণ্ডিত্যপূর্ণ লেখনীর মাধ্যমে এই বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থটি রচনা করেন।

সহজ মনে রাখার কৌশল:

  • সৈয়দ সুলতান ছিলেন মধ্যযুগের একজন অত্যন্ত প্রভাবশালী কবি।
  • তাঁর রচিত 'নবীবংশ' মূলত মহানবী (সা.)-এর জীবনী ও ইসলামের ইতিহাস নিয়ে লেখা একটি বিশাল কলেবরের কাব্য।
  • পরীক্ষায় মনে রাখার জন্য শুধু এইটুকু মাথায় রাখুন: সৈয়দ সুলতান = নবীবংশ।

মধ্যযুগের কবিদের মধ্যে সৈয়দ সুলতান তাঁর বিশাল কর্মযজ্ঞের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত, আর 'নবীবংশ' তাঁর অমর সৃষ্টিগুলোর মধ্যে অন্যতম।

বিস্তারিত ও আলোচনা
নৈর্ব্যক্তিক (MCQ)
14789
নিচের কোনটির রচয়িতা একজন মহিলা কবি?
সঠিক উত্তর
রামায়ণ
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:

এখানে সঠিক উত্তর হলো রামায়ণ। তবে এখানে একটি মজার বিষয় আছে, মূল সংস্কৃত রামায়ণ বাল্মীকির লেখা হলেও, বাংলা সাহিত্যে আমরা যে রামায়ণ সবচেয়ে বেশি পড়ি, তা হলো কৃত্তিবাসী রামায়ণ। কিন্তু প্রশ্নটির প্রেক্ষাপটে যদি কোনো নির্দিষ্ট সংস্করণের কথা বলা হয়, তবে মনে রাখবে বাংলা সাহিত্যে মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মহিলা কবি চন্দ্রাবতী রামায়ণের কাহিনী অবলম্বনে তাঁর বিখ্যাত 'চন্দ্রাবতীর রামায়ণ' রচনা করেছিলেন।

সহজভাবে মনে রাখার উপায়:

  • বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে প্রথম মহিলা কবি হিসেবে চন্দ্রাবতীর নাম বিশেষভাবে পরিচিত।
  • তিনি রামায়ণের কাহিনীকে নারীকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে নতুন রূপ দিয়েছিলেন।
  • তাই রামায়ণ রচনার সাথে একজন মহিলা কবির নাম সরাসরি যুক্ত।
বিস্তারিত ও আলোচনা
নৈর্ব্যক্তিক (MCQ)
14790
“মূর্খে রচিত গীত না জানে মাহাত্মা। / প্রথমে রচিল গীত কানা হরিদত্ত” কে বলেছেন?
সঠিক উত্তর
বিজয়গুপ্ত
ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ:

সঠিক উত্তর হলো বিজয়গুপ্ত।

মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি বিজয়গুপ্ত তাঁর বিখ্যাত কাব্য 'পদ্মপুরাণ' বা 'মনসামঙ্গল'-এর আত্মপরিচয় অংশে এই পঙক্তিগুলো লিখেছেন। তিনি নিজের সম্পর্কে বিনয় প্রকাশ করতে গিয়ে বলেছেন যে, তিনি মূর্খ এবং গীতের মাহাত্ম্য সম্পর্কে তেমন কিছু জানেন না। একই সাথে তিনি তাঁর পূর্বসূরি কবি কানা হরিদত্তের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে উল্লেখ করেছেন যে, তিনিই প্রথম মনসামঙ্গলের কাহিনী রচনা করেছিলেন।

  • কবি: বিজয়গুপ্ত।
  • কাব্যগ্রন্থ: পদ্মপুরাণ (মনসামঙ্গল)।
  • মূল প্রসঙ্গ: নিজের বিনয় প্রকাশ ও পূর্বসূরি কবি কানা হরিদত্তের প্রতি সম্মান প্রদর্শন।
বিস্তারিত ও আলোচনা
ফিল্টারসমূহ

ফিল্টার নির্বাচন করে প্রশ্নের তালিকা পরিবর্তন করুন:

Support
Curiosity AI Assistant
24/7 লাইভ
eProstuti ডেটাবেস ও অটোমেশন ইঞ্জিন
এআই চ্যাট WhatsApp Messenger Instagram
👋 আসসালামু আলাইকুম শিক্ষার্থী !

আমি eProstuti Curiosity AI। আমাদের সকল লাইভ কোর্স, মডেল টেস্ট, ই-বুক, নোটিশ এবং পেমেন্ট সংক্রান্ত তথ্য নিমেষেই জানতে পারবেন।

দ্রুত উত্তরের জন্য নিচের টপিক চাপুন অথবা নিচে লিখুন:

উত্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে...
eProstuti AI সহকারী
সার্বক্ষণিক সহায়তায় প্রস্তুত
লগইন আবশ্যক

ব্যক্তিগত সহায়তা এবং আপনার কোর্স, পরীক্ষা ও পেমেন্ট হিস্ট্রি দেখতে অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।

* চ্যাটবট সরাসরি অ্যাকাউন্ট তৈরি বা লগইন করতে পারে না।