বিসিএস, প্রাইমারি, ব্যাংক, স্কুল ও কলেজ পরীক্ষার সকল বিষয়ের পূর্ণাঙ্গ প্রশ্ন, উত্তর ও বিশ্লেষণ
এখানে সঠিক উত্তর হলো ভাদেপা। চর্যাপদের পদকর্তাদের মধ্যে ভাদেপা ছিলেন একজন অত্যন্ত প্রভাবশালী সিদ্ধাচার্য।
সহজভাবে মনে রাখার উপায়:
তাই পরীক্ষার খাতায় এই ধরনের প্রশ্ন এলে সরাসরি ভাদেপা নামটিকে মনে রাখলেই চলবে।
এখানে সঠিক উত্তর হলো গীতিকা। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে মৈমনসিংহ গীতিকার অন্তর্ভুক্ত পালাগুলো মূলত লোকগাথা বা গীতিকা হিসেবে পরিচিত।
সঠিক উত্তর হলো মাত্রাবৃত্ত। চর্যাপদের ছন্দ বোঝার জন্য খুব জটিল কোনো নিয়মের প্রয়োজন নেই, শুধু নিচের সহজ বিষয়টি খেয়াল রাখুন:
তাই চর্যাপদ নিয়ে কোনো প্রশ্ন এলে চোখ বন্ধ করে মাত্রাবৃত্ত ছন্দটি মনে রাখবেন। এটিই এই ছন্দের সবচেয়ে বড় পরিচয়।
বাংলা সাহিত্যে ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তকে 'ফাল্গুনীকল্পের কবি' বলা হয়। এই বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:
তাই সংক্ষেপে মনে রাখুন, বাংলা সাহিত্যের এই বিশেষ উপাধিটি সরাসরি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের নামের সাথেই যুক্ত।
এখানে সঠিক উত্তর হলো বৌদ্ধ। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:
তাই চর্যাপদকে বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্যদের সাধন সংগীত বা ধর্মীয় গান হিসেবেই গণ্য করা হয়।
‘শূন্যপুরাণ’ কাব্যটির রচয়িতা হলেন রামাই পণ্ডিত। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ।
সহজে মনে রাখার কিছু তথ্য:
তাই পরীক্ষার খাতায় বা যেকোনো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি দেখলে সরাসরি রামাই পণ্ডিত-কে উত্তর হিসেবে বেছে নেবেন।
এই বিখ্যাত পদটির রচয়িতা হলেন চণ্ডীদাস। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে রাধাকৃষ্ণকে কেন্দ্র করে রচিত পদাবলিতে চণ্ডীদাসের পদগুলো তার সহজ-সরল ভাষা এবং গভীর আবেগের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।
সহজে মনে রাখার কিছু কৌশল:
সঠিক উত্তর হলো মনসুর বয়াতি। ময়মনসিংহ গীতিকার অন্যতম শ্রেষ্ঠ এবং জনপ্রিয় পালা হলো ‘দেওয়ানা মদিনা’।
সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে পারেন:
পরীক্ষার জন্য মনে রাখা জরুরি যে, মনসুর বয়াতির নাম এই পালার সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে। তাই যখনই ‘দেওয়ানা মদিনা’র কথা আসবে, চোখ বন্ধ করে মনসুর বয়াতি-কে বেছে নিতে পারেন।
পদাবলি সাহিত্য মূলত রাধা-কৃষ্ণের প্রেমকে কেন্দ্র করেই গড়ে উঠেছে। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের এক অনন্য সৃষ্টি হলো এই বৈষ্ণব পদাবলি। এর মূল বৈশিষ্ট্যগুলো হলো:
সহজ কথায়, রাধা-কৃষ্ণের লীলাতত্ত্বই হলো পদাবলি সাহিত্যের প্রাণ।
সঠিক উত্তর হলো ব্রজবুলি। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:
সহজ কথায়, মৈথিলি ও বাংলার এই মেলবন্ধনই হলো ব্রজবুলি, যা মূলত ব্রজ অঞ্চলের ভাষার আদলে তৈরি একটি কাব্যিক রূপ।
সঠিক উত্তর হলো মধ্যযুগে। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:
সঠিক উত্তর হলো সতেরো। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি আলাওল মূলত সতেরো শতকের কবি হিসেবে পরিচিত।
সহজভাবে মনে রাখার উপায়:
সহজ কথায়, ১৬০০-এর ঘরের যেকোনো সাল মানেই সেটি সতেরো শতক। তাই আলাওলকে সতেরো শতকের কবি হিসেবে মনে রাখা সবচেয়ে সহজ।
সঠিক উত্তর হলো সৈয়দ সুলতান। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি সৈয়দ সুলতান তাঁর পাণ্ডিত্যপূর্ণ লেখনীর মাধ্যমে এই বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থটি রচনা করেন।
সহজ মনে রাখার কৌশল:
মধ্যযুগের কবিদের মধ্যে সৈয়দ সুলতান তাঁর বিশাল কর্মযজ্ঞের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত, আর 'নবীবংশ' তাঁর অমর সৃষ্টিগুলোর মধ্যে অন্যতম।
এখানে সঠিক উত্তর হলো রামায়ণ। তবে এখানে একটি মজার বিষয় আছে, মূল সংস্কৃত রামায়ণ বাল্মীকির লেখা হলেও, বাংলা সাহিত্যে আমরা যে রামায়ণ সবচেয়ে বেশি পড়ি, তা হলো কৃত্তিবাসী রামায়ণ। কিন্তু প্রশ্নটির প্রেক্ষাপটে যদি কোনো নির্দিষ্ট সংস্করণের কথা বলা হয়, তবে মনে রাখবে বাংলা সাহিত্যে মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মহিলা কবি চন্দ্রাবতী রামায়ণের কাহিনী অবলম্বনে তাঁর বিখ্যাত 'চন্দ্রাবতীর রামায়ণ' রচনা করেছিলেন।
সহজভাবে মনে রাখার উপায়:
সঠিক উত্তর হলো বিজয়গুপ্ত।
মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি বিজয়গুপ্ত তাঁর বিখ্যাত কাব্য 'পদ্মপুরাণ' বা 'মনসামঙ্গল'-এর আত্মপরিচয় অংশে এই পঙক্তিগুলো লিখেছেন। তিনি নিজের সম্পর্কে বিনয় প্রকাশ করতে গিয়ে বলেছেন যে, তিনি মূর্খ এবং গীতের মাহাত্ম্য সম্পর্কে তেমন কিছু জানেন না। একই সাথে তিনি তাঁর পূর্বসূরি কবি কানা হরিদত্তের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে উল্লেখ করেছেন যে, তিনিই প্রথম মনসামঙ্গলের কাহিনী রচনা করেছিলেন।
ফিল্টার নির্বাচন করে প্রশ্নের তালিকা পরিবর্তন করুন:
ব্যক্তিগত সহায়তা এবং আপনার কোর্স, পরীক্ষা ও পেমেন্ট হিস্ট্রি দেখতে অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
* চ্যাটবট সরাসরি অ্যাকাউন্ট তৈরি বা লগইন করতে পারে না।