বিসিএস, প্রাইমারি, ব্যাংক, স্কুল ও কলেজ পরীক্ষার সকল বিষয়ের পূর্ণাঙ্গ প্রশ্ন, উত্তর ও বিশ্লেষণ
সঠিক উত্তর হলো পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়। এটি সৈয়দ শামসুল হকের লেখা একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় কাব্যনাটক।
সহজভাবে মনে রাখার উপায়:
সঠিক উত্তর হলো কাব্যনাট্য। সৈয়দ শামসুল হকের লেখা ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’ মূলত একটি কাব্যনাট্য কারণ এর গঠনশৈলী ও উপস্থাপনায় কাব্যিক ও নাট্যিক উপাদানের এক চমৎকার সমন্বয় ঘটেছে।
সহজ কথায়, যে নাটকের সংলাপগুলো কাব্যিক ছন্দে রচিত হয়, তাকেই কাব্যনাট্য বলে। এই নাটকটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে লেখা একটি অত্যন্ত শক্তিশালী ও জনপ্রিয় কাব্যনাট্য।
সৈয়দ শামসুল হকের ‘নুরলদীনের কথা মনে পড়ে যায়’ কবিতায় নুরলদীন হলেন রংপুর অঞ্চলের এক সংগ্রামী পুরুষ। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:
তাই, নুরলদীনকে কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের নেতা বা সমাজতাত্ত্বিক নেতা হিসেবে না দেখে, তাকে রংপুরের মাটি ও মানুষের অধিকার আদায়ের একজন সাহসী সংগ্রামী প্রতিনিধি হিসেবে মনে রাখাই সবচেয়ে সঠিক।
সৈয়দ শামসুল হকের বিখ্যাত ‘নুরলদীনের কথা মনে পড়ে যায়’ কবিতায় কবি গ্রাম-বাংলার সাধারণ মানুষের হাহাকার ও সংগ্রামের চিত্র তুলে ধরেছেন। এখানে সঠিক উত্তর হলো উনসত্তর।
কবিতাটির মূল ভাব ও প্রেক্ষাপট মনে রাখলে এই সংখ্যাটি মনে রাখা খুব সহজ:
সহজ কথায়, কবি যখন বলেন, "নুরলদীনের কথা মনে পড়ে যায়, যখন শকুন নেমে আসে এই সোনার বাংলায়", তখন তিনি পুরো দেশের প্রতিটি প্রান্তের মানুষের কথা বোঝাতে উনসত্তর হাজার গ্রাম-গঞ্জের রূপক ব্যবহার করেছেন।
সঠিক উত্তর হলো কাব্যনাটক। সৈয়দ শামসুল হকের লেখা ‘নুরলদীনের সারাজীবন’ মূলত একটি ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে রচিত নাটক, যা কাব্যিক ভাষায় বা ছন্দে লেখা হয়েছে।
সহজভাবে মনে রাখার উপায়:
এখানে সঠিক উত্তর হলো ১১৮৯ সনে। সৈয়দ শামসুল হকের বিখ্যাত কাব্যনাট্য 'নুরলদীনের সারা জীবন'-এ এই ঐতিহাসিক ঘটনার উল্লেখ রয়েছে।
সহজভাবে মনে রাখার জন্য সালটি হলো ১১৮৯, যা ইতিহাসের পাতায় নুরলদীনের সংগ্রামের প্রতীক হিসেবে পরিচিত।
এখানে সঠিক উত্তর হলো শকুনের সঙ্গে। সৈয়দ শামসুল হকের ‘নুরলদীনের কথা মনে পড়ে যায়’ কবিতায় কবি পাকিস্তানিদের বর্বরতা ও লোলুপ দৃষ্টিকে শকুনের সঙ্গে তুলনা করেছেন।
বিষয়টা খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:
এখানে সঠিক উত্তর হলো রংপুর-দিনাজপুর। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ ঐতিহাসিক 'রংপুর বিদ্রোহ' বা কৃষক আন্দোলনের প্রধান কেন্দ্রবিন্দু ছিল এই অঞ্চল।
সৈয়দ শামসুল হকের ‘নুরলদীনের কথা মনে পড়ে যায়’ কবিতাটির মূল পটভূমি হলো রংপুরের কৃষক বিদ্রোহ। এই বিদ্রোহের প্রেক্ষাপটটি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:
তাই ইতিহাসের এই কৃষক বিদ্রোহই হলো কবিতাটির মূল ভিত্তি।
সৈয়দ শামসুল হকের বিখ্যাত কবিতা 'নুরলদীনের কথা মনে পড়ে যায়'-এর একদম শেষ লাইনটি হলো: দিবে ডাক, জাগো বাছে কোনঠে সবাই?...
কবিতাটি পড়ার সময় খেয়াল করলে দেখবেন, কবি এখানে নুরলদীনের সেই ঐতিহাসিক ডাককে স্মরণ করেছেন, যা আজও শোষিত ও বঞ্চিত মানুষের মনে প্রতিবাদের আগুন জ্বালিয়ে দেয়। কবিতার সমাপ্তিটা এমনভাবে করা হয়েছে যেন নুরলদীন আজও আমাদের মাঝে ফিরে আসার অপেক্ষায় আছেন এবং সেই চিরচেনা ভাষায় সবাইকে জেগে ওঠার আহ্বান জানাচ্ছেন। তাই এই লাইনটিই কবিতার শেষ অংশ হিসেবে নির্ধারিত।
দিনাজপুর ও রংপুর অঞ্চলের মানুষের কথোপকথনের একটি দারুণ বৈশিষ্ট্য হলো তাদের আঞ্চলিক সম্বোধন। এখানে সঠিক উত্তর হলো বাহে।
বিষয়টা খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:
তাই যখনই দিনাজপুর বা রংপুরের ভাষার কথা আসবে, চোখ বন্ধ করে বাহে শব্দটি মনে রাখলেই হবে!
এখানে সঠিক উত্তর হলো নুরলদীনের। সৈয়দ শামসূল হকের বিখ্যাত কাব্যনাট্য 'নুরলদীনের সারা জীবন'-এর প্রেক্ষাপটে এই বিষয়টি খুব সহজ।
সহজ কথায়, নুরলদীন এখানে কেবল একজন ব্যক্তি নন, বরং তিনি শোষিত মানুষের জেগে ওঠার প্রতীক।
সঠিক উত্তর হলো সোনার বাংলায়। কবি সৈয়দ শামসুন হক তাঁর এই কালজয়ী কবিতায় শকুন বলতে মূলত শোষক ও অত্যাচারী শক্তির প্রতীককে বুঝিয়েছেন।
বিষয়টি খুব সহজভাবে এভাবে মনে রাখতে পারেন:
সঠিক উত্তর হলো নিলক্ষার নীলে।
কবিতার প্রেক্ষাপটে বিষয়টি বেশ চমৎকার। এখানে কবি যখন হাটের বর্ণনা দেন, তখন তিনি প্রকৃতির এক বিশাল ও রহস্যময় রূপ ফুটিয়ে তোলেন। 'নিলক্ষা' বলতে মূলত দিগন্ত বিস্তৃত বা অসীম নীল আকাশকে বোঝানো হয়েছে।
সহজ কথায়, হাটের সেই নিঝুম পরিবেশে অসীম আকাশের বিশালতায় চাঁদ যখন ওঠে, তখন তার রূপ ও আলোর তীব্রতা এক অদ্ভুত মায়াবী পরিবেশ তৈরি করে, যা 'নিলক্ষার নীলে' বড় চাঁদ দেখার মাধ্যমেই ফুটে ওঠে।
সঠিক উত্তর হলো বাংলায়।
সৈয়দ শামসুল হকের বিখ্যাত কাব্যনাট্য ‘নুরলদীনের সারা জীবন’-এ কবি নুরলদীনের কথা স্মরণ করেছেন। এখানে ‘কালঘুম’ বলতে মূলত বাংলার মানুষের দীর্ঘদিনের অবহেলা, পরাধীনতা এবং নিস্তেজ অবস্থাকে বোঝানো হয়েছে। কবি যখন নুরলদীনের মতো সাহসী মানুষের কথা ভাবেন, তখন তিনি দেখেন যে বাংলার আকাশ-বাতাস ও প্রতিটি ধূলিকণায় সেই কালঘুম বা স্থবিরতা জড়িয়ে আছে। অর্থাৎ, এই গভীর ঘুম বা নিস্তব্ধতা আমাদের এই বাংলা ভূখণ্ডেই বিদ্যমান ছিল, যা ভাঙানোর জন্যই নুরলদীনের মতো বিপ্লবীর প্রয়োজন হয়।
ফিল্টার নির্বাচন করে প্রশ্নের তালিকা পরিবর্তন করুন:
ব্যক্তিগত সহায়তা এবং আপনার কোর্স, পরীক্ষা ও পেমেন্ট হিস্ট্রি দেখতে অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
* চ্যাটবট সরাসরি অ্যাকাউন্ট তৈরি বা লগইন করতে পারে না।