বিসিএস, প্রাইমারি, ব্যাংক, স্কুল ও কলেজ পরীক্ষার সকল বিষয়ের পূর্ণাঙ্গ প্রশ্ন, উত্তর ও বিশ্লেষণ
সালামের হাত থেকে অবিরত অবিনাশী বর্ণমালা ঝরে পড়ার বিষয়টি মূলত আমাদের মাতৃভাষার প্রতি গভীর ভালোবাসা ও ত্যাগের প্রতীক। এই বর্ণমালাগুলো অবিনাশী, কারণ ভাষার মর্যাদা রক্ষায় সালামের মতো বীরদের আত্মত্যাগ কখনো মুছে যাওয়ার নয়।
‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতায় কবি শামসুর রাহমান বাংলা ভাষাকে ফুল-এর সঙ্গে তুলনা করেছেন। বিষয়টি খুব সহজভাবে বুঝতে নিচের পয়েন্টগুলো দেখুন:
তাই সঠিক উত্তর হলো ফুল।
এখানে সঠিক উত্তর হলো আত্মাহুতির। বিষয়টি বেশ সহজ, কারণ ফেব্রুয়ারি মাস আমাদের কাছে কেবল একটি মাস নয়, এটি আমাদের ভাষার জন্য জীবন উৎসর্গ করার ইতিহাস।
সঠিক উত্তর হলো গণঅভ্যুত্থান। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:
এখানে সঠিক উত্তর হলো নির্বাক নয়। জীবনানন্দ দাশের কবিতায় বাংলার যে চিরন্তন রূপ ফুটে উঠেছে, তা কোনোভাবেই স্তব্ধ বা নির্বাক নয়। কবি বাংলার প্রকৃতি ও মানুষের জীবনকে এত নিবিড়ভাবে দেখেছেন যে, তার কাছে এই রূপ সবসময়ই জীবন্ত ও মুখর মনে হয়েছে।
‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতায় কবি শামসুর রাহমান এক বিশেষ পরিস্থিতির কথা তুলে ধরেছেন। এখানে সঠিক উত্তর হলো সকাল-সন্ধ্যায়।
এর কারণটি বেশ সহজ:
এখানে সঠিক উত্তর হলো সালাম। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপট এবং ভাষা আন্দোলনের শহিদদের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে।
তাই সাল এবং ঘটনার প্রেক্ষাপট মিলিয়ে দেখলে খুব সহজেই বোঝা যায় যে, সালাম ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানের শহিদ নন।
সঠিক উত্তর হলো ছাত্ররা। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ ১৯৬৯ সালের ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে এই আন্দোলন গড়ে উঠেছিল।
তাই সংক্ষেপে বললে, ১১ দফা আন্দোলনের মূল কারিগর বা ঘোষক ছিল ছাত্ররাই।
সঠিক উত্তর হলো সালামের মুখে। শামসুর রহমানের বিখ্যাত কবিতা 'বর্ণমালা, আমার দুঃখিনী বর্ণমালা'-য় কবি ভাষা শহীদদের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করেছেন।
বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:
এখানে সঠিক উত্তর হলো ঢাকা। কবি বা লেখকের বর্ণনায় সালামের চোখে ঢাকা শহরটি তার সমস্ত আলো আর প্রাণশক্তি নিয়ে ধরা দিয়েছে। বিষয়টি খুব সহজ—সালামের আবেগ আর ভালোবাসার কেন্দ্রবিন্দুতে সবসময়ই এই শহরটি ছিল, তাই তার কাছে ঢাকা মানেই এক আলোকিত ও প্রিয় প্রান্তর।
সঠিক উত্তর হলো বিশাল। এটি কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের বিখ্যাত 'রানার' কবিতার একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। কবিতার লাইনটি হলো: "ফোটে ফুল বাস্তবের বিশাল চত্বরে"।
সহজভাবে মনে রাখার উপায়:
সঠিক উত্তর হলো ভালোবাসার।
কবিতায় কবি একুশের কৃষ্ণচূড়াকে ভালোবাসার রং হিসেবে ফুটিয়ে তুলেছেন। এর কারণগুলো খুব সহজ:
তাই কাব্যিক বিচারে কৃষ্ণচূড়ার এই রক্তিম আভা আমাদের কাছে ভালোবাসারই এক অনন্য বহিঃপ্রকাশ।
‘হরিত’ শব্দটির আভিধানিক অর্থ হলো সবুজ। তাই ‘হরিত উপত্যকা’ বলতে সহজ কথায় বোঝায় সবুজ উপত্যকা।
বিষয়টি মনে রাখার জন্য ছোট একটি টিপস:
বাংলা সাহিত্যে বা বর্ণনায় যখনই ‘হরিত’ শব্দটি দেখবেন, চোখ বন্ধ করে ধরে নেবেন এটি সবুজের সমারোহ বা সজীব কোনো কিছুকে নির্দেশ করছে।
‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতায় একুশের চেতনার রং হিসেবে কবি শামসুর রাহমান লাল রঙকে বেছে নিয়েছেন। এর পেছনের কারণটা বেশ গভীর ও আবেগপূর্ণ:
সহজ কথায়, একুশের চেতনা মানেই আত্মত্যাগের মহিমা, আর সেই ত্যাগের রঙই হলো লাল।
‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতায় কবি শামসুর রাহমান একুশের কৃষ্ণচূড়াকে শহিদের রক্তের বৃন্দ হিসেবে চিত্রিত করেছেন। এর পেছনের কারণটি খুব সহজ ও গভীর:
সহজ কথায়, কৃষ্ণচূড়ার লাল রঙে কবি শহিদদের আত্মত্যাগের সেই গৌরবময় ইতিহাস দেখতে পান, তাই এটিই সঠিক উত্তর।
ফিল্টার নির্বাচন করে প্রশ্নের তালিকা পরিবর্তন করুন:
ব্যক্তিগত সহায়তা এবং আপনার কোর্স, পরীক্ষা ও পেমেন্ট হিস্ট্রি দেখতে অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
* চ্যাটবট সরাসরি অ্যাকাউন্ট তৈরি বা লগইন করতে পারে না।