বিসিএস, প্রাইমারি, ব্যাংক, স্কুল ও কলেজ পরীক্ষার সকল বিষয়ের পূর্ণাঙ্গ প্রশ্ন, উত্তর ও বিশ্লেষণ
‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতায় কবি শামসুর রাহমান অবিনশী বর্ণমালাকে নক্ষত্রের সঙ্গে তুলনা করেছেন। এর কারণ হলো:
এখানে সঠিক উত্তর হলো উঁচু উঁচু পিঠে চলেছে বদলে। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ এটি কবি নির্মলেন্দু গুণের একটি জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ।
সহজভাবে মনে রাখার উপায়:
এখানে সঠিক উত্তর হলো মনুষ্যত্ব, ন্যায় ও মঙ্গলের জগৎ। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় যদি আমরা কবির দৃষ্টিভঙ্গি খেয়াল করি:
তাই কবি যখন 'মানবিক বাগান' বলেন, তখন তিনি মূলত মানবিক গুণাবলি ও ন্যায়ের চর্চায় গড়ে ওঠা একটি সুন্দর ও শান্তিময় জগতের কথাই ফুটিয়ে তোলেন।
মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিকায় লেখা বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ হলো বন্দী শিবির থেকে। এটি কবি শামসুর রাহমানের একটি কালজয়ী সৃষ্টি।
সহজভাবে মনে রাখার উপায়:
তাই পরীক্ষার জন্য এটি মনে রাখা খুব জরুরি যে, মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রচিত অন্যতম প্রধান কাব্যগ্রন্থ এটি।
সঠিক উত্তর হলো অবিনশী বর্ণমালা।
কবিতায় কবি যখন বরকত গাছকে নিয়ে কথা বলেন, তখন তিনি গাছটির মাধ্যমে আমাদের ভাষার প্রতি গভীর মমত্ববোধ ফুটিয়ে তুলেছেন। গাছটি যেন তার প্রতিটি পাতায় বা শাখায় আমাদের ভাষার বর্ণগুলোকে ধারণ করে আছে, যা কখনোই মুছে যাওয়ার নয়। তাই কবি রূপক অর্থে গাছটির উচ্চারণে অবিনশী বর্ণমালা খুঁজে পেয়েছেন।
সঠিক উত্তর হলো শামসুর রহমান।
শামসুর রহমানকে 'নাগরিক কবি' বলা হয় কারণ তার কবিতায় নগর জীবনের নানা অনুষঙ্গ, যন্ত্রসভ্যতার ক্লান্তি, একাকীত্ব এবং মধ্যবিত্ত জীবনের টানাপোড়েন খুব চমৎকারভাবে ফুটে উঠেছে। তিনি মূলত ঢাকা শহরের জীবনযাত্রা ও সমসাময়িক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটকে তার কাব্যের প্রধান উপজীব্য করেছিলেন।
সঠিক উত্তর হলো চেতনার রং।
বিষয়টা খুব সহজভাবে ভাবলে দেখবেন, আমাদের ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে 'একুশের কৃষ্ণচূড়া' কেবল একটি ফুল নয়, বরং এটি আমাদের জাতীয় চেতনার প্রতীক। কবি ও সাহিত্যিকরা কৃষ্ণচূড়ার লাল রঙকে একুশের শহিদদের রক্ত এবং সেই রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতার চেতনার সাথে তুলনা করেছেন।
‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতার সঠিক বৈশিষ্ট্য হলো গদ্যছন্দ ও প্রবহমান ভাষা। শামসুর রাহমানের এই কবিতাটি পড়ার সময় খেয়াল করলে দেখবেন, এটি প্রথাগত ছন্দের ধরাবাঁধা নিয়মে লেখা নয়। এর মূল কারণগুলো হলো:
সহজ কথায়, এই কবিতার ছন্দ অনেকটা আমাদের স্বাভাবিক কথাবার্তার মতো, যা একে আধুনিক বাংলা কবিতার এক অনন্য উদাহরণ করে তুলেছে।
‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতায় কবি শামসুর রাহমান ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে বর্ণমালার গুরুত্বকে অসাধারণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। এখানে সঠিক উত্তর হলো বর্ণমালা।
এর কারণটি খুব সহজ:
‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতায় কবি শামসুর রাহমান সালামের মুখকে তরুণ শ্যামল পূর্ববাংলা-র সঙ্গে তুলনা করেছেন। এর পেছনের কারণটি বেশ সহজ:
সহজ কথায়, সালামের আত্মত্যাগ আমাদের বাংলাকে যে নতুন পরিচয় ও প্রাণ দিয়েছে, কবি সেই সজীবতাকেই শ্যামল প্রকৃতির সাথে মিলিয়ে দেখেছেন।
‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতায় সঠিক উত্তর হলো ২ জন। কবি শামসুর রাহমান এই কবিতায় ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপট তুলে ধরতে গিয়ে দুই জন শহিদের নাম বিশেষভাবে উল্লেখ করেছেন।
এখানে সঠিক উত্তর হলো ভাষা আন্দোলন। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় কবিতার প্রেক্ষাপট থেকে।
এখানে সঠিক উত্তর হলো অভূত আঁধার এক। কারণ এটি শামসুর রাহমানের লেখা কোনো কাব্যগ্রন্থ নয়।
বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:
শামসুর রহমানের সাহিত্যিক জীবনের শুরুটা বেশ চমকপ্রদ। তাঁর প্রথম কবিতা প্রকাশিত হয় দৈনিক মর্নিং নিউজ পত্রিকায়।
বিষয়টি মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:
‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’ কবিতায় ‘কমলবন’ মূলত মানবিকতা বা মানুষের কোমল অনুভূতির প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। কবি শামসুর রাহমান এখানে রক্তরাঙা সিঁড়ির সাথে কমলবনের তুলনা করেছেন, যা আমাদের বুঝিয়ে দেয় যে, চরম বৈরী ও সহিংস পরিস্থিতির মাঝেও মানুষের ভেতরের মানবিক সত্তা ও সৌন্দর্য টিকে থাকে।
ফিল্টার নির্বাচন করে প্রশ্নের তালিকা পরিবর্তন করুন:
ব্যক্তিগত সহায়তা এবং আপনার কোর্স, পরীক্ষা ও পেমেন্ট হিস্ট্রি দেখতে অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
* চ্যাটবট সরাসরি অ্যাকাউন্ট তৈরি বা লগইন করতে পারে না।