<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অব্যয়</strong>।</p>
<p>খুব সহজেই মনে রাখার উপায় হলো— যে শব্দগুলোর কোনো রূপান্তর বা পরিবর্তন হয় না (অর্থাৎ স্ত্রী-পুরুষ, বচন বা বিভক্তিভেদে কোনো বদল ঘটে না), সেগুলোকে অব্যয় পদ বলে। এই বাক্যে 'না' শব্দটি কোনো পরিবর্তন ছাড়াই স্বাধীনভাবে বসে অস্বীকৃতি বা না-সূচক অর্থ প্রকাশ করেছে, তাই এটি একটি অব্যয় পদ।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>পটপট</strong>। কারণ কোনো কিছু ফোড়ার, ভাঙার বা দ্রুত ঘটার স্বাভাবিক আওয়াজ বা ধ্বনি বুঝাতে এ ধরনের শব্দ ব্যবহার করা হয়। আর ব্যাকরণের ভাষায় একেই ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্ব বলা হয়, যেখানে একই শব্দ বা আওয়াজ দুবার বা দ্বিরুক্ত হয়ে বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে।</p>
৭২৬৩
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম উপন্যাস 'রাইফেল রোটি আওরাত' কার লেখা
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>আনোয়ার পাশা</strong>।</p>
<p>খুব সহজভাবে মনে রাখার একটি কৌশল হলো—আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন বা ঠিক পরপরই রচিত প্রথম পূর্ণাঙ্গ উপন্যাস হলো 'রাইফেল রোটি আওরাত'। আর এই বিখ্যাত ও ঐতিহাসিক উপন্যাসটির রচয়িতা হলেন শহীদ বুদ্ধিজীবী <strong>আনোয়ার পাশা</strong>।</p>
৭২৬৪
অসহায়ের পাশে দাঁড়াও। __এটিকে যৌগিক বাক্যে রূপান্তর করলে কি হবে?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো: <strong>কিছু লোক আছে অসহায় তাদের পাশে দাঁড়াও</strong>।</p>
<p>বাক্যটিকে যৌগিক বাক্যে রূপান্তর করার নিয়ম খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>যৌগিক বাক্যে সাধারণত দুই বা ততোধিক স্বাধীন খণ্ডবাক্য থাকে এবং সেগুলো সংযোজক বা নির্দেশক শব্দ দিয়ে যুক্ত হয়।</li>
<li>এখানে 'কিছু লোক আছে অসহায়' এবং 'তাদের পাশে দাঁড়াও'—এই দুটি অংশ মিলে একটি সম্পূর্ণ যৌগিক বাক্য গঠন করেছে।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কর্তা, কর্ম, ক্রিয়া</strong>।</p>
<p>একটা পূর্ণাঙ্গ বাক্য তৈরি হতে মূলত এই তিনটি প্রধান উপাদানের প্রয়োজন হয়:</p>
<ul>
<li><strong>কর্তা:</strong> যে কাজটি সম্পন্ন করে।</li>
<li><strong>কর্ম:</strong> কর্তা যাকে আশ্রয় করে ক্রিয়া সম্পন্ন করে।</li>
<li><strong>ক্রিয়া:</strong> যা দিয়ে কাজটি সম্পন্ন হওয়া বোঝায়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, 'কে কাজ করছে' (কর্তা), 'কী করছে' (কর্ম) এবং 'কাজটি কী' (ক্রিয়া)—এই তিন মিলে বাক্যের মূল কাঠামো তৈরি হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option B: ক্ষুধ্+ পিপাসা</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজ! সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, বর্গের প্রথম বা তৃতীয় বর্ণের পর যদি প বা অন্য কোনো বর্ণ থাকে, তবে প্রথম বর্ণটি তার নিজ বর্গের তৃতীয় বর্ণে রূপান্তরিত হতে পারে। এখানে 'ক্ষুৎপিপাসা' শব্দটিকে ভাঙলে পাই <strong>ক্ষুধ্ + পিপাসা</strong>, যা ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়মে গঠিত হয়েছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: মনঃ+কষ্ট = মনঃকষ্ট</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজ! বিসর্গ সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, বিসর্গ ($\text{ः}$) এর পর যদি কবর্গ বা পবর্গ থাকে, তবে বিসর্গ অপরিবর্তিত থাকে অথবা বিসর্গ ও স-এর নিয়ম প্রযোজ্য হয়। এখানে 'মনঃ' শব্দের বিসর্গের পর 'ক' থাকার কারণে বিসর্গ বহাল থেকে 'মনঃকষ্ট' গঠিত হয়েছে। তাই এটিই সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অলুক বহুব্রীহি</strong>।</p>
<p>খুব সহজেই চেনার উপায়:</p>
<ul>
<li>বহুব্রীহি সমাসে যখন পূর্বপদের বা সমস্ত পদের বিভক্তি লোপ পায় না, তখন তাকে অলুক বহুব্রীহি বলে।</li>
<li>'কানে-কলম' সমস্ত পদটিতে 'কানে' (কাণ + এ) এবং 'কলম' দুটি পদই রয়েছে এবং বিভক্তি ('এ') অপরিবর্তিত আছে।</li>
<li>যেহেতু বিভক্তি লোপ না পেয়ে নতুন কোনো অর্থ প্রকাশ করে কানে কলম যার, তাই এটি অলুক বহুব্রীহি সমাস।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: দ্বিগু কর্মধারয়</strong>। কারণ খুব সহজ একটা কৌশল মনে রাখলেই এই সমাসগুলো চেনা যায়।</p>
<ul>
<li>যে সমাসে পূর্বপদটি সংখ্যাবাচক হয় এবং সমাসবদ্ধ পদটি দ্বারা কোনো সমাহার বা মিলন বোঝায়, সেটাই হলো <strong>দ্বিগু সমাস</strong> (যা কর্মধারয় সমাসের অন্তর্ভুক্ত)।</li>
<li>'চৌরাস্তা' শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো: <strong>চার রাস্তার সমাহার</strong>।</li>
<li>এখানে 'চার' একটি সংখ্যা এবং এর মাধ্যমে চারটি রাস্তার মিলন বা সমাহার বোঝানো হয়েছে। তাই চোখ বন্ধ করে এটি দ্বিগু কর্মধারয় সমাস দাগিয়ে দেওয়া যায়।</li>
</ul>
৭২৭০
' Every man is for himself'এর সঠিক বাংলা অনুবাদ কি?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option B: চাচা আপন প্রাণ বাঁচা</strong>।</p>
<p>ইংরেজি প্রবাদ বাক্য <strong>'Every man is for himself'</strong>-এর ভাবানুবাদ হলো যখন বিপদের সময় বা কঠিন পরিস্থিতিতে মানুষ নিজের স্বার্থ বা নিজের জীবন বাঁচানোকে সবার আগে প্রাধান্য দেয়। এর সাথে আমাদের খুব পরিচিত একটি প্রবাদ পুরোপুরি মিলে যায়, আর সেটি হলো <strong>'চাচা আপন প্রাণ বাঁচা'</strong>।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>রৈখিক</strong>।</p>
<p>শব্দগত ও পারিভাষিক অর্থে 'Graphic' শব্দটির সঠিক বাংলা পরিভাষা হিসেবে <strong>রৈখিক</strong> ব্যবহার করা হয়, যা সাধারণত বিভিন্ন চিত্র, রেখাচিত্র বা গ্রাফ সম্পর্কিত বিষয় বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কোনটি নয়</strong>। কারণ প্রদত্ত অপশনগুলোর প্রতিটি গুচ্ছেই কোনো না কোনো বানান ভুল রয়েছে:</p>
<ul>
<li>অপশন 'ক' তে 'বাল্মীকি' বানানটি ভুল (সঠিক বানান 'বাল্মীকি' হলেও অনেক সময় দীর্ঘী ব্যবহৃত হয়, তবে 'রুগ্ন' বা 'শিহরণ'-এর সাথে অন্য বানানগুলোর মিলনে সমস্যা আছে)।</li>
<li>অপশন 'খ' তে 'ধরণ' বানানটি ভুল, সঠিক বানান হবে 'ধরিত্রীর' ক্ষেত্রে 'ধরিত্র', আর সাধারণ অর্থে 'ধরুণ' বা 'ধরণ' (প্রকৃতি অর্থে 'ধরন')।</li>
<li>অপশন 'গ' তে 'দৈনতা' শব্দটি অশুদ্ধ, এর সঠিক রূপ হলো 'দীনতা' বা 'দৈন্য'।</li>
<li>তাই সবগুলো অপশন সঠিক না থাকায় সঠিক উত্তর হবে <strong>কোনটি নয়</strong>।</li>
</ul>
৭২৭৩
বিমলা- কুমুদিনী' কোন দুটি উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: ঘরে বাইরে ও যোগাযোগ</strong>। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত দুটি উপন্যাস হলো 'ঘরে বাইরে' এবং 'যোগাযোগ'। এই দুটি উপন্যাসেরই অন্যতম প্রধান ও কেন্দ্রীয় নারী চরিত্র হলো যথাক্রমে বিমলা এবং কুমুদিনী। খুব সহজেই মনে রাখার জন্য মাথায় রাখতে পারেন যে, বিমলা এসেছে 'ঘরে বাইরে' থেকে আর কুমুদিনী হলো 'যোগাযোগ' উপন্যাসের প্রাণকেন্দ্র।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কর্মে শূন্য</strong>।</p>
<p>বাক্যটিতে 'কুসুম কলি' হলো কর্মকারক। কী ফুটিলো? উত্তর হলো 'কুসুম কলি', আর ক্রিয়াকে 'কী' বা 'কাকে' দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায় তা কর্মকারক। তাছাড়া 'কুসুম কলি' শব্দের সাথে কোনো বিভক্তি যুক্ত না থাকায় এটি প্রথমা বা <strong>শূন্য বিভক্তি</strong>। তাই এটি কর্মে শূন্য বিভক্তি।</p>
৭২৭৫
'প্রিয়জনে যাহা দিতে চাই তাই দিই দেবতারে।' কারক ও বিভক্তি নির্ণয় কর?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সম্প্রদানে সপ্তমী</strong>। বাক্যটি একটু মনোযোগ দিয়ে বুঝলেই বিষয়টা খুব সহজ হয়ে যাবে।</p>
<ul>
<li><strong>নিঃস্বার্থ দান:</strong> যাকে কোনো কিছু চিরতরে দান করা হয় বা কোনো প্রকার প্রতিদান বা শর্ত ছাড়া নিজের অধিকার ত্যাগ করে কিছু দেওয়া হয়, তাকে ব্যাকরণের ভাষায় 'সম্প্রদান কারক' বলে।</li>
<li>এখানে প্রিয়জনকে যা দেওয়া হচ্ছে, তা ফেরত পাওয়ার কোনো আশা না রেখে বা অধিকার না রেখেই দেওয়া হচ্ছে। তাই এটি সম্প্রদান কারক।</li>
<li><strong>বিভক্তি চেনার উপায়:</strong> 'দেবতারে' শব্দের শেষে 'এ' (বা 'তে') বিভক্তি যুক্ত আছে, যা সপ্তমীর রূপ।</li>
</ul>
<p>সংক্ষেপে, যাকে শর্তহীনভাবে দান করা হয় তা সম্প্রদান কারক এবং তার সাথে 'এ' বিভক্তি যুক্ত থাকায় এটি স্পষ্টতই <strong>সম্প্রদানে সপ্তমী</strong>।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।