<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>হাইফেন</strong>।</p>
<p>যখন আমরা কোনো সমাসবদ্ধ পদ বা সমস্তপদের অংশগুলোকে আলাদা করে বা ভেঙে স্পষ্টভাবে দেখাতে চাই, তখন মাঝখানে হাইফেন চিহ্ন ব্যবহার করা হয়। যেমন— মাতা-पिता, দ্বন্দ্ব-সমাস ইত্যাদি। এটি মূলত পদের অঙ্গগুলোকে পরিষ্কারভাবে চিনতে সাহায্য করে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>চাটুকার</strong>।</p>
<p>'খয়ের খাঁ' একটি অতি পরিচিত বাংলা বাগধারা, যার অর্থ হলো দরবারি তোষামোদকারী বা চাটুকার ব্যক্তি। যারা নিজেদের স্বার্থে সবসময় অন্যের অতিরিক্ত প্রশংসা বা তোষামোদ করে বেড়ায়, তাদের বোঝাতেই এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সবগুলো</strong>। কারণ <strong>'গোমতী'</strong>, <strong>'কৃষ্ণবেণী'</strong> এবং <strong>'কাবেরী'</strong>— প্রতিটি নামই আমাদের দেশের নদী বা ভারতের পবিত্র নদীগুলোর ক্ষেত্রে গঙ্গার সমার্থক বা বিকল্প নাম হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তাই প্রদত্ত সবগুলো অপশনই সঠিক।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: সোম</strong>।</p>
<p>খুব সহজেই মনে রাখার উপায় হলো, চন্দ্র বা চাঁদের অনেকগুলো সুন্দর নাম রয়েছে যেমন—শশী, সুধাংশু, ইন্দু, এবং <strong>সোম</strong>। অন্যদিকে ভূষণ অর্থ অলংকার, নকশা অর্থ রূপরেখা বা চিত্র এবং নভঃ অর্থ আকাশ। তাই একটু খেয়াল করলেই অপশনগুলোর মধ্য থেকে সঠিক উত্তরটি চিনে নেওয়া যায়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কৃত্রিম</strong>।</p>
<p>খুব সহজভাবে মনে রাখার উপায় হলো, 'নৈসর্গিক' কথাটার মানে হলো যা প্রাকৃতিকভাবে বা প্রকৃতিতে তৈরি হয়েছে। এর ঠিক উল্টো বা বিপরীত ধারণা হলো মানুষের তৈরি বা ম্যান-মেড কিছু, আর তাই এর সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ হলো কৃত্রিম।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস</strong>। কারণ বিষয়টা খুব সহজ—</p>
<ul>
<li>তপোবনের ব্যাসবাক্য হলো: <strong>তপসের জন্য বন</strong>।</li>
<li>এখানে পূর্বপদে 'তপস্' শব্দের সাথে 'জন্য' অনুসর্গ যুক্ত আছে।</li>
<li>আর আমরা জানি, পূর্বপদে চতুর্থী বিভক্তি বা 'জন্য', 'নিমিত্ত' ইত্যাদি অর্থ প্রকাশ পেলে তাকে <strong>চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস</strong> বলে।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: ধ্বনি পরিবর্তন</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজ! পাশাপাশি থাকা দুটি ধ্বনির মিলন বা পরিবর্তনের মাধ্যমে উচ্চারণ সহজ করার প্রক্রিয়াকেই সন্ধি বলে। তাই সন্ধির মূল কাজ হলো মূলত শব্দের ভেতরের <strong>ধ্বনি পরিবর্তন</strong> করা।</p>
৭৩৫৮
সমাস গঠন প্রক্রিয়ায় সমাসবদ্ধ বা সমাসনিষ্পন্ন পদটির নাম কি?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সমস্তপদ</strong>। কারণ সমাসের নিয়ম অনুযায়ী, একাধিক পদ মিলে যখন একটি নতুন পদ তৈরি হয়, তখন সেই সম্পূর্ণ পদটিকে বলা হয় সমস্তপদ বা সমাসবদ্ধ পদ।</p>
<ul>
<li>একাধিক পদ মিলে একটি পদে পরিণত হওয়ার প্রক্রিয়াটি হলো সমাস।</li>
<li>এই প্রক্রিয়ায় তৈরি হওয়া নতুন ও একত্রিত পদটির নামই হলো <strong>সমস্তপদ</strong>।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অপাদান কারক</strong>। কারণটা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>কোনো কিছু থেকে উৎপন্ন, জাত, বিরত, ভীত বা রক্ষিত হওয়া বোঝালে <strong>অপাদান কারক</strong> হয়।</li>
<li>তিল থেকে তেল বা তিলে তৈরি হয়—এখানে তিল হলো উৎপত্তির উৎস।</li>
<li>উৎস বা কিছু থেকে তৈরি হওয়া বোঝানোর কারণেই 'তিলে' শব্দটি অপাদান কারক।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মধ্যপদলোপী কর্মধারায়</strong>।</p>
<p>খুব সহজে বোঝার শর্টকাট নিয়ম হলো—বেশ কিছু সমাসবদ্ধ পদের মাঝখানের পদটি সমস্ত পদে এসে লোপ পেয়ে যায় এবং একটি নতুন পদ তৈরি করে।</p>
<ul>
<li>ব্যাসবাক্য: <strong>সিংহাসন</strong> = সিংহ চিহ্নিত আসন</li>
<li>এখানে মাঝখানের <strong>"চিহ্নিত"</strong> পদটি সমস্ত পদে লোপ পেয়ে তৈরি হয়েছে <strong>"সিংহাসন"</strong>।</li>
<li>যেহেতু মাঝখানের পদটি উধাও হয়ে কর্মধারায় সমাস গঠন করেছে, তাই এটি নিশ্চিতভাবেই <strong>মধ্যপদলোপী কর্মধারায়</strong> সমাস।</li>
</ul>
৭৩৬১
রেলগাড়িটি স্টেশন ছেড়েছে' ব্যাকে স্টেশন কোন কারকে কোন বিভক্তি?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অপাদানে শূন্য</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজে এভাবে বুঝতে পারো:</p>
<ul>
<li>যেহেতু রেলগাড়িটি স্টেশন <strong>ছেড়েছে</strong>, তাই এখানে স্টেশন থেকে গাড়িটির নির্দিষ্ট দূরত্ব তৈরি হয়েছে বা বিচ্যুতি ঘটেছে।</li>
<li>ব্যাকরণ অনুযায়ী, কোনো কিছু থেকে বিচ্যুতি, গৃহিত, জাত, বিরত, উৎপন্ন, বা ভয় পাওয়া বোঝালে সেটি <strong>অপাদান কারক</strong> হয়।</li>
<li>'স্টেশন' শব্দের সাথে অতিরিক্ত কোনো বিভক্তি (যেমন- এ, তে, থেকে, ইত্যাদি) যুক্ত নেই, তাই এটি <strong>শূন্য বিভক্তি</strong>।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>জিমূতমন্দ্র</strong>। খুব সহজে মনে রাখার জন্য মনে রাখবেন, মেঘের গম্ভীর শব্দ বা ধ্বনিকে এককথায় বলা হয় <strong>জিমূতমন্দ্র</strong>। এখানে 'জিমূত' মানে মেঘ এবং 'মন্দ্র' মানে গভীর বা গম্ভীর ধ্বনি। তাই মেঘের গর্জন বা ধ্বনি প্রকাশ করতে এই সুন্দর বাক্য সংকোচনটি ব্যবহার করা হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: বৃহৎ বিষয়</strong>।</p>
<p>রামায়ণ একটি বিশাল গ্রন্থ এবং এতে সাতটি কান্ড বা অধ্যায় রয়েছে। এই বিশালতা থেকেই 'সপ্তকান্ড রামায়ণ' বাগধারাটি খুব বড় বা <strong>বৃহৎ বিষয়</strong> বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। যখন কোনো ঘটনা বা কাজের পরিধি অনেক বড় বা দীর্ঘ হয়, তখন তাকে এই বাগধারার মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অল্পে ভয়</strong>।</p>
<p>সিঁদুরে মেঘ একটি পরিচিত বাংলা বাগধারা। সিঁদুর লাল রঙের হয়, তাই আকাশে লাল মেঘ দেখলে অতীতে মানুষ আগুন বা বড় কোনো বিপদের ভয় পেত। এই ধারণা থেকেই কোনো কিছুতে সামান্যতেই আতঙ্কিত হওয়া বা <strong>অল্পে ভয়</strong> পাওয়ার অবস্থাকে 'সিঁদুরে মেঘ' বলা হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>লো+অন</strong>। এটি একটি সংস্কৃত আদি-দিব আদি-অক্ষরের সন্ধি বা অয়াদ্ সন্ধির নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে।</p>
<ul>
<li>সংস্কৃত নিয়মে ও বা ঔ-এর পরে স্বরধ্বনি থাকলে ও-এর জায়গায় 'অব' এবং ঔ-এর জায়গায় 'আব' হয়।</li>
<li>এখানে <strong>লো</strong> শব্দাংশের ও-এর সাথে যখন <strong>অন</strong> যুক্ত হয়, তখন ও-এর স্থানে অব (ল্ + অব + অন্) হয়ে শব্দটি <strong>লবণ</strong> তৈরি করে।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।