<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: আদিত্য</strong>।</p>
<p>সূর্যের অনেকগুলো সুন্দর সমার্থক শব্দ রয়েছে, যার মধ্যে 'আদিত্য' অন্যতম। অন্যদিকে, শশাঙ্ক, বিধু এবং সুধাংশু—এই তিনটি শব্দই চাঁদের প্রতিশব্দ। তাই খুব সহজেই বোঝা যায় যে সঠিক উত্তর কোনটি।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অশুভ দৃষ্টিতে পড়া</strong>।</p>
<p>খুব সহজ ভাষায় বলতে গেলে, 'নজর লাগা' মানে হলো কারও কোনো ভালো জিনিস বা ব্যক্তির ওপর কারও খারাপ বা কুদৃষ্টি পড়া, যার ফলে ক্ষতি হতে পারে বলে মানুষ বিশ্বাস করে। দৈনন্দিন কথাবার্তায় এই বাগধারাটি কুদৃষ্টি বা অশুভ ছায়ার অর্থেই বেশি ব্যবহার করা হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নেপালের রাজগ্রন্থশালা</strong>। কারণ মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি বা রাজগ্রন্থশালা থেকেই চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেছিলেন। বাংলা সাহিত্যের এই অমূল্য প্রাচীন নিদর্শনটি সেখান থেকেই উদ্ধার করা হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: সুস্মিতা</strong>।</p>
<p>এক কথায় প্রকাশের নিয়ম অনুযায়ী, সুন্দর হাসি যার বা যে নারীর হাসি সুন্দর—তাকে এক কথায় <strong>সুস্মিতা</strong> বলা হয়। অন্যদিকে, 'সুহাসিনী' অর্থ সুন্দর হাসি যার (সাধারণভাবে), তবে নির্দিষ্ট করে নারীর সুন্দর হাসির ক্ষেত্রে 'সুস্মিতা' শব্দটি সবচেয়ে বেশি উপযুক্ত ও প্রমিত। তাই এখানে সঠিক উত্তর সুস্মিতাই হবে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>লবণ</strong>। কারণ এই শব্দটিতে কোনো উপসর্গ যুক্ত নেই, এটি একটি মৌলিক বা আদি শব্দ।</p>
<p>অন্য শব্দগুলো খেয়াল করলে দেখবে:</p>
<ul>
<li><strong>সুগম:</strong> 'গম' শব্দের আগে 'সু' উপসর্গ যুক্ত হয়েছে।</li>
<li><strong>নিখুঁত:</strong> 'খুঁত' শব্দের আগে 'নি' উপসর্গ বসেছে।</li>
<li><strong>সুখবর:</strong> 'খবর' শব্দের আগে 'সু' উপসর্গ ব্যবহার করা হয়েছে।</li>
</ul>
<p>কিন্তু 'লবণ' শব্দটির মধ্যে কোনো আলাদা উপসর্গ বা মূল শব্দ ছদ্মবেশে নেই, তাই এটিই সঠিক উত্তর।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সুকেশীনী</strong>, কারণ এটি একটি বানানগতভাবে অশুদ্ধ শব্দ।</p>
<ul>
<li>'সুকেশী' শব্দের অর্থ সুন্দর চুলযুক্ত (স্ত্রীবাচ্যে)।</li>
<li>এর সাথে অতিরিক্ত 'নী' যুক্ত করে 'সুকেশীনী' করা হয়েছে, যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল ও বাহুল্য দোষে দুষ্ট।</li>
<li>সঠিক রূপটি হলো <strong>সুকেশিনী</strong> (দন্ত্য ন-হসন্ত কিংবা মূর্ধন্য ণ ব্যবহারেও নিয়ম আছে, তবে এখানে 'নী' প্রত্যয়ের অতিরিক্ত ব্যবহারই মূল ভুল)।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: মনসুর বয়াতি</strong>।</p>
<p>ময়মনসিংহ গীতিকার অন্যতম জনপ্রিয় ও পরিচিত একটি পালা হলো 'দেওয়ানা মদিনা'। দীনেশ চন্দ্র সেন সংগৃহীত এই বিখ্যাত পালাটি সংগ্রহ ও রচনায় বিশিষ্ট অবদান রেখেছেন লোকসাহিত্যিক ও মরমী কবি <strong>মনসুর বয়াতি</strong>। এটি গ্রামীণ বাংলার লোক সংস্কৃতির এক অমূল্য সম্পদ, যা বাংলার মানুষের আবেগ ও ভালোবাসার অমর কাহিনী তুলে ধরে।</p>
৩৩২৩
চৈতন্যদেবের পর কার জীবনকে কেন্দ্র করে জীবনী সাহিত্য রচিত হয়?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অদ্বৈতবর্মণ</strong>। চৈতন্যদেবের জীবন ও সাধনাকে কেন্দ্র করে যেমন প্রচুর জীবনী সাহিত্য গড়ে উঠেছে, তেমনই বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে অদ্বৈতপ্রকাশ বা অদ্বৈতমঙ্গল কাব্যের মাধ্যমে শ্রীচৈতন্যদেবের প্রধান পার্ষদ অদ্বৈত প্রভুর জীবন ও লীলাধুলা নিয়ে রচিত হয়েছে সমৃদ্ধ জীবনী সাহিত্য। খুব সহজে মনে রাখার উপায় হলো, চৈতন্যদেবের ঠিক পরেই তাঁর প্রধান সহচর ও ভক্ত অদ্বৈত প্রভুর জীবনকে কেন্দ্র করেই এই ধারাটি বিশেষভাবে বিকশিত হয়েছিল।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সুকান্ত ভট্টাচার্যের</strong>।</p>
<p>ক্ষুধার্ত ও বাস্তবকঠিন পৃথিবীতে রোমান্টিকতা বা কল্পনার কোনো স্থান নেই—এই নির্মম বাস্তবতাই কবি অত্যন্ত সুন্দর ও রূপক অর্থে ফুটিয়ে তুলেছেন। তাঁর বিখ্যাত <strong>'হে মহামানব'</strong> বা <strong>'ছাড়পত্র'</strong> কবিতার ভাবধারার সাথে মিল রেখেই কবি পূর্ণিমার সৌন্দর্যময় চাঁদকে ক্ষুধার্ত মানুষের কাছে একটি 'ঝলসানো রুটি'-র সাথে তুলনা করেছেন।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>জীবনানন্দ দাশ</strong>।</p>
<p>খুব সহজেই বিষয়টি মনে রাখতে পারেন এভাবে:</p>
<ul>
<li>জীবনানন্দ দাশ তাঁর কবিতায় বাংলার প্রকৃতি, রূপসী বাংলা এবং গভীর এক নিঃসঙ্গতা ও বিষণ্নতা ফুটিয়ে তুলেছেন।</li>
<li>আধুনিক বাংলা কবিতার এই অন্যতম প্রধান কবিকে রূপক অর্থে এবং তাঁর কাব্যশৈলীর বিশেষ বৈশিষ্ট্যের জন্য <strong>'তিমির হননের কবি'</strong> বা অন্ধকার ভেদ করে আলোয় পৌঁছানোর কবি বলা হয়।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সুকান্ত ভট্টাচার্য</strong>। খুব অল্প বয়সে অসাধারণ কবিতা লিখে তিনি বাংলা সাহিত্যে অমর হয়ে আছেন। মাত্র একুশ বছরের সংক্ষিপ্ত জীবনে তাঁর লেখনীতে ফুতে উঠেছে দ্রোহ, বিপ্লব এবং মানবতার জয়গান। তাঁর এই অনন্য প্রতিভার জন্যই তাঁকে বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে <strong>'কিশোর কবি'</strong> হিসেবে স্মরণ করা হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>হেমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়</strong>।</p>
<p>বাংলা সাহিত্যে মহাকাব্যের ধারা ও বিশেষ সাহিত্যিক অবদানের জন্য কবি হেমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে ‘বাংলার মিল্টন’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়। তাঁর বিখ্যাত মহাকাব্য ‘বৃত্রসংহার’-এর বীরত্বপূর্ণ ভাব ও লেখার ধরণের জন্যই তাঁকে এই বিশেষ উপাধি দেওয়া হয়েছিল।</p>
৩৩২৮
এই বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি’- পঙ্ক্তিটির রচয়িতা কে?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সুকান্ত ভট্টাচার্য</strong>।</p>
<p>বিখ্যাত কিশোর কবি সুকান্ত ভট্টার্থের 'ছিন্নমুকুল' কাব্যগ্রন্থের 'ছাড়পত্র' কবিতা থেকে এই পঙ্ক্তিটি নেওয়া হয়েছে। কবিতার মূল ভাব হলো—এই পৃথিবীর কষ্ট দূর করে একে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সুন্দর ও বাসযোগ্য করে তোলা।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সুকুমার রায়</strong>। এই বিখ্যাত ও দারুণ পঙক্তিটি মূলত সুকুমার রায়ের অমর সৃষ্টি 'আবোল তাবোল' ছড়ার বই বা তাঁর কোনো এক মজার ছড়া-কবিতার সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত, যা পরবর্তীতে নানা জায়গায় খুব জনপ্রিয়ভাবে ব্যবহৃত হয়েছে।</p>
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।