<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অক্সিজেন</strong>।</p>
<p>খুব সহজ করে মনে রাখার কৌশল হলো, বাংলা ভাষায় বিজ্ঞানভিত্তিক অনেক শব্দের পরিভাষা তৈরি করার সময় আক্ষরিক অর্থ বা গুণের ওপর নির্ভর করা হয়েছে। ‘অক্সিজেন’ গ্যাসটি অ্যাসিড তৈরিতে প্রধান ভূমিকা রাখে বলে প্রাচীনকালে এর নামকরণ করা হয়েছিল ‘অম্লজান’, যার অর্থ হলো যা থেকে অম্ল বা অ্যাসিড উৎপন্ন হয়।</p>
৩৩৬২
নিচের কোনটি সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয়যোগে গঠিত শব্দ ?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সার্বভৌম</strong>। কারণ সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয়ের নিয়ম অনুযায়ী 'সর্বভৌম' শব্দের সাথে 'অ' (ষ্ণ্য) প্রত্যয় যুক্ত হয়ে 'সার্বভৌম' শব্দটি গঠিত হয়েছে। এছাড়া আদি স্বরের পরিবর্তন (অ-কার বা আ-কার হওয়া) সংস্কৃত প্রত্যয়ের একটি চেনা নিয়ম, যা এখানে খুব সুন্দরভাবে খাপ খায়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো: <strong>তার দু’চোখ অশ্রুতে ভেসে গেল।</strong></p>
<p>বিষয়টা খুব সহজ! একটু খেয়াল করলেই বুঝতে পারবেন:</p>
<ul>
<li>চোখ দিয়ে এমনিতেই জল বা অশ্রু গড়িয়ে পড়ে, তাই আলাদা করে 'চোখের জল' বা অতিরিক্ত কিছু বলার দরকার নেই।</li>
<li>বাক্যটিতে <strong>'অশ্রু'</strong> শব্দটি ব্যবহারের মাধ্যমেই কান্নার ভাবটি খুব সুন্দর ও নিখুঁতভাবে প্রকাশ পেয়েছে, যা বাংলা ব্যাকরণের প্রয়োগগত দিক থেকে পুরোপুরি শুদ্ধ।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সারাংশ লিখন</strong>। কোনো বড় গদ্যাংশ বা রচনার মূল বক্তব্যকে ছোট করে নিজের ভাষায় সহজ ও সংক্ষিপ্ত আকারে ফুটিয়ে তোলাকেই মূলত সারাংশ বলা হয়। মূল বিষয়ের অপ্রয়োজনীয় অংশ বাদ দিয়ে দরকারী কথাগুলো গুছিয়ে উপস্থাপন করাই এর মূল কাজ।</p>
৩৩৬৫
ভারতচন্দ্র রায়গুনাকর নবদ্বীপের রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের আদেশে কোন গ্রন্থ রচনা করেন?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অন্নদামঙ্গল</strong>। নদীদ্বীপের রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের রাজসভার কবি ভারতচন্দ্র রায়গুনাকর তাঁরই আদেশে এই বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থটি রচনা করেন। এটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ পদ্যকাব্য।</p>
৩৩৬৬
নারায়ণ দেবের 'পদ্মপুরাণ' কাব্যে কোন দেবীর মহাত্ম্য গাওয়া হয়েছে?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মনসা দেবীর</strong>। কারণ মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের মঙ্গলকাব্যের একটি অন্যতম ধারা হলো মনসা মঙ্গল কাব্য, আর এই ধারার আদি কবি নারায়ণ দেবের 'পদ্মপুরাণ' মূলত সাপ বা নাগ দেবী মনসার মাহাত্ম্য ও পূচার প্রচার নিয়েই রচিত হয়েছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: শীকর</strong>।</p>
<p>খুব সহজভাবে মনে রাখার টেকনিক হলো, বাংলা ব্যাকরণে বা শব্দার্থে <strong>'শীকর'</strong> (তালব্য শ-এ দীর্ঘ ঈ কার, ক-এ র ফলা) শব্দের অর্থ হলো সূক্ষ্ম জলকণা বা বৃষ্টির ফোঁটা। অন্যদিকে 'শিকড়' (দন্ত্য স-এ ই কার, ক-এ ড-বিন্দু র) বলতে গাছের মূলকে বোঝানো হয়, যা বানান ও অর্থের দিক থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। তাই জলকণা বোঝাতে 'শীকর' শব্দটি ব্যবহার করা হয়।</p>
৩৩৬৮
‘আমি চিরদুর্দম দুর্বিনীতি, নৃশংস, মহা-প্রলয়ের আমি নটরাজ, আমি সাইক্লোন, আমি ধ্বংস’। পঙ্ক্তি কাজী নজরুল ইসলামের কোন কবিতার অংশ?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: বিদ্রোহী</strong>।</p>
<p>বিদ্রোহী কবিতার বিখ্যাত পঙ্ক্তিগুলোতে কবি কাজী নজরুল ইসলাম নিজের বিদ্রোহী সত্তাকে অত্যন্ত জোরালোভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। এখানে প্রলয়ঙ্করী শক্তি ও ধ্বংসের প্রতীক হিসেবে 'নটরাজ' ও 'সাইক্লোন'-এর মতো রূপক ব্যবহার করে পরাধীনতার শৃঙ্খল ভাঙার এক দুর্দমনীয় ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। তাই এই তেজদীপ্ত পঙ্ক্তিগুলো তাঁর অমর সৃষ্টি <strong>‘বিদ্রোহী’</strong> কবিতারই অংশ।</p>
৩৩৬৯
‘চোর’ শব্দে ‘আ’ প্রত্রয় যুক্ত হলে কি অর্থ প্রকাশ পায়?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অবজ্ঞা</strong>।</p>
<p>খুব সহজভাবে মনে রাখার উপায় হলো, কোনো শব্দের সাথে ‘আ’ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে যখন তা তুচ্ছতা বা হেয়ালি অর্থে ব্যবহৃত হয়, তখন তা অবজ্ঞা প্রকাশ করে। যেমন—‘চোর’ শব্দের সাথে ‘আ’ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ‘চোরা’ শব্দ তৈরি হয়, যা অনেক সময় ছোট বা হালকা অর্থে কিংবা অবজ্ঞা প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়।</p>
৩৩৭০
বাঘ+আ=বাঘা-এখানে ‘আ’ প্রত্যয় কি অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সাদৃশ্য অর্থে</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজ! ‘বাঘ’ শব্দের সাথে ‘আ’ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ‘বাঘা’ শব্দটি তৈরি হয়েছে। এখানে ‘বাঘা’ বলতে অবিকল বাঘের মতো হিংস্র বা শক্তিশালী কাউকে বোঝানো হয়েছে। অর্থাৎ, মূল শব্দের সাথে মিল বা <strong>সাদৃশ্য</strong> বুঝাতে এই প্রত্যয় ব্যবহার করা হয়। যেমন—পাগলা, কুচকুচে ইত্যাদি ক্ষেত্রেও এমন সাদৃশ্য প্রকাশ পায়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সহজলভ্য</strong>।</p>
<p><strong>উজানের কৈ</strong> একটি খুব পরিচিত বাংলা প্রবাদ বা বাগধারা। কৈ মাছ সাধারণত স্রোতের প্রতিকূলে অর্থাৎ উজানে চলাফেরা করতে পছন্দ করে। কিন্তু যখন কোনো কৈ মাছ উজানের দিকে খুব সহজেই পাওয়া যায় বা চলে আসে, তখন তাকে খুব সুলভ বা হাতের কাছে পাওয়া কোনো কিছু হিসেবে ধরা হয়। তাই এই বাগধারাটির মাধ্যমে এমন কিছুকে বোঝানো হয় যা খুব সহজেই পাওয়া যায় বা যার কোনো দুর্লভতা নেই।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>(Option A: ভণ্ড)</strong>।</p>
<p>কথাটার মধ্যে একটা মজার বিপরীত ব্যাপার আছে—তুলসী বন হলো পবিত্রতার প্রতীক, আর বাঘ হলো হিংস্র প্রাণীর প্রতীক। তাই যে মানুষটি বাইরে থেকে খুব সাধু বা সরল সাজে, কিন্তু আসলে ভেতরটা ভীষণ চালাক বা ক্ষতিকর, তাকেই আমরা এককথায় <strong>‘তুলসী বনের বাঘ’</strong> বা ভণ্ড বলে থাকি।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>চির অশান্তি</strong>।</p>
<p>‘রাবণের চিতা’ একটি জনপ্রিয় বাংলা বাগধারা। পৌরাণিক কাহিনীর সূত্র ধরে এই বাগধারাটি এমন এক অবস্থাকে বোঝাতে ব্যবহার করা হয়, যা কখনো নেভে না বা যার শেষ নেই। ঠিক যেমন লঙ্কার রাজা রাবণের চিতার আগুন কখনো ১ মুহূর্তের জন্যও থামেনি, তেমনি যে বিপদের বা ঝামেলার কোনো শেষ নেই এবং যা প্রতিনিয়ত কষ্ট দিয়ে যায়, তাকেই খুব সহজে ‘চির অশান্তি’ বলা হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>পুনরায় আরম্ভ</strong>।</p>
<p>'কেঁচে গন্ডুস' একটি জনপ্রিয় বাংলা প্রবাদ বা বাগধারা। 'কেঁচে' মানে ধুয়ে ফেলা এবং 'গন্ডুস' মানে কুলি করা বা মুখ ধোয়া। কোনো কাজ শুরু করার পর তা যদি নষ্ট হয়ে যায় বা ভুল হয়, তখন সবকিছু আবার একেবারে প্রথম থেকে শুরু করাকে বোঝাতে এই সুন্দর বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>তিল</strong>। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত 'সোনার তরী' কবিতায় এই পংক্তিটি রয়েছে। সম্পূর্ণ লাইনটি হলো— <em>"নীল নবঘনে আষাঢ় গগনে তিল ঠাঁই আর নাহিরে।"</em> কবিতাটি পড়ার সময় এই সুন্দর পংক্তিটি আমাদের মনে সহজেই গেঁথে যায়।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।