<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>তরঙ্গ</strong>। কারণ 'তরঙ্গ' শব্দের অর্থ ঢেউ, যা সমুদ্রের পানির একটি অবস্থা বা রূপ, কিন্তু সরাসরি সমুদ্রকে বোঝায় না। অন্যদিকে বারিধি, সিন্ধু এবং সাগর—এই তিনটিই হলো সমুদ্রের সরাসরি সমার্থক শব্দ।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>স্রোতস্বিনী</strong>।</p>
<p>কারণ 'স্রোতস্বিনী' শব্দের অর্থ নদী, যা সমুদ্রের সমার্থক শব্দ নয়। অন্যদিকে, 'অর্ণব', 'পারাবার' এবং 'সাগর'—এগুলো সবই সমুদ্রের বিভিন্ন নাম বা সমার্থক শব্দ।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সম্পাদক</strong>।</p>
<p>বাংলা পরিভাষা অনুযায়ী, ইংরেজি <strong>'Edition'</strong> শব্দটির সঠিক অর্থ বা পরিভাষা হলো কোনো গ্রন্থ, পত্রিকা বা সংবাদপত্রের সংস্করণ প্রকাশনার দায়িত্ব যিনি পালন করেন অর্থাৎ <strong>সম্পাদক</strong>।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সাঁঝের মায়া</strong>। এটি আমাদের দেশের প্রখ্যাত সাহিত্যিক ও কবি বেগম সুফিয়া কামালের অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি কাব্যগ্রন্থ, যা তাঁর সাহিত্যজীবনের শুরুতে ব্যাপক পরিচিতি এনে দিয়েছিল।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সু + আগত</strong>।</p>
<p>খুব সহজেই মনে রাখার শর্ટકট নিয়মটি হলো:</p>
<ul>
<li>শব্দের শুরুতে যদি 'স্ব' (ব-ফলাযুক্ত স) থাকে, তবে সন্ধি বিচ্ছেদের সময় সেখানে একটি হ্রস্ব বা দীর্ঘ উ-কার (উ/ঊ) যুক্ত হয়।</li>
<li>অর্থাৎ, 'স্ব' ভেঙে এখানে <strong>সু</strong> হয়েছে এবং পরের অংশ <strong>আগত</strong> মিলে তৈরি হয়েছে <strong>স্বাগত</strong> (উ + আ = ব ফলা)।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: সু + আগত</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজ! এটি একটি ই-ফলা বা উ-ফলা সংক্রান্ত সন্ধির নিয়ম। নিয়ম অনুযায়ী, ই-কার বা উ-কার-এর পর যদি অন্য স্বরধ্বনি থাকে, তবে ই-কার বা উ-কার বদলে যথাক্রমে <strong>য</strong> এবং <strong>ব</strong> হয়।</p>
<ul>
<li>এখানে 'সু' শব্দের উ-কার এবং 'আগত'-এর 'আ' মিলে তৈরি হয়েছে <strong>্বা</strong> (ব + আ)।</li>
<li>অর্থাৎ, <strong>সু + আগত = স্বাগত</strong>।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>একগুঁয়ে</strong>।</p>
<p>'নেই আঁকড়া' একটি খুব পরিচিত বাংলা বাগধারা, যার মাধ্যমে এমন একজন মানুষকে বোঝানো হয় যিনি সহজে নিজের জেদ বা মত বদলাতে চান না। অর্থাৎ, যিনি অত্যন্ত একরোখা বা জেদি স্বভাবের হন, তাঁর ক্ষেত্রেই এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত</strong>। কারণ, বাংলা কবিতার ইতিহাসে মধ্যযুগের শেষ এবং আধুনিক যুগের শুরুর সময়টাকে বলা হয় যুগসন্ধিক্ষণ। আর এই সন্ধিযুগের প্রধান ও সবচেয়ে পরিচিত কবি হলেন ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত। প্রাচীন ধারারীতি এবং আধুনিক চেতনার এক অপূর্ব সংমিশ্রণ ঘটিয়ে তিনি বাংলা কবিতায় নতুন যুগের সূচনা করেছিলেন।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সহজলভ্য</strong>।</p>
<p>‘উজানের কৈ’ বাগধারাটির অর্থ খুব সহজে পাওয়া যায় এমন কিছু বা সহজলভ্য। সাধারণত কৈ মাছ নদীর স্রোতের বিপরীতে বা উজানে চলায় ধরা কঠিন হলেও, বিশেষ পরিস্থিতিতে তা খুব সহজেই পাওয়ার মতো অবস্থাকে এই বাগধারা দিয়ে বোঝানো হয়। তাই খুব সহজেই প্রাপ্ত বা হাতের কাছের কোনো কিছুকে বোঝাতে এই সুন্দর বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সহজ লভ্য</strong>।</p>
<p>‘উজানের কৈ’ বাগধারাটির আক্ষরিক অর্থ হলো যে মাছ উজানের দিকে (স্রোতের বিপরীতে) সহজে ধরা দেয়। খুব সহজেই পাওয়া যায় এমন বস্তু বা বিষয় বোঝাতেই এই সুন্দর বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সংক্ষেপ করে</strong>। সমাসের মূল কাজই হলো বড় কোনো বাক্যাংশ বা একাধিক পদকে একপদাশ্রয়ী করে ছোট বা সংক্ষিপ্ত রূপ দেওয়া। যেমন—'সিংহাসন' শব্দটি এসেছে 'সিংহাসনযুক্ত আসন' থেকে, যা সমাসের মাধ্যমে একটি সংক্ষিপ্ত ও সুন্দর রূপ লাভ করেছে।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজ! যে সব শব্দ সমাসবদ্ধ হয়ে সম্পূর্ণ আলাদা কোনো অর্থ প্রকাশ না করে কোনো বিশেষ অর্থ বোঝায়, সেগুলোকে যোগরূঢ় শব্দ বলে।</p>
<ul>
<li>'জলদ' শব্দের ব্যাসবাক্য হলো 'জল দেয় যে'। এটি সাধারণ অর্থে মেঘকে বোঝায়।</li>
<li>এখানে 'জল' (পানি) এবং 'দ' (দানকারী) আলাদা অর্থ না বুঝিয়ে নির্দিষ্টভাবে 'মেঘ' অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। তাই এটি যোগরূঢ় শব্দের একটি চমৎকার উদাহরণ।</li>
</ul>
৩৪৩৩
'শত্রুর সহিত সন্ধি চাইনা' এ বাক্যে 'সহিত' অনুসর্গটি কি অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে ?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: সমসূত্রে অর্থে</strong>। কারণ বাক্যটিতে 'সহিত' অনুসর্গটি কোনো সাধারণ সাথে থাকা বা সঙ্গী অর্থে বসেনি, বরং এটি একটি বিশেষ নিয়ম বা শর্তের সূত্রে (সমসূত্রে) বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে। অর্থাৎ, শত্রুর সাথে বা সূত্রে কোনো ধরনের আপস বা সন্ধি এখানে কাম্য নয়—এমন ভাব প্রকাশ করতেই ব্যাকরণগতভাবে একে 'সমসূত্রে অর্থে' ধরা হয়েছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সস্তা দর</strong>।</p>
<p>খুব সহজভাবে মনে রাখার কৌশল হলো—কথায় আছে না "ছকড়া নকড়া দরে বিক্রি করা"? এর মানে হলো কোনো জিনিসের দাম অত্যন্ত কম বা নামমাত্র মূল্যে কোনো কিছু কেনাবেচা করা। তাই 'ছ কড়া ন কড়া' বাগধারাটির আসল অর্থ দাঁড়ায় সস্তা দর।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সলিল</strong>, কারণ এটি চোখ বা চোখের সমার্থক শব্দ নয়।</p>
<p>খুব সহজ কথায়, 'সলিল' শব্দের অর্থ হলো পানি বা জল। অন্যদিকে নয়ন, লোচন এবং অক্ষি—এই তিনটি শব্দই চোখের খুব পরিচিত সমার্থক শব্দ। তাই প্রশ্ন অনুযায়ী কোনটি সমার্থক নয়, তা বের করতে বললে সঠিক উত্তর হবে সলিল।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।