<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: বারীদ</strong>।</p>
<p>খুব সহজ একটা টেকনিক দিয়ে এটা মনে রাখতে পারো:</p>
<ul>
<li>সংস্কৃত ভাষায় 'বারি' শব্দের অর্থ পানি বা জল।</li>
<li>যে পানি ধারণ করে বা দেয়, তার সাথে 'দ' যুক্ত হয়। যেমন— বারী + দ = বারীদ, যার অর্থ মেঘ।</li>
<li>অন্যদিকে, সলিল মানে পানি এবং অটবী মানে বন। তাই জল বা মেঘের সাথে সম্পর্কিত সঠিক শব্দ কেবল 'বারীদ'-ই।</li>
</ul>
৩৪৩৭
‘সলাজ’, ‘সঠিক’, ‘সবার’-এ শব্দগুলোতে কোন উপসর্গের প্রয়োগ রয়েছে?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>স উপসর্গ</strong>। খুব সহজে মনে রাখার টেকনিক হলো, শব্দগুলোর দিকে একটু খেয়াল করলেই দেখবে মূল শব্দের আগে 'স' যুক্ত হয়ে অর্থ পরিবর্তন করেছে। যেমন—</p>
<ul>
<li>লজ্জা এর সাথে <strong>স</strong> যুক্ত হয়ে হয়েছে <strong>সলাজ</strong>।</li>
<li>ঠিক এর সাথে <strong>স</strong> যুক্ত হয়ে হয়েছে <strong>সঠিক</strong>।</li>
<li>বার এর সাথে <strong>স</strong> যুক্ত হয়ে হয়েছে <strong>সবার</strong>।</li>
</ul>
<p>তাই এখানে ‘স’ একটি সংস্কৃত উপসর্গ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সর্বাঙ্গ + ঈন</strong>।</p>
<p>শব্দটি বিশ্লেষণ করলে খুব সহজেই বোঝা যায়:</p>
<ul>
<li>প্রথমে মূল শব্দ বা প্রাতিপদিক হলো <strong>'সর্বাঙ্গ'</strong>।</li>
<li>এর সাথে সম্বন্ধ বা ব্যাপ্তি অর্থে <strong>'ঈন'</strong> প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গঠিত হয়েছে <strong>'সর্বাঙ্গীন'</strong> শব্দটি।</li>
</ul>
<p>তাই সঠিক গঠনটি হলো: সর্বাঙ্গ + ঈন।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সর্বাঙ্গ + ঈন</strong>।</p>
<p>খুব সহজেই বিষয়টি মনে রাখতে পারেন এভাবে:</p>
<ul>
<li>প্রকৃতি ও প্রত্যয় নির্ণয়ের সময় মূল শব্দ বা প্রাতিপদিকটিকে আলাদা করতে হয়।</li>
<li>এখানে মূল শব্দ হলো <strong>সর্বাঙ্গ</strong>।</li>
<li>এর সাথে বিশেষণ তৈরि করার জন্য যুক্ত হয়েছে <strong>ঈন</strong> প্রত্যয়।</li>
<li>দুটি মিলে গঠিত হয়েছে সম্পূর্ণ শব্দটি: <strong>সর্বাঙ্গ + ঈন = সর্বাঙ্গীণ</strong>।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো: <strong>সলজ্জিত হাসি হেসে মেয়েটি উত্তর দিল</strong>।</p>
<p>বাক্যটি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ সঠিক এবং স্বাভাবিক। অন্য অপগুলো ভুল হওয়ার কারণ:</p>
<ul>
<li>'গোপন কথা' ও 'শোনা'র জায়গায় অর্থগত ত্রুটি থাকতে পারে, কিংবা 'দারিদ্রতা' শব্দটি ভুল (সঠিক রূপ 'দারিদ্র্য')।</li>
<li>'বাহুল্যতা' শব্দটি ব্যাকরণের নিয়মে অশুদ্ধ (সঠিক রূপ 'বাহুল্য')।</li>
<li>তাই সবদিক বিবেচনা করে নিখুঁত ও সুন্দর বাক্যটি হলো অপশন C।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সম্বোধন পদ</strong>।</p>
<p>খুব সহজ কথায়, কাউকে ডেকে বা ডাক দিয়ে কোনো কিছু বলা হলে বা আহ্বান করা হলে, সেই পদটিকে সম্বোধন পদ বলে। যেমন—এই বাক্যে ‘পরাগ’ বলে তাকে উদ্দেশ করে বইটি দিয়ে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে। তাই এখানে ‘পরাগ’ হলো একটি সম্বোধন পদ।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বিশেষণ পদ</strong>। কর্মধারয় সমাসে সাধারণত পরপদে বিশেষ্য এবং পূর্বপদে <strong>বিশেষণ পদ</strong> বসে। তবে কখনো কখনো দুটি পদই বিশেষ্য বা বিশেষণ হতে পারে। যেমন—'নীল পদ্ম' (নীল যে পদ্ম), এখানে 'নীল' হলো বিশেষণ পদ যা পদ্মের বৈশিষ্ট্য বোঝাচ্ছে। খুব সহজেই মনে রাখার উপায় হলো, যেখানে একটি পদ অন্য পদের দোষ, গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করে, সেখানেই বিশেষণ পদের প্রাধান্য থাকে।</p>
৩৪৪৩
কোনো কোনো ব্যাকরণবিদ কর্মধারয় সমাসকে কোন সমাসের অন্তর্ভুক্ত বলে মনে করেন ?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>তৎপুরুষ</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজভাবে মনে রাখতে পারেন— ব্যাকরণের অনেক পন্ডিত বা ব্যাকরণবিদের মতে, কর্মধারয় সমাস মূলত <strong>তৎপুরুষ সমাস</strong>-এরই একটি বিশেষ রূপ বা প্রকারভেদ। কারণ কর্মধারয় সমাসেও তৎপুরুষ সমাসের মতো পরপদের অর্থই প্রধানভাবে প্রতীয়মান হয়। তাই একে আলাদা কোনো সমাস না ভেবে তৎপুরুষ সমাসের অন্তর্ভুক্ত বলেই মনে করা হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বিশেষ্য</strong>।</p>
<p>খুব সহজ একটা টেকনিক মনে রেখো: কোনো শব্দ শোনার পর যদি মনে হয় এটি কোনো কিছুর নাম বোঝাচ্ছে, তবে চোখ বন্ধ করে তা বিশেষ্য পদ হবে। ‘লাজ’ শব্দটির অর্থ হলো লজ্জা, যা একটি মনের ভাব বা গুণবাচক নাম। তাই এটি একটি ভাববাচক বিশেষ্য পদ।</p>
৩৪৪৫
এখানে দেখনি তুমি? এখানে ‘নি’ কী হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ক্রিয়া বিশেষণ</strong>।</p>
<p>বাক্যটিতে ‘নি’ পদটি সরাসরি দেখার কাজটিকে (ক্রিয়াকে) বিশেষিত করেছে। অর্থাৎ, কাজটি কখন বা কীভাবে হয়নি, তার ভাব প্রকাশ করছে। ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, যে পদ ক্রিয়ার সময়, স্থান বা ভাব প্রকাশ করে তাকে <strong>ক্রিয়া বিশেষণ</strong> বলে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অব্যয়</strong>।</p>
<p>বাক্যে তুলনা বা সাদৃশ্য বোঝাতে ‘যেন’, ‘মতো’, ‘ন্যায়’ ইত্যাদি শব্দগুলো ব্যবহার করা হয়। এগুলো বাক্যের মধ্যে স্বাধীন পদ হিসেবে বসে এবং এদের কোনো রূপান্তর বা পরিবর্তন হয় না। ব্যাকরণের নিয়م অনুযায়ী যে শব্দগুলোর কোনো ব্যয় বা পরিবর্তন নেই, সেগুলোকে <strong>অব্যয় পদ</strong> বলা হয়। তাই এখানে ‘যেন’ একটি অব্যয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অব্যয়</strong>।</p>
<p>বাক্যটিতে 'যেন' শব্দটি দুটি পদের বা ভাবের মধ্যে তুলনা বা সংযোগ স্থাপন করতে সাহায্য করেছে। ব্যাকরণের নিয়م অনুযায়ী, যে শব্দগুলোর কোনো পরিবর্তন বা রূপান্তর হয় না এবং যা বাক্যে নানা ভাব প্রকাশ করে, সেগুলোকে অব্যয় পদ বলে। এখানে 'যেন' একটি তুলনাবাচক অব্যয় হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বিশেষণ</strong>।</p>
<p>খুব সহজ একটা টেকনিক দিয়ে বিষয়টি মনে রাখতে পারো:</p>
<ul>
<li>অলুক বহুব্রীহি সমাসে সমস্ত পদটি মূলত যার বা যা-কে নির্দেশ করে, তার গুণ বা বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে।</li>
<li>যেহেতু এটি ব্যাসবাক্যের বাইরে গিয়ে নতুন কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর বিশেষ রূপ বা বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে, তাই সমস্ত পদটি সবসময় <strong>বিশেষণ</strong> পদ হয়ে থাকে।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অব্যয়</strong>।</p>
<p>খুব সহজ কথায় বলতে গেলে, অনুসর্গ (যেমন: ধারা, দিয়া, হইতে, থেকে, প্রতি ইত্যাদি) এমন এক ধরণের শব্দ যা বাক্যে বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের পরে বসে পদের বিভক্তির মতো কাজ করে এবং বাক্যের অর্থ প্রকাশ করতে সাহায্য করে। যেহেতু এগুলোর নিজস্ব কোনো পরিবর্তন বা রূপান্তর হয় না (লিঙ্গ, বচন বা কারক ভেদে কোনো বদল ঘটে না), তাই ব্যাকরণের নিয়মে অনুসর্গগুলোকে মূলত <strong>অব্যয়</strong> পদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: সর্বজনীন</strong>।</p>
<p>খুব সহজ কথায়, যে কোনো বিষয় বা বস্তু যখন কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা দলের জন্য সীমিত না থেকে সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য হয়, তাকে এক কথায় <strong>সর্বজনীন</strong> বলা হয়। যেমন—সর্বজনীন শিক্ষা বা সর্বজনীন ভোটাধিকার, যা সবার জন্যই উন্মুক্ত।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।