<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>জয়নন্দী</strong>। কারণ তিনি মধ্যযুগের কোনো কবি নন। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে গোবিন্দ দাস, বড়ু চণ্ডীদাস এবং জ্ঞানদাস প্রত্যেকেই পদাবলী ও সাহিত্যের বিভিন্ন শাখায় তাঁদের অসামান্য অবদানের জন্য বিখ্যাত হয়ে আছেন।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>উৎকর্ষ</strong>।</p>
<p>সহজ কথায়, 'প্রকর্ষ' এবং 'উৎকর্ষ' দুটি শব্দের অর্থই প্রায় একই—উন্নতি, ভালো কিছু বা শ্রেষ্ঠত্ব বোঝাতে এই শব্দগুলো ব্যবহার করা হয়। বাংলা ব্যাকরণে সমার্থক শব্দ শেখার সময় এই মিলগুলো খেয়াল রাখলেই উত্তরগুলো খুব সহজে মনে রাখা যায়।</p>
৩৯৭৮
বাংলা সাহিত্যের অন্যতম বিশিষ্ট পত্রিকা 'কল্লোল' কত সালে প্রথম প্রকাশিত হয়?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>১৯২৩</strong>।</p>
<p>বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগের ইতিহাসে 'কল্লোল' একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও যুগান্তকারী পত্রিকা। ১৯২৩ সালের জানুয়ারি মাসে (পৌষ ১৩২৯ বঙ্গাব্দ) দীনেশরঞ্জন দাসের সম্পাদনায় এই পত্রিকাটি প্রথম প্রকাশিত হয়। বাংলা সাহিত্যে রোমান্টিকতা ও আধুনিকতার হাওয়া বইয়ে দিতে এবং নতুন ধারার লেখকদের তুলে ধরতে এই পত্রিকার ভূমিকা ছিল অনন্য।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সংস্কৃত</strong>।</p>
<p>কারণ বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত 'সমাস' (যার অর্থ সংক্ষেপ করা) ব্যাকরণগত নিয়ম ও পদবিন্যাস মূলত এসেছে প্রাচীন <strong>সংস্কৃত</strong> ভাষা থেকে। সংস্কৃত থেকে বহু তৎসম শব্দের হাত ধরে সমাসের এই রীতি আমাদের বাংলা ভাষায় যুক্ত হয়েছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কবি মরদন</strong>। সপ্তদশ শতকের বিশিষ্ট পুথি সাহিত্যিক কবি মরদন 'নসীরানামা' কাব্যটি রচনা করেন। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে তাঁর এই কাব্যটি বেশ উল্লেখযোগ্য একটি সৃষ্টি।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>জেলে</strong>। কারণ শব্দটির গঠন বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, মূল শব্দ 'জাল' এর সাথে 'য়া' (বা ইয়া) প্রত্যয় যুক্ত হয়ে 'জেলে' শব্দটি গঠিত হয়েছে।</p>
<p>সহজে চেনার উপায়:</p>
<ul>
<li>প্রকৃতি ও প্রত্যয় নির্ণয়ের সময় দেখতে হবে শব্দের মূলে কোনো অর্থপূর্ণ শব্দ বা ধাতু আছে কি না।</li>
<li>এখানে 'জাল' হলো মূল শব্দ (প্রকৃতি) এবং এর সাথে 'য়া' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে মাছ শিকার বোঝাতে নতুন শব্দ তৈরি করেছে।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: হ</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ!</p>
<p>বাংলা ব্যাকরণে বিসর্গ (ঃ) মূলত মূল সংস্কৃত <strong>'হ'</strong> ধ্বনির একটি রূপান্তর বা সংক্ষিপ্ত রূপ। পদের অন্তে বা মাঝে অনেক সময় 'হ' ধ্বনিটি উচ্চারণের সুবিধার্থে বিসর্গ-এ পরিণত হয়। যেমন— সংস্কৃত 'অহঃ' থেকে বাংলায় 'অহরহ' বা বিসর্গ সন্ধির নিয়মে এই রূপান্তর ঘটে থাকে। তাই ব্যঞ্জনবর্ণ হিসেবে এর উৎস হলো <strong>'হ'</strong>।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কুহেলিকা</strong>।</p>
<p>খুব সহজেই মনে রাখার উপায় হলো—জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের মূলত তিনটি উপন্যাস রয়েছে: <strong>বাঁধনহারা</strong>, <strong>মৃত্যুক্ষুধা</strong> এবং <strong>কুহেলিকা</strong>। তাই অপশনগুলোর মধ্যে একমাত্র 'কুহেলিকা'ই তাঁর রচিত উপন্যাস। বাকিগুলো তাঁর গল্প বা প্রবন্ধগ্রন্থ।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বিশেষ্য</strong>। কারণ খুব সহজ একটা কৌশল মনে রাখলেই এটা পরিষ্কার হয়ে যায়।</p>
<ul>
<li>'অজস্র' শব্দটা মূলত কোনো কিছুর পরিমাণ বা আধিক্য বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>যেমন আমরা বলে থাকি—অজস্র মানুষ, অজস্র টাকা, অজস্র তারা।</li>
<li>এখানে 'মানুষ', 'টাকা' কিংবা 'তারা' হলো একেকটি নামবাচক শব্দ বা <strong>বিশেষ্য</strong> পদ।</li>
<li>তাই বিশেষ্য পদের ঠিক আগেই কেবল 'অজস্র' বসিয়ে সেটিকে খুব সহজেই বহুবচন রূপ দেওয়া সম্ভব।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>শেষলেখা</strong>।</p>
<p>খুব সহজে মনে রাখার কৌশল হলো, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা সর্বশেষ বা মৃত্যুর পূর্বে প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে <strong>শেষলেখা</strong> অন্যতম (যা তাঁর মৃত্যুর পর প্রকাশিত হয়)। অন্যদিকে, 'শেষকথা' ও 'শেষপ্রশ্ন' তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস এবং 'শেষদিন' তাঁর কোনো প্রখ্যাত কাব্যগ্রন্থ নয়। তাই সরাসরি অপশন 'ক' বা 'শেষলেখা'-ই সঠিক কাব্যগ্রন্থ হিসেবে পরিচিত।</p>
৩৯৮৬
কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কয়টি দেশের জাতীয় সংগীত রচনা করেন?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>২টি</strong>। খুব সহজেই মনে রাখার মতো একটি তথ্য হলো, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কেবল আমাদের দেশেরই নয়, আরও একটি প্রতিবেশী দেশের জাতীয় সংগীতের রচয়িতা।</p>
<ul>
<li>প্রথমটি হলো আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত — <strong>"আমার সোনার বাংলা"</strong>।</li>
<li>দ্বিতীয়টি হলো ভারতের জাতীয় সংগীত — <strong>"জন গণ মন অধিনায়ক জয় হে"</strong>।</li>
</ul>
<p>এই দুটি দেশের জাতীয় সংগীত একই ব্যক্তির কলম থেকে আসার বিষয়টি আমাদের জন্য অত্যন্ত গর্বের!</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>গ্রিক</strong>। পৃথিবীর প্রথম মানচিত্র অংকনের কাজটি মূলত শুরু করেছিলেন প্রাচীন গ্রিক বিজ্ঞানীরা।</p>
<p>খ্রিস্টপূর্ব ষষ্ঠ শতকের দিকে গ্রিক দার্শনিক অ্যানাক্সিমান্ডার প্রথম পৃথিবীর একটি মানচিত্র এঁকেছিলেন বলে ইতিহাসেও পাওয়া যায়। তাই ভৌগোলিক মানচিত্র তৈরির ক্ষেত্রে গ্রিকদের অবদানই সবচেয়ে প্রাচীন ও প্রাথমিক।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়</strong>।</p>
<p>বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় ও ক্লাসিক উপন্যাস 'শ্রীকান্ত' শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি অসামান্য সৃষ্টি। এই উপন্যাসের মাধ্যমে লেখক সমাজের নানা রূপ এবং চরিত্রের গভীর মনস্তত্ত্ব খুব সুন্দর ও সহজভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন, যা পাঠকদের মনে চিরস্থায়ী জায়গা করে নিয়েছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বাগ্মী</strong>। এক কথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন ব্যাকরণের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ। কোনো বড় ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার জন্য এই শব্দগুলো ব্যবহার করা হয়।</p>
<ul>
<li>যিনি খুব সুন্দর বা সাবলীলভাবে কথা বলতে পারেন, তাঁকে সাধারণ অর্থে <strong>বাকপটু</strong> বা <strong>সুবক্তা</strong> বলা হয়।</li>
<li>কিন্তু যিনি অত্যন্ত তেজস্বী, মনোগ্রাহী এবং প্রাঞ্জল ভাষায় সাবলীলভাবে বক্তৃতা দানে অত্যন্ত পটু বা দক্ষ, তাঁকে বিশেষ অর্থে <strong>বাগ্মী</strong> বলা হয়।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার অপশন অনুযায়ী 'বক্তৃতা দানে পটু' এর সবচেয়ে নিখুঁত এবং প্রমিত এক কথায় প্রকাশ হলো বাগ্মী।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।