<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সম্ + বিধান</strong>।</p>
<p>ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, ম-এর পর যদি অন্তস্থ ধ্বনি (য, র, ল, ব) বা উষ্ম ধ্বনি (শ, ষ, স, হ) কিংবা 'অনুস্বার' থাকে, তবে ম-এর জায়গায় অনুস্বার (ং) হয়। ঠিক এই নিয়মেই 'সম্' যুক্ত 'বিধান' মিলে তৈরি হয় <strong>'সংবিধান'</strong>।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মাকড়সা</strong>। খুব সহজ কথায়, বাংলা ব্যাকরণ ও সাধারণ জ্ঞানে 'ঊর্ণনাভ' শব্দটি সরাসরি মাকড়সাকে নির্দেশ করে।</p>
<p>এর পেছনের মূল কারণটি হলো এর অর্থ: <strong>'ঊর্ণা'</strong> অর্থ হলো পশম বা সুতা, আর <strong>'নাভ'</strong> অর্থ নাভি। অর্থাৎ, যে প্রাণী তার নাভি বা দেহ থেকে সুতা বা জাল তৈরি করে, তাকেই এককথায় ঊর্ণনাভ বলা হয়। আর আমরা সবাই জানি, মাকড়সা নিজের দেহ থেকে সুতার মতো উপাদান বের করে জাল বুনে থাকে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সর্বজনীন</strong>।</p>
<p>শব্দটিকে বিশ্লেষণ করলে খুব সহজেই বোঝা যায়:</p>
<ul>
<li>'সর্বজন' শব্দের অর্থ হলো সকল মানুষ বা সবার জন্য প্রযোজ্য।</li>
<li>এর সাথে 'ঈন' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গঠিত বিশেষণ পদটি হলো <strong>সর্বজনীন</strong>, যার অর্থ "যা সবার ক্ষেত্রে সমানভাবে প্রযোজ্য বা সবার জন্য উন্মুক্ত"।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো: <strong>সে তোমাকে দিয়ে এটি করাতে পারবে।</strong></p>
<p>বাক্যটিতে <strong>"make"</strong> ভারบটি কজগেটিভ ভার্ব (Causative Verb) হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। এর মানে হলো কর্তা নিজে কাজটি না করে অন্য কাউকে দিয়ে কাজটি করাচ্ছেন।</p>
<ul>
<li><strong>He can:</strong> সে পারবে</li>
<li><strong>make you do this:</strong> তোমাকে দিয়ে এটি করাতে</li>
</ul>
<p>তাই পুরো বাক্যটির সহজ ও সঠিক অর্থ দাঁড়ায়— সে তোমাকে দিয়ে এটি করাতে পারবে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ঊর্দ্ধ</strong>, কারণ এটি একটি অশুদ্ধ বানান।</p>
<p>বানানটি কেন ভুল এবং এর সঠিক রূপটি জেনে নেওয়া যাক:</p>
<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, শব্দের শেষে সাধারণত 'হ' থাকলে তার নিচে বা পরে জ-ফলা দেওয়া যায় না কিংবা 'ধ'-এর সাথে সরাসরি 'র্দ্ধ' যুক্ত করার ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা প্রয়োজন।</li>
<li>শব্দটির সঠিক ও শুদ্ধ রূপ হলো <strong>ঊর্ধ্ব</strong>।</li>
<li>বিকল্পের অন্য বানানগুলো (দরিদ্রতা, উপযোগিতা, শ্রদ্ধাঞ্জলি) সম্পূর্ণ সঠিক।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>উপভোগ</strong>।</p>
<p>খুব সহজেই বিষয়টি বুঝে নেওয়া যাক:</p>
<ul>
<li><strong>উপভোগ</strong> শব্দটিতে 'উপ' উপসর্গটি <strong>'বিশেষ' বা 'পূর্ণতা'</strong> অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে (ভোগ থেকে উপভোগ)।</li>
<li>অন্যদিকে, উপসাগর, উপনেতা এবং উপগ্রহ—এই তিনটি শব্দেই 'উপ' উপসর্গটি মূল শব্দের ছোট বা ক্ষুদ্র অর্থে (যেমন: সাগরের চেয়ে ছোট উপসাগর, নেতার চেয়ে ছোট উপনেতা) ব্যবহৃত হয়েছে।</li>
</ul>
<p>তাই অর্থের দিক থেকে 'উপভোগ' শব্দটি বাকি তিনটি থেকে আলাদা।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>হর্ষ</strong>।</p>
<p>'শোক' শব্দের অর্থ হলো গভীর দুঃখ বা বেদনা। এর ঠিক উল্টো বা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে 'হর্ষ' শব্দটি, যার অর্থ আনন্দ, উল্লাস বা খুশি। পরীক্ষার খাতায় বিপরীত শব্দ মনে রাখার সহজ উপায় হলো মূল শব্দের মূল ভাবটা বোঝা—শোক মানে যদি মন খারাপ হয়, তবে তার বিপরীত হবে মন ভালো বা আনন্দময় কিছু, যা হর্ষ দিয়ে বোঝানো হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অর্ধ-তৎসম</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজ! সংস্কৃতি ভাষা থেকে যে শব্দগুলো প্রাকৃত ভাষার মাধ্যমে কিছুটা পরিবর্তিত হয়ে সোজাসুজি বাংলায় এসেছে, সেগুলোকে অর্ধ-তৎসম শব্দ বলে। একটু খেয়াল করলেই দেখবে, 'গৃহিণী' থেকে এসেছে 'গিন্নি'। ঠিক যেমন— 'নিমন্ত্রণ' থেকে 'নেমন্ত্য' বা 'জ্যোৎস্না' থেকে 'জোছনা'। তাই মূল সংস্কৃত শব্দ 'গৃহিণী'-র পরিবর্তিত ও সহজ রূপ হিসেবে 'গিন্নি' একটি নিখুঁত অর্ধ-তৎসম শব্দ।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বিশেষণ</strong>।</p>
<p>খুব সহজে মনে রাখার শর্টকাট কৌশল হলো— কোনো শব্দ দেখার পর সেটা দিয়ে কোনো দোষ, গুণ, অবস্থা বা কোনো কিছুর বৈশিষ্ট্য বোঝাচ্ছে কিনা তা খেয়াল করা। 'লাজ' শব্দটি দিয়ে মনের একটি বিশেষ অবস্থাকে বোঝানো হয়েছে, তাই এটি একটি <strong>বিশেষণ পদ</strong> হিসেবে কাজ করে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বচনভেদে</strong>। এর মূল কারণ হলো বাংলা ব্যাকরণের নিয়মে কর্তা একবচন বা বহুবচন যাই হোক না কেন, অনেক সময় ক্রিয়াপদের রূপের কোনো পরিবর্তন হয় না। যেমন—'লোকটি আসছে' এবং 'লোকেরা আসছে'—এখানে কর্তা একবচন থেকে বহুবচন হলেও ক্রিয়াপদ 'আসছে' অপরিবর্তিত থাকে। এই সহজ বিষয়টি মাথায় রাখলেই উত্তরটি খুব সহজে মনে রাখা যায়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কর্মধারয়</strong>।</p>
<p>খুব সহজে বোঝার জন্য মনে রাখুন, আনন্দ মিশ্রিত অশ্রু = আনন্দাশ্রু। এখানে আনন্দ এবং অশ্রু—দুটি পদেরই সমান প্রাধান্য রয়েছে এবং একটি অপরটির রূপ বা মিশ্রণ বোঝাচ্ছে। সাধারণ কর্মধারয় সমাসের নিয়ম অনুযায়ী, যেখানে বিশেষ্য ও বিশেষণের বা দুটি বিশেষ্যের মিলনে একটি নতুন পদ গঠিত হয় এবং পরপদের অর্থ প্রধান থাকে, সেটাই কর্মধারয় সমাস। তাই এটি রূপক বা অন্য কোনো সমাস না হয়ে সাধারণ কর্মধারয় সমাস হবে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বিদ্যাপতি</strong>।</p>
<p>মধ্যযুগের পদাবলি সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি গোবিন্দ দাস মূলত মৈথিল কোকিল বিদ্যাপতির ভাব ও আদর্শ দ্বারা গভীরভাবে প্রভাবিত হয়েছিলেন। তাঁর পদাবলীতে বিদ্যাপতির রাধা-কৃষ্ণের প্রেমলীলা এবং পদ রচনার শৈলীর সুস্পষ্ট প্রভাব দেখতে পাওয়া যায়, যে কারণে তাঁকে বিদ্যাপতির ভাবশিষ্য হিসেবে গণ্য করা হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>শিউলিমালা</strong>। কারণ এটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত ছোটগল্প সংকলন বা গল্পগ্রন্থ। অন্যদিকে, বাকি অপশনগুলোর মধ্যে 'মধুমালা' একটি নাটক এবং 'শেষ প্রশ্ন' ও 'বাঁধনহারা' হলো উপন্যাস। তাই খুব সহজেই বোঝা যায় সঠিক উত্তর কোনটি!</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>দ্বীপ + অয়ন</strong>।</p>
<p>সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, অ বা আ-এর পরে ঋ থাকলে যেমন 'অর' হয়, তেমনই অ বা আ-এর পরে 'অয়ন' শব্দ থাকলে তার আগের পদের সঙ্গে মিলে অনেক সময় নতুন রূপ নেয়। এখানে 'দ্বীপ' শব্দের শেষে থাকা 'অ' এবং 'অয়ন' শব্দের শুরুর 'অ' মিলে নিয়ম অনুযায়ী দীর্ঘ বা বিশেষ ধ্বনি তৈরি করেছে, যা এককথায় <strong>দ্বৈপায়ন</strong> রূপ নেয়। তাই সহজ কথায় সঠিক গঠনটি হলো দ্বীপ + অয়ন।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।