<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর</strong>। কারণ বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অত্যন্ত বিখ্যাত ও নোবেল পুরস্কার এনে দেওয়া একটি কাব্যগ্রন্থ হলো 'গীতাঞ্জলি'।</p>
সঞ্চিতা বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় এবং বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কাব্য - সংকলন। এই গ্রন্থে আটাত্তরটি কবিতা ও সতেরোটি গান আছে। এর মধ্যে - 'বিদ্রোহী', 'সর্বহারা', 'সাম্যবাদী', 'মানুষ', 'জীবন বন্দনা', 'খুকী ও কাঠবেড়ালী', 'চল্ চল্ চল্' প্রভৃতি প্রধান।'সঞ্চিতা ' কাব্যগ্রন্থটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কে উৎসর্গ করা হয়৷
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>চতুর্থী তৎপুরুষ</strong>। কারণ সমাসবদ্ধ পদটি হলো 'মুক্তিযুদ্ধ', যার ব্যাসবাক্য করলে দাঁড়ায় 'মুক্তির জন্য যুদ্ধ'!</p>
<ul>
<li>ব্যাসবাক্যে 'জন্য' বা 'নিমিত্ত' অব্যয় থাকলে সেটা নির্দ্বিধায় <strong>চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস</strong> হয়।</li>
<li>যেহেতু যুদ্ধটা কিসের জন্য? মুক্তির জন্য—তাই এটি চতুর্থী তৎপুরুষের নিয়ম খুব সহজেই মেনে চলেছে।</li>
</ul>
৪০৬৯
'দুই এবং নব্বই বিরানব্বই' কোন ধরনের সমাসের। উদাহরণ?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নিত্য সমাস</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজে এভাবে মনে রাখতে পারো:</p>
<ul>
<li>যে সমাসে ব্যাসবাক্যের কোনো প্রয়োজন হয় না বা ব্যাসবাক্য করতে গেলে অন্য পদের সাহায্য নিতে হয়, তাকেই নিত্য সমাস বলে।</li>
<li>'দুই এবং নব্বই' মিলে তৈরি হয়েছে 'বিরানব্বই'। এখানে পদের অর্থ ঠিক রাখতে ব্যাসবাক্যে অতিরিক্ত 'এবং' ব্যবহার করতে হয়, তাই এটি একটি নিত্য সমাসের উদাহরণ।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সংখ্যার ধারণা</strong>।</p>
<p>ব্যাকরণে বা সাধারণ অর্থে <strong>বচন</strong> বলতে মূলত কোনো কিছুর সংখ্যা বা এক বা একাধিক হওয়ার ধারণাকে বোঝানো হয়। এটি আমাদের কোনো বস্তু বা ব্যক্তি এক নাকি একাধিক, সেই সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা দেয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ক্ষুদ্রার্থে</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজ! বাংলায় কিছু শব্দের সাথে বিশেষ তদ্ধিত প্রত্যয় যুক্ত হয়ে শব্দের অর্থে পরিবর্তন আনে। যেমন— 'পুস্তক' মানে হলো বই বা গ্রন্থ, আর এর সাথে 'িকা' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে তৈরি হয়েছে 'পুস্তিকা', যার অর্থ দাঁড়ায় ছোট বই বা বুকলেট। অর্থাৎ, মূল শব্দের চেয়ে ছোট বা সংক্ষিপ্ত কিছু বোঝাতে এখানে 'িকা' প্রত্যয়টি <strong>ক্ষুদ্রার্থে</strong> ব্যবহৃত হয়েছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অনাচার</strong>। খুব সহজে বিষয়টি বুঝে নেওয়া যাক:</p>
<ul>
<li>'অনাচার' শব্দটিতে মূল ধাতু বা শব্দের আগে <strong>'অন'</strong> উপসর্গ যুক্ত হয়েছে।</li>
<li>বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, 'অন' একটি পরিচিত উপসর্গ যা বিশেষ অর্থে শব্দটির পূর্বে বসে নতুন অর্থ তৈরি করেছে।</li>
<li>তাই এটি একটি পরিষ্কার উপসর্গজাত শব্দ।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ইনপুট ডিভাইস</strong>।</p>
<p>খুব সহজ কথায়, স্ক্যানার দিয়ে আমরা যেকোনো ছবি, লেখা বা ডকুমেন্ট কম্পিউটারের ভেতরে প্রবেশ করাই। যেহেতু এটি বাইরের কোনো তথ্য কম্পিউটারকে দেয়, তাই এটি একটি ইনপুট ডিভাইস।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নাজেহাল</strong>।</p>
<p>বাংলা প্রবাদ-প্রবচনে 'চিঁড়ে চেপটা' কথাটির বিশেষ অর্থ রয়েছে। চিঁড়েকে যেমন যাতাকলে বা চাপে ফেলে পিষে একদম থেঁতলে বা পাতলা করে ফেলা হয়, ঠিক তেমনি কোনো মানুষকে যখন নানা রকম ঝামেলা, কষ্ট বা বিপদে ফেলে একেবারে কাবু বা হয়রান করে ফেলা হয়, তখন তাকে বোঝাতে <strong>'চিঁড়ে চেপটা'</strong> প্রবাদটি ব্যবহার করা হয়। সহজ কথায়, এর মূল অর্থ হলো কাউকে চরম মাত্রায় নাকাল বা নাজেহাল করা।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>গায়ে মাখা</strong>।</p>
<p>কোনো একটা বিষয়কে বা উপদেশকে নিজের দায়িত্ব হিসেবে নেওয়া, গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা বা মনে মনে অনুভব করা বোঝাতে <strong>'গায়ে মাখা'</strong> বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়। যেমন—কারো কথার প্রতিবাদ না করে গায়ে মেখে কাজ শুরু করে দেওয়া।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>আদালতের অস্থায়ী আদেশ</strong>।</p>
<p>'Rule Nisi' মূলত একটি আইনি পরিভাষা। এর সহজ অর্থ হলো কোনো বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে আদালতের দেওয়া একটি প্রাথমিক বা অস্থায়ী আদেশ, যার মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট পক্ষকে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেওয়া হয় যে কেন ওই বিষয়ে স্থায়ী আদেশ দেওয়া হবে না।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো: <strong>ধাতুর সঙ্গে যুক্ত প্রত্যয়কে</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজভাবে মনে রাখার একটা ছোট্ট কৌশল আছে:</p>
<ul>
<li>ক্রিয়ামূল বা <strong>ধাতুর</strong> সাথে যে প্রত্যয় যুক্ত হয়, তাকে বলে <strong>কৃৎ</strong> প্রত্যয়। (মনে রাখার টেকনিক: ধা<strong>তু</strong> ও কৃ<strong>ৎ</strong>—উভয় শব্দের শেষেই 'ত' ধ্বনি বা মিল রয়েছে!)</li>
<li>অন্যদিকে, শব্দের সাথে যা যুক্ত হয় তাকে তদ্ধিত প্রত্যয় বলে।</li>
</ul>
<p>তাই ধাতুর সাথে যুক্ত হওয়া মানেই চোখ বন্ধ করে কৃৎ প্রত্যয় দাগিয়ে দেওয়া!</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রকৃতি</strong>। কারণ ব্যাকরণের ভাষায় শব্দ কিংবা ধাতুর মূল অংশকেই বলা হয় প্রকৃতি।</p>
<ul>
<li>নামপদের মূল অংশকে বলা হয় <strong>নামপ্রকৃতি</strong> (যেমন: 'গোলাপ' + ত).</li>
<li>ক্রিয়াপদের মূল অংশকে বলা হয় <strong>ধাতুপ্রকৃতি</strong> বা ধাতু (যেমন: 'চল্' + আ).</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, শব্দ বা ধাতুর যে মূল রূপ থেকে নতুন শব্দ গঠিত হয়, তাকেই প্রকৃতি বলা হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সম্ + বিধান</strong>।</p>
<p>ব্যঞ্জনসন্ধির একটি খুব সহজ নিয়ম অনুযায়ী, ম্ (ম)-এর পরে যদি কোনো অন্তস্থ ধ্বনি (য, র, ল, ব) বা উষ্ম ধ্বনি (শ, ষ, স, হ) থাকে, তবে ম্-এর জায়গায় অনুস্বার (ং) বসে। <strong>সম্ + বিধান</strong> যুক্ত হয়ে নিয়ম মেনে তৈরি হয় 'সংবিধান'।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>পরি + ঈক্ষা</strong>।</p>
<p>সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী খুব সহজেই এটি মনে রাখতে পারো:</p>
<ul>
<li>প্রথমে উপসর্গ হিসেবে থাকে <strong>পরি</strong> (যেখানে র-এ হ্রস্ব-ই কার আছে)।</li>
<li>এর সাথে যুক্ত হয় <strong>ঈক্ষা</strong> শব্দ (যা দীর্ঘ-ঈ দিয়ে শুরু হয়)।</li>
<li>নিয়ম অনুযায়ী, হ্রস্ব-ই (ি) এবং দীর্ঘ-ঈ (ী) মিলে দীর্ঘ-ঈ (ী) কার তৈরি হয়, যা শব্দটিকে বানায় <strong>পরীক্ষা</strong>।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।