<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ফয়েজ আহমদ</strong>। জনপ্রিয় শিশুসাহিত্যিক ও সাংবাদিক ফয়েজ আহমদ তাঁর চমৎকার লেখার মাধ্যমে এই বইটি উপহার দিয়েছেন। তাঁর সাবলীল ও আকর্ষণীয় রচনাশৈলী খুব সহজেই পাঠকদের মন জয় করে নেয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>পার্শ্বিক বর্ণ</strong>। কারণটা খুব সহজ—উচ্চারণের সময় জিভের দুই পাশ বা পার্শ্ব দিয়ে বাতাস বের হয়ে যায় বলে 'ল' কে পার্শ্বিক বর্ণ বলা হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সমাস</strong>। কারণ 'প্রভাত' শব্দটি কোনো নিয়মের বাইরে গিয়ে সরাসরি কোনো প্রত্যয় বা উপসর্গ দিয়ে তৈরি হয়নি, বরং এটি অর্থ সংক্ষেপ করার মাধ্যমে তৈরি হওয়া একটি সমাসবদ্ধ পদ। সমাসের কাজ হলো বড় বাক্য বা অর্থকে ছোট করে একটি সুন্দর ও নতুন শব্দ তৈরি করা, ঠিক যেমন এখানে হয়েছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>তুর্কি</strong>।</p>
<p>বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত বিভিন্ন বিদেশি শব্দের মধ্যে 'সওগাত' একটি অতি পরিচিত শব্দ, যার অর্থ উপহার বা উপঢৌকন। বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এবং উৎপত্তিগত ইতিহাস ঘেঁটে দেখা যায় যে, এই শব্দটি সরাসরি <strong>তুর্কি</strong> ভাষা থেকে আমাদের বাংলা ভাষায় এসেছে। মনে রাখার সহজ উপায় হলো— আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত অনেক সামাজিক ও সংস্কৃতিমূলক শব্দ তুর্কি ভাষা থেকে ধার করা হয়েছে, যার মধ্যে 'সওগাত' অন্যতম।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বিকল্প</strong>। কারণ বাংলা ব্যাকরণে এবং লেখায় '/' (স্ল্যাশ) চিহ্নটিকে 'বিকল্প চিহ্ন' বলা হয়, যা সাধারণত দুটি শব্দের বা বিষয়ের মধ্যে যেকোনো একটি বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>জন্মবার্ষিক</strong>। বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী শব্দটিতে কোনো ধরনের বাহুল্য বা গঠনগত ভুল নেই।</p>
<p>অন্য শব্দগুলোতে কেন অপপ্রয়োগ ঘটেছে:</p>
<ul>
<li>'অধীনস্থ' শব্দটিতে 'অধীন' ও 'স্থ' দুটি প্রত্যয় একত্রে থাকায় এটি একটি বাহুল্য দোষে দুষ্ট (সঠিক হতো 'অধীন')।</li>
<li>'কার্যকরী' এর জায়গায় 'কার্যকর' ব্যবহার করাই ব্যাকরণগতভাবে শুদ্ধ।</li>
<li>'ইদানিং' শব্দের মধ্যেই 'কাল' বা সময় লুকিয়ে আছে, তাই আলাদা করে 'কাল' যোগ করে 'ইদানিংকাল' বলা একটি গুরুচণ্ডালী দোষ ও অপপ্রয়োগ।</li>
</ul>
<p>পক্ষান্তরে, <strong>জন্মবার্ষিক</strong> শব্দটি সম্পূর্ণ শুদ্ধ এবং এর ব্যবহারে কোনো অপপ্রয়োগ ঘটেনি।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>দুর্বিষহ</strong>।</p>
<p>বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী সাধারণত ই-কার বা উ-কারের পরে 'ষ' (ধ্বনিতুল্য মূর্ধন্য 'ষ') ব্যবহৃত হয়। <strong>দুর্বিষহ</strong> শব্দটিতে 'বি' উপসর্গের পর 'সহ' যুক্ত হওয়ার সময় বিশেষ নিয়মে দন্ত্য 'স' বদলে মূর্ধন্য 'ষ' হয়ে গেছে। নিয়মটির মূল কথা হলো— কিছু শব্দে স্বভাবতই বা বিশেষ নিয়মে দন্ত্য 'স'-এর জায়গায় 'ষ' বসে, যা এই শব্দের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হয়েছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>দুঃ+ চরিত্র</strong>।</p>
<ul>
<li>বিষয়টা খুব সহজ, বিসর্গ সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী বিসর্গের ($\text{ঃ}$) পরে যদি চ বা ছ থাকে, তবে বিসর্গের জায়গায় তালব্য-শ ($\text{শ}$) হয়।</li>
<li>যেমন: দুঃ + চরিত্র = দুশ্চরিত্র।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: জন + এক</strong>।</p>
<p>সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, অ-কার কিংবা আ-কারের পর এ-কার বা ঐ-কার থাকলে উভয় মিলে ঐ-কার হয় এবং তা আগের বর্ণে যুক্ত হয়। এই নিয়মে:</p>
<ul>
<li><strong>জন</strong> শব্দের শেষের 'অ' এবং <strong>এক</strong> শব্দের শুরুর 'এ' মিলে তৈরি হয়েছে 'ঐ' (নৈ)।</li>
<li>এভাবে 'জন + এক' মিলে খুব সহজেই তৈরি হয় <strong>জনৈক</strong> শব্দটি।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ইতি + আদি</strong>।</p>
<p>খুব সহজে সন্ধিটি মনে রাখার শর্টকাট নিয়ম:</p>
<ul>
<li>'ইত্যাদি' শব্দটি ভাঙলে প্রথমে পাই <strong>ইতি</strong> এবং পরে পাই <strong>আদি</strong>।</li>
<li>এখানে 'ইতি'-র শেষের 'ই' (স্বরের ই-কার) এবং 'আদি'-র শুরুর 'আ' মিলে একসঙ্গে '্যা' ($য + আ$) হয়ে গেছে।</li>
<li>অর্থাৎ, নিয়ম অনুযায়ী: <strong>ই + আ = যা</strong> (য-ফলা)। এভাবেই 'ইতি + আদি' মিলে খুব সহজে তৈরি হয় <strong>ইত্যাদি</strong>!</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option B: চলৎ + চিত্র</strong>।</p>
<p>সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, ত্ বা দ্-এর পরে যদি চ বা ছ থাকে, তবে ত্ বা দ্-এর জায়গায় চ্ হয়। এই নিয়মে:</p>
<ul>
<li><strong>চলৎ + চিত্র</strong> মিলে তৈরি হয় <strong>চলচ্চিত্র</strong>।</li>
</ul>
<p>খুব সহজেই মনে রাখার উপায় হলো, শব্দের প্রথমাংশের শেষের 'ত' এবং দ্বিতীয়াংশের শুরুর 'চ' মিলে এখানে 'চ্চ' রূপ নিয়েছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>গো + এষণা</strong>।</p>
<p>খুব সহজ একটা নিয়মের মাধ্যমে এটি মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>এটি একটি স্বরসন্ধির নিয়ম (বিশেষ করে অদিশ সন্ধি)।</li>
<li>সন্ধি করার সময় যদি প্রথমে <strong>ও</strong> বা <strong>ঔ</strong> থাকে এবং তার পরে অন্য কোনো স্বরধ্বনি থাকে, তবে <strong>ও</strong>-এর জায়গায় <strong>অব</strong> বা <strong>অব্</strong> হয়।</li>
<li>সে অনুযায়ী, <strong>গো + এষণা</strong> মিলে 'অব' যুক্ত হয়ে তৈরি হয় <strong>গবেষণা</strong>।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: মিলনার্থক</strong>।</p>
<p>খুব সহজভাবে মনে রাখার উপায় হলো, 'জিন' ও 'পরি' শব্দ দুটি একে অপরের পরিপূরক এবং একই ভাবের সমার্থক বা কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে। পাশাপাশি দুটি সমার্থক বা প্রায় সমার্থক শব্দ মিলে যখন কোনো দ্বন্ধ সমাস গঠিত হয়, তখন তাকে <strong>মিলনার্থক</strong> দ্বন্দ্ব সমাস বলে। যেমন: জিন ও পরি = জিন-পরি, হাত-পা, হাট-বাজার ইত্যাদি।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কর্মধারয়</strong>। কারণ খুব সহজে মনে রাখার একটা দারুণ টেকনিক আছে—যেখানে বিশেষণ বা বিশেষ্য পদের সাথে পরপদের মিল বোঝায় এবং ব্যাসবাক্যে সাধারণত 'যে' বা 'যিনি' যুক্ত থাকে, সেটাই কর্মধারয় সমাস।</p>
<ul>
<li>ব্যাসবাক্য করলে দাঁড়ায়: <strong>মহৎ যে রাজ</strong>।</li>
<li>এখানে 'মহৎ' হলো রাজা কেমন তার বিশেষণা বা গুণ, আর 'রাজ' হলো বিশেষ্য পদ।</li>
<li>যেহেতু বিশেষণ ও বিশেষ্যের মিলে নতুন পদ গঠিত হয়েছে এবং মাঝখানে 'যে' রয়েছে, তাই এটি নিশ্চিতভাবেই কর্মধারয় সমাস।</li>
</ul>
৪১১০
শীতার্তকে বস্ত্র দাও-এখানে শীতার্তকে কোন কারকে কোন বিভক্তি?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: সম্প্রদানে চতুর্থী</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজ! যাকে কোনো কিছু শর্তহীনভাবে দান বা সাহায্য করা হয়, তাকে ব্যাকরণের ভাষায় সম্প্রদান কারক বলে। 'শীতার্তকে বস্ত্র দাও' বাক্যে শীতার্ত ব্যক্তিকে বস্ত্র দান করা বোঝানো হয়েছে, তাই এটি সম্প্রদান কারক। আর 'শীতার্তকে' শব্দের শেষে 'কে' (বা এ) বিভক্তি যুক্ত থাকায় এটি চতুর্থী বিভক্তি হিসেবে গণ্য হয়।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।