<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সুরবালা</strong>।</p>
<p>খুব সহজেই মনে রাখার উপায় হলো, শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিখ্যাত উপন্যাস ও গল্পগুলোতে সাবিত্রী ('অভেভাগীনার স্বর্গ' বা 'চরিত্রহীন'), গফুর ('মহেশ') এবং ষোড়শী ('ষোড়শী' নাটক) চরিত্রগুলো সরাসরি পাওয়া যায়। কিন্তু সুরবালা শরৎসাহিত্যের কোনো পরিচিত চরিত্র নয়। তাই এটিই সঠিক উত্তর।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বাগযন্ত্রের সাহায্যে</strong>। কারণ মানুষ মনের ভাব প্রকাশের জন্য মুখগহ্বরে থাকা বিভিন্ন অঙ্গ যেমন—জিহ্বা, তালু, দাঁত, নাক, ফুসফুস ইত্যাদির সম্মিলিত ব্যবহার করে যে ধ্বনি তৈরি করে, তাকেই মূলত বাগযন্ত্র বলে। মানুষের ভাষা মূলত এই বাগযন্ত্রের নিখুঁত ও সার্থক ব্যবহারের মাধ্যমেই সৃষ্টি হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>আদর্শ চলিত ভাষা</strong>।</p>
<p>সহজ কথায়, সমাজের শিক্ষিত ও শিষ্টজনের মুখে ব্যবহৃত এবং সর্বজনগ্রাহ্য মার্জিত রূপটিই হলো চলিত ভাষা, যা লেখার ও বলার ক্ষেত্রে আদর্শ হিসেবে গৃহিত হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নিষ্ক্রিয় দর্শক</strong>।</p>
<p>‘সাক্ষী গোপাল’ একটি খুব পরিচিত বাংলা বাগধারা। কোনো ঘটনার সময় উপস্থিত থেকে বা সাক্ষী হয়েও যারা কোনো ধরনের ভূমিকা রাখে না বা সম্পূর্ণ নীরব দর্শকের মতো দাঁড়িয়ে থাকে, তাদের বোঝাতেই এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়। সহজ কথায়, কোনো বিষয়ে কথা না বলে শুধু নীরব ভূমিকা পালন করাকেই <strong>নিষ্ক্রিয় দর্শক</strong> বলা হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>একগুঁয়ে</strong>।</p>
<p>‘নেই আঁকড়া’ একটি অতি পরিচিত বাংলা বাগধারা, যার সাধারণ অর্থ হলো যে ব্যক্তি সহজে নিজের জেদ বা মত বদলাতে চায় না। অর্থাৎ, যার মধ্যে চরম একগুঁয়েমি বা জেদি ভাব রয়েছে, তাকেই বোঝাতে এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কমা</strong>। কারণ, বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী ঠিকানা লেখার সময় বাড়ি বা রাস্তার নম্বরের পরে বিরতি বোঝাতে কমা (<strong>,</strong>) চিহ্ন ব্যবহার করা হয়। যেমন: বাড়ি নং ১২, রোড নং ৫।</p>
৪২৩৭
কমা অপেক্ষা বেশি বিরতির প্রয়োজন হলে, কোন যতিচিহ্নটি বসবে?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সেমিকোলন</strong>। বাংলা বাক্যে কমার চেয়ে একটু বেশি সময় বা বিরতির প্রয়োজন হলে সেমিকোলন (;) ব্যবহার করা হয়। এটি দুটি স্বাধীন কিন্তু ভাবগতভাবে সম্পর্কিত ক্লোজ বা অংশকে একসাথে যুক্ত করতে দারুণভাবে সাহায্য করে।</p>
৪২৩৮
Man gets as much as he wants-এর সঠিক বাংলা অনুবাদ কোনটি?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মানুষ যত পায়, তত চায়।</strong></p>
<p>ইংরেজি প্রবাদ বা বাক্যটির আক্ষরিক অর্থ হলো মানুষ যা পায়, তার চাওয়ার শেষ থাকে না বা সে যত পেতে থাকে, তার লোভ বা চাহিদা তত বাড়তে থাকে। আমাদের পরিচিত প্রবচনের সাথে মিল রেখে এই ভাবার্থটি সবচেয়ে সুন্দর ও স্বাভাবিকভাবে প্রকাশ করে <strong>মানুষ যত পায়, তত চায়।</strong></p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option C: সে অনেক কথা</strong>।</p>
<p>ইংরেজি প্রবাদ বা প্রচলিত বাক্য 'It is a long story'-এর ভাবানুবাদ হিসেবে বাংলায় সবচেয়ে স্বাভাবিক এবং মানানসই অভিব্যক্তি হলো <strong>"সে অনেক কথা"</strong>। আক্ষরিক অনুবাদ না করে প্রেক্ষাপট অনুযায়ী এর সুন্দর বাংলা রূপ এটিই।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ভুবন</strong>। বানানের নিয়ম অনুযায়ী 'ভুবন' শব্দটিতে 'ভ'-এ হ্রস্ব উ-কার (ু) এবং 'ন'-এর আগে 'ব'-এ হ্রস্ব উ-কার (ু) ব্যবহৃত হয়। এটি একটি বহুল ব্যবহৃত তৎসম শব্দ, যেখানে দীর্ঘ উ-কার বা মূর্ধন্য 'ণ' ব্যবহার করা ভুল। তাই শুদ্ধ বানানটি হলো <strong>ভুবন</strong>।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কুলটা</strong>। কারণ এটি একটি নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির উদাহরণ, যা সাধারণ কোনো ব্যাকরণের নিয়ম মেনে চলে না।</p>
<ul>
<li>বাকى শব্দগুলো যেমন— পাবক ($পৌ + অক$), শাবক ($শূ + অবক$) এবং গায়ক ($গৈ + অক$)—এগুলো নির্দিষ্ট ব্যাকরণিক সূত্র বা নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে।</li>
<li>পক্ষান্তরে, <strong>কুলটা</strong> শব্দটি কোনো নিয়ম না মেনে সরাসরি সাধিত হয়েছে ($কুল + অতা = কুলটা$), তাই এটি নিপাতনে সিদ্ধ।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: রাজ্ + নী</strong>।</p>
<p>ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, সংস্কৃতে 'রাজन्' শব্দের সঙ্গে 'নী' যুক্ত হয়ে 'রাজ্ঞী' গঠিত হয়। সন্ধির নিয়মে এখানে 'ন্' বা জ ফলা জনিত পরিবর্তনে সঠিক রূপটি দাঁড়ায় <strong>রাজ্ + নী</strong>।</p>
৪২৪৩
‘আমি কি ডরাই সখী ভিখারি রাঘবে?’ ‘রাঘবে’ কোন কারকে কোন বিভক্তি?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অপাদানে ৭মী</strong>।</p>
<p>এর কারণ খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>বাক্যটিতে ভয় পাওয়ার কথা বলা হয়েছে।</li>
<li>যাকে দেখে বা যার থেকে সাধারণ অর্থে ভয় সৃষ্টি হয়, তাকেই ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী <strong>অপাদান কারক</strong> বলা হয়।</li>
<li>'রাঘবে' শব্দটিতে 'এ' বিভক্তি যুক্ত আছে, যা সপ্তম বা ৭মী বিভক্তির রূপ।</li>
<li>তাই এটি হলো অপাদানে ৭মী বিভক্তি।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: উপপদ তৎপুরুষ</strong>।</p>
<p>খুব সহজ একটা ট্রিক দিয়ে বিষয়টি মনে রাখতে পারো:</p>
<ul>
<li>বাক্যের ভেতরে কৃদন্ত পদের (যে পদের শেষে প্রত্যয়যুক্ত থাকে) সাথে যদি তার আগের পদের সমাস হয়, তবে চোখ বন্ধ করে তাকে <strong>উপপদ তৎপুরুষ</strong> সমাস দাগিয়ে দেবে।</li>
<li>যেমন: পঙ্কে জন্ম যার = পঙ্কজ। এখানে 'পঙ্ক' হলো উপপদ এবং 'জ' হলো কৃদন্ত পদ।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নিপাতনে সিদ্ধ বহুব্রীহি</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজ! কিছু সমাস আছে যা কোনো সাধারণ নিয়মের তোয়াক্কা করে না বা ব্যাকরণের নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে গঠিত হয় না। এগুলোকে বলা হয় নিপাতনে সিদ্ধ সমাস। 'অন্তরীপ' শব্দটি ঠিক এভাবেই কোনো নিয়ম না মেনে গঠিত হয়েছে, তাই এটি নিপাতনে সিদ্ধ বহুব্রীহি সমাসের অন্তর্ভুক্ত। পরীক্ষার হলে এমন ব্যতিক্রমী শব্দগুলো একটু চোখে রাখলেই সহজে উত্তর করা সম্ভব!</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।