<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>নূরজাহান</strong>। এটি দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের লেখা একটি বিখ্যাত ঐতিহাসিক নাটক।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>বাংলা সাহিত্যে ঐতিহাসিক নাটকের কথা উঠলেই দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের নাম সবার আগে আসে।</li>
<li>তার লেখা <strong>নূরজাহান</strong> নাটকটি মুঘল সম্রাট জাহাঙ্গীরের জীবনের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে রচিত।</li>
<li>ঐতিহাসিক ঘটনার ওপর ভিত্তি করে তৈরি বলে এটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ঐতিহাসিক নাটক হিসেবে স্বীকৃত।</li>
</ul>
৪১৯০
"সব ঝিনুকে মুক্তা মিলে না" বাক্যে “ঝিনুকে" কোন কারকে কোন বিভক্তি?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অপাদানে ৭মী</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায়:</p>
<ul>
<li><strong>কারক চেনার উপায়:</strong> যখন কোনো কিছু থেকে বিচ্যুত, গৃহীত, জাত, বা উৎপন্ন হওয়া বোঝায়, তখন সেটি <strong>অপাদান কারক</strong> হয়। এখানে ঝিনুক থেকে মুক্তা পাওয়ার কথা বলা হয়েছে, তাই এটি অপাদান।</li>
<li><strong>বিভক্তি চেনার উপায়:</strong> শব্দের শেষে 'এ' বিভক্তি যুক্ত থাকলে সাধারণত সেটি <strong>৭মী বিভক্তি</strong> হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ঝিনুক থেকে মুক্তা উৎপন্ন হয় বা পাওয়া যায় বলে এটি অপাদান এবং 'ঝিনুক + এ' যুক্ত হওয়ায় এটি ৭মী বিভক্তি। তাই সঠিক উত্তর অপাদানে ৭মী।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অধিকরণ কারক</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় যদি আমরা কারকের মূল সূত্রটি খেয়াল করি।</p>
<ul>
<li>যখন কোনো বিশেষ ক্রিয়া বা ভাবের মাধ্যমে অন্য একটি ক্রিয়া সম্পন্ন হয়, তখন তাকে <strong>ভাবাধিকরণ</strong> বলা হয়।</li>
<li>ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, কোনো ক্রিয়া সম্পাদনের 'আধার' বা 'বিষয়' বোঝালে সেখানে অধিকরণ কারক হয়।</li>
<li>এখানে 'কান্নায়' শব্দটি শোক কমার একটি মাধ্যম বা ক্ষেত্র হিসেবে কাজ করছে, যা মূলত ক্রিয়া সম্পাদনের একটি ভাব প্রকাশ করছে। তাই এটি অধিকরণ কারকের অন্তর্ভুক্ত।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>শওকত ওসমান</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। শওকত ওসমানের সাহিত্যকর্মের মধ্যে <strong>'ক্রীতদাসের হাসি'</strong> একটি কালজয়ী উপন্যাস। এটি মূলত একটি ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে লেখা উপন্যাস, যেখানে আব্বাসীয় খলিফা হারুন-অর-রশীদের শাসনকাল এবং তৎকালীন সমাজের চিত্র ফুটে উঠেছে।</p>
<ul>
<li>উপন্যাসটির মূল বিষয়বস্তু হলো খলিফার ক্ষমতার দাপট এবং একজন সাধারণ ক্রীতদাসের জীবনের টানাপোড়েন।</li>
<li>পরীক্ষার জন্য এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ, তাই লেখকের নাম মনে রাখতে এই ছোট তথ্যটি মাথায় রাখলেই চলবে।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালজয়ী উপন্যাস 'পথের পাঁচালী'-র পরবর্তী অংশ বা সিক্যুয়েল হলো <strong>'অপরাজিত'</strong>। অপু ও দুর্গার শৈশব থেকে শুরু করে অপুর জীবনের পরিণত হওয়ার গল্প নিয়েই এই উপন্যাসটি রচিত। তাই যখনই 'অপরাজিত'-এর কথা আসবে, চোখ বন্ধ করে বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম মনে রাখবেন!</p>
<p>জসীমউদ্দীনের বিখ্যাত "কবর" কবিতায় মোট <strong>১১৮টি</strong> পংক্তি রয়েছে। কবিতাটি বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত করুণ ও হৃদয়স্পর্শী সৃষ্টি, যেখানে একজন বৃদ্ধ দাদু তার পরিবারের সদস্যদের কবরের পাশে দাঁড়িয়ে নিজের জীবনের শেষ পরিণতির কথা বর্ণনা করেছেন।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য:</p>
<ul>
<li>কবিতাটির মোট পংক্তি সংখ্যা: <strong>১১৮</strong>।</li>
<li>এটি জসীমউদ্দীনের প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'রাখালী'-র অন্তর্ভুক্ত একটি অবিস্মরণীয় কবিতা।</li>
</ul>
<p>পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য এই সংখ্যাটি মনে রাখা খুব জরুরি, কারণ এটি প্রায়ই বিভিন্ন ভর্তি পরীক্ষা ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এসে থাকে।</p>
<p>জসীমউদ্দীনের শ্রেষ্ঠ কাহিনী কাব্য হলো <strong>নকশী কাঁথার মাঠ</strong>। এটি বাংলা সাহিত্যের একটি কালজয়ী সৃষ্টি, যা বিশ্বসাহিত্যের দরবারেও বিশেষ মর্যাদা পেয়েছে।</p>
<p>কেন এটি শ্রেষ্ঠ, তার সহজ কিছু কারণ নিচে দেওয়া হলো:</p>
<ul>
<li><strong>গ্রামীণ জীবনচিত্র:</strong> এই কাব্যে গ্রামবাংলার সহজ-সরল মানুষের প্রেম, বিরহ এবং জীবনসংগ্রাম অত্যন্ত নিপুণভাবে ফুটে উঠেছে।</li>
<li><strong>আবেগ ও মমতা:</strong> রূপাই ও সাজুর অমর প্রেমের করুণ কাহিনী পাঠককে গভীরভাবে স্পর্শ করে।</li>
<li><strong>অনুবাদ ও পরিচিতি:</strong> এই কাব্যটি ইংরেজিসহ বিভিন্ন ভাষায় অনূদিত হয়েছে, যা একে বিশ্বজুড়ে পরিচিতি দিয়েছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের কাব্যপ্রতিভার সবচেয়ে উজ্জ্বল ও সার্থক প্রকাশ ঘটেছে এই <strong>নকশী কাঁথার মাঠ</strong> কাব্যগ্রন্থটিতেই।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মধুমাখা</strong>। এটি একটি তৎপুরুষ সমাসবদ্ধ শব্দ, কারণ এর ব্যাসবাক্য করলে দাঁড়ায় <strong>মধু দিয়ে মাখা</strong>।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার কৌশল:</p>
<ul>
<li>তৎপুরুষ সমাসে সাধারণত পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পায় এবং পরপদের অর্থের প্রাধান্য থাকে।</li>
<li>এখানে 'মধু' পদের সাথে 'দিয়ে' (তৃতীয়া বিভক্তি) যুক্ত আছে, যা সমাস করার সময় লোপ পেয়েছে।</li>
<li>যেহেতু এখানে বিভক্তি চিহ্ন লোপ পেয়ে নতুন শব্দ তৈরি হয়েছে, তাই এটি অনায়াসেই তৎপুরুষ সমাসের অন্তর্ভুক্ত।</li>
</ul>
<p><strong>কাকনিদ্রা</strong> শব্দটির সঠিক অর্থ হলো <strong>অগভীর সতর্ক নিদ্রা</strong>।</p>
<p>বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>কাক যখন ঘুমায়, তখন সে খুব হালকাভাবে ঘুমায়।</li>
<li>সামান্য শব্দ বা নড়াচড়া হলেই সে সাথে সাথে জেগে ওঠে।</li>
<li>তাই যে ঘুমের মধ্যে মানুষ খুব সহজেই জেগে উঠতে পারে বা যার ঘুম খুব পাতলা, তাকেই মূলত 'কাকনিদ্রা' বলা হয়।</li>
</ul>
<p>অর্থাৎ, গভীর ঘুমের ঠিক উল্টো অবস্থাই হলো এই সতর্ক নিদ্রা।</p>
৪১৯৯
বাগধারা যুগলদের মধ্যে কোন জোড়া সর্বাধিক সমার্থক বাচক?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বকধার্মিক</strong> এবং <strong>বিড়াল তপস্বী</strong>। এই দুটি বাগধারাই মূলত 'ভণ্ড সাধু' বা 'কপট ব্যক্তি' বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার কৌশল:</p>
<ul>
<li><strong>বকধার্মিক:</strong> বক যেমন ধ্যানের ভান করে মাছ শিকারের অপেক্ষায় থাকে, তেমনি বাইরে ধার্মিক সেজে ভেতরে খারাপ উদ্দেশ্য পোষণ করা।</li>
<li><strong>বিড়াল তপস্বী:</strong> বিড়াল যেমন তপস্বীর মতো শান্ত হয়ে বসে থেকে সুযোগ বুঝে শিকার ধরে, ঠিক একইভাবে যারা লোক দেখানো সাধুতা দেখায় তাদেরই বিড়াল তপস্বী বলা হয়।</li>
</ul>
<p>যেহেতু দুটির অর্থই 'ভণ্ডামি' বা 'কপটতা' প্রকাশ করে, তাই এই জোড়াটিই সবচেয়ে বেশি সমার্থক।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>একই দলের লোক</strong>। বাগধারাটি মনে রাখা খুবই সহজ, কারণ এর পেছনে একটি মজার যুক্তি আছে:</p>
<ul>
<li>'ঝাঁক' মানে হলো দল বা গোষ্ঠী।</li>
<li>'কই' মাছ সাধারণত দলবদ্ধভাবে চলাফেরা করতে পছন্দ করে।</li>
<li>তাই যখন অনেকগুলো মানুষ বা বস্তু একই মতাদর্শের বা একই দলের হয়, তখন তাদের বোঝাতে আমরা এই বাগধারাটি ব্যবহার করি।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যারা একই ঝুড়ির বা একই দলের মানুষ, তাদেরই বলা হয় <strong>ঝাঁকের কই</strong>।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।