<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>হাইফেন</strong>। সমাসবদ্ধ বা সমস্ত পদগুলোর মধ্যকার সম্পর্ক স্পষ্ট করতে কিংবা সেগুলোকে ভেঙে আলাদা করে দেখানোর জন্য হাইফেন (<strong>-</strong>) চিহ্ন ব্যবহার করা হয়; যেমন— মাতা-পিতা, ভাই-বোন।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>দুঃ + যোগ</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজ! এটি বিসর্গ সন্ধির একটি নিয়ম। বিসর্গ সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, বিসর্গের (`ঃ`) পরে যদি ক, খ, প বা ফ থাকে, তবে বিসর্গটি সাধারণত দন্ত্য স (`স`) বা মূর্ধন্য স (`ষ`) এ রূপান্তরিত হয়। কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে বিসর্গ অপরিবর্তিত থাকে বা র (`র`) এ পরিণত হয়। এখানে 'দুঃ' এর সাথে 'যোগ' যুক্ত হয়ে বিসর্গটি উহ্য বা পরিবর্তিত হয়ে সঠিক শব্দ গঠন করে <strong>‘দুর্যোগ’</strong>।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>করণে ৭মী</strong>।</p>
<ul>
<li>বাক্যটিতে ফুল হলো ঘর ভরার মাধ্যম বা যন্ত্র।</li>
<li>কোনো কিছু দ্বারা বা সাহায্যে কাজ সম্পন্ন বোঝাতে ব্যাকরণে <strong>করণ কারক</strong> হয়।</li>
<li>'ফুল' শব্দের সাথে 'এ' বিভক্তি যুক্ত থাকায় এটি <strong>৭মী বিভক্তি</strong> হয়েছে।</li>
</ul>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়: কী দিয়ে ঘর ভরেছে? উত্তর আসে "ফুল দিয়ে", তাই এটি করণে ৭মী বিভক্তি।</p>
৪৫১৯
‘আমি কি ডরাই সখি ভিখারি রাঘবে’ – এখানে ‘রাঘবে’ কোন কারকে কোন বিভক্তি?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: অপাদানে ৭মী</strong>।</p>
<p>বাক্যটিতে ‘ডরাই’ (ভয় পায়) শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে। ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, ভয় পাওয়া, রক্ষা পাওয়া, উৎপন্ন হওয়া, বিরত থাকা ইত্যাদি বোঝালে <strong>অপাদান কারক</strong> হয়।</p>
<ul>
<li>‘রাঘবে’ শব্দের সাথে ‘এ’ (অথবা ∅) বিভক্তি যুক্ত আছে, যা সপ্তম বা ৭মী বিভক্তির নির্দেশক।</li>
<li>যেহেতু এখানে রাঘব বা রামের ভয়ে ভীত হওয়ার ভাব প্রকাশ পেয়েছে, তাই এটি স্পষ্টতই অপাদান কারকে ৭মী বিভক্তি।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>গ্রামান্তর</strong>। কারণ নিত্য সমাসে অন্য কোনো পদের সাহায্য না নিয়ে কেবল 'অন্য' বা 'অর' শব্দ যোগেই ব্যাসবাক্য গঠন করা হয়।</p>
<p>যেমন— 'অন্য গ্রাম' = <strong>গ্রামান্তর</strong>। এখানে পদের স্বাভাবিক অর্থ বদল না হয়ে নিত্য বা নিয়মিত নিয়মেই সমাসটি গঠিত হয়েছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নিশ্চেষ্ট</strong>।</p>
<p>‘সচেষ্ট’ শব্দটির অর্থ হলো কোনো কাজের জন্য চেষ্টা করছে বা তৎপর রয়েছে এমন। এর ঠিক উল্টো বা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করতে ব্যবহার করা হয় <strong>নিশ্চেষ্ট</strong> শব্দটি, যার অর্থ হলো কোনো রকম চেষ্টা বা উদ্যোগ ছাড়াই চুপচাপ বসে আছে এমন অলস বা নিষ্ক্রিয় অবস্থা।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>$\sqrt{\text{গৈ}} + \text{ণক}$</strong>।</p>
<p>সহজ কথায় সন্ধি বা প্রত্যয় মনে রাখার একটা ছোট কৌশল হলো মূল ধাতু চিনে রাখা:</p>
<ul>
<li>'গায়ক' শব্দটির সন্ধি বা প্রকৃতি প্রত্যয় নির্ণয়ের সময় মূল ধাতু হিসেবে <strong>$\sqrt{\text{গৈ}}$</strong> ব্যবহার করা হয়।</li>
<li>এখানে 'ঐ' কারান্ত ধাতুর সাথে <strong>ণক</strong> প্রত্যয় যুক্ত হয়ে 'গায়ক' শব্দটি গঠিত হয়।</li>
<li>নিয়ম অনুযায়ী <strong>ণক</strong> প্রত্যয় যুক্ত হলে শব্দের আদিস্বর বৃদ্ধি পায়, ফলে 'গৈ' থেকে 'গায়' হয়ে যায় এবং প্রত্যয়ের 'ণ' লুপ্ত হয়ে 'ক' যুক্ত হয়।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: √ মুচ্ + তি</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজ! ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী:</p>
<ul>
<li>'মুক্তি' শব্দটিকে ভাঙলে আমরা পাই প্রকৃতি ও প্রত্যয়।</li>
<li>এখানে ধাতু বা মূল হলো <strong>√ মুচ্</strong> (যার অর্থ মুক্ত করা)।</li>
<li>এর সাথে যুক্ত হয়েছে <strong>তি</strong> প্রত্যয়।</li>
<li>নিয়ম অনুযায়ী, চ-এর সাথে তি যুক্ত হয়ে 'ক্তি' বা 'মুক্তি' রূপ নেয়। তাই সঠিক উত্তরটি বেছে নেওয়া এমন কিছু কঠিন নয়!</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option B: দ্বিগু</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজ! যখন কোনো সমাসে পূর্বপদটি <strong>সংখ্যাবাচক শব্দ</strong> হয় এবং তা দিয়ে কোনো সমাহার বা মিলন বোঝায় এবং সমস্তপদটি বিশেষ্য পদ হিসেবে গণ্য হয়, তখন তাকে দ্বিগু সমাস বলে। যেমন: ত্রিফলার সমাহার = ত্রিসন্ধ্যা বা তিন কালের সমাহার = ত্রিকাল। তাই সংখ্যা দেখলেই দ্বিগু সমাস চিনে নেওয়া যায়!</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>পরকীয়</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজ! 'স্বকীয়' শব্দটির অর্থ হলো নিজ বা নিজস্ব। এর ঠিক উল্টো বা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করতে 'পরকীয়' শব্দটি ব্যবহার করা হয়, যার অর্থ অন্যের বা পর সম্পর্কিত।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নিস্তেজ</strong>।</p>
<p>খুব সহজভাবে বলতে গেলে, 'তেজি' শব্দের অর্থ হলো কর্মচঞ্চল, প্রাণবন্ত বা শক্তিমান। এর ঠিক উল্টো বা বিপরীত অবস্থা বোঝাতে <strong>নিস্তেজ</strong> শব্দটি ব্যবহার করা হয়, যার অর্থ শক্তিহীন বা প্রাণহীন।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অরিন্দম</strong>। খুব সহজে মনে রাখার জন্য মনে রাখবে, 'অরি' শব্দের অর্থ হলো শত্রু এবং 'দমন করে যে' তাকে এক কথায় <strong>অরিন্দম</strong> বলা হয়। এটি বাংলা ব্যাকরণের একটি চমৎকার এককথায় প্রকাশ, যা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।</p>
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।