<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>আরবি</strong>। 'মহকুমা' শব্দটি আরবি ভাষা থেকে আমাদের বাংলা ভাষায় এসেছে। এটি মূলত একটি প্রশাসনিক শব্দ, যা খুব সহজেই মনে রাখতে পারেন কারণ আমাদের দৈনন্দিন প্রশাসনিক বা দাপ্তরিক অনেক শব্দের শেকড় আরবি ভাষার সাথে জড়িত।</p>
৪৫৬২
’পাহাড়ের ঢাল বেয়ে জল নামছে’ – বাক্যে ‘জল’ কোন কারকে কোন বিভক্তি ?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কর্তৃকারকে শূন্য</strong>। খুব সহজ একটা ট্রিক দিয়ে বিষয়টি বুঝে নেওয়া যাক:</p>
<ul>
<li>বাক্যটিতে জল নিজে নিজেই পাহাড়ের ঢাল বেয়ে নিচে নামছে। অর্থাৎ, কাজটা কে করছে? ‘জল’ নিজে করছে।</li>
<li>যিনি বা যা নিজে কাজ সম্পন্ন করেন, তিনিই হলেন কর্তা। তাই ‘জল’ হলো <strong>কর্তৃকারক</strong>।</li>
<li>শব্দটির সাথে বাড়তি কোনো বিভক্তি (যেমন: এ, তে, রে ইত্যাদি) যুক্ত নেই, তাই এটি <strong>শূন্য বিভক্তি</strong>।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সৌর</strong>।</p>
<p>ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সব শব্দ স্বাভাবিক নিয়মে প্রত্যয় দিয়ে গঠিত হয় না। কিছু শব্দ কোনো নিয়ম বা সূত্র না মেনে সরাসরি গঠিত হয়, যেগুলোকে <strong>নিপাতনে সিদ্ধ</strong> শব্দ বলা হয়। যেমন— সূর্য শব্দের সাথে অ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে 'সৌর' শব্দটি গঠিত হয়েছে, যা সাধারণ নিয়মের বাইরে প্রাকৃতিকভাবে সাধিত হয়েছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>রূঢ়ি</strong> শব্দ।</p>
<p>যেসব শব্দ প্রত্যয় বা উপসর্গ যোগে মূল শব্দের অর্থের সরাসরি অনুগামী না হয়ে অন্য কোনো বিশিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে, সেগুলোকে রূঢ়ি শব্দ বলে। যেমন—'হরিণ' শব্দটি প্রকৃতি ও প্রত্যয় যোগে গঠিত হলেও এর সাধারণ অর্থ না বুঝিয়ে নির্দিষ্ট একটি পশুকে বোঝায়। অনুরূপভাবে 'প্রবীণ', 'যৌগিক', 'বাঁশি' ইত্যাদিও রূঢ়ি শব্দের চমৎকার উদাহরণ।</p>
৪৫৬৫
বাংলা বর্ণমালায় পূর্ণমাত্রা, অর্ধমাত্রা ও মাত্রাহীন বর্ণের সংখ্যা যথাক্রমে –
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>৩২, ৮, ১০</strong>। খুব সহজে মনে রাখার জন্য বাংলা বর্ণমালার মাত্রাগুলোর সংখ্যা এভাবে মনে রাখতে পারো:</p>
<ul>
<li>পূর্ণমাত্রা বর্ণ আছে মোট <strong>৩২টি</strong> (স্বরবর্ণ ৬টি ও ব্যঞ্জনবর্ণ ২৬টি)।</li>
<li>অর্ধমাত্রা বর্ণ আছে মোট <strong>৮টি</strong> (স্বরবর্ণ ১টি ও ব্যঞ্জনবর্ণ ৭টি)।</li>
<li>মাত্রাহীন বর্ণ আছে মোট <strong>১০টি</strong> (স্বরবর্ণ ৪টি ও ব্যঞ্জনবর্ণ ৬টি)।</li>
</ul>
<p>যোগ করে দেখো, মোট বর্ণ সংখ্যা: $32 + 8 + 10 = 50$টি। এভাবে ক্রমানুসারে ৩২, ৮ ও ১০ সংখ্যাগুলো মনে রাখলেই উত্তর একদম সহজ হয়ে যাবে!</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>জুতা</strong>।</p>
<p>খুব সহজে মনে রাখার টেকনিক হলো:</p>
<ul>
<li>সাধু ও চলিত রূপের পার্থক্যের ক্ষেত্রে কিছু শব্দের তৎসম রূপ সাধু ভাষায় বেশি ব্যবহার করা হয়।</li>
<li>'জুতা' শব্দটি একটি তৎসম শব্দ, যা সাধু ও চলিত উভয় রীতিকেই সমানভাবে এবং প্রমিত বাংলায় ব্যবহারের উপযোগী।</li>
<li>পক্ষান্তরে 'শুকনো', 'সাথে' এবং 'বুনো' শব্দগুলো তুলনামূলকভাবে কথ্য বা চলিত রূপের দিকে বেশি ঝোঁকে।</li>
</ul>
৪৫৬৭
উদ্ধরণ চিহ্নের পূর্বে (খণ্ড বাক্যের শেষে) বসাতে হবে –
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: কমা</strong>।</p>
<p>বাক্যের ভেতরে উদ্ধরণ বা কোটেশন চিহ্নের ঠিক আগে খণ্ড বাক্যের শেষে বিরতি বোঝাতে <strong>কমা (,)</strong> ব্যবহার করা হয়। বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী উদ্ধৃতি চিহ্নের আগের অংশটিকে আলাদা করতে এই বিরামচিহ্নটি খুবই জরুরি।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মহাজন</strong>। খুব সহজ কথায়, যে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কাওকে টাকা বা ঋণ দেয়, তাকে <strong>মহাজন</strong> বা উত্তমর্ণ বলা হয়। আর এর ঠিক উল্টোটি হলো <strong>খাতক</strong>, যার অর্থ হলো যে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ঋণ বা ধার গ্রহণ করে। তাই শব্দার্থের দিক থেকে খাতক-এর বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে মহাজন ব্যবহৃত হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ধ্বনিমূল</strong>। খুব সহজভাবে মনে রাখার কৌশল হলো, ইংরেজি <strong>'Phoneme'</strong> শব্দটির পরিভাষা হিসেবে বাংলা ব্যাকরণে সরাসরি <strong>'ধ্বনিমূল'</strong> শব্দটি ব্যবহার করা হয়। এটি ভাষার ক্ষুদ্রতম একক, যা অর্থের পরিবর্তন ঘটাতে পারে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>উপমান কর্মধারয়</strong>। কারণ খুব সহজে চেনার একটা দারুণ উপায় আছে—</p>
<ul>
<li>অরুণ মানে হলো লাল এবং রাঙা মানেও লাল। অর্থাৎ এখানে দুটি পদই রঙের কথা বলছে।</li>
<li>উপমান সমাসের ক্ষেত্রে একটি সাধারণ গুণবাচক পদ (যেমন: রাঙা) এবং একটি উপমান বা তুলনার বস্তু (যেমন: অরুণ বা সূর্য) পাশাপাশি বসে তুলনা বোঝায়।</li>
<li>ব্যাসবাক্যটি দাঁড়ায়: অরুণের মতো রাঙা = অরুণরাঙা।</li>
<li>যেহেতু এখানে সূর্যের লাল রঙের সাথে কোনো কিছুর তুলনা করা হয়েছে, তাই এটি নিশ্চিতভাবেই <strong>উপমান কর্মধারয়</strong> সমাস।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>হ + ম</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজ! যুক্তবর্ণগুলো মনে রাখার জন্য একটু খেয়াল করলেই হয়:</p>
<ul>
<li>'হ্ম' যুক্তবর্ণটি ভাঙলে প্রথমে <strong>'হ'</strong> এবং পরে <strong>'ম'</strong> পাওয়া যায় (হ + ম)।</li>
<li>যেমন— ব্রহ্ম, ব্রাহ্মণ ইত্যাদি শব্দে এই যুক্তবর্ণটি ব্যবহৃত হয়।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অপিনিহিতি</strong>।</p>
<p>সহজ কথায়, পরের ই-কার বা উ-কার আগে উচ্চারিত হওয়ার রীত িকেই ব্যাকরণের ভাষায় <strong>অপিনিহিতি</strong> বলা হয়। যেমন: আজি > আইজ। এখানে 'আজি' শব্দের শেষের 'ই' কারটি 'জ' এর আগে চলে এসেছে, যা অপিনিহিতির একটি চমৎকার উদাহরণ।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ভাস্ + বর</strong>।</p>
<p>সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, এটি একটি ব্যঞ্জনসন্ধির উদাহরণ। এখানে পদের শেষে থাকা 'স্' (স-কার) নিয়মানুযায়ী পরিবর্তিত হয়ে বা সন্ধিবদ্ধ হয়ে সঠিক রূপ নেয়। তাই 'ভাস্' এর সাথে 'বর' যুক্ত হয়ে খুব সহজেই তৈরি হয় <strong>ভাস্বর</strong> শব্দটি।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: আমটা খাও</strong>।</p>
<p>কারণ, অনুজ্ঞা বলতে মূলত কোনো কিছু করার আদেশ, নিষেধ, অনুরোধ বা উপদেশ বোঝায়। 'আমটা খাও' বাক্যের মাধ্যমে সরাসরি কাউকে কোনো কাজ সম্পন্ন করার জন্য আদেশ বা নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাই এটি আদেশ অর্থে অনুজ্ঞার একটি স্পষ্ট উদাহরণ।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>চুরি করা</strong>।</p>
<p>বাংলা ভাষায় কিছু বাগধারা তাদের প্রচলিত আক্ষরিক অর্থের চেয়ে একেবারেই ভিন্ন এবং মজার অর্থ প্রকাশ করে। যেমন—<strong>'চক্ষুদান করা'</strong> বললেই অনেকের মনে হতে পারে চোখ দান করার মতো কোনো ভালো কাজের কথা। কিন্তু মজার ব্যাপার হলো, বাংলা ব্যাকরণে এর আসল অর্থ হলো কোনো কিছু অত্যন্ত সুকৌশলে <strong>চুরি করা</strong>। তাই পরীক্ষার খাতায় এমন চতুর বাগধারাগুলোর ক্ষেত্রে আক্ষরিক অর্থ না ভেবে সরাসরি প্রচলিত বিশেষ অর্থটি মনে রাখতে হবে!</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।