<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>১১টি</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুবই সহজ। ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় পুরো বাংলাদেশকে সামরিক কৌশল ও পরিচালনার সুবিধার্থে মোট ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো দেখুন:</p>
<ul>
<li>পুরো বাংলাদেশকে প্রশাসনিক ও সামরিক সুবিধার্থে <strong>১১টি</strong> সেক্টরে ভাগ করা হয়।</li>
<li>এই সেক্টরগুলোর বাইরেও বিশেষ প্রয়োজনে কিছু সাব-সেক্টর তৈরি করা হয়েছিল।</li>
<li>প্রতিটি সেক্টরের দায়িত্বে ছিলেন একজন সেক্টর কমান্ডার, যারা অত্যন্ত সাহসিকতার সাথে যুদ্ধ পরিচালনা করেছিলেন।</li>
</ul>
৪৮০২
১৭ মার্চ, ২০২৩ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর কততম জন্মবার্ষিকী পালিত হলো?
<p>১৭ মার্চ, ২০২৩ তারিখে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৩তম জন্মবার্ষিকী পালিত হয়েছে। বিষয়টি খুব সহজে মনে রাখার উপায় হলো:</p>
<ul>
<li>বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম সাল হলো ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ।</li>
<li>২০২৩ সাল থেকে তাঁর জন্ম সাল বিয়োগ করলেই আমরা জন্মবার্ষিকী পেয়ে যাই।</li>
<li>হিসাবটি হলো: $2023 - 1920 = 103$</li>
</ul>
<p>অর্থাৎ, ২০২৩ সালে তাঁর জন্মগ্রহণের পর থেকে মোট <strong>১০৩ বছর</strong> পূর্ণ হয়েছে।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>২১ ফেব্রুয়ারি</strong>। এর পেছনের কারণটি খুবই সহজ ও আবেগের:</p>
<ul>
<li>১৯৫২ সালের এই দিনে বাংলার দামাল ছেলেরা নিজেদের মায়ের ভাষার মর্যাদা রক্ষার জন্য রাজপথে বুকের রক্ত ঢেলে দিয়েছিল।</li>
<li>তাদের এই আত্মত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ ইউনেস্কো ১৯৯৯ সালে এই দিনটিকে <strong>আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস</strong> হিসেবে ঘোষণা করে।</li>
<li>সেই থেকে প্রতি বছর সারা বিশ্বে এই দিনটি ভাষার অধিকার ও সম্মানের প্রতীক হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।</li>
</ul>
<p>তাই মনে রাখা খুব সহজ—আমাদের ভাষার লড়াইয়ের দিনটিই এখন পুরো পৃথিবীর কাছে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>২০১৩ সালে</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ বাংলাদেশে কর ব্যবস্থাকে ডিজিটাল করার লক্ষ্যে এনবিআর (NBR) এই আধুনিক পদ্ধতিটি প্রথম চালু করেছিল ২০১৩ সালের জুলাই মাসে।</p>
<ul>
<li>ট্যাক্স আইডেন্টিফিকেশন নম্বর বা <strong>TIN</strong>-কে অনলাইনভিত্তিক করার জন্য এই উদ্যোগ নেওয়া হয়।</li>
<li>এর ফলে করদাতারা ঘরে বসেই খুব সহজে তাদের কর সংক্রান্ত তথ্য আপডেট এবং রিটার্ন জমার কাজ করতে পারছেন।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, কর ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও গতি আনতে <strong>২০১৩</strong> সাল থেকেই বাংলাদেশে <strong>e-TIN</strong> সেবাটি আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে।</p>
<p>আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ১৯৯৯ সালটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>ইউনেস্কো (UNESCO) ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর অনুষ্ঠিত তাদের ৩০তম সাধারণ অধিবেশনে ২১শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।</li>
<li>পরবর্তীতে ২০০০ সাল থেকে সারা বিশ্বে এই দিনটি আনুষ্ঠানিকভাবে পালন করা শুরু হয়।</li>
</ul>
<p>তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>১৯৯৯</strong>। এই সালটি মনে রাখলে আপনি সহজেই বুঝতে পারবেন যে, স্বীকৃতির ঠিক পরের বছর থেকেই বিশ্বব্যাপী এই দিবসটি পালনের যাত্রা শুরু হয়েছিল।</p>
৪৮০৬
বাংলাদেশের সংবিধানে প্রথম সংশোধনী আনয়ন করা হয় কোন সালে?
<p>বাংলাদেশের সংবিধানে প্রথম সংশোধনী আনা হয়েছিল <strong>১৯৭৩</strong> সালে। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।</li>
<li>এর ঠিক পরের বছরই অর্থাৎ <strong>১৯৭৩</strong> সালে যুদ্ধাপরাধী ও মানবতাবিরোধী অপরাধীদের বিচারের আইনি ভিত্তি তৈরির জন্য প্রথম সংশোধনীটি পাস করা হয়।</li>
<li>এই সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানের ৪৭ নম্বর অনুচ্ছেদে একটি নতুন ধারা যুক্ত করা হয়েছিল।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, সংবিধান তৈরির ঠিক এক বছর পরেই অর্থাৎ <strong>১৯৭৩</strong> সালেই প্রথম সংশোধনীটি আনা হয়।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ</strong>। এই ঘটনাটি বাংলাদেশের ইতিহাসের এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও মর্মান্তিক অধ্যায়।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো দেখুন:</p>
<ul>
<li><strong>অপারেশন সার্চলাইট</strong> ছিল পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর পরিকল্পিত একটি গণহত্যা অভিযান।</li>
<li>এটি শুরু হয়েছিল ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ দিবাগত রাতে, যা মূলত ঢাকা শহরকে কেন্দ্র করে পরিচালিত হয়েছিল।</li>
<li>এই অভিযানের মূল উদ্দেশ্য ছিল বাঙালি জাতীয়তাবাদী আন্দোলনকে চিরতরে স্তব্ধ করে দেওয়া।</li>
</ul>
<p>তাই ইতিহাসের এই তারিখটি মনে রাখা খুবই জরুরি, কারণ এর মাধ্যমেই আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত পর্যায় শুরু হয়েছিল।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কামরুল হাসান</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার বর্তমান যে মাপ ও নকশা আমরা দেখি, তা মূলত শিল্পী কামরুল হাসানের হাতেই পরিমার্জিত ও চূড়ান্ত রূপ পেয়েছে। ১৯৭২ সালে তিনি পতাকার অনুপাত ও নকশা নির্ধারণ করে দিয়েছিলেন, যা আজও আমাদের জাতীয় পতাকার মানদণ্ড হিসেবে ব্যবহৃত হয়।</p>
<ul>
<li><strong>মূল তথ্য:</strong> বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার বর্তমান নকশাটি শিল্পী কামরুল হাসানের করা।</li>
<li><strong>মনে রাখার কৌশল:</strong> পতাকার নকশা বা শিল্পকর্মের কথা এলে শিল্পী হিসেবে কামরুল হাসানের নামই সবার আগে আসে।</li>
</ul>
<p>মহাস্থানগড় বগুড়া জেলায় অবস্থিত প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধনের রাজধানী। এটি ঐতিহাসিক <strong>করতোয়া</strong> নদীর তীরে গড়ে উঠেছিল। এই নদীটি প্রাচীনকাল থেকেই এই অঞ্চলের সভ্যতা ও বাণিজ্যের প্রধান মাধ্যম হিসেবে পরিচিত ছিল।</p>
<ul>
<li>মহাস্থানগড় হলো বাংলাদেশের প্রাচীনতম প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানগুলোর মধ্যে অন্যতম।</li>
<li>ভৌগোলিক ও ঐতিহাসিক তথ্যানুযায়ী, করতোয়া নদীই এই প্রাচীন নগরীর পাশ দিয়ে প্রবাহিত হতো।</li>
<li>তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>করতোয়া</strong>।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুবই সহজ:</p>
<ul>
<li>আমাদের জাতীয় সঙ্গীত <strong>'আমার সোনার বাংলা'</strong> গানটি ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচনা করেছিলেন।</li>
<li>পরবর্তীতে ১৯৭২ সালে বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী এই গানের প্রথম দশ লাইনকে জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।</li>
</ul>
<p>তাই যখনই জাতীয় সঙ্গীতের রচয়িতার কথা আসবে, চোখ বন্ধ করে <strong>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর</strong>-এর নাম মনে রাখলেই হবে!</p>
<p>বাংলায় ইউরোপীয় বণিকদের মধ্যে সবার আগে এসেছিল <strong>পর্তুগিজরা</strong>। এর পেছনে মূল কারণ হলো সমুদ্রপথের আবিষ্কার এবং বাণিজ্যের প্রসার।</p>
<ul>
<li>১৪৯৮ সালে ভাস্কো দা গামা সমুদ্রপথে ভারতে আসার পথ আবিষ্কার করেন, যা পর্তুগিজদের জন্য বাণিজ্যের নতুন দুয়ার খুলে দেয়।</li>
<li>এরই ধারাবাহিকতায় পর্তুগিজরা বাংলায় তাদের বাণিজ্যিক ঘাঁটি স্থাপন করে, যা ছিল ইউরোপীয়দের মধ্যে প্রথম।</li>
<li>তাদের এই আগমনের ফলে বাংলায় বাণিজ্যের পাশাপাশি পর্তুগিজ সংস্কৃতিরও কিছুটা প্রভাব পড়েছিল।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, পর্তুগিজরাই ছিল প্রথম ইউরোপীয় শক্তি যারা সমুদ্রপথ ব্যবহার করে বাংলায় বাণিজ্যিক আধিপত্য বিস্তারের সূচনা করেছিল।</p>
<p>জাতীয় স্মৃতিসৌধের স্থপতি হলেন <strong>সৈয়দ মঈনুল হোসেন</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ আমাদের জাতীয় ইতিহাসের এই গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাটির নকশা তিনিই করেছিলেন।</p>
<ul>
<li><strong>স্মৃতিসৌধের নকশা:</strong> ১৯৭৮ সালে আয়োজিত প্রতিযোগিতায় সৈয়দ মঈনুল হোসেনের নকশাটিই চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হয়।</li>
<li><strong>স্থাপত্যশৈলী:</strong> স্মৃতিসৌধের সাতটি জোড়া দেয়াল বা ত্রিভুজাকৃতির কাঠামো বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের সাতটি ভিন্ন পর্যায়কে নির্দেশ করে, যা তার অসাধারণ সৃজনশীলতার পরিচয় দেয়।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার জন্য এই নামটির সাথে স্মৃতিসৌধের সম্পর্কটি একদম মুখস্থ করে রাখা বুদ্ধিমানের কাজ!</p>
৪৮১৩
বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগলের চামড়া কী নামে পরিচিত?
<p>বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগলের চামড়া <strong>কুষ্টিয়া গ্রেড</strong> নামে পরিচিত। এর কারণ হলো:</p>
<ul>
<li>বাংলাদেশের কুষ্টিয়া অঞ্চল থেকে উৎপাদিত ছাগলের চামড়া বিশ্বজুড়ে তার উন্নত মান এবং টেক্সচারের জন্য বিশেষভাবে সমাদৃত।</li>
<li>আন্তর্জাতিক বাজারে এই চামড়ার গুণগত মান এতই ভালো যে, একে আলাদাভাবে <strong>কুষ্টিয়া গ্রেড</strong> হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।</li>
<li>বিশ্বের বিভিন্ন নামী ব্র্যান্ড তাদের প্রিমিয়াম লেদার পণ্যের জন্য এই নির্দিষ্ট গ্রেডের চামড়াটিই খুঁজে থাকে।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ইরাক</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>কারবালা শহরটি বর্তমান <strong>ইরাকের</strong> ফোরাত নদীর তীরে অবস্থিত।</li>
<li>ঐতিহাসিকভাবে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থান, যা শিয়া মুসলিমদের কাছে অত্যন্ত পবিত্র।</li>
<li>কারবালার যুদ্ধ এবং ইমাম হোসেন (রা.)-এর স্মৃতি বিজড়িত এই স্থানটি ইরাকের রাজধানী বাগদাদ থেকে প্রায় ১০০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, কারবালা বললেই আমাদের মনে রাখতে হবে এটি <strong>ইরাকের</strong> একটি ঐতিহাসিক শহর।</p>
<p>গানটি নিয়ে কিছু সহজ তথ্য মনে রাখলে বিষয়টি একদম পরিষ্কার হয়ে যাবে:</p>
<ul>
<li>গানটির রচয়িতা হলেন বিখ্যাত সাংবাদিক ও কলামিস্ট <strong>আবদুল গাফফার চৌধুরী</strong>।</li>
<li>১৯৫৪ সালে আলতাফ মাহমুদ এই কালজয়ী গানটিতে সুরারোপ করেন, যা আমাদের ভাষা আন্দোলনের চেতনার প্রতীক হয়ে ওঠে।</li>
<li>মূলত তাঁর সুরেই গানটি আজ সারা বিশ্বে অমর হয়ে আছে।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।