<p>বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের সর্বশেষ এবং অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি হলেন <strong>ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর</strong>। তাকে মধ্যযুগের সমাপ্তি নির্দেশক কবি বলা হয়, কারণ তার রচনার পর থেকেই বাংলা সাহিত্যে আধুনিক যুগের পদধ্বনি শোনা যায়।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>সময়কাল:</strong> ভারতচন্দ্র অষ্টাদশ শতাব্দীর কবি। তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ 'অন্নদামঙ্গল' মধ্যযুগের কাব্যধারার চূড়ান্ত বিকাশ।</li>
<li><strong>বৈশিষ্ট্য:</strong> তার রচনায় মধ্যযুগীয় দেব-দেবীর মাহাত্ম্য প্রচারের পাশাপাশি বাস্তব জীবনের ছোঁয়া ও নাগরিক রুচির পরিচয় পাওয়া যায়, যা মধ্যযুগ থেকে আধুনিক যুগে উত্তরণের একটি বড় ধাপ।</li>
<li><strong>উপাধি:</strong> মহারাজ কৃষ্ণচন্দ্র তাকে <strong>'রায় গুণাকর'</strong> উপাধিতে ভূষিত করেছিলেন, যা তার পাণ্ডিত্য ও কাব্যশৈলীর অনন্যতার প্রমাণ দেয়।</li>
</ul>
<p>তাই সাহিত্যিক বিচারে ভারতচন্দ্র রায় গুণাকরকেই মধ্যযুগের শেষ বড় মাপের কবি হিসেবে গণ্য করা হয়।</p>
<p>বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে <strong>ঈশ্বর চন্দ্র গুপ্তকে</strong> 'যুগ সন্ধিক্ষণের কবি' বলা হয়। এর কারণটা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>বাংলা সাহিত্যে মধ্যযুগ এবং আধুনিক যুগের মধ্যবর্তী সময়ে তিনি সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করেছেন।</li>
<li>তার লেখায় একদিকে যেমন মধ্যযুগীয় কাব্যরীতির প্রভাব ছিল, অন্যদিকে আধুনিক যুগের নতুন চিন্তা ও সমাজ সচেতনতার ছাপও স্পষ্ট ছিল।</li>
<li>এই দুই যুগের বৈশিষ্ট্য তার কবিতায় মিশে গিয়েছিল বলেই তাকে এই বিশেষ অভিধায় ভূষিত করা হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, তিনি ছিলেন পুরনো ধারার শেষ এবং নতুন ধারার প্রথম দিকের একজন গুরুত্বপূর্ণ কবি।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মাইকেল মধুসুদন দত্ত</strong>। বাংলা সাহিত্যে সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতার প্রবর্তক হিসেবে তিনিই সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং প্রভাবশালী নাম।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার সহজ কিছু পয়েন্ট:</p>
<ul>
<li>বাংলা সাহিত্যে সনেটের জনক হিসেবে মাইকেল মধুসুদন দত্তকে গণ্য করা হয়।</li>
<li>তিনি ইতালীয় কবি পেত্রার্কের সনেট রীতি অনুসরণ করে বাংলা ভাষায় সনেট রচনা করেন।</li>
<li>তার বিখ্যাত সনেট সংকলনের নাম <strong>'চতুর্দশপদী কবিতাবলী'</strong>, যা ১৮৬৬ সালে প্রকাশিত হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বাংলা কবিতায় সনেটের গঠনশৈলী এবং এর সার্থক প্রয়োগ প্রথম তিনিই নিয়ে আসেন, তাই তাকেই এই ধারার প্রবর্তক বলা হয়।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>অগ্নি</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ!</p>
<p>বাংলা ব্যাকরণে 'পাবক' শব্দটি আগুনের একটি বিশেষ নাম হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এর পেছনের কারণগুলো নিচে দেওয়া হলো:</p>
<ul>
<li>'পাবক' শব্দের আক্ষরিক অর্থ হলো যা পবিত্র করে বা যা শুদ্ধ করে।</li>
<li>অগ্নি বা আগুন যেকোনো কিছুকে পুড়িয়ে শুদ্ধ করে ফেলে, তাই অগ্নিকে 'পাবক' বলা হয়।</li>
<li>সমার্থক শব্দ মনে রাখার জন্য এই ছোট কৌশলটি মাথায় রাখতে পারেন: আগুন, অনল, দহন এবং পাবক—এগুলো সবই একই অর্থ বহন করে।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় 'পাবক' দেখলেই চোখ বন্ধ করে <strong>অগ্নি</strong> দাগিয়ে দিতে পারেন!</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সত্য</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ 'অলীক' শব্দের অর্থ হলো যা মিথ্যা, অবাস্তব বা কল্পনাপ্রসূত।</p>
<p>সহজ কথায় মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>অলীক</strong> মানে যা বাস্তবে নেই বা ভিত্তিহীন।</li>
<li>এর বিপরীত বা উল্টো অর্থ হলো যা বাস্তবে আছে বা সঠিক, অর্থাৎ <strong>সত্য</strong>।</li>
</ul>
<p>তাই যেকোনো জায়গায় 'অলীক' শব্দটির বিপরীত হিসেবে চোখ বন্ধ করে 'সত্য' বেছে নিতে পারেন!</p>
<p>‘সুলতানার স্বপ্ন’ বা ‘Sultana's Dream’ হলো বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের লেখা একটি কালজয়ী <strong>নারীবাদী সায়েন্স ফিকশন বা বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনি</strong>। সাহিত্যের শ্রেণিবিভাগ অনুযায়ী এটি একটি <strong>উপন্যাস</strong> বা ছোটগল্পের আদলে লেখা রূপকধর্মী আখ্যান।</p>
<ul>
<li>এটি ১৯০৫ সালে প্রকাশিত হয়, যেখানে লেখিকা একটি কাল্পনিক নারীশাসিত দেশ ‘লেডি ল্যান্ড’-এর বর্ণনা দিয়েছেন।</li>
<li>গল্পের মূল উপজীব্য হলো বিজ্ঞান ও যুক্তির মাধ্যমে নারীর ক্ষমতায়ন এবং পুরুষতান্ত্রিক সমাজের কুসংস্কারের সমালোচনা।</li>
<li>সাহিত্যের গঠনশৈলী ও বর্ণনার ধরনে এটি একটি সার্থক উপন্যাস হিসেবেই স্বীকৃত।</li>
</ul>
<p>‘তেপান্তর’ শব্দটি দ্বিগু সমাসের একটি চমৎকার উদাহরণ। খুব সহজে মনে রাখার উপায় হলো:</p>
<ul>
<li><strong>দ্বিগু সমাস</strong> চেনার প্রধান উপায় হলো শব্দের শুরুতে সংখ্যাবাচক শব্দ থাকা।</li>
<li>এখানে ‘তেপান্তর’ শব্দটি ভাঙলে পাওয়া যায় ‘তিন প্রান্তরের সমাহার’।</li>
<li>যেহেতু এখানে ‘তিন’ (সংখ্যা) দিয়ে সমাহার বা সমষ্টি বোঝানো হয়েছে, তাই এটি চোখ বন্ধ করেই <strong>দ্বিগু সমাস</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যখনই কোনো শব্দে সংখ্যার উপস্থিতি থাকে এবং তা কোনো সমাহার বা মিলন বোঝায়, তখনই সেটি দ্বিগু সমাস হিসেবে গণ্য হয়।</p>
৪৭৭৮
‘অন্যদিকে মন নেই যার’ বাক্যটির এককথায় প্রকাশ কোনটি?
<p>‘অন্যদিকে মন নেই যার’—এই ভাবটিকে এককথায় প্রকাশ করলে হয় <strong>অনন্যমনা</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>এখানে <strong>‘অন্য’</strong> মানে হলো অন্য কোনো দিক বা বিষয়।</li>
<li><strong>‘মনা’</strong> শব্দটি এসেছে মন থেকে।</li>
<li>অর্থাৎ, যার মন অন্য কোথাও নেই, কেবল একটি নির্দিষ্ট বিষয়েই নিবিষ্ট, তাকেই আমরা বলি <strong>অনন্যমনা</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যখন কারো মনোযোগ পুরোপুরি একটি বিষয়ের ওপর থাকে এবং অন্য কোনো দিকে তার মন থাকে না, তখন তাকে এক কথায় <strong>অনন্যমনা</strong> বলা হয়।</p>
<p>‘বনস্পতি’ শব্দটির সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো <strong>বনঃ + পতি</strong>। এটি মূলত বিসর্গ সন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম মেনে চলে। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, বিসর্গের পর যদি ‘প’ থাকে, তবে অনেক ক্ষেত্রে বিসর্গটি অপরিবর্তিত থাকে।</li>
<li>এখানে <strong>বনঃ</strong> শব্দের বিসর্গের সাথে <strong>পতি</strong> শব্দের ‘প’ যুক্ত হয়ে কোনো পরিবর্তন ছাড়াই ‘বনস্পতি’ শব্দটি গঠিত হয়েছে।</li>
<li>সহজ কথায়, বিসর্গ সন্ধির এই ব্যতিক্রমী নিয়মটি মনে রাখলেই এমন শব্দগুলো আর ভুল হবে না।</li>
</ul>
<p>‘কর্তব্য’ শব্দের সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় হলো <strong>কৃ + তব্য</strong>। ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী বিষয়টি খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>এখানে <strong>কৃ</strong> হলো ধাতু, যা কোনো কাজ করা বোঝায়।</li>
<li>এর সাথে <strong>তব্য</strong> প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ‘কর্তব্য’ শব্দটি গঠিত হয়েছে।</li>
<li>সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, কৃ ধাতুর সাথে তব্য প্রত্যয় যুক্ত হলে গুণ হয়ে ‘কর্তব্য’ রূপটি তৈরি হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যখনই কোনো কাজের যোগ্য বা উচিত অর্থে শব্দ তৈরি হয়, তখন সেখানে তব্য প্রত্যয় ব্যবহৃত হয়। তাই কৃ ধাতুর সাথে তব্য যোগ করলেই আমরা সঠিক শব্দটি পেয়ে যাই।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>অব্যয়</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>উপসর্গ নিজে কোনো স্বাধীন শব্দ নয়, বরং এগুলো হলো এক ধরণের <strong>অব্যয়সূচক শব্দাংশ</strong>।</li>
<li>এগুলোর নিজস্ব কোনো অর্থ নেই, কিন্তু যখন কোনো শব্দের আগে বসে, তখন নতুন অর্থ তৈরি করে বা অর্থের পরিবর্তন ঘটায়।</li>
<li>ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, যেহেতু উপসর্গগুলো বাক্যে স্বাধীনভাবে ব্যবহৃত হতে পারে না এবং এদের রূপের কোনো পরিবর্তন হয় না, তাই এগুলোকে অব্যয় জাতীয় শব্দাংশ হিসেবে গণ্য করা হয়।</li>
</ul>
৪৭৮২
কমা অপেক্ষা বেশি বিরতির প্রয়োজন হলে কোন বিরাম চিহ্ন বসে?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। বাংলা সাহিত্যের কালজয়ী কথাশিল্পী শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে ১৯৩৬ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তাদের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে সম্মানসূচক <strong>ডিলিট (D.Litt)</strong> ডিগ্রি প্রদান করে।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য এই তথ্যটি মাথায় রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li><strong>সাল:</strong> ১৯৩৬ সাল।</li>
<li><strong>সম্মাননা:</strong> ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক ডিলিট ডিগ্রি।</li>
<li><strong>গুরুত্ব:</strong> এটি ছিল শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সাহিত্যিক জীবনের অন্যতম বড় স্বীকৃতি।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>জাপানি</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুবই সহজ। ‘রিক্সা’ শব্দটি মূলত জাপানি শব্দ ‘রিকিশা’ (Jinrikisha) থেকে এসেছে, যার অর্থ হলো মানুষ দ্বারা চালিত বাহন।</p>
<ul>
<li>জাপানি শব্দ <strong>‘রিকি’</strong> (Jin) মানে মানুষ।</li>
<li><strong>‘শা’</strong> (Sha) মানে গাড়ি বা বাহন।</li>
</ul>
<p>এই দুটি অংশ মিলে তৈরি হয়েছে ‘রিকিশা’, যা বাংলায় কালক্রমে ‘রিক্সা’ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। তাই পরীক্ষার জন্য এটি মনে রাখা খুব সহজ যে, রিক্সা একটি জাপানি শব্দ।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর সাহিত্যিক জীবনের শুরুর দিকে এই ছদ্মনামটি ব্যবহার করতেন। এর পেছনের মজার ইতিহাসটি হলো:</p>
<ul>
<li>১৮৭৭ সালে তিনি যখন মাত্র ১৬ বছর বয়সী কিশোর, তখন তিনি নিজেকে বৈষ্ণব কবি হিসেবে পরিচয় দিতে পছন্দ করতেন।</li>
<li>তিনি ব্রজবুলি ভাষায় কিছু পদ রচনা করেন এবং সেগুলোকে প্রাচীন কোনো কবির লেখা বলে চালিয়ে দেওয়ার জন্য <strong>'ভানুসিংহ'</strong> ছদ্মনামটি বেছে নেন।</li>
<li>পরবর্তীতে এই কবিতাগুলোই <strong>'ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী'</strong> নামে প্রকাশিত হয়।</li>
</ul>
<p>তাই যখনই 'ভানুসিংহ' নামটির কথা আসবে, চোখ বন্ধ করে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে মনে রাখলেই হবে!</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।