<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>তুর্কি</strong>।</p>
<p>বাংলা ভাষায় বহু বিদেশি শব্দ মিশে আছে, যার মধ্যে প্রশাসনিক বা আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত কিছু শব্দ তুর্কি ভাষা থেকে এসেছে। যেমন— দারোগা, তোপ, দারোয়ান, বাবুর্চি, কাঁচি ইত্যাদি। তাই একটু খেয়াল রাখলেই এমন শব্দগুলো সহজেই মনে রাখা সম্ভব!</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>যার স্বামী, পুত্র নেই</strong>।</p>
<p>বাংলা ব্যাকরণ ও শব্দার্থের নিয়ম অনুযায়ী, যে নারীর স্বামী এবং সন্তান বা পুত্র—কোনোটিই নেই, তাকে এককথায় <strong>অবীরা</strong> বলা হয়। এটি মূলত বিশেষ এক ধরনের এককথায় প্রকাশ, যা মুখস্থ রাখার মাধ্যমে খুব সহজেই আয়ত্ত করা যায়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মিথিলা</strong>। বিদ্যাপতি মূলত মৈথিলী ভাষার পদকর্তা ছিলেন এবং তিনি মিথিলার রাজসভার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তার অমর সৃষ্টি পদাবলি তাকে বাংলা ও মৈথিলী সাহিত্যের ইতিহাসে অমর করে রেখেছে। খুব সহজেই মনে রাখার জন্য মাথায় রাখবেন, বিদ্যাপতি ছিলেন মিথিলার রাজকবি এবং মিথিলার রাজা শিবসিংহের পৃষ্ঠপোষকতা তিনি লাভ করেছিলেন।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো: <strong>Option A: শ্রৎ+ √ধা + অ + আ</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজ, একটু ভেঙে দেখলে সহজেই বোঝা যায়:</p>
<ul>
<li>'শ্রদ্ধা' শব্দটি তৈরির মূল কারিগর হলো উপসর্গমূলক অব্যয় <strong>'শ্রৎ'</strong>।</li>
<li>এর সাথে যুক্ত হয় ধারণ করা অর্থে ধারণ ধাতু বা <strong>$\sqrt{\text{ধা}}$</strong>।</li>
<li>সাথে প্রত্যয় হিসেবে যোগ হয় <strong>'অ'</strong> এবং স্ত্রীবাচক অর্থে <strong>'আ'</strong> প্রত্যয়।</li>
<li>সব মিলিয়ে প্রকৃতি ও প্রত্যয় দাঁড়াচ্ছে: <strong>শ্রৎ + $\sqrt{\text{ধা}}$ + অ + আ</strong>।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মহাকাব্য</strong>। কারণ, কবি কায়কোবাদের বিখ্যাত 'মহাশ্মশান' কাব্যগ্রন্থটি পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধের কাহিনীর ওপর ভিত্তি করে রচিত একটি বিশাল আকৃতির এবং মহৎ ভাবের দীর্ঘ কবিতা বা <strong>মহাকাব্য</strong>। এতে ঐতিহাসিক পটভূমির সাথে মহাকাব্যিক নানা বৈশিষ্ট্য ও বীরত্বগাথা সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে।</p>
৪৯২৭
'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থের সংকলিত প্রথম কবিতা কোনটি?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রলয়োল্লাস</strong>।</p>
<p>বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত <strong>'অগ্নিবীণা'</strong> কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত થાય ১৯২২ সালে। এই সংকলনের একদম প্রথম বা সূচনার কবিতাটি হলো 'প্রলয়োল্লাস'। এই কবিতায় মূলত পুরানো জীর্ণ ও অন্যায় সমাজব্যবস্থাকে ভেঙে নতুন এক সুন্দর পৃথিবী গড়ার এক সাহসী ও উদ্যমী আহ্বান জানানো হয়েছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: গোপন তথ্য</strong>।</p>
<p>‘অন্ধিসন্ধি’ একটি পরিচিত বাংলা বাগধারা, যার মাধ্যমে সাধারণত কোনো বিষয়ের ভেতরের খবর বা আদ্যোপান্ত বোঝানো হয়। সহজ কথায়, কোনো ঘটনার বা বিষয়ের গভীর ও না-বলা সব <strong>গোপন তথ্য</strong> বা খুঁটিনাটি জেনেশুনেই বোঝাতে এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ডান</strong>। 'বামেতর' একটি চমৎকার সংস্কৃত শব্দ। সাধারণ নিয়মে 'ইতর' শব্দের অর্থ অন্য বা ভিন্ন বোঝায়। সেই হিসেবে 'বাম' শব্দের সাথে 'ইতর' যুক্ত হয়ে 'বামেতর' শব্দটি গঠিত হয়েছে, যার সহজ অর্থ হলো বাম বা বাঁ দিক বাদে <strong>অন্য দিক</strong>, অর্থাৎ <strong>ডান দিক</strong> বা <strong>ডান</strong>। তাই বিভ্রান্ত না হয়ে মনে রাখবেন, বামেতর মানে বাম নয়, বরং এর উল্টো দিক অর্থাৎ ডান।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>তম</strong>।</p>
<p>খুব সহজে মনে রাখার উপায় হলো:</p>
<ul>
<li>শব্দের বা সংখ্যার পরে বসে নির্দিষ্ট করে বোঝাতে <strong>টা, খানা, খানি, জন,টি</strong> ইত্যাদি নির্দেশক বা পদাশ্রিত নির্দেশক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>পক্ষান্তরে, <strong>তম</strong> হলো একটি প্রত্যয় বা বিভক্তি (যেমন: প্রথম, পঞ্চম), যা নির্দেশক নয়।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ধাতু</strong>। খুব সহজ কথায় বলতে গেলে, কোনো ক্রিয়াপদের মূল অংশ বা যে অংশ থেকে ক্রিয়াপদ গঠিত হয়, তাকেই ব্যাকরণে ধাতু বলা হয়।</p>
<p>যেমন— 'কর' (করা থেকে), 'পড়' (পড়া থেকে), বা 'যা' (যাওয়া থেকে)—এগুলো হলো একেকটি ধাতু। এর সাথে বিভক্তি যুক্ত হয়েই পূর্ণাঙ্গ ক্রিয়াপদ তৈরি হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>খুব অলস</strong>।</p>
<p>'গোঁফ খেজুরে' একটি অত্যন্ত পরিচিত বাংলা বাগধারা। এর শাব্দিক অর্থ কিছুটা হাস্যকর হলেও, এর আসল ভাবার্থ হলো এমন একজন ব্যক্তি যিনি অত্যন্ত অলস, কর্মবিমুখ এবং কোনো কাজ করতেই চান না। তাই অলসতা বোঝাতে এই সুন্দর বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সূর্য</strong>।</p>
<p>খুব সহজেই মনে রাখার জন্য মাথায় রাখতে পারেন, 'সবিতা' হলো সূর্যের একটি অতি পরিচিত ও সুন্দর প্রতিশব্দ। পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে প্রায়ই এই ধরনের সমার্থক শব্দগুলো ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে আসে, তাই মূল শব্দটি দেখেই যেন সরাসরি সূর্যকে চিনে নেওয়া যায়, সেভাবে প্রস্তুতি রাখা সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ!</p>
৪৯৩৫
দুটি শব্দের উচ্চারণ এক বা প্রায় এক কিন্তু অর্থ আলাদা, সেগুলোকে কী বলে?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>শব্দজোড়</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজ! যখন দুটি শব্দের উচ্চারণ প্রায় একই রকম শোনায় কিন্তু তাদের অর্থ সম্পূর্ণ আলাদা হয়, তখন সেগুলোকে জোড়ায় জোড়ায় ব্যবহার করা হয়। একেই ব্যাকরণের ভাষায় <strong>শব্দজোড়</strong> বলা হয়। যেমন— 'অমন' ও 'ওমন' কিংবা কাছাকাছি উচ্চারণযুক্ত এমন অনেক শব্দ রয়েছে যা আমরা কথাবার্তায় ব্যবহার করি।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।