<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>৭</strong>।</p>
<p>বাংলা ভাষায় মোট মৌলিক স্বরধ্বনি হলো ৭টি। এগুলো হলো: অ, আ, ই, উ, এ, ও এবং অ্যা (æ)। কোনো অতিরিক্ত সাহায্য ছাড়া একা একা উচ্চারিত হতে পারে বলেই এদের মৌলিক স্বরধ্বনি বলা হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>গরুরগাড়ি</strong>। কারণ, যে তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পায় না, তাকে অলুক তৎপুরুষ সমাস বলে।</p>
<p>সহজ কথায় মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>'গরুরগাড়ি' কথাটির ব্যাসবাক্য হলো <strong>গরুর গাড়ি</strong>।</li>
<li>এখানে পূর্বপদ 'গরুর'-এর সাথে থাকা ষষ্টি বিভক্তির 'র' বিভক্তিটি সমাসবদ্ধ হওয়ার পরেও অপরিবর্তিত রয়েছে, অর্থাৎ লোপ পায়নি।</li>
<li>যেহেতু বিভক্তিটি ঠিক তেমনই থেকে গেছে, তাই এটি খুব সহজেই অলুক তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ হিসেবে গণ্য হয়।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>তৎসম</strong>।</p>
<p>খুব সহজেই চেনার উপায় হলো— 'গণপ্রজাতন্ত্রী' শব্দটি সংস্কৃত ভাষা থেকে কোনো পরিবর্তন ছাড়াই সরাসরি বাংলা ভাষায় এসেছে। আর যে শব্দগুলো সংস্কৃত থেকে হুবহু অপরাজিত বা অপরিবর্তিত অবস্থায় বাংলায় ব্যবহৃত হয়, সেগুলোকে তৎসম শব্দ বলে। 'গণ' এবং 'প্রজাতন্ত্র'—দুটি অংশই সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম মেনে তৈরি খাঁটি সংস্কৃত শব্দ।</p>
৪৯৩৯
জিভের উচ্চতা অনুযায়ী নিম্ন-মধ্য স্বরধ্বনি কোনগুলো?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অ্যা, অ</strong>।</p>
<p>খুব সহজে মনে রাখার টেকনিক হলো, বাংলা স্বরধ্বনিতে জিব যখন মুখবিবরের মাঝামাঝি অবস্থানে থাকে এবং চোয়াল সামান্য ফাঁক হয়, তখন সেগুলোকে <strong>নিম্ন-মধ্য স্বরধ্বনি</strong> বলা হয়। এই তালিকার অন্তর্ভুক্ত দুটি প্রধান ধ্বনি হলো <strong>অ্যা</strong> এবং <strong>অ</strong>।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>জুগমো</strong>। যুক্তবর্ণের উচ্চারণ সহজ করতে আমাদের কিছু নিয়ম মানতে হয়।</p>
<ul>
<li>'যুগ্ম' শব্দটিতে 'গ' এবং 'ম' যুক্ত হয়ে আছে ($ग्म$)।</li>
<li>বাংলা উচ্চারণ নিয়মানুযায়ী, যুক্তবর্ণের মাঝে 'ম-ফলা' বা 'ম' থাকলে শেষের বর্ণটির উচ্চারণ একটু জোরালো ও নাসিক্য বা দ্বিউষ্ঠ্য (ওঠের সাহায্যে) হয়।</li>
<li>তাই 'গ্ম' এর উচ্চারণ অনেকটা 'গ-মো' এর মতো শোনা যায়, যে কারণে 'যুগ্ম'-এর সঠিক উচ্চারণ <strong>জুগমো</strong> হবে।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: উত্তম</strong>।</p>
<p>শব্দ বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, উৎ + তম মিলে গঠিত হয়েছে 'উত্তম'। এখানে মূল শব্দের সাথে 'তম' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন এই শব্দ গঠন করেছে। তাই এটি প্রত্যয় সাধিত শব্দ।</p>
৪৯৪২
পরপদে বিশেষণ থাকে এবং পরপদের অর্থ প্রাধান্য পায় কোন সমাসে?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: উপমান কর্মধারয়</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজে এভাবে মনে রাখতে পারো:</p>
<ul>
<li><strong>উপমান</strong> সমাসে উপমেয় (যা তুলনা করা হয়) এবং উপমানের (যার সাথে তুলনা করা হয়) সাধারণ ধর্ম বা বৈশিষ্ট্য বোঝাতে পরপদে বিশেষণ পদ থাকে।</li>
<li>এই সমাসে ব্যাসবাক্যের মাঝখানে 'যায়' বা তুলনাবাচক শব্দ থাকে এবং অর্থের বিচারে পরপদের বা বিশেষণের অর্থই প্রধানভাবে প্রকাশিত হয়।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নিজেরা-নিজেরা</strong>।</p>
<p>খুব সহজ কথায়, যে সর্বনাম পদ দিয়ে কোনো কাজের পারস্পরিক আদান-প্রদান বা নিজেদের মধ্যে বোঝাপড়া বোঝায়, তাকে পারস্পরিক সর্বনাম বলে। যেমন—নিজেরা-নিজেরা, आपस-आपर, একে-অন্যকে ইত্যাদি। তাই এখানে 'নিজেরা-নিজেরা' শব্দটি পারস্পরিক সর্বনামের সঠিক উদাহরণ।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>তারকাবলি</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজ! বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, 'তারকা' শব্দের সাথে বহুবচন বোঝাতে 'वली' (বলি) যুক্ত হয় না, কারণ 'তারকা' হলো একটি অপরিবর্তনীয় বা বিশেষ শব্দ যার বহুবচন হিসেবে 'তারকারাজি' বা 'তারাকুঞ্জ' বেশি মানানসই। পক্ষান্তরে, 'কুসুমনিচয়', 'কুসুমদাম' এবং 'পুষ্পদাম' শব্দগুলোতে বহুবচনের সঠিক ও সুন্দর প্রয়োগ ঘটেছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সবুজপত্র</strong>। কারণ বাংলা সাহিত্যে চলতি গদ্যরীতির প্রবর্তন ও এর সার্থক প্রয়োগ ঘটেছিল ১৯১৪ সালে প্রকাশিত এই পত্রিকার হাত ধরেই। প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদনায় প্রকাশিত <strong>সবুজপত্র</strong> পত্রিকা বাংলা লেখার ভাষাকে সাধু রীতির কৃত্রিমতা থেকে মুক্ত করে মুখের ভাষার কাছাকাছি নিয়ে আসে, যা পরবর্তীতে বাংলা গদ্যে এক যুগান্তকারী পরিবর্তন আনে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রমথ চৌধুরী</strong>। বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির প্রবর্তক হিসেবে তাকেই সবচেয়ে বড় অবদানকারী মনে করা হয়।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার দারুণ একটা কৌশল বা শর্টকাট হলো:</p>
<ul>
<li>প্রমথ চৌধুরী ১৯১৪ সালে প্রকাশিত <strong>'সবুজপত্র'</strong> পত্রিকার মাধ্যমে বাংলা লেখ্যরীতিতে চলিত রূপের জোরালো আন্দোলন গড়ে তোলেন এবং একে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেন।</li>
<li>তার ছদ্মনাম ছিল <strong>'বীরবল'</strong>।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার হলে এই প্রশ্ন আসলে চোখ বন্ধ করে <strong>প্রমথ চৌধুরী</strong> দাগিয়ে দেওয়া যায়!</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নির্মলেন্দু গুণ</strong>। এটি খুব জনপ্রিয় একটি প্রশ্ন, যা প্রায়ই বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। একটু কৌশল মনে রাখলেই এটা আর ভুল হবে না—প্রখ্যাত কবি নির্মলেন্দু গুণের অত্যন্ত পরিচিত ও প্রশংসিত একটি সাহিত্যকর্ম হলো এই <strong>'চাষাভুষার কাব্য'</strong>।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>স্বরবৃত্ত</strong>। কারণ ছড়া মূলত মৌখিক সাহিত্য থেকে এসেছে এবং এর সুর ও লয় অত্যন্ত দ্রুত গতির হয়।</p>
<ul>
<li>স্বরবৃত্ত ছন্দের মূল বৈশিষ্ট্য হলো এর ধ্বনিপ্রধান ও ঝিলিক তোলা গতি।</li>
<li>ছোটবেলায় আমরা যেসব ছড়া বা ঘুমপাড়ানি গান শুনি (যেমন— 'আয় ছেলেরা আয় মেয়েরা ফুল তুলতে যাই'), সেগুলোর প্রতি চরণে ধ্বনির স্বাভাবিক ও দ্রুত উত্থান-পতন থাকে, যা স্বরবৃত্ত ছন্দের নিখুঁত রূপ।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত</strong>। কারণ বাংলা কবিতায় শব্দ ও ছন্দের অসাধারণ খেলা এবং নান্দনিক প্রয়োগের জন্য তাঁকে বাংলা সাহিত্যর <strong>'ছন্দের জাদুকর'</strong> উপাধিতে ভূষিত করা হয়। তাঁর ছড়ার সাবলীলতা ও শব্দের জাদুকরী ব্যবহার বাংলা কবিতাকে এক অনন্য মাত্রা দিয়েছে।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।