<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কোনটি আচরণীয়, আর কোনটি নয়</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজভাবে মনে রাখতে পারেন—চর্যাচর্যবিনিশ্চয় শব্দের মাঝে লুকিয়ে আছে এর মূল অর্থ। এখানে 'চর্যা' মানে হলো যা আচরণ করা উচিত বা পালনীয়, আর 'অচর্যা' মানে যা বর্জনীয় বা আচরণীয় নয়। এই দুইয়ের ভালোমন্দ বা কোনটি গ্রহণ করা উচিত আর কোনটি উচিত নয়, সেটাই এই গ্রন্থে নিশ্চিত করা হয়েছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>১৯০৭ সালে</strong>। হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেন এই সালেই। বাংলা সাহিত্যের আদি এই নিদর্শনটি আবিষ্কারের মাধ্যমে অন্ধকার যুগের অনেক ইতিহাস উন্মোচিত হয়েছিল।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: চর্যাচর্যবিনিশ্চয়</strong>। হরপ্রসাদ শাস্ত्री নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে যে প্রাচীন পুথিটি আবিষ্কার করেছিলেন, তার মূল নাম ছিল 'চর্যাচর্যবিনিশ্চয়' (অর্থ: কোন আচরণ করা উচিত আর কোনটা উচিত নয়)। পরবর্তীতে ড. সুকুমার সেন এর নাম দেন 'চর্যাগীতিকা' এবং হরপ্রসাদ শাস্ত্রী এর নাম দেন 'হাজার বছরের পুরান বাঙ্গালা ভাষায় রচিত বৌদ্ধ গান ও দোহা', তবে মূল পুথির নামকরণ অনুযায়ী এর প্রকৃত নাম চর্যাচর্যবিনিশ্চয়ই।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>১৯০৭</strong> সাল। মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থশালা থেকে প্রাচীন চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেন ১৯০৭ সালে, যা পরবর্তীতে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে 'হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় রচিত বৌদ্ধ গান ও দোহা' নামে প্রকাশিত হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>হরপ্রসাদ শাস্ত্রী</strong>।</p>
<p>বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখতে পারেন এভাবে:</p>
<ul>
<li>১৯০৭ সালে মহামহোপাধ্যায় <strong>হরপ্রসাদ শাস্ত্রী</strong> নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে চর্যাপদের পুঁথি আবিষ্কার করেন।</li>
<li>পরবর্তীতে ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে 'হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় রচিত বৌদ্ধ গান ও দোহা' নামে এটি প্রকাশ করেন।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নেপাল</strong>।</p>
<p>বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন চর্যাপদ মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্তری ১৯০৭ সালে <strong>নেপাল</strong> রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে পুথি আকারে আবিষ্কার করেন। পরবর্তীকালে ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে 'হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় রচিত বৌদ্ধ গান ও দোহা' নামে তা প্রকাশিত হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মাত্রাবৃত্ত</strong> ছন্দ। কারণ চর্যাপদের পদগুলো মূলত মাত্রাবৃত্ত ছন্দের নিয়মে রচিত, যা সন্ধ্যাভাষা বা সান্ধ্যভাষার অন্তর্ভূত প্রাচীন বাংলা কবিতার মূল ভিত্তি। এই ছন্দে প্রতিটি পঙক্তির মাত্রা গণনা করে সুরের লয় রক্ষা করা হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সাধন সম্পর্কিত গীত</strong>। চর্যাপদ মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের সাধন-ভজনের তত্ত্ব ও অনুভূতির কথাই প্রকাশ করে। সহজিয়া সাধকরা তাদের আধ্যাত্মিক সাধনা, যোগক্রিয়া এবং বৌদ্ধ ধর্মের গূঢ় তত্ত্বগুলো বিভিন্ন রূপক ও সাঁটলিপির মাধ্যমে গানের আকারে এই পদে প্রকাশ করেছেন। তাই এগুলো কেবল সাধারণ গান বা কবিতা নয়, বরং তান্ত্রিক বৌদ্ধধর্মের সাধন-ভজন সম্পর্কিত পবিত্র গীত।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>গান</strong>। চর্যাপদ মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের সাধনসঙ্গীত বা আধ্যাত্মিক গান। হরপ্রসাদ শাস্ত্রী চর্যাপদের পুথি আবিষ্কারের পর এর নাম দিয়েছিলেন 'হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় রচিত বৌদ্ধ গান ও দোহা'। এর প্রতিটি পদ এক একটি নির্দিষ্ট রাগে গাওয়া হতো, তাই এটি মূলত কবিতার চেয়ে গান হিসেবেই বেশি পরিচিত।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নেপাল</strong>।</p>
<p>চর্যাপদ হলো বাংলা ভাষার সবচেয়ে প্রাচীন নিদর্শন। ১৯০৭ সালে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি বা রাজলিপিগাঁড় থেকে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেন। তাই চর্যাপদের প্রাপ্তিস্থান হিসেবে নেপালকেই ধরা হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>জসীমউদদীন</strong>। পল্লীকবি জসীমউদদীনের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং পরিচিত ভ্রমণকাহিনী হলো <strong>‘চলে মুসাফির’</strong>। তাঁর সহজ-সরল লেখার গুণে এই ভ্রমণমূলক গ্রন্থটি পাঠকদের মনে এক অন্যরকম অনুভূতির জন্ম দেয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সৈয়দ মুজতবা আলী</strong>।</p>
<p>খুব সহজেই এটি মনে রাখতে পারো যে, জনপ্রিয় রম্য রচনা ও ভ্রমণকাহিনীমূলক গ্রন্থ <strong>'চাচা কাহিনী'</strong>-র বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক হলেন সৈয়দ মুজতবা আলী। তাঁর চমৎকার ও রসাত্মক লেখার স্টাইল খুব সহজেই যেকোনো পাঠককে মুগ্ধ করে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সৈয়দ মুজতবা আলী</strong>।</p>
<p>খুব সহজেই মনে রাখার উপায় হলো, সৈয়দ মুজতবা আলীর অত্যন্ত জনপ্রিয় ও রসাত্মক ভ্রমণকাহিনীমূলক গ্রন্থগুলোর মধ্যে 'চাচা কাহিনী' অন্যতম। তাঁর লেখার ভঙ্গি অত্যন্ত জাদুকরী ও মজাদার হওয়ায় পাঠকদের কাছে এই বইটি দারুণ সমাদৃত।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সৈয়দ মুজতবা আলী</strong>।</p>
<p>খুব সহজেই মনে রাখার জন্য মাথায় রাখতে পারেন যে, বিখ্যাত রম্য রচনা ও ভ্রমণকাহিনীমূলক গ্রন্থ <strong>'চাচা কাহিনী'</strong> বাংলা সাহিত্যের প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও পর্যটক সৈয়দ মুজতবা আলীর একটি অনন্য সৃষ্টি। তাঁর লেখায় সবসময়ই এক ধরণের হালকা চালের রসাত্মক ও বুদ্ধদীপ্ত ভঙ্গি ফুটিয়ে ওঠে, যা এই গ্রন্থটিকেও দারুণ জনপ্রিয় করে তুলেছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সৈয়দ মুজতবা আলী</strong>। তাঁর অত্যন্ত জনপ্রিয় ও হাস্যরসাত্মক ভ্রমণকাহিনি এবং রম্যরচনাগুলোর মধ্যে 'চাচা কাহিনী' অন্যতম। তাঁর সহজ ও সাবলীল লেখার স্টাইল খুব সহজেই পাঠকদের মন কেড়ে নেয়।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।