<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>(Option A: নতুন শব্দ গঠন)</strong>।</p>
<p>খুব সহজ কথায় মনে রেখো, উপসর্গ হলো কিছু শব্দাংশ যা শব্দের শুরুতে বসে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে। যেমন— 'হার' শব্দের আগে 'প্র' উপসর্গ যুক্ত হয়ে তৈরি হয় 'প্রহার', আবার 'উপ' যুক্ত হয়ে হয় 'উপহার'। তাই উপসর্গের মূল কাজই হলো নতুন শব্দ তৈরি করা।</p>
৭১২৭
অমর্ত্য সেন কোন বিষয়ে গবেষণা করে নোবেল পুরষ্কার পান?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>দুর্ভিক্ষ ও দারিদ্র</strong>।</p>
<p>প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন মূলত মানুষের কল্যাণ অর্থনীতি এবং সামাজিক পছন্দের তত্ত্ব নিয়ে কাজ করেছেন। বিশেষ করে, বিভিন্ন দেশের দুর্ভিক্ষ ও তার পেছনের সামাজিক-অর্থনৈতিক কারণ এবং দারিদ্রের স্বরূপ উন্মোচন করার জন্য তিনি ১৯৯৮ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। তাঁর এই গবেষণা বিশ্বজুড়ে নীতি নির্ধারণে এবং ক্ষুধা নিবারণে এক বিশাল পরিবর্তন এনেছে।</p>
৭১২৮
নানান দেশের নানান ভাষা বিনে স্বদেশী ভাষা, পুরে কি আশা'- পঙক্তিটির রচয়িতা কে?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>রামনিধি গুপ্ত</strong> (নিধু বাবু)।</p>
<p>বাঙালি জাতির নিজস্ব ভাষা ও সংস্কৃতির প্রতি গভীর ভালোবাসা প্রকাশ করতে গিয়ে তিনি এই বিখ্যাত পঙক্তিটি রচনা করেছিলেন। মাতৃভাষার চেয়ে বড় আপন আর কিছু হতে পারে না—এই সহজ ও চিরন্তন সত্যটিই এখানে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর</strong>। বাংলা গদ্যে যতি বা ছেদ চিহ্নের সঠিক ব্যবহার ও প্রচলন প্রথম তিনিই করেন। ১৮৪৭ সালে প্রকাশিত তাঁর 'বেতাল পঞ্চবিংশতি' গ্রন্থে তিনি প্রথম সফলভাবে যতি চিহ্নের ব্যবহার করেন, যা বাংলা লেখাকে আরও সহজ ও বোধগম্য করে তোলে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>রাক্ষস</strong>।</p>
<p>বাংলা শব্দার্থ মনে রাখার জন্য কিছু শব্দ সরাসরি মুখস্থ রাখতে হয়। 'কর্বুর' একটি তৎসম শব্দ, যার প্রচলিত অর্থ হলো রাক্ষস, অসুর বা দানব। তাই সঠিক অপশনটি বেছে নেওয়া বেশ সহজ।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>দীর্ঘকালের অভিজ্ঞ ব্যক্তি</strong>।</p>
<p>বাংলা ভাষায় 'ভূষণ্ডীর কাক' একটি খুব পরিচিত বাগধারা। পৌরাণিক কাহিনী অনুযায়ী, ভূষণ্ডী নামের কাকটি অনেক যুগ বেঁচে ছিল এবং রামায়ণের বহু ঘটনার সাক্ষী ছিল। দীর্ঘ জীবন ও নানা ঘটনার মধ্য দিয়ে সে প্রচুর অভিজ্ঞতা অর্জন করেছিল। তাই কোনো বিষয়ে অনেক দিনের পুরোনো ও পোড় খাওয়া অভিজ্ঞতাসম্পন্ন মানুষকে বোঝাতেই মূলত <strong>দীর্ঘকালের অভিজ্ঞ ব্যক্তি</strong> হিসেবে 'ভূষণ্ডীর কাক' বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: যৌগিক</strong> বাক্য।</p>
<p>খুব সহজ একটা টেকনিক দিয়ে এটা চেনা যায়:</p>
<ul>
<li>বাক্যের মাঝে <strong>'কিন্তু'</strong> অব্যয়টি ব্যবহার করা হয়েছে।</li>
<li>যখন দুই বা ততোধিক স্বাধীন বাক্য বা খণ্ডবাক্য 'এবং', 'কিংবা', 'কিন্তু', 'অথচ' ইত্যাদি অব্যয় দিয়ে যুক্ত থাকে, তখন চোখ বন্ধ করে তাকে <strong>যৌগিক বাক্য</strong> বলতে হবে।</li>
<li>এখানে "তার বয়স বেড়েছে" এবং "বুদ্ধি বাড়েনি"—এই দুটি স্বাধীন অংশকে 'কিন্তু' দিয়ে এক করা হয়েছে।</li>
</ul>
৭১৩৪
'যা সহজে অতিক্রম করা যায় না'-এ বাক্যাংশের সংক্ষিপ্ত রূপ কী?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অনতিক্রম্য</strong>।</p>
<p>বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে নিয়মটা একদম সোজা:</p>
<ul>
<li>'যা সহজে অতিক্রম করা যায় না' - এই পুরো অর্থটা প্রকাশ করতে এককথায় <strong>অনতিক্রম্য</strong> শব্দটি ব্যবহার করা হয়।</li>
<li>অন্যদিকে, যা সহজে লঙ্ঘন করা যায় না তা হলো অলঙ্ঘ্য, আর যেখানে যাওয়া কঠিন তা হলো দুর্গম। তাই মূল অর্থ অনুযায়ী সঠিক উত্তর অপশন এ-ই হবে।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>স্ত্রী > ইস্ত্রী</strong>। কারণটা খুব সহজ!</p>
<p>শব্দ উচ্চারণের সুবিধার জন্য অনেক সময় শব্দের শুরুতে অতিরিক্ত স্বরধ্বনি চলে আসে, একেই আদি স্বরাগম বলে। যেমন:</p>
<ul>
<li>'স্ত্রী' শব্দটিতে উচ্চারণের সময় শুরুতে একটি 'ই' কার চলে এসে <strong>'ইস্ত্রী'</strong> রূপ নিয়েছে।</li>
<li>অন্যদিকে, রত্ন > রতন হলো স্বরমধ্যগম বা মধ্যস্বরাগম, গ্রাম > গেরাম হলো মধ্যস্বরাগম এবং স্নেহ > সিনেহ হলো আদি স্বরসঙ্গতি বা বিপ্রকর্ষের উদাহরণ।</li>
</ul>
<p>তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>স্ত্রী > ইস্ত্রী</strong>।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>গজগৃহ</strong>। কথাটি খুব সহজে মনে রাখা যায় এভাবে—সংস্কৃত বা তৎসম শব্দে হাতির একার্থক শব্দ হলো 'গজ'। আর থাকার জায়গাকে বলা হয় 'গৃহ'। তাই হাতির বাসস্থান এককথায় প্রকাশ করলে হয় 'গজগৃহ'।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: ন আদর</strong>।</p>
<p>বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, ন অর্থ 'অভাব' বা 'না' বোঝালে অনেক সময় 'ন' এর জায়গায় 'ন' রেখে তৎপুরুষ সমাস করা হয়। ঠিক একইভাবে, আদরের অভাব বা না-আদর বোঝাতে 'অনাদর' শব্দের সঠিক ব্যাসবাক্য হয় <strong>ন আদর</strong>। এটি একটি নঞ তৎপুরুষ সমাসের চমৎকার উদাহরণ, যেখানে পূর্বপদে 'ন' অব্যয় যুক্ত হয়ে পদের অর্থ পরিবর্তন করে দেয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>10</strong>। বাংলা বর্ণমালায় মোট বর্ণের সংখ্যা ৫০টি, যার মধ্যে মাত্রা বা রেখা থাকে না এমন বর্ণগুলোর সংখ্যা ১০টি।</p>
<p>সহজ মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>স্বরবর্ণে মাত্রাবিহীন বর্ণ আছে ৪টি ($এ, ঐ, ও, ঔ$)</li>
<li>ব্যঞ্জনবর্ণে মাত্রাবিহীন বর্ণ আছে ৬টি ($ঙ, ञ, ৎ, ং, ঃ, ঁ$)</li>
<li>মোট মাত্রাবিহীন বর্ণ = $4 + 6 = 10$টি।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>খ, ঝ</strong>। খুব সহজে মনে রাখার নিয়ম হলো, বাংলা বর্ণমালার প্রতি বর্গের বা সারির দ্বিতীয় ও চতুর্থ বর্ণগুলো হলো মহাপ্রাণ ধ্বনি (যেগুলো উচ্চারণের সময় বাতাসের আধিক্য বা হ-কারের মতো আওয়াজ বেশি হয়)।</p>
<p>যেমন:</p>
<ul>
<li>ক বর্গীয় ধ্বনি: খ (দ্বিতীয় বর্ণ)</li>
<li>চ বর্গীয় ধ্বনি: ঝ (চতুর্থ বর্ণ)</li>
</ul>
<p>তাই খ ও ঝ হলো মহাপ্রাণ ধ্বনির সঠিক উদাহরণ।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।