<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ধ্বনি</strong>। কারণ, মানুষের মুখ থেকে উচ্চারিত যেকোনো বোধগম্য আওয়াজ বা আওয়ােজই হলো ভাষার মূল ভিত্তি।</p>
<ul>
<li>ভাষার সবচেয়ে ছোট বা মৌলিক একক হলো <strong>ধ্বনি</strong>, যা কান দিয়ে শোনা যায়।</li>
<li>ধ্বনিকে লিখে প্রকাশ করার রূপ হলো বর্ণ।</li>
<li>তাই বর্ণ বা শব্দ আসার আগেই ধ্বনি তৈরি হয়, যা ভাষার ক্ষুদ্রতম একক।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>হিসাব-নিকাশ</strong>। ‘গাছ পাথর’ একটি জনপ্রিয় বাংলা বাগধারা, যার মাধ্যমে মূলত কোনো কিছুর বিস্তারিত বা নিখুঁত হিসাবকে বোঝানো হয়। যেমন—কোনো বড় কাজের চূড়ান্ত বা কড়া হিসাব বোঝাতে আমরা এই কথাটি ব্যবহার করে থাকি।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>১৯০৭</strong> সাল। মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেন। বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন এই নিদর্শনটি নিয়ে গবেষণার ক্ষেত্রে ১৯০৭ সালটি ইতিহাসের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>১২০১-১৩৫০</strong>।</p>
<p>বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে ১২০১ থেকে ১৩৫০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত সময়কালকে <strong>অন্ধকার যুগ</strong> বলা হয়। কারণ, এই দেড়শ বছরের ইতিহাসে বাংলা ভাষায় রচিত কোনো উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্মের সন্ধান পাওয়া যায় না। রাজনৈতিক অস্থিরতা ও পটপরিবর্তনের কারণে সাহিত্যের এই খরা তৈরি হয়েছিল।</p>
৭১০১
বাংলা সাহিত্যের পঠন-পাঠনের সুবিধার জন্য বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসকে তিনটি যুগে ভাগ করা হয়েছে-- বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগ
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর</strong>।</p>
<p>তাঁর হাত ধরেই বাংলা গদ্য তার প্রাঞ্জল ও আধুনিক রূপ লাভ করে। বর্ণমালা সংস্কার থেকে শুরু করে বাংলা গদ্যের যতিচিহ্নের সঠিক ব্যবহার—সব ক্ষেত্রেই তাঁর অবদান ছিল অসামান্য। বাংলা ভাষাকে সহজ ও সুন্দর করে তোলার ক্ষেত্রে পথপ্রদর্শক হিসেবে কাজ করার কারণে তাঁকে বাংলা গদ্য তথা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান পুরুষ হিসেবে স্মরণ করা হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বেতাল পঞ্চবিংশতি</strong>।</p>
<p>খুব সহজে মনে রাখার উপায় হলো, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের একটি জনপ্রিয় ও বিখ্যাত গদ্যগ্রন্থ হলো 'বেতাল পঞ্চবিংশতি', যা ১৮৪৭ সালে প্রকাশিত হয়। অন্যদিকে, 'তিলোত্তমা কাব্য', 'মেঘনাদ বধ কাব্য' এবং 'বীরাঙ্গনা'—এই তিনটি রচনাই মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের অমর সৃষ্টি। তাই অপশনগুলোর মধ্যে 'বেতাল পঞ্চবিংশতি' মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচনা নয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>রামনারায়ণ তর্করত্ন</strong>।</p>
<p>খুব সহজে মনে রাখার শর্টকাট কৌশল:</p>
<ul>
<li>বাংলা নাট্যসাহিত্যের ইতিহাসে প্রথম সামাজিক নাটক হলো <strong>'কুলীন কুলসর্বস্ব'</strong> (১৮৫৪ সাল)।</li>
<li>বহুবিবাহ ও কুলীনপ্রথার দোষত্রুটি নিয়ে সমাজে প্রথম জোরালো প্রতিবাদ জানান পণ্ডিত <strong>রামনারায়ণ তর্করত্ন</strong>।</li>
<li>তাই সামাজিক নাটকের রচয়িতা হিসেবে তাঁর নামটা এভাবে মনে রাখলেই পরীক্ষার হলে আর ভুল হবে না!</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: নীলকরদের অত্যাচার</strong>।</p>
<p>দীিনবন্ধু মিত্রের লেখা বিখ্যাত <strong>'নীলদর্পণ'</strong> নাটকের মূল বিষয়বস্তু হলো তৎকালীন বাংলার নীলকর সাহেবদের অকথ্য অত্যাচার এবং এর বিরুদ্ধে সাধারণ কৃষকদের প্রতিবাদ। এই নাটকে নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে কীভাবে নীলকররা কৃষকদের ওপর নির্যাতন চালিয়ে জোর করে নীল চাষ করতে বাধ্য করত।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>রাখালী</strong>। পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের লেখা বিখ্যাত একটি কাব্যগ্রন্থ হলো এই 'রাখালী'। ১৯২৭ সালে প্রকাশিত এই কাব্যটিতে কবি গ্রামবাংলার প্রকৃতি, সাধারণ মানুষের সহজ-সরল জীবন এবং রাখালছোটদের রূপ খুব সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। তাই পল্লিপ্রকৃতির আবহাওয়া ও গ্রামীণ জীবনের সুষমাখচিত এই কাব্যটি তাঁর অমর সৃষ্টিগুলোর মধ্যে অন্যতম।</p>
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।