<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>পতন</strong>। 'উত্থান' শব্দটির সাধারণ অর্থ হলো ওপরের দিকে ওঠা বা জাগরণ। অন্যদিকে, 'পতন' শব্দটির অর্থ হলো নিচে নেমে যাওয়া বা ধ্বংস। তাই খুব সহজেই বলাই যায়, উত্থান-এর উল্টো বা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে পতন শব্দটি।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>দশানন</strong>।</p>
<p>এর কারণ হলো, 'দশানন' শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো 'দশ আনন (মাথা) যার'। এখানে সমাসবদ্ধ পদটি বা কোনো পদই নিজের অর্থ প্রকাশ না করে সম্পূর্ণ নতুন একটি অর্থ (রাবণকে) বোঝাচ্ছে। আর যে সমাসে পূর্বপদ বা পরপদ কোনোটির অর্থ না বুঝিয়ে একটি নতুন অর্থ বোঝায়, তাকেই <strong>বহুব্রীহি সমাস</strong> বলা হয়।</p>
৭৭২৮
কোন শাসকদের সময়কে বাংলা সাহিত্যের অন্ধকার যুগ বলা হয়?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>তুর্কি</strong> শাসনকাল।</p>
<p>খ্রিস্টীয় ত্রয়োদশ শতাব্দীর শুরুর দিকে (১২০১-১২০৪ সালের দিকে) বখতিয়ার খিলজির বাংলা জয়ের পর থেকে পরবর্তী প্রায় একশ বছর (১২০১-১৩৫০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত) রাজনৈতিক অস্থিরতা ও সংঘাতের সময়কাল ছিল। এই রাজনৈতিক গোলযোগের কারণে বাংলা সাহিত্যে তেমন কোনো উল্লেখযোগ্য পৃষ্ঠপোষকতা বা সৃষ্টিশীল সাহিত্যকর্ম দেখা যায় না। এই সময়কার প্রায় কোনো সাহিত্যিক নিদর্শনই আজ আর খুঁজে পাওয়া যায় না বলেই ইতিহাস ও সাহিত্য গবেষকরা এই সময়টাকে বাংলা সাহিত্যের <strong>'অন্ধকার যুগ'</strong> হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।</p>
৭৭২৯
রবীন্দ্রোত্তর যুগের অন্যতম প্রধান আধুনিক কবি যিনি রবীন্দ্রনাথের ব্যক্তিগত সচিব ছিলেন, তিনি হলেন-
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অমিয় চক্রবর্তী</strong>।</p>
<p>খুব সহজে মনে রাখার কৌশল হলো—রবীন্দ্রোত্তর আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান পুরোধা এবং বুদ্ধিবৃত্তিক ধারার কবি ড. অমিয় চক্রবর্তী দীর্ঘ সময় বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ব্যক্তিগত সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তাঁর কবিতায় আধুনিক মনন ও বিশ্ববীক্ষার এক অপূর্ব প্রকাশ দেখা যায়।</p>
৭৭৩০
এত শঠতা, এত যে ব্যথা তবু যেন তা মধুতে মাখা।'- কোন কারকে কোন বিভক্তি? কর্মে সপ্তমী অধিকরণে দ্বিতীয়া
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>করণে সপ্তমী</strong>।</p>
<ul>
<li>বাক্যটিতে মধু দিয়ে মাখা বা মধুর দ্বারা মাখার অর্থ প্রকাশ পেয়েছে।</li>
<li>সহায়তা বা মাধ্যম বোঝালে <strong>করণ কারক</strong> হয়।</li>
<li>আর 'মধুতে' শব্দটির শেষে 'এ' (তে) বিভক্তি যুক্ত থাকায় এটি <strong>সপ্তমী বিভক্তি</strong> হয়েছে।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার সহজ উপায়:</p>
<ul>
<li>অষ্টম শতকের বিশিষ্ট কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর বর্তমান হাওড়া জেলার ভুরসুট পরগনার পাণ্ডুয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।</li>
<li>তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ 'অন্নদামঙ্গল' তাঁকে বাংলা সাহিত্যে অমর করে রেখেছে।</li>
</ul>
৭৭৩২
চর্যাপদের কবিগণের মধ্যে সর্বাধিক পদরচয়িত গৌরবের অধিকারী-
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কাহ্ন পা</strong>। চর্যাপদে সবচেয়ে বেশি পদ রচনা করেছেন তিনি একাই। ড. সুকুমার সেনের মতে চর্যাপদে তাঁর মোট পদের সংখ্যা ১৩টি (অন্য মতে ১২টি), যা অন্য যেকোনো কবির তুলনায় সবচেয়ে বেশি। তাই সর্বাধিক পদ রচয়িতা হিসেবে নির্দ্বিধায় তাঁর নামই আসে!</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বিদ্যাপতি</strong>।</p>
<p>খুব সহজে মনে রাখার শর্ટકাট হলো—কবি বিদ্যাপতি মিথিলা অঞ্চলে জন্মগ্রহণ করেছিলেন এবং তাঁর মধুর পদাবলীর জন্য তাঁকে মিথিলার কোকিল বা <strong>'মৈথিল কোকিল'</strong> উপাধিতে ভূষিত করা হয়। বাংলা সাহিত্যের বৈষ্ণব পদাবলীতে তাঁর অবদান অসামান্য।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: 11</strong>।</p>
<p>মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচিত বিখ্যাত পত্রকাব্য 'বীরাঙ্গনা' মোট <strong>১১টি</strong> পত্র বা কবিতা নিয়ে গঠিত। এই কাব্যের প্রতিটি কবিতায় পৌরাণিক কাহিনীর নারী চরিত্রগুলো তাদের স্বামী বা প্রেমিকদের উদ্দেশ্যে মনের কথা ও অভিমান প্রকাশ করে চিঠি লিখেছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>১৮২০</strong>।</p>
<p>বাঙালি সমাজসংস্কারক ও গদ্যের জনক ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। সহজভাবে মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারেন, তিনি ঊনবিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে অর্থাৎ <strong>১৮২০</strong> সালে এই পৃথিবীতে আসেন।</p>
৭৭৩৬
পদ্মাবতী' কাব্যখানা মহাকবি আলাওল কোন ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় অনুবাদ করেন?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>হিন্দি</strong>।</p>
<p>মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কাব্য 'পদ্মাবতী' মূলত মালিক মুহম্মদ জায়সি রচিত হিন্দি বা অবধী ভাষার বিখ্যাত মহাকাব্য 'পদুমাবত' অবলম্বне রচিত। মহাকবি আলাওল এই হিন্দি কাব্যটিকে সফলভাবে বাংলা ভাষায় অনুবাদ করে বাংলা সাহিত্যে অমর হয়ে আছেন।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>পরি + ঈক্ষা</strong>।</p>
<p>সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, ই-কার বা ঈ-কারের পর যদি ভিন্ন স্বরধ্বনি থাকে, তবে ই-কার বা ঈ-কারের জায়গায় য-ফলা ($্য$) হয়। এখানে 'পরি' শব্দের শেষে থাকা 'ই' এবং 'ঈক্ষা' শব্দের শুরুতে থাকা 'ঈ' মিলে মূলত ই-কার ও ঈ-কারের মিলন ঘটেছে, যা নিয়ম মেনে পরবর্তীতে য-ফলা রূপ নেয়। তাই খুব সহজে মনে রাখতে:</p>
<ul>
<li>প্রথমে উপসর্গ হিসেবে <strong>পরি</strong> বসে।</li>
<li>সাথে মূল শব্দ দীর্ঘ ঈ দিয়ে শুরু হয়ে <strong>ঈক্ষা</strong> হয়।</li>
<li>সব মিলিয়ে সঠিক রূপটি দাঁড়ায় <strong>পরি + ঈক্ষা = পরীক্ষা</strong>।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কৃষ্ণকান্তের উইল</strong>। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিখ্যাত এই উপন্যাসের একটি অন্যতম প্রধান এবং ট্র্যাজিক চরিত্র হলো রোহিণী। গোবিন্দলালের প্রতি তার অনুরাগ এবং এর ফলে সৃষ্ট জটিলতাই এই উপন্যাসের মূল কাহিনীকে এগিয়ে নিয়ে গেছে।</p>
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।